Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল থাকছে সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে । বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পাঁচ বছর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে গত ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ফিরে আসে।

পরে এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। কিন্তু গত ৯ জুন প্রাথমিক শুনানির পর আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কোটা পদ্ধতি বাতিল করার আগ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষণ করা হতো। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ছিল ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ কোটা।


আরও খবর



সোনার দাম কমল

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সোনার দাম কমানো হয়েছে দেশের বাজারে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ৭৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৮৮ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। সোমবার (১ জুলাই) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে গত ২৫ ও ১১ জুন দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। দুদফা দাম বাড়ানোর পর এখন সোনার দাম কমানোর কারণ হিসেবে বাজুস বলছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।

রোববার (৩০ জুন) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে নতুন করে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৮৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৯৫ হাজার ৯৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৭৭৩ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৩৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৫ জুন সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪০০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৪৪ টাকা বাড়িয়ে ৯৬ হাজার ৮৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৯৪৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। রোববার পর্যন্ত এ দামেই সোনা বিক্রি হয়।


আরও খবর



মিরসরাইয়ে স্কুল মাঠে জলাবদ্ধতা, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় স্কুলের মাঠে। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় মিরসরাইয়ের ওচমানপুর হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। বিদ্যালয়ের মাঠ ও রাস্তা নিচু হওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় মাঠটির বেশিরভাগ অংশই জলমগ্ন হয়ে আছে। পানিতে বেড়ে উঠেছে আগাছা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে মাঠে নামতে পারছেন না। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের শরীরচর্চা ও জাতীয় সংগীত অনুষ্ঠান ব্যাহত হচ্ছে।

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিফতাহুল জান্নাত জানায়, স্কুলে আসার সময় জামা ভিজে যায়। কাঁদার জন্য হাঁটতে পারি না। সাপ ও জোঁকের ভয়ে বারান্দা থেকে তো নিচে নামাই যায় না। কখনো ভিজে গেলে ক্লাস করতে পারিনা।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাহফুজুর রহমান বলেন, জলাবদ্ধতা ও কর্দমাক্ত পরিবেশের কারণে শ্রেণিকক্ষে যাতায়াতের সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অনেকেরই পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া শিক্ষার্থীর উপস্থিতিও আগের চেয়ে কমেছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাছিনা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ে ৮০ জন শিক্ষার্থী ও ৫ জন শিক্ষক রয়েছে। ১৯৯৪ সালে নির্মিত স্কুল ভবনের বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষে ফাটলসহ স্কুলের মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দ্রুততার সঙ্গে বিদ্যালয় মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসনসহ ভবন নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করেছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম ফজলুল হক জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্কুল মাঠ ভরাটের জন্য অধিদপ্তরে বরাদ্ধ চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে। এছাড়া বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ কিনা তা পরিদর্শন করে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



যশোরে ভাঙ্গারির দোকানে আগুন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫১জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর শহরতলীর একটি প্লাস্টিক ভাঙ্গারির দোকানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার (১৮জুন) সকাল ১১ টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পৌনে এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে আগুনে ওই দোকানের পুরাতন কাগজ ও প্লাস্টিক পুড়ে গেলেও হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার পাগলাদাহ গ্রামের আব্দুস সালাম বাহাদুরপুর মেহগনিতলায় যশোর-মাগুরা মহাসড়কের পাশে ভাঙ্গারির দোকান পরিচালনা করেন।তার দোকানে পুরাতন কাগজ ও প্লাস্টিকসহ নানান ধরণের ভাঙ্গারি মালামাল মজুদ করা ছিল। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ ওই দোকানের উপর ধোয়ার কুন্ডুলি দেখতে পান স্থানীয়রা। এরপর তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। একইসাথে পার্শ্ববর্তী বাসাবাড়ির লোকজন সরিয়ে নেয়। এ কারণে আগুনে ওই দোকানের পুরাতন কাগজ ও প্লাস্টিক পুড়ে গেলেও হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।

যশোর ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, তার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন। ৬টি ইউনিট এক ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়। এখন কাগজ ও প্লাস্টিকের নিচের আগুন নেভানের জন্য করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। আগুনের সূত্রপাতও ক্ষতি সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে পারেননি তিনি।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর নদী শাসনে ব্যয় বাড়ল

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পদ্মা বহুমুখী সেতুর নদী শাসনে আরও একদফা বাড়ানো হয়েছে ব্যয়। এ খাতে নতুন করে ২৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৫২ হাজার ৩৪৯ টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। এতে পদ্মা সেতুর নদী শাসনের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ালো ৯ হাজার ৮৩৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নতুন করে ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

পদ্মা সেতু সংলগ্ন নদী শাসন কাজের উদ্দেশ্যে চূড়ান্ত দরপত্র গ্রহণ করা হয় ২০১৪ সালের ১৯ জুন। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশে ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নদী শাসন কাজের জন্য চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশনকে নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

প্রস্তাবটি অনুমোদনের পর সিনোহাইড্রো কর্পোরেশনের সঙ্গে ২০১৪ সালের ১০ নভেম্বর ৪৮ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে চুক্তিপত্র সই হয়। যার চুক্তিমূল্য ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৬ টাকা। পরে কয়েক দফায় বাড়ানো হয় সময়। এই কাজ তদারকির জন্য কন্সট্রাকশন সুপারভিশন কনসালটেন্ট হিসেবে কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস নিয়োজিত আছে।

পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহান চলাচল শুরু হওয়ার পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে পদ্মা বহুমুখী সেতুর নদী শাসনের ব্যয় ৮৭৭ কোটি ৫৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৩ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ পদ্মা সেতুর নদী শাসনের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি ৩৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এখন দ্বিতীয় দফায় পদ্মা সেতুর নদী শাসনের ব্যয় ২৪৯ কোটি ৪২ লাখ ৫২ হাজার ৩৪৯ টাকা বাড়ানো হলো। এতে মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়ালো ৯ হাজার ৮৩৪ কোটি ৭৭ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪৯ টাকা।

পদ্মা সেতুর প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা হয় বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ১৯৯৮-১৯৯৯ সময়ে। ২০০৩-০৫ সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করে জাপানের জাইকা। ২০০৬ সালে ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পরিকল্পনা করা হয় বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে। ২০০৯-১১ সময়ে বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করা হয়। নিউজিল্যান্ডভিত্তিক মনসেল এইকম সেতুর পূর্ণাঙ্গ নকশা তৈরি করে। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর জন্য অর্থায়ন করে এডিবি ও বাংলাদেশ সরকার।

২০১২ সালের জুনে বিশ্বব্যাংক তাদের ঋণ বাতিল করে। একই বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৪ সালের ১৭ জুন মূল সেতু নির্মাণ কাজের জন্য চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয়। ওই বছরের ২৬ নভেম্বর সেতুর মূল নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর কাজ উদ্বোধন করেন।

এরপর ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সেতুর প্রথম স্প্যান বসানো হয়। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর শেষ স্প্যান বসানো হয়। আর ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরের দিন ২৬ জুন পদ্মা সেতু দিয়ে যানচলাচল শুরু হয়।


আরও খবর



স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস পাঞ্জেরির ন্যায় আলোর পথ দেখাবে: প্রতিমন্ত্রি আব্দুল ওয়াদুদ (দারা)

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ, রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ (দারা) এম.পি বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ স্কাউটস হবে আলোকবর্তিকা, যে সবাইকে পাঞ্জেরির ন্যায় আলোর পথ দেখাবে।

আজ (১৩ই জুলাই) সকালে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে পুঠিয়া উপজেলা স্কাউটসের আয়োজনে ‘বাংলাদেশ স্কাউটস থেকে প্রাপ্ত কাব স্কাউট ইউনিটে ড্রাম সেট বিতরণ  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দর্শনপ্রসূত ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে স্কাউটিং-এর বিকল্প নেই। ছোটবেলা থেকেই শিশু, কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক, মানসিক, নৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক গুণাবলী উন্নয়নের মাধ্যমে তাদেরকে পরিবার, সমাজ দেশ তথা বিশ্বের স্মার্ট সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ স্কাউটস এক অনন্যসাধারণ নাম। স্মার্ট নাগরিক হতে হলে হাতেকলমে কাজ শেখা,  ছোট-দল পদ্ধতিতে কাজ করা, ব্যাজ পদ্ধতির মাধ্যমে কাজের স্বীকৃতি প্রদান, মুক্তাঙ্গনে কাজ সম্পদান, তিন আঙ্গুলে সালাম ও ডান হাত করমর্দন, স্কাউট পোশাক, স্কার্ফ ও ব্যাজ পরিধান এবং সর্বদা স্কাউট আইন ও প্রতিজ্ঞা মেনে চলে কাব স্কাউটদের আগামীর বিশ্বের জন্য নেতা হয়ে গড়ে উঠতে হবে ।
 তিনি আরও বলেন, “১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশে স্কাউটিং আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন যেন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে আনন্দের মাধ্যমে শিশু-কিশোররা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে এবং স্বাবলম্বী হয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। স্কাউটদেরকে আত্মমর্যাদা সম্পন্ন, সৎ, চরিত্রবান, কর্মোদ্যোগী, সেবাপরায়ণ, সর্বোপরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ স্কাউটস অবিসংবাদী ভূমিকা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও মূল্যবোধ অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে দেশ ও জাতি গঠনে স্কাউট আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অপরিহার্য।“

আব্দুল ওয়াদুদ এ সময় বলেন, সমাজের ও দেশের উন্নয়নের জন্য বৃক্ষরোপন, টিকাদান, স্যানিটেশন ও পরিবেশ সংরক্ষণ, জ্বালানি-সাশ্রয়ী চুলা এবং বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্কাউটদের সেবাদান কর্মসূচি প্রশংসার দাবিদার। তবে কাব স্কাউটদের (৬ থেকে ১০+ বছর বয়সী) বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির নিত্যনতুন আবিষ্কারের পাশাপাশি দেশের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে। তিনি বলেন, পড়ার সময় পড়া, খেলার সময় খেলা এবং কাজের সময় কাজ। কাব স্কাউটদের উদ্যোক্তা হতে হবে।

পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এ, কে, এম নূর হোসেন নির্ঝরের সভাপতিত্বে 
উক্ত অনুষ্ঠানে  অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা চেয়ারম্যান   আব্দুস সামাদ মোল্লা  উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর