Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

"মোটরসাইকেলে বাড়িতে যেতে ডিএমপির নিষেধ"

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশে সড়ক দুর্ঘটনার অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে হয়,বলেছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান । তাই ঈদে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে। আমরা আমাদের পুলিশ সদস্যদেরও নিজেদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মোটরসাইকেলে বাড়ি যাওয়ায় নিষেধ করেছি।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর পান্থপথ মোড়ে শপিংমল ও বাজার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঈদের সময় গাড়ির চাপ থাকে অনেক বেশি। তাই এসময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ঈদে সবাইকে মোটরসাইকেলে যাতায়াত না করার অনুরোধ করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহন যেন রাস্তায় না চলে সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেয়া হয়েছে। বাস মালিকদের নিষেধ করা হয়েছে যেন ফিটনেসবিহীন গাড়ি বের না করে। যদি কেউ অমান্য করে তাহলে ট্রাফিক আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ সময় ঈদের কেনাকাটায় ঢাকার তীব্র যানজট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কমিশনার বলেন, ঢাকায় যে পরিমাণ মার্কেট ও যানবাহন রয়েছে সেই তুলনায় পর্যাপ্ত বৈধ পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। তাই বলে যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিং করা যাবে না, করলে ট্রাফিক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মার্কেট কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে যেন তারা তাদের করিডরে পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখেন।


আরও খবর



১৯ রমজানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘বাংলা ভাষার আজাদী দিবস’ ঘোষণার দাবী

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘বাংলা ভাষার আজাদী দিবস’। আজ ৩০ মার্চ, ২০২৪ রোজ- শনিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর সংলগ্ন ঐতিহাসিক শাহবাজ মসজিদ প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে অনুসন্ধিৎসু একদল তরুণের সংগঠন ‘শেকড় সন্ধানী’, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।   সভায় আলোচকগণ হিজরী সনের ১৯ রমজানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘বাংলা ভাষার আজাদী দিবস’ ঘোষণা ও পালনের দাবী জানান। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুহম্মদ শফিউর রহমান চৌধুরী এবং অতিথি সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুহম্মদ নিজামুদ্দিন।

শেকড় সন্ধানী’র আহবায়ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুহম্মদ আসাদুজ্জামান দিবসটির ঐতিহাসিক পটভূমি নিয়ে আলোচনায় বলেন, মধ্যযুগে বাংলা ছিলো এ অঞ্চলে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা। কিন্তু ব্রাহ্মণ্যবাদী সেন শাসকরা ক্ষমতা দখলের পর সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা কেড়ে নেয়, নিষিদ্ধ করে বাংলা ভাষাকে।   সেন শাসকরা প্রচার করে, “যে বাংলা ভাষায় কথা বলবে সে নরকে যাবে।  সাধারণ মানুষকে দেবতার ভাষা সংস্কৃতিতে কথা বলতে হবে। ” এর মাধ্যমে সেন রাজারা বাংলা ভাষাকে পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ করে।  কিন্তু ৬০১ হিজরী সনের ১৯ রমজান তারিখে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) সেন শাসক লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলাকে মুক্ত করেন।  এর ফলে শুধু ‘বঙ্গ বিজয়’ হয় না, বরং সেন শাসকরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে যে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছিলো, তাও উঠে যায়।  অর্থাৎ বাংলা ভাষা আযাদ বা মুক্তি লাভ করে, সাধারণ মানুষ আবারো বাংলা ভাষা ব্যবহার করার স্বাধীনতা পায়।  তাই এ দিনটি বাংলা ভাষার আজাদী’ দিবস, যা সকল বাংলাভাষী মানুষের জন্য স্মরণীয় একটি দিন। 

মুহম্মদ আসাদুজ্জামান আরো বলেন, ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি মধ্যযুগীয় স্বর্ণমুদ্রা থেকে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি (রহমতুল্লাহি আলাইহি) কর্তৃক বাংলা বিজয়ের দিন ৬০১ হিজরীর ১৯ রমজান বলে জানা যায়। ঐ সময় এ অঞ্চলে মাস গণনায় হিজরী সন প্রচলিত ছিলো, বাংলা বা গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার ছিলো না। তাই হিজরী সন অনুসারে দিবসটি পালন অধিক যৌক্তিক।

আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট বাংলা ভাষা গবেষক ও গ্রন্থ প্রণেতা মুহম্মদ জিয়াউল হক বলেন, ‘বাংলা ভাষার আজাদী দিবস’ যদি না আসতো, তবে হয়ত আমরা এখন বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারতাম না, নিজেদের বাঙালী বলে পরিচয় দিতে পারতাম না।  অনেক প্রাকৃত ভাষার মত বাংলা ভাষাও হয়ত হারিয়ে যেতো।  তাই এ দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।  দিনটির গুরুত্ব অনুধাবন করে তাই আমরা এ দিনটি পালন করছি ।  আমরা চাই, আমাদের মত রাষ্ট্রীয়ভাবেও এ দিনটি পালন করা হোক।  ১৯ রমজান তারিখকে জাতীয়ভাবে ‘বাংলা ভাষার আজাদী দিবস’ ঘোষণা করা হোক।

আলোচনায় শেকড় সন্ধানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য, ঢাবির অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মুহম্মদ মুহিউদ্দিন রাহাত বলেন, বর্তমান নতুন প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা নেই বললেই চলে।  আমরা আমাদের সংগঠন শেকড় সন্ধানীর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে বাঙালী জাতির শেকড়ে নিয়ে যেতে চাই।  খুঁজে বের করতে চাই, আমাদের প্রকৃত ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে।   মুহম্মদ মুহিউদ্দিন রাহাত বলেন, ঐতিহাসিক ১৯ রমজান দিনটি উদযাপন তাই আমরা কোন হল বা অডিটোরিয়ামে না করে বেছে নিয়েছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অবস্থিত মুঘল স্থাপত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহাসিক নির্দশন হযরত হাজী খাজা  শাহবাজ রাহ: জামে মসজিদ প্রাঙ্গণকে।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে দোয়েল চত্বর সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৪শ’ বছরের পুরাতন এমন একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা আছে, তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই জানেন না।  আমরা চাই, নতুন প্রজন্ম এসব ঐতিহাসিক নির্দশনগুলো সম্পর্কে জেনে তাদের শেকড়ের সন্ধান লাভ করুক।

আলোচনা সভা শেষে প্রায় ৪শ’ অতিথিকে নিয়ে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় দেশ, জাতি ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

আরও খবর



স্থানীয় কমিউনিটির কল্যাণে আইএসডি শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক প্রচেষ্টা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সমাজ ও কমিউনিটির কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রাজধানীর সোলমাইদ স্কুল, বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন (বিএসসিএফ) ও ফ্যামিলিজ ফর চিলড্রেনের (এফএফসি) শিশুদের জন্য তহবিল সংগ্রহ, সহযোগিতামূলক কার্যক্রম ও ইফতারের আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার (আইএসডি) শিক্ষার্থীরা। স্কুলের সার্ভিস ডে প্রোগ্রামে এ আয়োজন করে আইএসডি’র শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি আইএসডি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই প্রোগ্রামে আইএসডি শিক্ষার্থীদসহ সোলমাইদ, বিএসসিএফ ও এফএফসি থেকে মোট ১৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালরিয়েটের (আইবি) শিক্ষাকার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্বারোপ করে সমাজ ও কমিউনিটির কল্যাণে এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এ কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের বিশ্ব-নাগরিক

করে গড়ে তোলা হয়। আইবি লার্নার প্রোফাইলে শিক্ষার্থীদের ‘কেয়ারিং,’ অর্থাৎ যত্নশীল বা সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, যাতে তারা অন্যের প্রতি সহমর্মিতা, সমবেদনা ও সম্মান প্রদর্শনের মতো মানবীয় গুণ অর্জন করতে পারে। এই উদ্দেশ্য অর্জনে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে বিভিন্ন কমিউনিটি সার্ভিস বা সমাজকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত করে আইবি কারিকুলাম। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সমাজ ও কমিউনিটির প্রতি দায়িত্ব অনুভব করতে শেখে এবং তাদের মাঝে প্রতিদানের মানসিকতা গড়ে ওঠে।

ইউনিট থ্রি সামেটিভ অ্যাসেসমেন্টের অংশ হিসেবে আইএসডি’র গ্রেড ৮-এর শিক্ষার্থীরা জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজিএস) প্রসঙ্গে পড়াশোনা করে। এই বিশেষ ইউনিটের অধীনে তারা এসডিজি ৪-কে কেন্দ্র করে কমিউনিটি সেবার সিদ্ধান্ত নেয়। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তারা পোশাক, খেলনা, শিক্ষার অনুষঙ্গ ও খাবার সংগ্রহ করে এবং স্কুল কমিউনিটির সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায়।

পাশাপাশি, চমৎকার পোস্টার বানিয়ে ও সামাজিক মাধ্যমে ব্লগ লিখেও তারা এ প্রসঙ্গে সচেতনতা গঠনে ভূমিকা রাখে। সফল এই ক্যাম্পেইন থেকে জমাকৃত অর্থ দিয়ে গ্রেড ৮ শিক্ষার্থীরা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা ও খেলাধুলার সরঞ্জাম ক্রয় করে এবং খাবারের আয়োজন করে।

সার্ভিস ডে প্রোগ্রামের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন পিওয়াইপি, এমওয়াইপি এবং ডিপি’র সার্ভিস গ্রুপ লিডার ও স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা। এর মাধ্যমে আইএসডি শিক্ষার্থীরা সোলমাইদ, বিএসসিএফ ও এফএফসি’র (আইএসডি’র কমিউনিটি স্কুল পার্টনার) শিশুদের সাথে একাত্ম হয়। তারা একসাথে ‘টুমরো’ নামে একটি বাংলা চলচ্চিত্র দেখার পাশাপাশি আরো বিভিন্ন কার্যক্রমে আগ্রহের সাথে অংশগ্রহণ করে। ইফতারের পরে আইএসডি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণকারী তিনটি স্কুলের প্রধানদের হাতে অনুদানের অর্থে কেনা উপহার সামগ্রী তুলে দেয়।

শিক্ষার্থীরা নিজেরাই আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পাদন করে। এমন ফলপ্রসূ একটি উদ্যোগ বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দেন মিডল স্কুল ইন্ডিভিজুয়ালস অ্যান্ড সোসাইটিজের শিক্ষক আয়াজ কায়ামি। সার্ভিস ডে প্রোগ্রামের মূল কর্মপরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সকলের কাছে আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য ভবিষ্যতে একটি ওয়েবসাইটও নির্মাণ করবে আইএসডি শিক্ষার্থীরা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কমিউনিটির জন্য অর্থপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি সেবার তাৎপর্য অনুধাবন এবং শ্রেণিকক্ষের বাইরে আরো বেশি মানুষের কাছাকাছি আসার সুযোগ লাভ করে।


আরও খবর



আইএসডিই এর উদ্যোগে মহেশখালীতে ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নতুন গৃহ হস্তান্তর

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বেসরকারী সমাজ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইড এর সহযোগিতায় ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন জনগোষ্ঠির মাঝে নতুন গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৬ মার্চ ২০২৪ইং স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এক অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়। মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আধারঘোনা এলাকায় কহিনুর আক্তারের কাছে নতুন ঘর হস্তান্তর উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সাইক্লোন মোখা রেসপন্স টিমের ফোকাল পার্সন খালেদ মোরশেদ, কালারমারছড়া ইউনিয়নের প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু আহমেদ, আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার আমেনা বেগম, ব্র্যাক এইচসিএমপি কক্সবাজারের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, প্রকল্প কারিগরী কর্মকর্তা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, আইএসডিই বাংলাদেশের কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মারুফুল ইসলাম, আইএসডিই বাংলাদেশের রোহিঙ্গা রেসপন্স এর কক্সবাজারের প্রধান মোঃ জসিম উদ্দীন সিদ্দীকী, আইএসডিই অর্থ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সানাউল্যাহ, আইএসডিই মহেশখালী উপজেলা ব্যবস্থাপক মনজুর আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক সাইক্লোন মোখা রেসপন্স টিমের ফোকাল পার্সন খালেদ মোরশেদ বলেন, উপকূলীয়ীয় মহেশখালী উপজেলাটি যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য খুবই ঝুঁকিপুর্ণ হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থার অনুকল পরিবেশ না থাকায় এখানে ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির মাঝে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন। সেখানে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই দীর্ঘদিন ধরেই এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেকারনেই আইএসডিই এর সাথে পার্টনাশীপের মাধ্যমে ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে সহায়তা পৌঁছানো হয়। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির মাঝে এ সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্ঠা করা হয়। কালারমারছড়া ইউনিয়নের প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বলেন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই ব্রাকের সহায়তায় এ ধরনের মানবতাবাদী কর্মকান্ড পরিচালনায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। সীমিত বাজেটে একটি পরিপূর্ন ঘর উপহার দেয়া হয়েছে। একই সাথে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থরাই সহায়তা পেয়েছে, সেকারনে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে এখানে ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির সংখ্যা অনেক বেশী, তাই সহায়তার পরিমান বাড়ানোর জোর দাবি জানান। আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইডের সহায়তায় সাইক্লোন মোখা রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে ঘূর্ণীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির জন্য পুর্নবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে আইএসডিইকে সম্পৃক্ত করায় ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আর ও বলেন, উপকূলীয় মহেশখালী উপজেলা নানাভাবে অবহেলিত ও বঞ্চিত। একই সাথে বিদ্যুত খাতের সরকারী বেসরকারী নানা মেঘা প্রকল্প চলমান থাকায় এখানে জীবন জীবিকা নিয়ে ঠিকে থাকা কঠিন, পরিবেশ প্রতিবেশ হুমকির মূখে ও উদ্ববাস্তু জনগোষ্ঠির সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগনের সহযোগিতা নিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের বাছাই করা অনেক কঠিন থাকলেও সীমিত সামর্থের কারনে তা সম্পন্ন করতে হয়েছে। নতুন ঘর গ্রহিতা কালারমারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আধারঘোনা এলাকায় কহিনুর আক্তার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান, স্বামী হারা হবার কারনে নিজের ঘর তৈরী করার সামর্থ ছিলো না। সেকারনে ঘরবাড়ী হারা হয়ে মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য হয়েছিলেন। আইএসডিই সেখানে ত্রাণ কর্তা হয়ে আশ্রয়ের সুযোগ করে দিয়েছে, সেকারনে তাদের প্রতি চির কতৃজ্ঞ থাকবো।

উল্লেখ্য বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইড এর সহযোগিতায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির মাঝে ০৮টি নতুন ঘর, ১১টি ঘর মেরামত, ১৪টি নলকুপের প্লাটফরম তৈরী, ১৮টি নতুন স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন করা হয়।


আরও খবর



‘জাতীয় লজিস্টিকস নীতি’ অনুমোদন পণ্য সরবরাহ নিশ্চিতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আমদানি-রপ্তানি এবং স্থানীয় পণ্যের সহজ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা-২০২৪’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (৮ এপ্রিল) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এর আগে বাংলাদেশে কোনো নীতিমালা হয়নি। অনেকদিন থেকে এটা নিয়ে দাবি ছিল। আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে লজিস্টিক সাপোর্টের গুরুত্ব অপরিসীম। মোট ব্যয়ের একটা বড় অংশ এখানে আছে।

মাহবুব হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত সব নীতিমালা পরীক্ষা করে তা ব্যবসাবান্ধব করতে বলা হয়েছে। কোন সেবা ব্যক্তিখাতে আসবে, কোনটা পিপিপি (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) হবে, কোনটায় সরকার বিনিয়োগ করবে, সে তালিকাও রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন একটি বড় খাত। আমরা দেখেছি এখানে ১০৬ ধরনের পেশার কথা হয়েছে, সেখানে ৫২ ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণও রয়েছে। সর্বনিম্ন কত ঘণ্টার প্রশিক্ষণ হবে, তারও একটা বিধানের কথা রয়েছে এই নীতিমালায়।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে বা স্বল্পতম সময়ে স্বল্পতম ব্যয়ে স্মুথলি যেন পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাটা নিশ্চিত হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে কার্যক্রম গ্রহণ করবেন এবং কী কার্যক্রম গ্রহণ করলে এই সার্ভিসটা দেওয়া সম্ভব হবে, সে সংক্রান্ত একটি দিক-নির্দেশনা এ নীতিমালায় আছে।

খসড়া নীতি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি কাউন্সিল থাকবে। তাতে আটজন মন্ত্রী ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা থাকবেন। এই কাউন্সিল সামগ্রিক দিকনির্দেশনা দেবে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে সমন্বয় কমিটি থাকবে।


আরও খবর



রোজায় সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ইফতার আয়োজনে রিয়েলমি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১৪৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পবিত্র রমজান মাসে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ইফতার ভাগাভাগি করার অনন্য এক উদ্যোগ নিয়েছে তরুণদের জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘টুগেদার ফর বাংলাদেশ’- এর সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ‘‘সবার জন্য ইফতার, সবাই মিলে ইফতার” শীর্ষক এই ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

রোজার দ্বিতীয় শুক্রবার অন্তত ৪০০ জন অসহায় ব্যক্তির ইফতারের ব্যবস্থা করেছে রিয়েলমি। ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এই ইফতারের আয়োজন করা হয়।

এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণের ধারবাহিকতায় রোজার তৃতীয় শুক্রবার রিয়েলমি আরও অন্তত ৫০০ জনের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করেছে। রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত লিডো পিস হোম নামক একটি এতিমখানায় এই ইফতারের আয়োজন করা হয়। রোজার শেষ শুক্রবারেও আরও কিছু সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে ইফতার করানোর পরিকল্পনা রয়েছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটির।

সমাজে একটি সত্যিকারের পার্থক্য তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রিয়েলমি। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে, শুধু রোজাদারদের রোজা ভঙ্গ করার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পেইনটির আয়োজন করা হয়নি; বরং এটি রোজার গুরুত্বকে তুলে ধরা এবং আনন্দ ও খুশিকে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি সুযোগ হিসেবেও কাজ করেছে।

রিয়েলমি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যালেন চেন তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “রিয়েলমি মানুষের জীবনে একটি সত্যিকারের পরিবর্তন আনায় বিশ্বাসী, বিশেষ করে যখন তাদের এটা প্রয়োজন। ‘সবার জন্য ইফতার, সবাই মিলে ইফতার’ শীর্ষক এই ক্যাম্পেইনটি একটি ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন এবং সমাজে বসবাস করা মানুষের জীবনমান উন্নয়নের প্রুতিশ্রুতি বাস্তবায়নের একটি উদাহরণ। টুগেদার ফর বাংলাদেশ- এর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, পবিত্র রোজার মাস শেষ হয়ে গেলেও যেন উদারতা ও সহানুভূতির এই প্রভাব শেষ না হয়ে যায়, এই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।”

তিনি জানান, “টুগেদার ফর বাংলাদেশ এর সঙ্গে সহযোগিতামূলক সিএসআর (কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি) উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে, রিয়েলমি বাংলাদেশ সামাজিক সমস্যাগুলো সমাধান করে সকলের জন্য আরও উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যত বিনির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

রিয়েলমি বাংলাদেশ এবং এর সিএসআর উদ্যোগসমূহের সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে রিয়েলমি বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/realmeBD/– এ ঘুরে আসুন।


আরও খবর