Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

মাতুয়াইলের নাইয়ুম মিয়া রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বলিষ্ঠ সৈনিক

প্রকাশিত:Sunday ০৯ January ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৯১জন দেখেছেন
Image


বজলুর রহমানঃ

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের জন্যই টিকে আছে আওয়ামী লীগ।আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী ও অঙ্গীকারবদ্ধ নেতা তৈরি করেছে তার মধ্যে মাতুয়াইলের মোঃ নাইয়ুম মিয়া অন্যতম, রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বলিষ্ঠ সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত।তিনি ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের পরীক্ষীত একজন নেতা।


মাতুয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক।এছারাও মোঃ নাইয়ুম মিয়া ছিলেন বৃহত্তর মাতুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীযুবলীগ এর সাবেক সাধারন সম্পাদক,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ঢাকা-মহানগর দক্ষিন।বর্তমানে মোঃ নাইয়ুম মিয়া ৬৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন এর সক্রিয় একজন কর্মী।


তার নেতৃত্বের গুনাবলী তাকে অনন্য এক উচ্চতায় পৌছে দিয়েছে।তিনি জয় করতে পেরেছেন নেতা-কর্মীদের মন।ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে নাইয়ুম মিয়া একজন আস্থাভাজন কর্মী হিসেবে পরিচিত।আওয়ামীলীগ কে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে এবং জনসমর্থনও বাড়াতে তিনি এলাকায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।


তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতেও  তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন।নাইয়ুম মিয়ার বিষয়ে জানতে এলাকাবাসী অনেকের সাথেই কথা বলে জানা যায়,বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য, ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি ভোটারদের নানা ভাবে অনুপ্রনীত করেছেন।


তৃণমূলের এই নেতা যেভাবে এলাকায় আওয়ামীলীগের ভাবমুর্তি উজ্জল করতে কাজ করে চলেছেন সত্যিই তা প্রশংসার দাবী রাখে।



আরও খবর



৪৮ মাস পর খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, গেলেন ৫৩ কর্মী

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৮৩জন দেখেছেন
Image

দীর্ঘ ৪৮ মাস পর বাংলাদেশিদের জন্য অব‌শে‌ষে খুললো মাল‌য়ে‌শিয়ার শ্রমবাজার। দেশটিতে সোমবার (৮ আগস্ট) থেকে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া শুরু হ‌য়ে‌ছে।

এদিন রাত ১১টা ৪০ মিনিটে এয়ার এশিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন ৫৩ কর্মী।

বিমানবন্দরে কর্মীদের ফুল দিয়ে বিদায় জানান সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দীন হাজারী, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক মো. শহিদুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২০১৮ সালের আগস্টে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধের ঘোষণা আসে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে। দীর্ঘ আলোচনা-যোগাযোগের পর গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা সই হয়। পরে গত জুন মাসে ঢাকায় যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে শ্রমবাজার খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে জুনের মধ্যে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে ঘোষণা দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতা কিছুতেই পিছু ছাড়ছিল না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের। সব দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে অবশেষে দেশটিতে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কর্মীরা।

বিএমইটি সূত্র বলছে, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে এসব কর্মী ফ্যাক্টরি ওয়ার্কার হিসেবে মালয়েশিয়ায় গেলেন। তাদের বেতন ১৫০০ মালয়েশিয়ান রিংগিত, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩২ হাজার টাকা। শর্ত অনুসারে তাদের চুক্তি তিন বছরের। ওয়ান ওয়ে প্লেন ভাড়া, বাসস্থান ও যাতায়াত ফ্রি পাবেন কর্মীরা। তবে খাবার ব্যবস্থা করতে হবে নিজেকে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ফের উন্মুক্ত হওয়ার বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, প্রায় চার বছর বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ায় আবারও বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা একটা উদাহরণ সৃষ্টি করেছি। আগে তিন লাখ, চার লাখ, পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে মানুষ সেখানে যেতো। আমাদের ইচ্ছা ও প্রচেষ্টায় এটা কমে এসেছে।


আরও খবর



স্কুলছাত্রী ধর্ষণ: আদালতে গ্রেফতার দুই আসামির স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত:Wednesday ১০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

পঞ্চগড়ে স্কুলছাত্রীকে (১৬) দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অলরাম কার্জীর আদালতে তারা জবানবন্দি দেন। একই আদালতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীরও জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

গ্রেফতার দুই যুবক হলেন আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের মালগোবা এলাকার মো. রাজু (১৯) এবং পুরাতন আটোয়ারী এলাকার সাইফুল ইসলাম (৪৮)।

তাদের আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আটোয়ারী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. দুলাল উদ্দিন।

এসময় আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চাইলে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করেন এবং তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

এদিকে মামলায় উল্লেখ করা বাকি পাঁচ আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

আটোয়ারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রসহ তাকে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঘর পাচ্ছে সেই মোনায়েম

প্রকাশিত:Tuesday ১৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

ফেনীর দাগনভূঞায় দুই হাত ছাড়া জন্ম নেওয়া শিশু আব্দুল্লাহ আল মোনায়েমের পরিবারে খুশির বন্যা বইছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তার পরিবারের জন্য উপহারের ঘর করে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৩টায় দাগনভূঞা পৌর শহরের শ্রীধরপুর এলাকায় নতুন ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. গোলাম জাকারিয়া, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, দাগনভূঞা পৌরসভার মেয়র ওমর ফারুক খাঁন, মোনায়েমের মা বিবি কুলসুম।

পরিসংখ্যান কর্মকর্তা বিপ্লব চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন উজ্জীবক আর্ট স্কুলের প্রশিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ভূঁঞা, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

উজ্জীবক আর্ট স্কুলের প্রশিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ভূঞা বলেন, ‘মোনায়েমের হাত না থাকায় পা দিয়ে লেখার এবং ছবি আঁকার প্রশিক্ষণ দিয়েছি। সে ঘর পাওয়ায় আমরা অনেক খুশি।’

সেই মোনায়েমকে খুশি করলেন প্রধানমন্ত্রী

মোনায়েমের মা বিবি কুলসুম বলেন, ‘ঘর পেয়ে আমরা আনন্দিত। আমি প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান বলেন, সারাদেশ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ছবি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠালে সেখান থেকে মোনায়েমের ছবি প্রধানমন্ত্রী ঈদ কার্ডের জন্য নির্বাচন করেন। পরে মোনায়েমের দুই হাত নেই জেনে প্রধানমন্ত্রী আপ্লুত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে এক লাখ টাকা দেন। পরে মোনায়েমের জন্য একটি ঘর করে দিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, তার মায়ের নিবেদন ছিল দাগনভূঞা পৌরসভায় যেন ঘরটি দেওয়া হয়। আমরা তার দাবি অনুযায়ী আড়াই শতক জায়গা কিনেছি। সেখানে ঘর করে দেওয়া হবে।

মোনায়েম দাগনভূঞা একাডেমীর ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ও ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের এনায়েতনগর গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে।

ইচ্ছাশক্তির জোরে ক্লাসে মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছে শিশু মোনায়েম। শুধু তাই নয়, পা দিয়ে ছবি এঁকে অর্জন করেছে একের পর এক পুরস্কার। তার পা দিয়ে আঁকা ছবি জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বহুবার বিজয়ী হয়েছে।


আরও খবর



‘প্রধান বিচারপতি পদক’র জন্য আবেদন আহ্বান

প্রকাশিত:Saturday ১৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

বিচার বিভাগের সব স্তরে দক্ষ ও সেরা কর্মকর্তাদের ‘প্রধান বিচারপতি পদক’দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে ‘প্রধান বিচারপতি পদক নীতিমালা, ২০২২’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং অধস্তন আদালতের বিচারকদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার গোলাম রব্বানি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান মামলা জট নিরসনকল্পে মামলা-মোকদ্দমার নিষ্পত্তিতে অধিকতর গতিশীলতা করার লক্ষ্যসহ নানা কারণে সুপ্রিম কোর্ট প্রতি বছর ‘প্রধান বিচারপতি পদক’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ‘প্রধান বিচারপতি পদক নীতিমালা, ২০২২’ –এর অনুমোদন দেন।

এমতাবস্থায় প্রধান বিচারপতি পদকের আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট সবার অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রধান বিচারপতি পদকের আবেদন ফরম সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।

‘প্রধান বিচারপতি পদক নীতিমালা, ২০২২’ –এর বিধান ৯ (গ) অনুসারে জেলা ও মহানগর বাছাই কমিটি গঠন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি ও কমিটির সদস্যদের নাম ও পদবীসহ তালিকা সরাসরি অথবা ডাকযোগে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর পাঠাতে হবে। এছাড়া বিজ্ঞপ্তির সফট কপি নির্ধারিত ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, বিচারিক সেবার ক্ষেত্রে বিচারকাজে সরাসরি নিয়োজিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ছয়টি পদক দেওয়া হবে। এর মধ্যে জেলা ও সমপর্যায়ের বিচারক একটি, অতিরিক্ত জেলা জজ ও সমপর্যায়ের বিচারক একটি, যুগ্ম জেলা জজ ও সমপর্যায়ের বিচারক একটি, সিনিয়র সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের বিচারকি একটি, সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের বিচারক একটি এবং সব জেলার মধ্য থেকে একটি জেলা জজশীপ বা মহানগর দায়রা জজশীপ (দলগত) একটি পদক দেওয়া হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী মনোনীত প্রতিটি পদের জন্য ২১ ক্যারেট মানের ১৬ গ্রাম ওজনের একটি করে স্বর্ণপদক দেওয়া হবে।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের মনোগ্রাম সংবলিত সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত অবদানের জন্য দু লাখ ও দলগত অবদানের জন্য পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে।

দলগত অবদানের ক্ষেত্রে একটি জেলা জজশীপ বা মহানগর দায়রা জজশীপে কর্মরত বিচারক ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার দলের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। দলের প্রত্যেক সদস্যকে পৃথকভাবে সম্মাননা দেওয়া হবে। আর দলগতভাবে একটি পদক ও একটি ক্রেস্ট এবং নগদ পাঁচ লাখ টাকা সদস্যদের মধ্যে সমভাবে বন্টন করা হবে।

পদক প্রদানের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ১২ মাসের নিরবচ্ছিন্ন বিচারিক কার্যক্রম বিবেচনায় নেওয়া হবে। প্রতিবছর ২০ আগস্টের মধ্যে পদকের জন্য আবেদন আহ্বান করা হবে। ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা জজ ও সমপর্যায় এবং দলগত পর্যায়ের আবেদন জাজেজ কমিটিতে দাখিল করা হবে।

জেলা পর্যায়ের কমিটিতে আবেদন দাখিল করতে হবে ওই একই সময়ের মধ্যে। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের কাজ চলবে। এরপর প্রধান বিচারপতি ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মনোনীতদের তালিকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন। প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক বিচার বিভাগীয় সম্মেলনের সময় পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা ও পদক দেওয়া হবে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্র: নামাজরত মুসল্লিদের ওপর পাথর নিক্ষেপ দুর্বৃত্তদের

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১১ August ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে একটি মসজিদে এশার নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর পাথর নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় অন্তত দুজনের পায়ে আঘাত লাগে। গত সপ্তাহের ওই ঘটনার পর থেকে আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে।

তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, সাত বছর আগে চালু হওয়া মসজিদটিতে প্রধানত বাঙালি মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, গত সোমবার (১ আগস্ট) নিউ জার্সির প্যাটারসন শহরের আবু বকর ইসলামিক কংগ্রেগেশন মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। এরপর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন মুসল্লিরা। এখন নামাজ শুরু হয়ে গেলে আর কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

মসজিদের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সাজ্জাদ চৌধুরী জানান, সোমবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে নামাজ শুরু হয়ে গেলে দুই ব্যক্তি মসজিদে ঢোকেন। তারা আসসালামু ওয়ালাইকুম বলে অনুরোধ জানায়, তাদের যেন ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়।

কিন্তু ভিডিওতে দেখা যায়, ভেতরে ঢুকেই নামাজরত মুসল্লিদের ওপর পেছন থেকে পাথর ছুড়ে মারে দুই দুর্বৃত্ত। এসময় তৃতীয় আরেক ব্যক্তি দরকার কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। পরে তারা তিনজনই দৌড়ে পালিয়ে যায়।

সাজ্জাদ জানান, কয়েক মিনিট পরে ওই লোকগুলো ফিরে এসে আবার মুসল্লিদের দিকে পাথর ছোড়ে। এতে দুজনের পায়ে আঘাত লাগে। তবে কেউ আহত হননি। তিনি বলেন, আমরা খুব আতঙ্কিতবোধ করছি।

জাহসিন ইউদ্দীন নামে আরেক সদস্য বলেন, আমরা কাউকে বিরক্ত করিনি এবং আমি জানি না কেন মানুষ এমন করে। সবারই ধর্মীয় রীতি পালনের অধিকার রয়েছে।

প্যাটারসনের মেয়র আন্দ্রে সায়েগ বলেছেন, তারা (মুসলিমরা) শান্তির জন্য প্রার্থনা করছে। তাদের সহিংসতার মুখে পড়া উচিত নয়।

usa

প্যাসাইক কাউন্টি শেরিফ রিচার্ড বার্ডনিক বলেন, মুখোশধারীরা মসজিদে গিয়ে মুসল্লিদের ওপর পাথর নিক্ষেপ করা খুবই ঘৃণ্য ঘটনা।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা মসজিদের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।

প্যাসাইক কাউন্টির প্রসিকিউটর ক্যামেলিয়া ভালদেস এ ঘটনার তদন্ত করছেন। তিনি বলেন, আমরা সব ভিডিও পর্যালোচনা করছি। এটি সম্পর্কে তথ্য থাকতে পারে এমন সব লোকের সঙ্গে আমরা কথা বলবো। প্রসিকিউটর জানান, মুসল্লিদের ওপর পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় অন্তত তিনজন জড়িত দেখা গেছে। তবে আরও তিনজন জড়িত থাকতে পারে।

এ ঘটনার মাত্র আট মাস আগে মুসল্লিদের ওপর হামলার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মসজিদ থেকে আজানের শব্দ নিয়ে অভিযোগ ছিল তার।

কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস জানিয়েছে, নিউ জার্সিতে এ বছর প্রায় ১০০টি পক্ষপাতমূলক ভীতিপ্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে। হামলা থেকে বাঁচতে মার্কিন অঙ্গরাজ্যটির মসজিদগুলোতে বুলেটপ্রুফ জানালা বসানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।


আরও খবর