Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মেটলাইফের বিমা সুবিধা পাবেন হোটেল হলিডে ইন ঢাকার কর্মীরা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :[ঢাকা, ২৭ নভেম্বর ২০২৩] হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার বাংলাদেশে তাদের কর্মীদের বিমা সুবিধা প্রদান করতে সম্প্রতি মেটলাইফের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।চুক্তির অংশ হিসেবে হোটেলটির সকল কর্মী ও তাদের ওপর নির্ভরশীলরা চিকিৎসা, জীবনহানি ও অক্ষমতার ক্ষেত্রে বিমা সুরক্ষার আওতায় থাকবেন। কাস্টমাইজড সল্যুশন, অনলাইন বিমা নিষ্পত্তি সেবা, বিমা দাবির দ্রুত পেমেন্ট ও আর্থিক সক্ষমতার কারণে নিজেদের কর্মীদের বিমা সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে মেটলাইফকে নির্বাচন করে প্রতিষ্ঠানটি। হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড -এর মালিকানাধীন হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার বিশ্বের সুপরিচিত হোটেল ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম, যারা ব্রিটিশ বহুজাতিক হসপিট্যালিটি প্রতিষ্ঠান

ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ (আইএইচজি)-এর অংশ। বাংলাদেশে মেটলাইফ ৯শ’টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৩,৮৫,০০০-এরও বেশি কর্মী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীলদের বিমা সেবা প্রদান করছে। ২০২২ সালে মেটলাইফ এর পলিসি হোল্ডারদের প্রায় ৩,২২৯ কোটি টাকার বিমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে।

হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের জেনারেল ম্যানেজার নুরিজান বিনতি ইয়াকুব বলেন, “হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারে আমরা আমাদের গ্রাহক ও তাদের পরিবারের জন্য বিশ্বমানের বাসস্থান ও সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করি। আমরা আমাদের কর্মীদের জন্যও সেরা সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।

মেটলাইফের সাথে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এটা করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।” মেটলাইফ বাংলাদেশের চিফ কর্পোরেট বিজনেস অফিসার নাফিস আখতার আহমেদ বলেন, “যে সকল প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের প্রতি যত্নশীল তাদেরকে সেবা দিতে পেরে আমরা গর্বিত। আমাদের চাহিদা-ভিত্তিক সমাধান হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার হোটেলের কর্মীদের প্রয়োজন পূরণে সক্ষম হবে।”

চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর অব অপারেশনস মো. শহিদুস সাদেক তালুকদার, অ্যাসিসটেন্ট ডিরেক্টর অব ফাইন্যান্স তানভীর আহমেদ শ্যামল ও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজার সেন্টু মারমা। মেটলাইফ বাংলাদেশের এমপ্লয়ি বেনিফিটসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুল ইসলাম, ম্যানেজার এস এম শাহরিয়াজ আরাফাত, ম্যানেজার নাফিস ইসলাম এবং ইউনিট ম্যানেজার আমির।


আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তিশার বাবা মুশতাকের বিরুদ্ধে জিডি করলেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সিনথিয়া ইসলাম তিশাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার বাবা মো. সাইফুল ইসলাম।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিশার বাবা মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে যান। তিনি ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুজ্জামান বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তিশার বাবাকে হোয়াটসআপে কল করেন। তার দাবি মতে, তাকে ওই ব্যক্তি বলেন, বেশি বাড়াবাড়ি কইরেন না, বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার মেয়েকে মেরে ফেলব।

মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকির বিষয়ে ডিবিতেও অভিযোগ করেছেন তিশার বাবা সাইফুল ইসলাম। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ফোন ধরে পরিচয় জানতে চাওয়ার পর বেশি বাড়াবাড়ি করলে মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি অশুভ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে ঘটনা যথাযথ তদন্ত ও সুষ্ঠু ব্যবস্থার দাবি জানান তিনি।

ডিবি কার্যালয় থেকে বেড়িয়ে তিশার বাবা সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, খন্দকার মুশতাক আহমেদই নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এর আগেও আমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন মুশতাক।

তিশার বাবা আরও বলেন, আমার ধারণা খন্দকার মুশতাক আহমেদ তার লোকজনকে দিয়ে নানাভাবে আমাকে চাপে রাখার জন্য হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। বিষয়টির একটা আইনগত পদক্ষেপ জরুরি। সেজন্য মুগদা থানায় জিডি করেছি, আজ ডিবিতে লিখিত অভিযোগ করলাম।

ডিবিপ্রধান আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে।


আরও খবর



মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি মন্টু, মানিক সাধারণ সম্পাদক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধি:ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি পদে এসএ টিভি প্রতিনিধি ফজলুল হক মন্টু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আরটিভি প্রতিনিধি মাজেদুল হক মানিক । মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের আহবায়ক মহসিন আলী আঙ্গুর, প্রেস ক্লাবের নির্বাচন কমিশনার নুরুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনার ডক্টর আলিবদ্দীন ও সাজাদুজ্জামান নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

প্রেস ক্লাব দ্বি-বার্ষিকী নির্বাচনে ১৩ টি পদের মধ্যে সহ সভাপতির দুটি পদ ছাড়া বাকি পদগুলোতে একক প্রার্থী ছিলেন। সহ সভাপতি পদে মহসিন আলী (মাথাভাঙ্গা), ফারুক মল্লিক (ইনকিলাব) ও মেহের আমজাদ (বাংলাদেশ বার্তা) প্রতিদ্বন্দীতা করেন। ভোটের মাধ্যমে মহসিন আলী ও ফারুক মল্লিক বিজয়ী হন।

নির্বাহী পরিষদের নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেন ইয়ামিন মুক্ত (সময় টিভি) ও জিএফ মামুন লাকি (আকাশ খবর), অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (বাংলাদেশের খবর), সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুজ্জামান (চ্যানেল ২৪), দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদ (প্রথম আলো), নির্বাহী সদস্য উম্মে ফাতেমা রোজিনা (এটিএন নিউজ ও এটিএন বাংলা), নুহু বাঙ্গালী(দেশের কণ্ঠ), আসিফ ইকবাল (একাত্তর টিভি) ও মামুন বঙ্গবাসি (মুক্তখবর) ।গাংনী ও মুজিবনগর প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নির্বাচিতদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।


আরও খবর



শীতার্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিলেন যুব মহিলা লীগ সভাপতি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:মিরসরাই উপজেলা যুব মহিলা লীগ সভাপতি ও আসন্ন মিরসরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিবি কুলছুমা চম্পার ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শীতার্ততের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তিনি এসব শীতবস্ত্র তুলে দেন। এসময় শীতার্তরা শীতবস্ত্র পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তাকে জড়িয়ে ধরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মিরসরাই উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি বিবি কুলছুমা চম্পা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমি মিরসরাইয়ে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং আইটি বিশেষজ্ঞ মাহবুব উর রহমান রুহেল এমপির নেতৃত্বে ও দিকনির্দেশনায় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকান্ড করে আসছি। রাজনীতির সুবাদে মিরসরাইয়ের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্টও দেখেছি। সেই ভাবনা থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি।


আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাংলাদেশ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় দশম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) জানিয়েছে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দশম বলে 

সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি হয়েছে। গত এক যুগের মধ্যে বাংলাদেশে দুর্নীতি এবার সবচেয়ে বেশি।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি উপস্থাপন করে টিআইবি।

সংস্থাটি বলছে, দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ২৪। সমান স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকান রিপাবলিক, ইরান, লেবানন ও জিম্বাবুয়ে। ২০২৩ সালে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২তম। বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৫। আর তালিকায় দেশ হিসেবে ১৪৭ তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। যেখানে এবার ১৪৯ তম।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিপিআই (দুর্নীতির ধারণা সূচক) অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান হতাশাজনক। সিপিআই ২০২৩ অনুযায়ী এ বছর বাংলাদেশের স্কোর ২০২২ এর তুলনায় এক পয়েন্ট কমে ২৪। নিম্নক্রম অনুযায়ী অবস্থানের দুই ধাপ। অবনতি হয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ম এবং ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী ১৪৯তম।

তিনি বলেন, সূচকের বিশ্লেষণ করলে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের স্কোর ও অবস্থান গত এক যুগের মধ্যে সর্বনিম্ন। স্কোর ও অবস্থানের এই অবনমন প্রমাণ করে যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন অঙ্গীকার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে "শূন্য সহনশীলতার" ঘোষণা বাস্তবিক অর্থে কার্যকর প্রয়োগ হয়নি। বরং আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও কাঠামোগত দুর্বলতায় বাংলাদেশের অবস্থানের আরো অবনতি হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে এবারও বাংলাদেশের অবস্থান ও স্কোর যথারীতি বিব্রতকরভাবে আফগানিস্তানের পর।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, টিআইবির উপদেষ্টা (নির্বাহী ব্যবস্থাপনা) অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মনজুর-ই-আলম, সমন্বয়ক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়। ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রথম তালিকাভুক্ত হয়। তখন এ তালিকায় মোট ৯১টি দেশ ঠাঁই পায়।


আরও খবর



পরিস্থিতি যাই হোক আর একজনকেও অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না: বিজিবি প্রধান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পরিস্থিতি যাই হোক সীমান্ত দিয়ে আর একজন মিয়ানমার নাগরিককেও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না,বলেছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যসহ (বিজিপি) ৩৩০ জনকে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশের কাছে হস্তান্তর শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বিজিবি প্রধান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধৈর্য ধারণ করে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রেখে বিজিবিকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে বিজিবির তত্ত্বাবধানে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী সদস্যদের সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকরণ করে এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় আগত ৯ বিজিপি সদস্যকে বিজিবির তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি বলেন, গত ১১ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিজিপিসহ ৩৩০ জন সদস্যকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য বিজিবিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মেহেদী হোসাইন কবীরের নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও পুলিশের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রত্যাবাসন কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয় করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপিসহ অন্যান্য সদস্যদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এখন শুধু মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে অস্ত্রগুলো পৃথক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফেরত পাঠানো হবে।

বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, সীমান্তবর্তী জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তায় সীমান্তে বিজিবির টহল ও জনবল বাড়ানো হয়েছে। তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে বিজিবি সীমান্তের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিস্থিতি যাই হোক সীমান্ত দিয়ে আর একজন মিয়ানমার নাগরিককেও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে স্পিডবোটযোগে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুলিশ কর্নেল মিউ থুরা নাঙয়ের নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট বিজিপি প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের ইনানী নৌ-বাহিনী জেটিঘাটে এসে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু, ঘুমধুম ও বাইশফাঁড়ী সীমান্তের বিপরীতে বিজিপির তুমব্রু রাইট ও লেফট ক্যাম্পে আক্রমণ করে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী এবং টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও শাহপরীরদ্বীপ সীমান্তের বিপরীতে ওপারে কাইচিং রং, মইদু, গদুদ্ধজ্য ও মংডু এলাকায়ও গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফলে মিয়ানমারের বিজিপি, সেনা, পুলিশ, ইমিগ্রেশন ও বেসামরিক সদস্যরা প্রাণভয়ে পালিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে অস্ত্রসহ বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করে।


আরও খবর