Logo
আজঃ Sunday ২৪ October ২০২১
শিরোনাম
স্থানীয় সাংসদের ডিওলেটার নকল অর্ধকোটি আয়, সিন্ডিকেটে জড়িত সরকারী কর্মকর্তারা

মিঠাপুকুরে ভুয়া কাজীর হাতে ২ হাজার বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

 

রুবেল ইসলাম,মিঠাপুকুর :

 

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ভূয়া নিকাহ্ রেজিস্ট্রার সেজে ৭ বছরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি করে কোটি টাকা আয় করেছেন এনামুল হক নামে কাজী। এই সময়ে তিনি ২ হাজারেরও বেশি নিকাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রি করেছেন। সম্প্রতি জানা গেছে তিনি একজন ভুয়া কাজী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

 

গত ২৬ শে আগস্ট আলোচিত অভিযোগটি উঠেছে-উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নে দক্ষিণপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র কাজী এনামুল হকের বিরুদ্ধে।ভুয়া রেজিস্ট্রারি নিয়োগ দেখিয়ে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।এতে সহযোগিতা করছেন জেলা রেজিস্ট্রার অফিস, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের কিছু কর্মচারী।তবে এই বিষয়ে উভয় উভয়কে দোষারোপ করছেন।

 

অভিযোগকারী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মুন্ডপাশা গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন)আইনে ১৯৭৪(১৯৭৪ সনের ৫২ নং আইন)এর ৪ ধারানুযায়ী নং-বিচার-৭/২এন/২০০৪-৪৪২ নং স্মারেেক কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সেই স্মারক জালিয়াতি করে দীর্ঘ ৭বছর ধরে কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন এনামুল হক।তিনি আরও বলেন-তৎকালীন সময়ে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার নিয়োগপ্রাপ্ত সঠিকতা প্রসঙ্গে ও তার বিরুদ্ধে বিচার-৭/২এন-৬৯/২০০৪-২৬৫ স্মারকে ৮ই মার্চ ২০১৭ সালে জেলা রেজিস্ট্রারকে ফৌজদারি মামলার নির্দেশ দেন সিনিয়র সহকারী সচিব জি.এম.নাজমুল শাহাদাৎ।কিন্তু তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার অর্থের বিনিময়ে কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।জানা যায়-গত ১৬ই ফেব্রয়ারী ২০১৪ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান কাজী আব্দুল ওয়াদুদ(৪৫)।তার মৃত্যুর পর থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে কাজীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

 

নামপ্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় বাসিন্দা জানান-এনামুল কাজী এলাকায় ৮-১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাল্যবিবাহ পড়িয়ে থাকেন।এছাড়া বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার বিয়ে অনেক অর্থের বিনিময়ে রেজিস্ট্রোর করেন বলে দাবী তাদের।

এই বিষয়ে এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। আবু তালেব মিয়া ও ইদ্রিস আলী নামে দুজনকে সাব কাজীর দায়িত্ব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার আব্দুস ছালাম বলেন-ময়েনপুর ইউনিয়নের কাজী এলামুল হকের কোন ফাইল তার অফিসে নেই ।জেলা রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত অনুমতি ও সরকারী মূল্য পরিশোধ না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের কাছ থেকে বই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।তাহলে বই পেল কিভাবে এমন প্রশ্নে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসকে দায়ী করেন তিনি।

 

জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুল সালাম প্রামাণিক জানান-তিনি এই বিষয়ে অবগত নন।ইতিপূর্বে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি এই কাজ করেছেন। তার অফিসের সুপারিশ ছাড়া মুদ্রণ শাখা কখনই কোন বই হস্তান্তর করেন না। কাজী বই কিভাবে পেল এমন প্রশ্নে  তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



ডেমরায় নিরাপদ সড়ক দিবসে সচেতনতামূলক প্রচারণা

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে ট্রাফিক-ডেমরা জোনের সচেতনতামূলক প্রচারণা

প্রকাশিত:Friday ২২ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
Image


নাজমুল হাসানঃ

আজ ২২ অক্টোবর (মঙ্গলবার) জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দেশে এ তৃতীয় বারের মতো দিবসটি পালিত হচ্ছে।“গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি” এ স্লোগানে উজ্জীবিত হয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস- ২০২১ উপলক্ষে ট্রাফিক-ডেমরা জোনের উদ্যোগে সচেতনতামূলক প্রচারণা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ০১ টা পর্যন্ত ট্রাফিক-ডেমরা জোনের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা, পথসভা, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ সাইদুল ইসলাম, পিপিএম এর সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক ট্রাফিক-ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ ইমরান হোসেন মোল্লা’র তত্ত্বাবধানে কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রোড মাতুয়াইল, সিলেট মহাসড়কের স্টাফ কোয়াটার এলাকায় নিরাপদ সড়ক দিবসের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও পোস্তগোলা ঈগলবক্স,জুরাইন এলাকায় এসি ট্রাফিক ওয়ারী জোন বিপ্লব কুমার রায়, জুরাইন পোস্তখলা এলাকার টিআই বিপ্লব ভৌমিক সহ পুলিশ সার্জেন্ট ও অন্যান্য পুলিশ সদস্য সহ চালক ও পথচারীদের সমন্বয়ে রালি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় টিআই বিপ্লব ভৌমিক বলেন চালকদের গাড়ি চালানোর সময় অবশ্যই মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে । পাশাপাশি পথচারীদেরকেউ সড়ক ব্যবহার করার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেন ।

 

সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় সকাল ১১ টায় এসি ট্রাফিক ওয়ারী জোন তারিকুল ইসলাম,টিআই জাকারিয়া মেনন,টিআই আক্তারুজ্জামান,টিআই এ.কে এম মোস্তাফিজুর রহমান,টিআই আলাউদ্দিন আল আজাদ সহ পুলিশ সার্জেন্ট ও অন্যান্য পুলিশ সদস্য সহ চালক ও পথচারীদের সমন্বয়ে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।এসময় বিআরটিএ সহকারী পরিচালক তন্ময় কুমার ধর র্যালিতে অংশগ্রহন করেন।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা খাওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা খাওয়া নিয়ে কথাকাটাকাটি ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

প্রকাশিত:Thursday ২১ October 20২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ১৫৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

গাঁজা সেবন নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে শেখ আকাশ (২০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুলতানপুর গ্রামের সুলতানপুর মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত আকাশ ওই গ্রামের শেখবাড়ির উত্তরপাড়ার হুমায়ুনের ছেলে। তিনি চিনাইর ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

 

হাসপাতাল ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরে সুলতানপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার একটি স্কুলের সামনে আকাশ গাঁজা সেবন করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় উত্তরপাড়ার রিফাতের। এসময় বিষয়টি মীমাংসা করে দেন স্থানীয়রা। আর তাদের বাড়ি ফিরে যেতে বলেন।

 

পরে বিকেলে সুলতানপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আকাশ বন্ধুদের নিয়ে খেলা দেখতে যান। খেলা শেষে মধ্যপাড়া এলাকায় আড্ডা দেওয়ার সময় রিফাত ও তার সহযোগীরা আকাশের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। এসময় আকাশের বুকে ও মাথায় ছুরিকাঘাত করেন রিফাত।

স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় আকাশকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন, ফায়েজ (১৬), আরমান (২০), রাকিব (১৪) ও মাসুম (১৭)। তাদের বাড়ি সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নে। আহতদের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, আকাশের মাথা-বুকে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মৃত্যু হয় হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই।

 

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ মোতায়েন রয়েছে ঘটনাস্থলে।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হচ্ছে।

-খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



নির্বাচন হাওয়া

রূপগঞ্জে নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
Image



 শাকিল আহম্মেদ  রূপগঞ্জ ( নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আসন্ন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সভা করেছে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।শুক্রবার সন্ধ্যায় কায়োতপাড়ার নাওড়াস্থ্য চেয়ারম্যানের অস্থায়ী কার্যালয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংধনু গ্রুপ ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ানম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইমলাম।

 

 অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল আউয়াল, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূইয়া, সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন মিয়া, যুগ্ন সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, আলী আজগর,  থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক মিলন, যুবলীগ নেতা আব্দুল আউয়াল, হাজী সফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান মুন্না, আশফাকুল ইসলাম তুষার, আশরাফুল হক ভুইয়া জেমিন, মহিলালীগ নেত্রী স্বপ্না আক্তার, ইয়াছমীন আক্তার প্রমুখ।

 

 

সভায় রফিকুল ইসলাম বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে আগামী ১১ নভেম্বর আমাদের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আপনারা নির্বিগ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। কোন সন্ত্রাসী কায়েতপাড়ার মাটিতে জোর করে আপনাদের ভোট ছিনিয়ে নিতে পারবে না।

 

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে

রম্যগল্প- বিয়ে বিড়ম্বনা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ২১৮জন দেখেছেন
Image

 

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম


বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে।আমি কেবলই ইউনিভার্সিটিতে পা রেখেছি ছ'মাসও হয় নি আর তিনি অলরেডি আমার জন্য পাত্রী দেখা শুরু করেছেন।আরে বাবা,এই সদ্য উৎপন্ন চাল কি আর সেই সরিষার মতো ফুটফুটে ফুলের তেলের ঘানি টানতে পারবে!

 

বাবাকে কিছু বললেই বলে আমি বেকার হয়েছি তো কি হয়েছে?সেও নাকি এই বয়সেই বিয়ে করেছিল,তার পূর্বপুরুষের পন্থা নাকি এটা!মনে মনে সাধে তো আর বলি না যে এই জন্যেই তো মাথায় আস্ত একটা টাক জন্ম দিয়েছো!!

রাফিনকে ফোন করে আসতে বললাম সেদিন যে দোস্ত,একটা ইমারজেন্সি কথা আছে জলদি টিএসসির সামনে আয়।

ওই ব্যাটা মুখের উপরই বলে দিল,"কি রে আঙ্কেল আবার নিশ্চয়ই তোমার পিছনে বাছুরের মতো ছুটছে?তো বিয়ে করছিস কবে?"

কথাটা শুনে হাসবো না কাঁদবো না ইমোশনাল হবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।শেষমেশ রাফিনকে অভিশাপ....থুক্কু বকা দিয়েছি আর কি!তাকে সোজাসাপটা বলে দিয়েছি বিয়ে করলে আমি একটা হিজড়ারেই বিয়ে করবো।

এই শালা রাফিন ডিরেক্ট গিয়ে বাবাকে বলে দিয়েছে কিন্তু আমি জানি না।

প্রতিদিনের মতো এবারও বেশ ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকেছি।ঢুকেই দেখছি বাসা ভর্তি মানুষ।তাজ্জব ব্যাপার তো!এ সময়ে বাসায় এত মানুষ,কারো বিয়ে হবে নাকি?

বাবাকে খুঁজছি কিন্তু কেউ নেই।রুমের মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন মাথায় ঘোমটা দিয়ে কি সুন্দর করে শাড়ি পরে বসে আছে।মনে মনে ভাবলাম যাক বাবা মনে হয় আমার জন্য ভালো পাত্রীই ঠিক করেছেন।আস্তে আস্তে এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলবো এমন সময় রাফিন এসে গেছে।

কি রে মুহিব্বি!কি খবর?আঙ্কেল তোরে বিয়ে তাইলে দিয়েই দিলো।তো দোস্ত তোমার মনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।আর ভাবী,ছেলেকে তো আগেই দেখেছেন।এখন আরও ভালো করে দেখে নেন।

আসি দোস্ত,ভালো থাক...

এতক্ষণ জোর করে রাগটা চেপে রেখেছিলাম কিন্তু যাক,গাধাটা গেছে এখন।এখন তো আমার বউকে দেখাই যায়!

আস্তে আস্তে আবার এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলছি ধীরেধীরে।

মেয়ের চেহারা যেই না দেখতে যাবো অমনি কি এক বিচ্ছিরি মেয়েছেলে গলা দিয়ে কে যেন বলে উঠলো,"ও গো আমার না লজ্জা লাগছে!প্লিজ ওভাবে তাকিও না!"

আমি কিছুক্ষণ কথাগুলো হজম করলাম।ভাবছি আমার রুমে তো অন্য কেউ নেই তাহলে এই পুরুষ-মহিলা কণ্ঠস্বর আসছে কোথা থেকে!

ধুর,ওসব পাত্তা না দিয়ে এবার ঘোমটাটা খুললাম।ইশশ কি সুন্দর মিষ্টি গায়ের রঙ,ঠোঁটগুলোও কি গোলাপি-- একেবারে গোলাপের পাপড়ির মতো পাতলা,আর চোখ উফফ কি যে অথৈ সাগরে ডুবে গেলাম!একেবারে সাক্ষাৎ পরি!

"এই অমন করে কি দেখছো?আমাকে পছন্দ হয়েছে তো তোমার,বলো না?"

জীবনে বোধহয় এতটা হতভম্ব কখনোই হই নি।মানে কি?শেষ পর্যন্ত মেয়ের গলা পুরুষের মতো হলো!!!এত সুন্দর মেয়ে আর গলা এই বিচ্ছিরি!

মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারপরেও তো সে আমার বউ।

আমার জড়িয়ে ধরে সে বলতে লাগলো,"এই দেখো না আমার দিকে!কেমন লাগছে আমার হু?"

আচ্ছা এক সেকেন্ড এটা তো কোনো মেয়ের গলা না।মেয়েদের গলার স্বর তো সুকণ্ঠ,সুমিষ্ট কিন্তু...

তার মানে এ কি তাইলে হিজড়া!!!আল্লাহ গো, আমাকে বাঁচাও,আব্বা শেষমেশ আমাকে সত্যিসত্যিই হিজড়ার সাথে বিয়ে দিয়েছে!

নাআআআআআআআআ!!!

আব্বাআআআআআআআআআ....

কয়েকদিন পর...

আমি এখন কোথায়?আব্বা,রাফিন দোস্ত আছিস?

-হ্যাঁ দোস্ত বল।তুই হসপিটালে। এখন কেমন লাগছে?

-কিছুটা ভালো লাগছে।কিন্তু আমি না বাসায় ছিলাম,হসপিটালে আসলাম কিভাবে?

-আরে ব্যাটা,তোর মনে নাই তোর বিয়ে হয়েছিল।ওই যে সুন্দর একটা হিজড়ার সাথে।তোদের কথা হচ্ছিলো আর তুই তো আব্বা বলে এমন চিৎকার দিলি। আর আমরা এসে দেখি তুই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস!

ভাইয়া,মুহিব্বি এখন কেমন আছে?

-দোস্ত,এবার বোধহয় আমি আর বাঁঁচবো না!

অতঃপর আমি আবারও সেন্সলেস!!!

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম

 


আরও খবর



কলেজছাত্রকে তুলে এনে বিয়ে, তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা

২৩ বছরের এক ছেলেকে অপহরন করে নিয়ে ২৫ বছরের এক মেয়ের জোরপূর্বক বিয়ে

প্রকাশিত:Monday ১৮ October ২০২১ | হালনাগাদ:Sunday ২৪ October ২০২১ | ৪২৯জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


২৩ বছরের এক ছেলেকে অপহরন করে নিয়ে ২৫ বছরের এক মেয়ের জোরপূর্বক বিয়ে ! পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ছাত্র নাজমুল আকনকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে জোর করে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণী । এ ঘটনায় নাজমুল বাদী হয়ে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন।

 

মামলায় ইশরাত জাহান পাখি  নামের ওই তরুণীসহ অজ্ঞাতপরিচয় ছয় থেকে সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি গ্রহণ করে পটুয়াখালী সদর থানাকে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

এদিকে নাজমুলকে জোর করে বিয়ে করার একটি ভিডিও চিত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর  ১৫ অক্টোবর দুপুর থেকে ওই নারী নিজেকে নাজমুলের স্ত্রী দাবি করে নাজমুলের বাবার বাড়ি মির্জাগঞ্জে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় মির্জাগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।

 

নাজমুল মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের জালাল আকনের ছেলে। অভিযুক্ত ইশরাত জাহান পাখি একই উপজেলার গাজিপুর সাকিনের মো. আউয়ালের মেয়ে।

আসামি ইশরাত জাহান পাখি দীর্ঘদিন ধরে নাজমুলকে মোবাইল ফোনে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিয়ের প্রলোভন দেখান। কিন্তু নাজমুল রাজি না হওয়ায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে নাজমুলকে অপহরণ করা হয়। পরদিন অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে সাত থেকে আটজন ব্যক্তি তাকে বলপূর্বক তাকে একটি নীল কাগজে সই করতে বাধ্য করেন। পরে তাকে ওইদিনই শহরে ছেড়ে দেওয়া হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ দিয়ে তারা একটি কাবিননামা তৈরির পায়তারা করছেন।

 

এদিকে নাজমুলকে অপহরণ এবং পরে জোর করে বিয়ে করার একটি ভিডিও ফুটেজ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

৪৮ সেকেন্ডের ওই ফুটেজে দেখা যায়, একটি কক্ষে একজন তরুণীর বাম পাশে নাজমুল বসে আছেন। পেছন থেকে নাজমুলের মাথার ধরে রেখেছেন এক ব্যক্তি। সেখানে আরও কয়েকজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ভিডিওতে ওই তরুণীতে নীল কাগজে সই করতে দেখা গেছে। সই করার পর তরুণীকে মিষ্টি খাইয়ে দেন একজন। পরে নাজমুলের মুখে মিষ্টি দিলে তিনি ফেলে দেন।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর