Logo
আজঃ সোমবার ০৫ জুন ২০২৩
শিরোনাম

মহেশখালীতে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ১৪৪জন দেখেছেন

Image

আমান উল্লাহ, কক্সবাজার: কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা  মহেশখালীতে ২০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে।এতে করে মিষ্টি কুমড়া চাষীদের মাঝে চলছে খুশির আমেজ। কুমড়া চাষাবাদে  খরচ কম লাভ বেশি  হওয়ায় অন্যান্য পেশার মানুষও কুমড়া চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বর্তমানে ফলনকৃত কুমড়া বাজারে ন্যায্যমূল্যে  বিক্রি করতে পারলে চাষীদের স্বপ্ন পূরণ হবে। পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চাষিরা চলতি সপ্তাহে  বাজারে বিক্রির জন্য মিষ্টি কুমড়া সরবরাহ করতে পারবেন ।


উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হোয়ানক, বড় মহেশখালী, শাপলাপুর, ছোট মহেশখালী ইউনিয়নে ১০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে  মিষ্টি কুমড়া।সুইটি, মনিকা, ব্যাংকক, ত্রিপল-৭ ও সোহাগীসহ নানা জাতের মিষ্টি কুমড়ার বীজ রোপণ করেছেন চাষিরা।উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের চাষি আব্দুল গফুর জানান, ৩ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে সব মিলে খরচ হয় ৫-৬ হাজার টাকা। এই বছর ৮ বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়া বীজ রোপণ করেছেন তিনি। ফলন ভালো হলে এক বিঘা জমির উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হবে ২০-২৫ হাজার টাকা।

কুমড়ার বীজ জমিতে রোপণের ৭০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যেই কুমড়া বিক্রি করা সম্ভব।মহেশখালী উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান , উপজেলায় এবার ২০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।মাঠপর্যায়েও চাষিদের প্রযুক্তিগত পরামর্শ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এক একটি  কুমড়া ৩৫-৪০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করতে পারবেন চাষিরা।ফলন ভালো হওয়ায় মিষ্টি কুমড়া চাষীরা খুশি। 



আরও খবর



নবীনগরে সংঘাত রুখতে দেশীয় অস্ত্র টেটা-বল্লম উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ২২১জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ ,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা, নুরজাহানপুর, গ্রাম থেকে দেশীয় অস্ত্র টেটা- বল্লম উদ্ধার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

গতকাল রোববার (২৮ মে) দুপুর ১টায় দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার ও নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুদ্দিন আনোয়ারের দিকনির্দেশনায় এসআই ইহসানুল হাসান সংগীয় এসআই আল আমিন, এসআই  মহিউদ্দিন পাটোয়ীরী, এসআই বাছির, এএসআই  জহিরুল ইসলাম, এএসআই মকবুল এবং সংগীয় ফোর্স সহ উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা, নুরজাহানপুর, গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ২১টি তিন কাইট্টা, ২০ টি চল,৩০টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা লক্ষ্যে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নবীনগর থানা পুলিশ ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিতে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা কঠিন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৮২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক ;ঢাকা মহানগরীর পর দেশের সবচেয়ে বেশি রোগী চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজারে। জেলার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মাঝে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরও সহস্রাধিক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেখানে। তবে ভাইরাসটি প্রতিরোধে ব্যবস্থাপনা কঠিন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের মাঝে সচেতনতার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। তাদের কালচার আলাদা হওয়ায় এ ব্যাপারে কাজও সেভাবে করা যায় না।

আজ রোববার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

নাজমুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় ওয়াসার পানি ধরে রাখতে হলেও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহের ব্যবস্থা খুব কম। ফলে তারা বিভিন্ন গর্ত থেকে পানি সংগ্রহ এবং অনেক সময় পানি খোলা পাত্রে রেখে দেয়। এ ছাড়া তাদের সচেতনতার বিষয়টি আরও কম।


অধিদপ্তরের এই পরিচালক বলেন, ঢাকায় জনগোষ্ঠী বেশি হলেও সেখানে জায়গা রয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জায়গায় কম মানুষ বেশি। ফলে সেখানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য এলাকার চেয়ে বেশি। এখন পর্যন্ত সেখানে ১ হাজার ৬৬ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

এদিক, ঢাকা মহানগরীতে রোগী বাড়লেও কোন এলাকায় বেশি সে সম্পর্তে জানতে চাইলে কোনো তথ্য দিতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ ব্যাপারে নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় যেখানে ঘনবসতি বেশি সেখানে মশার উপদ্রব বেশি। তবে নির্দিষ্ট করে কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশি সেটি বলা এই মুহূর্তে কঠিন। রোগীদের তথ্য যাচাই করে তারপর বলা যাবে। আমরা পুরো ঢাকা শহরকেই বিবেচনায় নিচ্ছি। আমাদের কাজ রোগী ব্যবস্থাপনা। ডেঙ্গু কোথায় বেশি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের।’

রোগী জটিলতার ব্যাপারে অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন বলেন, ‘ঢাকা শহরে অপরিকল্পিত নগরী গড়ে উঠছে। ঠিক ব্রাজিলের মতোই। ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেই আমরা প্লাটিলেটকে সামনে আনি। অথচ এটি সেভাবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের উচিত সচেতনতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া।’

এ সময় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় পরীক্ষা বেড়েছে। এজন্য গত বছরের ন্যায় এবারও সরকারিতে ১০০ টাকা এবং বেসরকারিতে ৫০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না।


আরও খবর



ভারতীয় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | ৩৪জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ফের বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির কর্ণাটকের চামরাজনগরে সূর্য কিরন প্রশিক্ষণ বিমান আজ বৃহস্পতিবার ভেঙে পড়েছে। তবে এর পাইলট নিরাপদে আছেন। খবর এনডিটিভির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুটিন প্রশিক্ষণের সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তবে ঠিক কী কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে- এর কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনোকিছু জানা যায়নি।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা এএনআই বলছে, বিমানটিতে দুইজন পাইলট ছিলেন। এদের মধ্যে একজন নারী। তবে তারা সুস্থ আছেন। বিমান বিধ্বস্তের কারণ বের করতে কর্মকর্তারা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। দেশটিতে সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের খবর প্রায়শই পাওয়া যায়। এতে অনেক সময় নিহতের ঘটনাও ঘটেছে।


আরও খবর



বরখাস্ত ডিআইজি মিজান নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | ৯০জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদক: অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার আইনের মামলায় বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ তিনজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।

নির্দোষ দাবি করা অপর দুই জন হলেন, ডিআইজি মিজানের ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান।

আজ রোববার ঢাকার ছয় নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর ডিআইজি মিজান এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলে জানান।

আদালত আগামি ২৪ মে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করেছেন। এ মামলায় ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করতে পারেননি মিজান। এরআগে মামলাটিতে চার্জশিটভুক্ত ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।


আরও খবর



সাগরে ৬৫ দিন মাছধরা সরকারি নিষেধাজ্ঞায় জেলেদের দুর্বিষহ জীবন

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মে ২০23 | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ জুন ২০২৩ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

আমান উল্লাহ, কক্সবাজার: সাগরে ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছের প্রজননকালে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে মাছধরার উপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এতে জীবিকার একমাত্র মাধ্যম মাছ ধরা বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণ   নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে অন্তত এক লক্ষাধিক  জেলে।জেলেরা জানান, বন্ধের এই দিনগুলোতে জেলেদের জনপ্রতি সরকারি যে সহায়তা প্রদান করা হয়-তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। সরকারি সহায়তার বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি তাদের। এ নিয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা জানান, মাছধরা বন্ধের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার লক্ষ্যে জেলেদের সহায়তাসহ নানা কর্মসূচি সরকারের রয়েছে। প্রতি বছরই তা বাড়ছে।শুক্রবার (১৯মে) মধ্যরাত থেকে মাছধরা বন্ধের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় শুক্রবার বিকালের মধ্যেই সাগর থেকে উপকূলে ফিরেছে অধিকাংশ ট্রলার। অল্পসংখ্যক ট্রলার সাগরে অবস্থান করলেও মাছধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগেই মধ্যরাতের মধ্যে ফিরে আসার কথা রয়েছে। সাগর থেকে ফিরে আসা সারি সারি নোঙর করা এসব ট্রলারের দেখা মিলেছে কক্সবাজার শহরে বাঁকখালী নদীর বিভিন্ন নৌঘাটে। এতে ট্রলার থেকে মাছধরার জালসহ অন্যান্য মালামাল সরিয়ে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা।কিন্তু দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সাগরে মাছধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় পরিবারের স্বজনদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

তারা জানান, নিত্যপণ্যের বাজারে জেলেদের সরকারি সহায়তার বরাদ্দ অপ্রতুল। প্রকৃত অনেক জেলে নিবন্ধনের আওতায় না এলেও ভুঁয়া অনেকে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।আব্দুল ওদুদ  নামে এক জেলে জানান, কদিন আগে গেল ঘূর্ণিঝড় মোখা। এরপর ছিল সমুদ্র উত্তাল। আর এখন ৬৫ দিনের জন্য সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ। সুতরাং সামনের দিনগুলো খুবই কষ্টের মধ্যে যাবে। এই বেকার সময় সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে সরকারের পক্ষ থেকে যে সহায়তা দেওয়া হয় তাও ঠিকমত বণ্টন করা হয়না।আব্দুর রহমান  নামে আরেক জেলে জানান, ৮ সদস্যের পরিবারের ভরণ-পোষনের দায়িত্ব তার কাঁধে। সরকারের পক্ষ থেকে যে সহযোগিতা করা হয় তা যতেষ্ট নয়। তারমধ্যে সবকিছুর দাম বাড়তি। ওই বন্ধের দিনগুলোতে রিক্সা চালিয়েও সংসার চলেনা।বাহাদুর  নামে আরেক জেলে জানান, অনেক সময় দেখা যায় জেলেদের জন্য আসা বরাদ্দ ঠিকমত বণ্টন হয়না। যারা দায়িত্বে থাকে তারাও ওখানে ভাগ বসায়। এছাড়া অনেক সময় তালিকায় প্রকৃত জেলেদের নাম বাদ দিয়ে অন্য পেশার লোকজনকে যুক্ত করা হয়।

প্রশাসনের কাছে এই দুর্নীতি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির উপদেষ্টা এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়নাল আবেদীন জানান, মাছধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে জেলেদের সহায়তার বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি। প্রকৃত জেলেদের নিবন্ধনের আওতায় এনে তালিকাভুক্তদের স্বচ্ছতার সাথে সহায়তার ব্যবস্থা নিতে হবে।কক্সবাজার সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তারাপদ চৌহন জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সাগর থেকে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিপণনসহ সবধরণের কর্মকাণ্ড নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। আইন অমান্যকারিদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলেদের সহায়তার বিষয়টি সরকারের চলমান কর্মতৎপরতারই অংশ।শুক্রবার মধ্যরাত থেকে আগামী ২৩ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত সাগরে মাছধরার উপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য মতে, জেলায় মাছধরার নিবন্ধিত ট্রলার রয়েছে ৫ হাজার ১৫৩টি এবং নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৩৯৪ জন। এছাড়া অনিবন্ধিত ট্রলার রয়েছে অন্তত ৩ হাজার এবং অনিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। 


আরও খবর