Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মেট্রোরেল আগামী সোমবার (১৭ জুন) পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া মেট্রোরেলের জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এন সিদ্দিক।

এম এন সিদ্দিক বলেন, আগামী ১৯ জুন থেকে মেট্রোরেলের পিক ও অফ পিক আওয়ারের সময় পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। সরকার নির্ধারিত অফিসের নতুন সময়সূচির কারণেই আগের সময় পরিবর্তন হয়েছে। স্পেশাল অফ পিক আওয়ারে শুধুমাত্র এমআরটি বা র‍্যাপিড পাসধারীরা ভ্রমণ করতে পারবেন। রাত ৯ টা ১০ মিনিটের পর টিকিট ক্র‍য়-বিক্রয় বন্ধ হয়ে যাবে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর চামড়া ও কাঁচা বা রান্না করা মাংস মেট্রোরেলে বহন করা যাবে না এমন তথ্য জানিয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, আগের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

মেট্রোরেলের ভাড়ায় ভ্যাট যুক্ত হচ্ছে কি না এমন তথ্য জানাতে পারেননি এম এন সিদ্দিক। তিনি জানান, ভ্যাট মওকুফের জন্য এনবিআর বরাবর চিঠি দিয়েছে ডিএমটিসিএল কতৃপক্ষ।১


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের শেষ আশ্রয়স্থল হুইপ : নজরুল ইসলাম বাবু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃজাতীয় সংসদের হুইপ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু বলেছেন, বিএনপি জামায়াত দেশকে ধংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের শেষ আশ্রহস্থল।  

শনিবার বিকেলে আড়াইহাজার উপজেলার বালিয়াপাড়া স্কুল এন্ড কলেজে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় হুইপ বাবু আরো বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিশ্যৎ। শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ হও। আমার নির্বাচনী এলাকায় কেউ মাদক বিক্রি করতে পারবে না। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক নির্মূল করতে প্রয়োজনে রক্ত দেবো। সবাই আমার সঙ্গেই থাকুন।

এসময় বালিয়াপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, আড়াইহাজার উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা মোশারফ, বালিয়াপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বাবু গোপাল মল্লিক প্রমূখ।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



পারকিন্সের সাথে এনার্জিপ্যাকের অংশীদারিত্বের ২০ বছর পূর্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ডিজেল ইঞ্জিন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পারকিন্সের সাথে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি’র ২০ বছরের অংশীদারিত্ব পূর্ণ হয়েছে। এর মাধ্যমে দুইটি ভিন্ন দেশের দুই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের বহু বছরের অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত হলো। এ উপলক্ষে এনার্জিপ্যাকের পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজেল ইঞ্জিন ডিজাইন, উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পারকিন্স ব্যাপকভাবে সমাদৃত। এই উৎপাদক প্রতিষ্ঠানটি সেরা পণ্য ও সেবা প্রদান এবং পাওয়ার সল্যুশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এনার্জিপ্যাক বাংলাদেশে পারকিন্সের অনুমোদিত পরিবেশক। প্রতিষ্ঠানটি আসল পারকিন্স ইঞ্জিন এবং পারকিন্সের বিস্তৃত পণ্য সামগ্রীর সবধরনের খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রি করার ক্ষেত্রে অনুমোদিত পরিবেশক। দেশে থাকা ক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে এনার্জিপ্যাকের কাছ থেকে পারকিন্স পণ্যের বিক্রয়-পরবর্তী সেবা ও ওয়ারেন্টি গ্রহণ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি গত ২০ বছর ধরে পারকিন্সের ক্রেতাদের মানসম্মত গ্রাহক-সেবা (কাস্টমার সার্ভিস) প্রদান করছে।

গত ০৯ জুলাই রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত এনার্জি সেন্টারে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রবিউল আলম; পরিচালক এনামুল হক চৌধুরী ও রেজওয়ানুল কবির; পারকিন্স ইঞ্জিনের আফটার মার্কেট বিজনেস ম্যানেজার সুশীল কুমার দ্বিবেদী সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রবিউল আলম বলেন, “পারকিন্স এবং আমরা একই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা উভয়েই টেকসই উন্নয়নের জন্য সেরা পাওয়ার সল্যুশন নিশ্চিত করতে চাই। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উৎকর্ষ সাধনের এই যাত্রায় পারকিন্স গত ২০ বছর ধরে আমাদের ওপর ভরসা রেখেছে।আমাদের প্রবৃদ্ধির পেছনে অবদান রাখার জন্য আমরা পারকিন্স এবং একইসাথে আমাদের অগণিত ক্রেতাদের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।”

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




আজ শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস। ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ওই সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়া হয়। এসব দাবির প্রেক্ষিতে তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের।

সেদিন ভোরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বে-আইনীভাবে শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। সেই সময় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বন্দি অবস্থায় তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নীলনকশা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আবেদন আইন বহির্ভূতভাবে না মঞ্জুর করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।

গ্রেপ্তার পূর্ব মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরকে গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্র প্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন। বঙ্গবন্ধু কন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় পিতার ন্যায় আপসহীন মনোভাব নিয়েই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার যাত্রা শুরু হয়।

জনগণের মুক্তি আন্দোলনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক জেল-জুলুম ও অত্যাচার-নির্যাতন। অসংখ্যবার মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে। জনগণের ভালোবাসায় সকল ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অকুতোভয় নির্ভীক সেনানীর মতো নিরবচ্ছিন্নভাবে পথ চলেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সকল বাধা-বিপত্তি জয় করে আজ শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ^ দরবারেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল জনগণের প্রাণ প্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সূত্র : বাসস

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



২০ বছরের দ্বন্দ্ব ভুলে আবারও কাছাকাছি ইমরান-মল্লিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক:সিরিয়াল কিসার নামের তকমা ঝেড়ে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু চাইলেই তো আর সবকিছু মুছে ফেলা যায় না। এই যেমন ‘মার্ডার’ সিনেমায় মল্লিকা শেরওয়াতের সঙ্গে তার চুম্বন দৃশ্যটি আজও চর্চিত হয়।

তবে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমরান জানিয়েছিলেন, মল্লিকা ভালো কিসার নন। এ কথা শুনে খেপে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তিনিও জানিয়েছিলেন, ইমরানকে চুমু খাওয়ার চেয়ে সাপকে চুমু খাওয়া ভালো। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

কয়েক মাস আগে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা হয় তাদের। এর মধ্য দিয়ে তাদের ২০ বছরের দূরত্বের অবসান হয়। সম্প্রদি গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন ইমরান। সব ভুলে পুনরায় মল্লিকার সঙ্গে অভিনয় করার আগ্রহ প্রকাশ করলেন ইমরান হাশমি। তিনি বলেন— (আমাদের দুজনের সাক্ষাৎ খুবই উষ্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল। আমি তাকে অনেক দিন পর দেখেছি। আমার মনে হয় মার্ডার মুক্তির পর তার সঙ্গে মাত্র কয়েকবার দেখা হয়েছে। এরপরই তো আসলে আমাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ শুরু হয়ে যায়। আমাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।)

হাশমি অতীত হাতড়ে নিজেদের ভুল শুধরে বলেন- আমরা তখন তরুণ এবং মূর্খ ছিলাম। জীবনে এমন একটি পর্যায় আসে যখন আপনার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা এত সীমিত এবং খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন, যা অনেক পরে টের পাওয়া যায়। তখন কিছু কথা মল্লিকা বলেছিল, কিছু আমি। সেগুলো আসলে খারাপ ছিল। আমি মনে করি, এটি এখন অতীত। আমরা এটিকে অনেক আগেই একপাশে ফেলে দিয়েছিলাম। প্রায় দুই দশক পর তাকে সামনাসামনি দেখে খুব ভালো লেগেছিল।)

এর আগে ২০২১ সালে হাশমির সঙ্গে বিবাদ সম্পর্কে ‘দ্য লাভ লাফ লাইভ’ শোতে কথা বলেছিলেন মল্লিকা। মন্দিরা বেদীর শোতে তিনি তাকে চমৎকার পুরুষ বলে প্রশংসা করেছিলেন। সেই সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব বা লড়াইকে ‘শিশুসুলভ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।


আরও খবর



কল ড্রপের বিষয়ে ছাড় পাবে না কোনো মোবাইল অপারেটর: পলক

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা আগামী জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাব। কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না, বলেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

রোববার (৩০ জুন) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশনা দেন।

পলক বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে কল ড্রপের হার কমিয়ে আনার জন্যই আজকে আমরা বৈঠকে বসেছি। সরকার মোবাইল অপারেটরদের যেসব সুবিধা দিয়েছে তার বিপরীতে গ্রাহকরা প্রতিশ্রুত সেবা পাচ্ছেন কি না সেটিই বড় বিষয়। সম্প্রতি বিটিআরসি কল ড্রপ নিয়ে যে পরীক্ষাগুলো করেছে সে রিপোর্ট অনুসারে কোয়ালিটি অব সার্ভিস খুব সন্তোষজনক নয়। মোবাইল ফোন এখন জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা দেখছি যে, আমাদের গ্রাহকেরা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে কলড্রপ নিয়ে অপারেটরগুলো থেকে যে তথ্য দিক না কেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না গ্রাহক এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে একটা উল্লেখযোগ্য চিত্র না পাব বা রিক্যাকশন না পাব ততক্ষণ পর্যন্ত শুধু কাগজে-কলমে বা ডিজিটাল উপস্থাপনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে সন্তুষ্ট হব না।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের (মোবাইল অপারেটরদের) পরিষ্কার বার্তাটি দেওয়ার জন্য আজ আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা একটি স্মার্ট টেলিকম ইকোসিস্টেম বাংলাদেশকে উপহার দিতে চাই। কলড্রপের জন্য গ্রাহকের যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা আমরা আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে যাব। যেহেতু আমরা আরও কঠোর অবস্থানে যাব, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা যেন করা হয়। সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণটাই আমরা দেওয়ার চেষ্টা করব, যাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরগুলো একটা চাপে থাকে যে, তারা যদি সেবা না দেয় তাহলে তাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

পলক আরও বলেন, আমরা মনিটরিং এবং অডিট নিয়মিত করব। বেঞ্চমার্ক যাই থাকুক, কলড্রপ রেট কাগজে-কলমে যাই থাকুক, আমাদের গ্রাহকের সন্তুষ্টির ওপর জোর দেব। ফাইভজি রোল আউটেরও একটা নির্দিষ্ট টার্গেট বিটিআরসি এবং চারটি মোবাইল অপারেটরকে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এয়ারপোর্ট, সি পোর্ট এবং কিছু বিজনেস ডিস্ট্রিক্টস, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক-শিল্পাঞ্চলে ফাইভজি রোল আউট করা। তারপর গ্র্যাজুয়ালি রোল আউট করা। আমাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের থার্ড টার্মিনাল অক্টোবরে উদ্বোধন হতে পারে। অক্টোবরকে টার্গেট করে চারটি মোবাইল অপারেটরকে একটা চ্যালেঞ্জ দিতে চাই, যেন অক্টোবরের ৩০ তারিখের মধ্যে ফাইভজি ওখানে নিশ্চিত করতে পারে। পাশাপাশি গুলশান, বনানী, মতিঝিল, আগারগাঁও এলাকায় ফাইভজি এনাবল অনেক স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয় বেশি। আমার বিশ্বাস এখানেও মনোযোগ দেবে।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদসহ গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি এবং টেলিটক অপারেটরদের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর