Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেলেন সরোয়ার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫৯জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন গোলাবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে গত রবিবার ঘাতক বিনিময় পরিবহন ও অটোভ্যানের সংঘর্ষের দুর্ঘটনায় মোঃ সরোয়ার হোসেন ৫দিন মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন। বিনিময় বাস ও অটোভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনায় এ নিয়ে অটোভ্যানের দুইজনেই মারা গেলেন। তার বাড়ি মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ি লোকদেও গ্রামে।

একই এলাকার ভ্যান চালক ঘটনার দিন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়।অদক্ষ ড্রাইভার দ্বারা পরিচালিত বিনিময় পরিবহন এখন সাধারণ পথচারীদের কাছে মরন ফাঁদ। বিনিময় গাড়ি বন্ধের দাবিতে দীর্ঘদিন যাবতএলাকাবাসী বারবার মানববন্ধন সহ রাস্তা অবরোধ করেও এর কোনো সুষ্ঠু সমাধান পাননি। প্রতিনিয়ত বিনিময় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে অসহায় পথচারীদের মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলছে।

সন্তানের চাওয়া পূরণ করতে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসা বাবা ফিরে যাচ্ছে ছিন্নভিন্ন লাশ হয়ে। এমন অনেক লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেই চলছে। ঘটনা ঘটার সময় রাস্তা অবরোধ করলে অনেক নীতিবান চলে আসেন মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে অবরোধ তুলে দিতে। পরবর্তীতে সে সকল নীতি আদর্শবান মানুষ গুলো কি খোঁজ নিয়ে দেখেন, সেই দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের লোকজন একমাত্র উপার্জনের মানুষটিকে হারিয়ে কি ভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন?

কেউ খোঁজ রাখেনা, এমনও তথ্য রয়েছে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা মারা যাওয়ার পর সন্তানের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। শতশত পথচারী পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সর্বপরি শুধু মিথ্যা আশ্বাস নয়,সাধারণ মানুষ এর দীর্ঘ সুষ্ঠু সমাধান চায় তা নাহলে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল বাড়তেই থাকবে আর তার দায় দায়িত্ব মিথ্যা আশ্বাসকারীদেরকেই নিতে হবে বলে জানান গোলাবাড়ি এলাকার  শোকাভিভূত সর্বসাধারন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আখেরি মোনাজাত/যেসব সড়কে চলবে না যানবাহন

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শনিবার মধ্যরাত থেকে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে কয়েকটি সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার ইব্রাহিম ইজতেমা ময়দানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইজতেমার আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। যেহেতু দূর-দূরান্ত থেকে মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য মুসল্লিরা আসবেন, সেহেতু শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১২টার পর থেকে কয়েকটি সড়ক বন্ধ রাখা হবে।

উপকমিশনার ইব্রাহিম জানান, আখেরি মোনাজাতে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেবেন। এ কারণে তাদের সুবিধার জন্য শনিবার রাত ১২টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর আবদুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস, আবদুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া রোড হয়ে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়ক, আবদুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল পর্যন্ত এবং মিরের বাজার থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঢাকাগামী লোকজন ও যানবাহনগুলোকে ভোগড়া বাইপাস দিয়ে তিনশ’ ফিট রাস্তা ব্যবহার করে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যেসব লোকজন ময়মনসিংহ বা গাজীপুর যাবেন, তারা বাইপাইল থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা হয়ে চলে যাবেন।


আরও খবর



হিলিতে কমছে শীতের দাপট, জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:টানা কয়েক সপ্তাহজুড়ে ঘণকুয়াশা আর তীব্র শীতের পর দিনাজপুরের হিলিতে কমছে কুয়াশা ও শীতের দাপট,স্বস্তি ফিরছে জনজীবনে। দুই দিনের ব্যবধানে জেলায় তাপমাত্রা বেড়েছে ৫ ডিগ্রি।

জেলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন,আজ বুধবার সকাল ৬ টায় ১১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে আর বাতাসের আদ্রতা ৯৬ শতাংশ,যা গতকাল মঙ্গলবার একই সময়ে তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

টানা কয়েক সপ্তাহজুড়ে ঘণকুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় বাড়িয়ে দিয়েছিল শীতের প্রকোপকে।কয়েক সপ্তাহ পর সূর্যের দেখা মিললেও সন্ধার পর থেকে আবারও ঘনকুয়াশার সাথে তীব্র শীতে কাতর হয়ে পড়েছিলেন এই এলাকার সাধারণ মানুষেরা। কুয়াশার কারণে ট্রেন,বাস,অটোবাইকগুলোকে হেডলাইট জ¦ালিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। কুয়াশার কারণে ট্রেনগুলোও চলাচল করতে হয়েছে বিলম্বে।শীত উপেক্ষা করেই যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ট্রেনের জন্য। ঠান্ডার কারণে মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হয়নি। বেশি দূর্ভোগে ছিলেন ছিন্নমুলসহ খেটে খাওয়া মানুষেরা। প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করেই তাদের ছুটতে হয়েছে কর্মস্থলে। ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভির করছেন নিন্মআয়ের অসহায় মানুষেরা।

দিনমজুর শুকুর আলী বলেন,কয়েক দিন খুব ঠান্ডা গেলো বাবা। এখন একটু সূর্যের দেখা যায়। তবে তাপ কোন দিন বেশি আবার ও কোন দিন কম। আজ বেলা ১২ টার দিকে সূর্যের দেখা মিললেও দুপুর থেকে মেঘে ঢেকে আছে। তবে আগের থেকে শীত কম লাগতেছে। কয়েক দিন ধরে তেমন কাজ কাম পাইনি। এই কয়েক দিন খুব কষ্টে দিন গেছে।

ভ্যান চালক রশিদ বলেন,কয়েক দিন ধরে খুব ঠান্ডা গেলো।এখন শীত একটু কম তাই ভ্যান নিয়ে বের হয়েছি।সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চার শত টাকা ইনকাম করছি। আর কয়েক দিন তো ঠিকতম কমেই হয়নি।

হিলি বাজারের কামার কৃষ্ণ কর্মকার বলেন,কয়েক দিন ধরে সূর্য উঠছে।তাই তিন ধরে কাজে এসেছি। তীব্র ঠান্ডায় কোন দিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কাম করছি। আর দুই ধরে ৫ শত থেকে ৭ শত টাকা কাম করছি। আজকে আকাশ মেঘলা থাকলেও ঠান্ডা কম।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ডের সেমিনার ও ইউনিটি এক্সপ্রেস শোরুমের উদ্বোধন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

সামিউল আলম, বিরামপুর (দিনাজপুর):নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ের জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ডিরেক্ট সেলিং কোম্পানি এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এগ্রো ফুড এন্ড কসমেটিকস লিমিটেড তথা এক্সিলেন্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান “ইউনিটি এক্সপ্রেস” শোরুম বিরামপুরে উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪ টায় পৌর শহরের সোনালী ব্যাংক মোড় সংলগ্ন স্বপ্ন সুপার শপের পার্শ্ববর্তী মার্কেটে ফিতা কেটে শোরুমটির উদ্বোধন করেন, এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ডের স্টার ও ট্রেইনার আরএম বাপ্পি।

এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এর জিএম নুরুন্নবীর সঞ্চালনায় এ সময় জেনারেল ম্যানেজার ও ট্রেইনার মাহবুবুল আলম, জিএম রাহাত শামস পিরব, জিএম আরিফ রেজা, এজিএম লুবনা আক্তার লিজা, মার্কেটিং অফিসার, সেলস অফিসার এবং ডিস্ট্রিবিউটরগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকাল ১০ টায় ঘাটপাড় ধানহাটি এলাকায় এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এর বিরামপুর অফিসে জমকালো আয়োজনে একটি বিজনেস সেমিনার ও সেলিব্রেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেসবাউল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডলসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সকল জাতি গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির মধ্যে ঐক্যের বন্ধন গড়ে তুলতে চাই: প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,বিশেষ প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতা, আন্তরিকতা, মানবতা বোধের কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্যাতিত, ক্ষুধার্ত ও পশ্চাদপদ মানুষকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে সম্পৃক্ত করার জন্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য মেলার মাধ্যমে দেশের সকল মানুষের মাঝে আমাদের পার্বত্য মানুষের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য তুলে ধরা। পাশাপাশি আমাদের আহার, আচার ব্যবহার সবকিছু তুলে ধরাই হলো মেলার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমরা চাই, সকল জাতি গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মাঝে ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করা।

রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য  চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত পার্বত্য মেলা-২০২৪ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী পদমযাদা) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি,  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমান এনডিসি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম চাকমা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। 

অন্যান্যের মধ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, সাবেক মহিলা এমপি বাসন্তী চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এনডিসি, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে আগত অতিথিবৃন্দ, বিভিন্ন সংস্থা থেকে আগত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহ্বায়ক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির আলোকে এ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন করেছে। সরকার এ অঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো ও মোবাইল নেটওয়ার্কসহ সকল খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সমুন্নত রাখা ও পর্যটন শিল্পের প্রসারেও সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের সময়োচিত উদ্যোগ গ্রহণের ফলে পার্বত্য জেলা সমূহ আজ কোন পিছিয়ে পড়া জনপদ নয়। দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রায় এ অঞ্চলের জনগণ সম-অংশীদার। তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী কোমর তাতেঁ বোনা পণ্য, বিভিন্ন মৌসুমী ফল, ঐতিহ্যবাহী পার্বত্য খাবার যা মেলার আকর্ষণকে অধিকতর বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি বলেন, পার্বত্য মেলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের  উৎপাদিত পণ্যসামগ্রীর প্রচার ও বিপণনের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, যোগ্য নেতৃত্ব আর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে দীর্ঘ দু’যুগ ধরে চলমান পাহাড়ি-বাঙালি ভ্রাতৃঘাতী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটে। তিনি বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফসল হিসেবে বিগত ২৬ বছরে বৃহত্তর পার্বত্য অঞ্চলের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে। 

সভাপতির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায় আছেন যারা সংস্কৃতিমনস্ক সৃজনশীল কাজের প্রতি অনুরাগী। এই মেলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার চিত্র ফুটে ওঠেছে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ বসন্তে বিরাজ করুক সকলের মধ্যে আন্তরিকতা ও সহমর্মিতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের ফলেই পাহাড়ে আজ শান্তি বিরাজমান। মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছে। তিনি সকলকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের উন্নয়ন কাজে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায় সকল প্রকার ফল ও অন্যান্য ফসলাদি প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হচ্ছে। পার্বত্য এলাকা এখন পরিণত হয়েছে সম্পদের ভান্ডারে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা ও সাহসী উদ্যোগের কারণেই ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করা সম্ভব হয়েছিল। ঐতিহাসিক এ চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলে দীর্ঘ দুই যুগের সংঘাতময় পরিস্থিতির অবসান ঘটে। এর পর থেকেই পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি অব্যাহতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন আর পিছিয়ে পড়া জনপদ নয়। পার্বত্য অঞ্চলে এখন উন্নয়নের জোয়ার বইছে।

এর আগে প্রধান অতিথি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ফিতা কেটে, পায়রা ও বেলুন ওড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদবোধন করেন। তিনি পরে অতিথিদের নিয়ে মেলার স্টলসমূহ ঘুরে দেখেন এবং স্টলের কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে আগামি ১৪-১৭ ফেব্রুয়ারি চারদিনব্যাপী পার্বত্য মেলা চলবে। মেলা প্রতিদিন সকাল ০৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পার্বত্য তিন জেলার ২৭৫ জন শিল্পীর ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনায় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। চারদিনব্যাপী এ পার্বত্য মেলায় ৯৭ টি স্টল বরাদ্দ রয়েছে। মেলার স্টলে তিন পার্বত্য জেলায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী কোমর তাঁতে বোনা পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পার্বত্য খাবার দ্রব্য প্রদর্শন ও বিক্রয় চলছে।

আরও খবর



সিরাজগঞ্জে জাল সনদ মামলায় শিক্ষিকা কারাগারে

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় কম্পিউটার শিক্ষার সনদ জালিয়াতির মামলায় রাবেয়া খাতুন রুবি (৫৬) নামের এক সহকারী শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশ। দুদকের মামলায় রবিবার রাতে রুবিকে গ্রেপ্তার করে সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রুবি উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের চয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারি শিক্ষিকা ও দিঘলগ্রামের বাসিন্দা বুলবুল আহমেদ এর স্ত্রী।

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী আল-আমিন বলেন, রাবেয়া খাতুন ১৯৯৫ সাল থেকে উল্লাপাড়া  উপজেলার চয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। জাল সনদ দিয়ে চাকুরী করার অপরাধে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করে। আদালতের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে পুলিশ  তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্র জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৭ মার্চ ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাতে রাবেয়া খাতুনের শিক্ষা ও কম্পিউটার সনদ ভুয়া বলে সন্দেহ করে অডিট কর্তৃপক্ষ। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের এক পত্রের আলোকে বগুড়া জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি নেকটারের পরিচালকের কার্যালয়ে রাবেয়া খাতুন রুবির কম্পিউটার বিষয়ের সনদটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠায় শিক্ষা অধিদপ্তর। এর পর ২০১৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর এক পত্রের মাধ্যমে নেকটার রাবেয়া খাতুনের কম্পিউটার ডিপ্লোমা কোর্সের সনদটি যাচাই-বাছাই শেষে জাল ও ভুয়া সনদ বলে চিহ্নিত করে।

এ জাল সনদের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার এমপিও ভুক্তির তারিখ ২০০৯ সালে ১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত রাবেয়ার গৃহীত সরকার প্রদত্ত ১৪ লাখ ৯ হাজার ৬৫০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেন। পরে টাকা ফেরত প্রদান না করায় ২০২২ সালের ১৯ জুন তারিখে দুদক তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম এ ব্যাপারে বলেন, দুদকের মামলায় ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছিল। রোববার রাতে গ্রেফতার করে সোমবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪