Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

মোটর সাইকেলই তাদের জীবিকার একমাত্র উৎস

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩১৪জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান,  নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ-

জেলার নাসিরনগর উপজেলার ভাটি অঞ্চল নামে খ্যাত গোয়ালনগর ইউনিয়ন। মাছমা ভিটাডুবি রামপুর,নোয়াগাও,কদমতলী,লালুয়ারটুক,সীমের কান্দি ও কদমতলী এ বেশ কয়েকটি গ্রাম নিয়ে গঠিত গোয়াল নগর ইউনিয়ন।


এ ইউনিয়নের লোকজন বর্ষা ছয় মাস নৌকা আর শুকনো মৌসুমে ছয় মাস মোটর সাইকেলে যাতায়াত করে থাকে।সেখানে ভিটাডুবি থেকে রামপুর আর লালুয়ারটুক যাতায়াতের একটি মাত্র কাঁচা রাস্তা রয়েছে।বর্ষায় পানিতে তলিয়ে যাবার কারনে রাস্তাটি ভগ্নদশা আর খানাকন্দে পরিণত হয়েছে।রাস্তার উপরে তিনটি ব্রীজ থাকলেও সেগুলো এখন অনেক ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।


শুকনো মৌসুমে রাস্তাটিতে বিভিন্ন গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম মোটর সাইকেল।সেই জন্য উক্ত রাস্তাটিতে প্রায় পঞ্চাশ জনেরও অধিক লোক মোটর সাইকেলে যাত্রী বহন করে চলায় তাদের সংসার।মোটর সাইকেল চালকরা জানান,রাস্তাটি ভগ্নদশার কারণে যাত্রীরা দুর্ঘটনার ভয়ে মোটর সাইকেলে যাতায়াত করতে চাচ্ছে না।তাছাড়াও বিভিন্ন জিনিস পত্রের দাম বেড়ে গেছে।যার পলে অনেকেই এখন সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।ভিটাডুবি থেকে থেকে আশানগর পর্যন্ত রাস্তাটি কোন এক সময় হাওড় অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প হিলিপের মাধ্যমে পাঁকা করন করা হলেও বর্তমানে রাস্তাটি দুরাবস্থায় পতিত হয়েছে।


গোয়ালনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজহারুল হক জানান, গোয়ালনগর ইউনিয়নে প্রায় চল্লিশ হাজার লোকের বসবাস।তিনি বলেন শুনেছি এম পি সাহেব বাজার পর্যন্ত আরো প্রায় দুই কিঃমিঃ রাস্তা পাকা করনের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং তা প্রক্রিয়াধীন রয়েছেন বলে শুনেছি।

গোয়ালনগর ইউনিয়নের রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কোন সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানতে চাইলে,নাসিরনগর উপজেলা প্রকৌশলী সৈয়দ জাকির হোসেন জানান,প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



ভোলায় দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জলদস্যু গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলায় ২টি পাইপগানসহ ৩ জলদস্যুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মঙ্গলবার রাতে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।বুধবার দুপুরে ভোলার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মামুনুর অর রশিদ।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের কন্দকপুর গ্রামের কোড়ালিয়া জামে জসজিদের পশে নদীর পাড়ে অভিযান পরিচালনা করে জলদস্যু মিরাজ বাহিনীর প্রধান মিরাজসহ ৩ জনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাজাপুর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিরাজ বাহিনীর প্রধান মিরাজ খালাসি (৪০), তার সহযোগী ধনিয়া নাসির মাঝির বাসিন্দা আব্বাস উদ্দিন, রাজাপুর ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ রুবেল। এ সময় ২টি দেশীয় লোহার তৈরী সচল পাইপগান, ১৫টি ১২ বোর লিডবল (শিশা) কার্তুজসহ গ্রেফতার করা হয়।আটকৃতদের বিরুদ্ধে মেঘনা নদীতে জলদস্যুতা করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানা গেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, আটকৃতরা নদীতে ডাকাতির প্রস্ততিকালে তাদের আটক করা হয়। আটকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে তারা নদীতে জলদস্যুতার সাথে জড়িত। এ ছাড়া বিভিন্ন চর দখলেও দখলদারের পক্ষে তারা কাজ করেন। আটকৃত তিন জলদস্যুকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে বের করা হবে তাদের সাথে কারা জড়িত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মামুনুর অর রশিদ। প্রেস ব্রিফিং এ আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান মিয়া, সদর সার্কেল রিপন চন্দ্র, ওসি ডিবি এনায়েত হোসেন, ওসি ডিএসবি মীর খায়রুল কবির প্রমুখ।


আরও খবর



হিলিতে জিরার দাম কমেছে কেজিতে ৪০০ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে নতুন জিরার আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে।আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি দাম কমছে ৪০০ টাকা। দুই মাস আগে ১১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সেই জিরা এখন ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। হিলি বাজারের মসলা ব্যবসায়ীরা বলছেন,ভারতে নতুন জিরা উঠায় বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। একারণে দাম কমে যাচ্ছে। পণ্যটির দাম কমায় খুশি নিম্মআয়ের মানুষেরা।

আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে হিলি মসলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে,গত বছরে প্রতিকেজি জিরা বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। ডলার সংকট ও ভারতে জিরার ফলন কম এবং আমদানি কমে যাওয়ার অজুহাতে দাম বাড়তে থাকে। সর্বশেষ দুই মাস আগে ১১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি বছরে ভারতে নতুন জিরার ফলন ভালো হয়েছে। সেই সাথে বিভিন্ন বন্দর দিয়ে আমদামি বৃদ্ধি পাওয়া গত দুই মাস পর্যায়ক্রমে জিরার দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা।

এর মধ্যে ভারত থেকে আমদানিকৃত ভালো মানের কাকা জিরা ৭২০,বাবা জিরা ৭২০,মধু জিরা ৭২০,অমরিত জিরা ৭২০ টাকা,সোনা জিরা ৭৩০ টাকা ও ডিবিগোল্ড জিরা ৭৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারে জিরা কিনতে আসা ফরহাদ হোসেন বলেন,দুই মাস আগেও জিরার আকাশছোঁয়া দাম ছিল।এর আগেও ১০০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকায় কিনেছি। সেই জিরা কিনতে হয়েছে ১০০ টাকায়। আজকে মসলা কিনতে এসে শুনলাম কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা কমেছে। তাই এক কেজি জিরা নিলাম ৭২০ টাকায়। বর্তমানে দাম অনেক কমে এসেছে।

বগুড়া থেকে আসা জিরা ক্রেতা আনিছুর রহমান বলেন,আমি স্বপ্নপূরীতে ঘুরতে এসেছিলাম। সেখানে ঘুরে হিলি স্থলবন্দর ঘুরেও দেখলাম। হিলিতে কম দামে মসলা পাওয়া যায়। তাই মসলা কিনতে আসলাম। আমি বগুড়াতে প্রায় তিন মাস আগে ১২ শত টাকা কেজি দরে জিরা কিনেছি। হিলিতে এসে এক কেজি জিরা নিলাম ৭২০ টাকা দিয়ে।দাম কমায় আমাদের মত মানুষের অনেক ভালো হলো।

হিলি বাজারে বিসমিল্লাহ্ধসঢ়; মসলা ঘর এর ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বলেন,গত বছরে ভারতে জিরার ফলন কম হওয়ায় বন্দর দিয়ে আমদানিও কমে যায়। সেকারণে জিরার দাম বাড়তে

বাড়তে ১১৫০ টাকা কেজি দরে উঠে। বর্তমান ভারতে নতুন জিরা উঠায় আমদানি বেড়েছে। তাই দামও কেজিপ্রতি কমেছে ৪০০ টাকা। আমরা ৭১০ টাকা কেজি দরে কিনে ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। আশা করছি আগামীতে দাম আরও কমে আসবে। আগে তো দাম বেশির কারণে বেচাকেনা কম হচ্ছিলো। আগে ক্রেতারা ১০০ গ্রাম জিরা কিনতো এখন এক কেজি করে ক্রয় করেছে। আগের চেয়ে বেচাকেনা অনেক ভালো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন,সাদা এলাচ ও কালো ফলের দাম একটু বেশি। তবে অন্যান্য মসলার দাম স্বাভাবিক আছে।


আরও খবর



মধুপুর কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও টাকা আত্মসাতে অভিযোগে উঠেছে।

জানা যায়, তিনি সরকারি বিভিন্ন ভাতা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জনের নিকট হতে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও টিসিবির পণ্যের উপকারভোগীদের কার্ড করে দেওয়ার নামে কয়েক হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।


দিনমজুরদের জন্য টিসিবির পণ্য টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয়েছে বিত্তশালীদের। জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে বয়স্ক ভাতার টাকা অন্যজনের নামে করিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

এমন তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে  জানা যায়, কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছানোয়ার হোসেন উক্ত ওয়ার্ডের বিভিন্ন লোকজনের নিকট হতে সরকারি বিভিন্ন ভাতা এমনকি টিসিবির পণ্য পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে লক্ষধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

কুড়ালিয়া ভটপাড়া এলাকার চান মিয়ার স্ত্রী কল্পনা বেগম জানান, রাস্তার গাছ পাহারার কাজের কথা বলে তার নিকট হতে ৫০০০ টাকা নিয়েছেন এই ইউপি সদস্য ছানোয়ার হোসেন।একই এলাকার শামসুল হকের স্ত্রী ময়না বেগম জানান,তাকে চাউলের কার্ড করে দেবে বলে তার নিকট হতে ২০০০ টাকা নিয়েছেন। রাজ্জাকের স্ত্রী মালেকা জানান, তাকে চাউলের কার্ড করে দেবে বলে ২০০০টাকা নিয়েছেন। এছাড়াও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ হাজার করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অসংখ্য হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে । সরকারি টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে মহন এলাকার জনৈক এক লোকের কাছ থেকে ১০হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এরকম ভাবে এলাকার আরও কয়েক জনের নিকট হতে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং  টিসিবির পণ্য পাইয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন জনের নিকট হতে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ইউপি সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা এই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



আখেরি মোনাজাত/যেসব সড়কে চলবে না যানবাহন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শনিবার মধ্যরাত থেকে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে কয়েকটি সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ইব্রাহিম ইজতেমা ময়দানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইজতেমার আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। যেহেতু দূর-দূরান্ত থেকে মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য মুসল্লিরা আসবেন, সেহেতু শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে কয়েকটি সড়ক বন্ধ রাখা হবে।

উপকমিশনার ইব্রাহিম জানান, আখেরি মোনাজাতে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেবেন। এ কারণে তাদের সুবিধার জন্য শনিবার রাত ১২টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর আবদুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস, আবদুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া রোড হয়ে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়ক, আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত এবং মিরের বাজার থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঢাকাগামী লোকজন ও যানবাহনগুলোকে ভোগড়া বাইপাস দিয়ে তিনশ’ ফিট রাস্তা ব্যবহার করে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যেসব লোকজন ময়মনসিংহ বা গাজীপুর যাবেন, তারা বাইপাইল থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা হয়ে চলে যাবেন।


আরও খবর



হজ নিবন্ধনের সময় আবার বাড়ল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় চলতি বছরে আবারও বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর আগে, ৩ দফায় হজের নিবন্ধন সময় বাড়ানো হয়েছে। চতুর্থবার হজ নিবন্ধনে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ) মতিউল ইসলাম এ তথ্য জানান। হজ এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি শাহাদাত হোসাইন তসলিমও গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তৃতীয় দফার নিবন্ধনের সময় শেষ হয় গতকাল বৃহস্পতিবার। এদিন পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৭৯ হাজার ৬১১ জন। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, এবার বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। সে হিসেবে কোটা পূরণ হতে এখনো প্রায় ৪৭ হাজার নিবন্ধন বাকি।

নিবন্ধনের সময় বাড়াতে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় হাব। জানায়, সার্ভার জটিলতার কারণে ৪ হাজারের বেশি মুসল্লি হজ নিবন্ধন করতে পারেননি। এছাড়া পাসপোর্ট পাওয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কথাও বলা হয়। হাবের চিঠি দেওয়ার একদিনের মধ্যেই আবারও বাড়ানো হলো হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর থেকে এবারের হজ নিবন্ধন শুরু হয় এবং সময়সীমা ছিল গত ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে হজ নিবন্ধনের সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এরপর ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়। সবশেষ ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবারও সময় বাড়ানো হয়।

হজে যেতে গত নভেম্বরে দুইটি প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। সাধারণ প্যাকেজে হজ করতে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজের মাধ্যমে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা ব্যয় ধরা হয়। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সাধারণ প্যাকেজ ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা এবং বিশেষ প্যাকেজ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করে হাব।


আরও খবর