Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

মার্তিনেজকে নিয়ে যা বললেন আর্জেন্টাইন কোচ

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২৪৩জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক : কাতার বিশ্বকাপ ও বিশ্বকাপ পরবর্তী নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ফাইনালের পর সেরা গোলরক্ষকের ট্রফি নিয়ে বিতর্কিত ভঙ্গি ও আর্জেন্টিনায় ফিরে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে কটাক্ষ করে সমালোনায় পড়েছেন তিনি। এবার তার সেসব আচরণ নিয়ে মুখ খুললেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।

দীর্ঘ ৩৬ বছরের অবসান ঘটিয়ে আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পেছনে মার্তিনেজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। একই সঙ্গে আলোচনা হয়েছে মার্তিনেসের আচরণ নিয়েও। যদিও স্কালোনি তার সেই আচরণকে ‘শিশুসুলভ’ বলে মন্তব্য করেছেন।

দলের সেরা তারকা লিওনেল মেসির প্রিয় দিবুর (মার্তিনেজের ডাক নাম) পাশেই অবশ্য স্কালোনি দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, ‘মার্তিনেসের আচরণে হয়তো অনেকেই খুশি হবেন না। সে কিন্তু দুর্দান্ত ছেলে। সে অনেকটা বাচ্চাদের মতো। কতটা ভালো ছেলে, সেটা জানলে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তাকে ভালো করে চেনা দরকার।’

একটি সাক্ষাৎকারে মেসিদের বস আরও বলেন, ‘মার্তিনেজ এমন একটা আবিষ্কার, যেটা আমাদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। তার আলাদা ব্যক্তিত্ব রয়েছে। সেই ব্যক্তিত্বও আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। যদিও তার দৃষ্টিভঙ্গি একদম বাচ্চাদের মতো।’

মার্তিনেসের বিতর্কিত আচরণের জন্যই বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মূলত আর্জেন্টিনাকে ফিফার তদন্তের সামনে পড়তে হয়েছে। আপত্তিকর আচরণ ও ফেয়ার প্লে বিঘ্নিত করার চেষ্টা ছাড়াও খেলোয়াড়, কর্তাদের খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বিশ্বকাপ জয়ীদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ প্রমাণ হলে আর্জেন্টিনাকে কড়া শাস্তি দিতে পারে ফিফা। যার জন্য অনেকটাই দায়ী থাকবেন মার্তিনেজ। তবু দলের এক নম্বর গোলরক্ষকের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন স্কালোনি।

এদিকে শুধু ফাইনালে নয়। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের পরেও মেসি, মার্তিনেজদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। এই সব কিছুই রয়েছে ফিফার নজরে। কোয়ার্টার ফাইনাল ও ফাইনালে জয়ের আনন্দে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি।

ফ্রান্সের ফুটবল সংস্থার সভাপতি সরাসরি চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থার সভাপতিকেও। মার্তিনেজ অবশ্য কখনই নিজের আচরণের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেননি। উল্লেখ্য, মার্তিনেসের পাশে দাঁড়িয়েছে তার ক্লাব অ্যাস্টন ভিলাও।


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ প্রকাশ হলো

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নাসিরনগর গোয়ালনগরের ভগ্নদশায় পতিত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃগোয়ালনগর বাসীর এ দুর্দশা দূর হবে কবে?গোয়ালনগরকে পর্যটন নগরীতে পরিনত করার আশ্বাস দিয়েও তার কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেনি সাবেক সাংসদ বি,এম ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর  ইউনিয়নের ভিটাডুবি হতে গোয়াল নগর হয়ে রামপুর আর গে লালুয়ারটুক থেকে গোয়ালনগর পর্যন্ত ভগ্নদশায় পতিত রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানিয়েছে গোয়ালনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের স্থানীয় জনগণ।

জানাগেছে উক্ত রাস্তাটি দিয়ে ভিটাডুবি,আশানগর,গোয়ারনগর,রামপুর,নোয়াগাও,মাছমা,কদমতলী সহ বেশ কয়েক গ্রামের মানুষকে যাতায়াত করতে হয়।এ সমস্ত গ্রামের লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি ঐটি।বর্ষায় নৌকা আর শুকনায় একমাত্র মোটর সাইকেলই তাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।

রাস্তাটি ভগ্নদশায় পতিত হওয়ার কারনে মানুষকে জীবণের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

কোন অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী নারী বা বয়স্ক লোককে  নিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত অসম্ভব।

উক্ত রাস্তাটির বিভিন্ন স্থান থেকে মাঠি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তে আর খানাখন্দে রূপান্তরিত হয়েছে।

রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার না করা হলে বৈশাখ মাসে এ সমস্ত এলাকার মানুষের হাজার হাজার একর বোরো জমির ধান ঘরে তোলা সম্ভব হবে না। 

তাই এলাকার ভুক্তভোগীরা রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করছেন।



আরও খবর



মেডিকেল ভর্তিতে আসন বাড়লেও কমেছে লড়াই!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image
তালহা চৌধুরী রুদ্র।নিজস্ব প্রতিনিধি:২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার আবেদন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এতে আবেদন পড়েছে এক লাখ চার হাজার ৪৪টি। সে হিসাবে আসনপ্রতি প্রায় ১৯ জনের মধ্যে লড়াই হবে।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাতুব্বর গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।এদিকে,দেশের সরকারি মেডিকেলের আসন সংখ্যা গতবছর চার হাজার তিনশ পঞ্চাশটি থাকলেও এবার বৃদ্ধি করে তা করা হয়েছে ৫৩৮০ টিতে ৷

গতবছর, মেডিকেল ভর্তির জন্য মোট আবেদন পড়েছিলো এক লাখ ৩৮ হাজার। সে হিসেবে প্রায় ৩২ জন আসনপ্রতি লড়েছিলো ৷
এবছর আবেদন কেনো কম পড়লো সে প্রশ্নের জবাবে  মহিউদ্দিন মাতুব্বর বলেন, আবেদন কম পড়েছে এটা বলা যাবে না। সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মোট আসনসংখ্যা অনুযায়ী যথেষ্ট আবেদন পড়েছে। 

যাদের চান্স পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই তারা হয়ত আবেদন করেনি।তাছাড়া আবেদনের সময়সীমা শেষ হলেও টাকা জমার সময় রয়েছে তাই সংখ্যাটা আরো কিছু বাড়বে ৷

আরও খবর



মেহেরপুরের বিস্তির্ণ মাঠ যেন হলুদের সাম্রাজ্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬২জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধি:হলুদে ছেয়ে গেছে পুরো মাঠ। চারিদিকে হলদে আভার দেখা মেলে। মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরিষার চাষ শুরু হয়েছে ব্যাপকহারে। ফসলটি চাষে প্রতি মৌসুমেই কৃষকদের উৎসাহ বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকুল হওয়া আর বাজারে চাহিদা ও ন্যয্যমূল্য পাওয়ায় সরিষা চাষে ঝুঁকে পড়েছে চাষিরা। কৃষি অফিস বলছে, স্থানীয়ভাবে তেলের ঘাটতি পুরুনের জন্য কৃষি বিভাগ প্রণোদনা ছাড়াও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করছে।

জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের সরিষার মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ধুলা আর কুয়াশায় ধূসর প্রান্তরের মাঝেও দূর থেকে চোখে ভেসে উঠে সরিষার হলুদ। বিস্তীর্ণ মাঠের চারদিকে হলুদের সমাহার। মাঘের ভর শীতেও প্রকৃতিতে মনে হচ্ছে বসন্তের ছোঁয়া।

নানা রঙের প্রজাপতিতে ভরে আছে সরিষার ক্ষেত। নীল, সবুজ, লাল-নীলের ডোরাকাটা বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি উড়ে বেড়াচ্ছে। কোথাও ঝলক দিয়ে উঠছে কালো ডানায় হলুদ-লালের মিশ্রণ। রঙ-বেরঙের প্রজাপতির এমন ডানা ঝাপটানো হৃদয়ে জাগাবে নবতর আনন্দ। প্রজাপতিরা এখানে আসে বিশ্রাম নিতে। অনেক দূর উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়ানোর পর সরিষার মাদকতা তাদের আকৃষ্ট করে। প্রজাপতির সঙ্গে ভ্রমরও মধু খুঁজে ফিরছে এই ফুলে। এই সুযোগে মৌয়ালরা মৌমাছি চাষ করে এই মধু সংগ্রহ করছেন সরিষার মাঠে।

বিভিন্ন মাঠে দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন বয়সি লোকজন সরিষার হলুদ ক্ষেতে বেড়াতে আসছেন। অনেকেই আসছেন বন্ধু বান্ধব নিয়ে ছবি তুলতে। কেউ বা বানাচ্ছেন টিকটক ভিডিও। দেখা গেছে মালসাদহ মাঠের মধ্যে স্কুল শিক্ষক ইছারদ্দীনের রচিত ‘মোড়ল ধরা পড়েছে’ গ্রামীণ নাটকের শুটিং। স্থানীয়রাও মনভরে উপভোগ করছেন এসব। সরিষার ঝাঁজালো ঘ্রাণে মুখরিত চারদিক। বেশিরভাগই ফুলে এই সময়ে গন্ধ থাকে না কেবল সরিষা ফুল ছাড়া। এ ঘ্রাণে ফুসফুসের উপকার হয়।

জেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি মৌসুমে সরিষার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে। এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে সরিষার আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ১৩৫ হেক্টর। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে ৯ হাজার মেট্রিক টন। স্থানীয় সরিষা জাতের পাশাপাশি বারি সরিষা ১৪, ১৫, ১৭,বিনা ৯,৪, ১১ ও টোরি ১৭ সরিষা চাষ করেছেন। কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত ভোজ্য তেলের মূল্য বৃদ্ধি ও বাজারে সরিষার চাহিদা থাকায় চাষিরা আগ্রহী হয়ে উঠেছেন । অনেকেই দো-ফসলি জমিতে সরিষা আবাদ করছেন। আবার অনেকেই সাথী ফসল হিসেবে ও সরিষা আবাদ করছেন।

জোড়পুকুর গ্রামের আব্দুর রশিদ জানন, তিনি এক বিঘা জমিতে সরিষা বপন করেছেন এবং আরো দুই বিঘা সাথী ফসল হিসেবে সরিষা চাষ করছেন। তিনি আরো জানান, জমিতে ধান থাকতে থাকতে সরিষার বীজ বপন করে দেওয়া হয়। এত খরচ কম হয় লাভ বেশি। তিনি আড়াই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। এতে খরচ হয়েছে মাত্র এক হাজার টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার সরিষা বিক্রি করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

বামন্দীর সৈকত আলী জানান, প্রতি বছর আমন ধান কাটার পর জমিতে সরিষা চাষ করি। সরিষা বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যায় ওই টাকা দিয়ে আবার ইরি ধানের আবাদ করি। সরিষা চাষে খরচ কম, লাভ বেশি হয়। এক বিঘা জমিতে ৭-৮ মণ সরিষা হচ্ছে। গেল বছরে সরিষার দাম বেড়েছে। তিনি এবার তিন বিঘা সরিষা চাষ করেছেন। ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অধিক মুনাফার জন্য কয়েক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করা হয়। হাড়াভাঙ্গা গ্রামের চাষি আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি এবার এক বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় নিজেদের প্রয়োজনে সরিষা চাষ করেন।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান, গেল বছরে চলতি বছরে সরিষার আবাদ লক্ষমাত্রার চেয়ে বেড়েছে। চাষিদেরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে সরিষা চাষে আগ্রহী করে তোলার জন্য। স্থানীয়ভাবে যে পরিমাণ সরিষা চাষ হয়েছে দূর্যোগ না হলে বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাগুরা জেলা বর্তমানে ঝরেপড়া শিশু শুন্য

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা জেলায় শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়ার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদেরকে পুনরায় বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে মাগুরার জেলা প্রশাসক এর প্রচেষ্টায় জেলার সকল উপজেলায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

এ উদ্যোগের আওতায় মাগুরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ এর উপস্থিতিতে ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সহায়তায় গত ৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মাগুরা সদর উপজেলার ৭টি বিদ্যলয়ের মোট ১১  জন ঝরেপড়া শিক্ষার্থীকে; ১৩ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মহম্মদপুর উপজেলার ২১ টি বিদ্যালয়ের ৩০  জন শিক্ষার্থীকে এবং ১৫ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে শালিখা ও শ্রীপুর উপজেলার ১৯ টি বিদ্যালয়ের ২৩  জন অর্থ্যাৎ, সর্বমোট ৬৪ জন ঝরেপড়া শিক্ষার্থীকে পুনরায় বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর মাধ্যমে তাদেরকে শিক্ষা জীবনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।  বর্তমানে এসব শিক্ষার্থীদেরকে নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের  সমাপনী পরীক্ষায় এসব শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে এবং প্রত্যেকেই সফলতার সাথে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।

ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অভিভাবকগণের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মাগুরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ। তিনি বিদ্যালয়ে প্রত্যাবর্তনকারী এসব শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুল ব্যাগ, খাতা, কলম, টিফিন বক্সসহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন। এছাড়া, শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করতে তিনি আর্থিক প্রণোদনাও প্রদান করেন।  অধিকন্তু, শিক্ষার্থীদের  অভিভাবকগণকে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রত্যাবর্তনকারী এসব শিক্ষার্থীরা যেন পুনরায় ঝরে না পড়ে এবং ভবিষ্যতে অন্য কোন শিক্ষার্থীও যেন বিদ্যালয় থেকে ঝরে না পড়ে সে বিষয়টি জেলা প্রশাসন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জেলা প্রশাসন, মাগুরা ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, মাগুরা বিশ্বাস করে যে, মাগুরা জেলায় এই মুহূর্তে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন ঝরেপড়া শিক্ষার্থী নেই।

আরও খবর



মাটিরাঙ্গায় কমিউনিটি ক্লিনিকে গর্ভবতী মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:সুস্থ মাতৃত্ব গঠনে স্থানীয় সরকার ও জাইকার অর্থায়নে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় ৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে  গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সেবায় সহায়ক চিকিৎসা সামগ্রী  বিতরন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৮ফেব্রুয়ারি)দুপুরের দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা সেমিনার কক্ষে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাইকার অর্থায়নে  মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের বাস্তবায়নে গর্ভবতী মায়েদের  স্বাস্থ্য সেবার জন্য চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ কার্যত্রুম উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন,মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক ডা:কে এম আমজাদ হোসেন, 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা  মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো.ওবায়দুল হক এর সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মো.আবুল হাসনাত   মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো.শাহ জাহান, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মো.আনিছুজ্জামান ডালিম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লাভনী চাকমা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সুবাস চাকমা,গোমতি ইউপি চেয়ারম্যান মো.তোফাজ্জল হোসেন,বড়নাল ইউপি চেয়ারম্যান মো.ইলিয়াছ,উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি)  জাইকার উপজেলা সন্বময়কারী রুনি চাকমা। 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রফিকুল ইসলাম জানান, পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টিদের চিকিৎসা সেবার কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় দূর্গম এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে মাকে সুস্থ রাখতে নিরাপদ মাতৃত্ব তৈরি করতে হবে। মা সুস্থ হলেই শিশু সুস্থ হবে আর তখনই আমরা সুষ্ঠু জাতি তৈরি করতে পারবো। সুষ্ঠু জাতি গঠনে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে নরমাল ডেলিভারী সামগ্রী বিতরণ কালে 
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডেজী চত্রুবর্তী বলেন উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলের পিছিয়ে মানুষের চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন সুস্থ মাতৃত্ব গঠনে স্থানীয় সরকার ও জাইকার অর্থায়নে যেসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে তা ভালো উদ্যোগ।গর্ভবতী মায়েদেরকে নরমাল ডেলিভারী করার জন্য এসব সামগ্রী কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্টানে জনপ্রতিনিধি, মেডিকেল অফিসার পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকাগণ, পরিকল্পনা কল্যাণ সহকারীগণসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর