Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
মনের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই ১০ টি কাজ করুন

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৪০৪জন দেখেছেন
Image


লাইফস্টাইল ডেস্ক:

 

মনের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সাধারণত আমরা শরীরের অসুখ টের পেলেও নিজের কিংবা অন্যের মনের অসুখ টের পাই না। এ কারণে অনেকেই মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত, নেশাগ্রস্ত কিংবা আত্মহননকারী হয়ে ওঠেন। যা কারও কাম্য নয়।

 

এজন্য ফিট ও সুস্থ থাকতে অবশ্যই মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেরই দু’দণ্ড বসে কাটানোর ফুরসত নেই। এ কারণেই মানুষের মধ্যে চাপ ও উদ্বেগ বাড়ছে। দীর্ঘদিন এভাবে থাকতে থাকতে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকেয়েট্রিতে প্রকাশিত ‘কান্ট্রি পেপার অন মেন্টাল হেলথ-বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৮.৭ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত।

প্রতিবেদন অনুসারে, মহামারি করোনার কারণে মানসিক রোগের ব্যাপকতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই রোববার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’।

নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। তাই মানসিক রোগ যেন বাসা না বাঁধে সেদিকে সময় থাকতে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ১০ উপায় মেনে চলুন-

পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে

ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই রাসায়নিকগুলো আমাদের মেজাজ ও আবেগ পরিচালনা করে।

যদি আমরা পর্যাপ্ত না ঘুমায়, তাহলে মস্তিষ্কে বিভিন্ন অংশ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়া স্বাভাবিক। তাই পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

পুষ্টিকর খাবার

পুষ্টিকর খাবার শুধু শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং মনের জন্যও উপকারী। কিছু খনিজ যেমন- আয়রন ও ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি মেজাজ পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাই সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। আপনি যদি খিটখিটে মেজাজ, হতাশা বা উদ্বিগ্নতায় ভোগেন তাহলে কফি খাওয়া কমিয়ে আনুন।

অ্যালকোহল, ধূমপান ও মাদক পরিহার

অনেকেই হতাশ হয়ে ধূমপান ও মাদকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে জানেন কি, এগুলো হতাশা কাটায় না বরং শরীর ও মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত মদ্যপানে শরীরে থায়ামিনের ঘাটতি হতে পারে। থায়ামিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর ঘাটতি দেখা দিলে স্মৃতি বিভ্রাট, মনোযোগের অভাব, বিভ্রান্তি ও চোখের সমস্যা হতে পারে। আবার যদি আপনি ধূমপান করেন, এতে থাকা নিকোটিন শরীর ও মস্তিষ্ক উভয়েরই ক্ষতি করে। পরবর্তীতে ধূমপান বন্ধ করলে আপনি আরও বিরক্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে পারেন। তাই মাদকমুক্ত জীবন গড়ুন।

সূর্যের আলো গায়ে মাখুন

সূর্যালোক ভিটামিন ডি এর একটি বড় উৎস। ভিটামিন ডি শরীর ও মস্তিষ্কের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি মস্তিষ্কের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে। ফলে মেজাজ আরও উন্নত হয়। কারণ অ্যান্ডোরফিন ও সেরোটোনিন এর উৎপাদন বেড়ে যায়। তবে রোদে গেলে ত্বক ও চোখকে নিরাপদ রাখুন।

প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে ২ ঘণ্টা গায়ে সূর্যের আলো মাখুন। শীতের সময় অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ তখন সূর্যের দেখা কম পাওয়া যায়। এটি সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার (এসএডি) নামে পরিচিত। তাই পর্যাপ্ত সূর্যের আলো গায়ে মাখুন, এতে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে।

দুশ্চিন্তা দূরে রাখুন

 

সবার জীবনেই কাজের চাপ আছে। তাই বলে এ নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করা উচিত নয়। এ সমস্যা সমাধানে আপনাকে জানতে হবে কীভাবে আপনি চাপ সামলাবেন। যদি না পারেন তাহলে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন।

এজন্য দৈনন্দিন জীবনের কোনো না কোনো সমস্যার তালিকা তৈরি করুন। এরপর তা সমাধানের উপায় খুঁজুন। অযথা অলীক কল্পনায় ডুবে থাকবেন না। যখন দেখবেন আপনার ঘুমাতে সমস্যা হচ্ছে, তার অর্থ হলো আপনি বেশি দুশ্চিন্তা করছেন!

 

শরীরচর্চা আবশ্যক

 

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অবশ্যই আপনাকে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। কারণ যত বেশি সক্রিয় থাকবেন, মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থগুলোও বেড়ে যায়। যা মেজাজ ভালো রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে শরীরচর্চার অভাবে মেজাজ খারাপ হতে পারে।

পাশাপাশি উদ্বেগ, চাপ, ক্লান্তি ও অলসতা বোধ করতে পারেন। তাই শরীর ও মন দু’টোই ভালো রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। ম্যারাথন দৌড় বা ফুটবল খেলার প্রয়োজন নেই, আপনি নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও কায়িক পরিশ্রম করেও সুস্থ থাকতে পারবেন।

যা ভালো লাগে, তা-ই করুন

আপনার যা ভালো লাগবে বা করতে ইচ্ছে করবে তা-ই করুন। আপনার যদি ঘুরতে যেতে, শপিং করতে কিংবা ছবি আঁকতে ভালো লাগে তাহলে তা-ই করুন। আপনি যা উপভোগ করেন সেই কাজগুলো যখন করবেন তখন মনও ভালো থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা অন্যের বাধ্যগত হয়ে নিজের খুশিকে দমিয়ে রাখেন, তাদের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ ও অসুখী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা যায়। তাই নিজের ভালো লাগাকে প্রাধান্য দিন।

মিশুক হওয়ার চেষ্টা করুন

অন্যদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। যখনই সুযোগ পাবেন মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। গবেষণায় দেখা গেছে, অন্যদের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট কথা বলা স্মৃতিশক্তি ও পরীক্ষার স্কোর উন্নত করতে পারে! তাই মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান ও মিশুক হওয়ার চেষ্টা করুন।

অন্যের জন্য কিছু করুন

কাউকে সাহায্য করলে নিজের মধ্যেও অন্যরকম ভালো লাগার অনুভূতি কাজ করে। তাই অন্যের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন। কোনো দরিদ্রকে খাবার বা পোশাক কিনে দিন কিংবা সামান্য অর্থ দিয়ে সাহায্য করুন। দেখবেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে।

তখন নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে হতাশ না হয়ে বরং বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে। নিজেকে অসহায় ভাবার আগে না খেয়ে থাকা মুখগুলোর ছবি ভাসবে মনে। ফলে অন্যের জন্য কিছু করার স্পৃহা জন্মাবে। এর মাধ্যমে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পাবেন।

সাহায্য নিন

আপনি যদি মানসিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তাহলে অন্যের সাহায্য নিন। মুখ বুজে থাকবেন না। নিজের অসুবিধার কথা সবার সঙ্গে শেয়ার করুন। কারণ অত্যাধিক মানসিক চাপে আপনি বিকারগ্রস্তও হয়ে পড়তে পারেন। অনেকেই মনে করেন, মন ভালো নেই এ বিষয়ে কাউকে জানালে সে পাগল বলবে!

এ ধারণা থেকে সরে আসুন। মানুষের শরীর যেমন সবদিন ভালো যায় না, ঠিক তেমনই মনও সব সময় ভালো থাকে না। তাই মানসিকভাবে চাপ অনুভব করলে কাউন্সিলিং করুন বা মনোবিদের সাহায্য নিন। তার আগে পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



করোনাভাইরাসের টিকার সনদ ছাড়া যানবাহনে চলাচল করা নিশেধ

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৪ January ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসের টিকার সনদ ছাড়া হোটেল-রেস্টুরেন্টের মতো শপিংমলে প্রবেশ এবং ট্রেন, প্লেন ও লঞ্চসহ যানবাহনে চলাচল করা যাবে না। এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ড. খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বৈঠকের নির্দেশনা তুলে ধরে এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রপিরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ওমিক্রন নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে টেকনিক্যাল কমিটির একটি সভা হয়েছে। সেখানে যেই বিষয়টি পয়েন্ট আউট করা হয়েছে, সেটা হলো ভ্যাকসিনটা আরও জোরদার করতে হবে। বুস্টার ডোজ কীভাবে সহজ ও বিস্তৃত করা যায়, সেটা দেখতে হবে।

মন্ত্রপিরিষদ সচিব বলেন, ওমিক্রমের বিষয়ে বলা হয়েছে, আমরা এখন থেকে রেস্টুরেন্ট, শপিংমল, প্লেন, ট্রেন ও লঞ্চে যারা উঠবে, তাদের একটা টাইম দেব; তারা ডাবল ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট ছাড়া কেউ যাতে না ওঠে। সেরকম একটা চিন্তা-ভাবনার দিকে যেতে হবে।

সচিব আরও বলেন, এছাড়া বাড়ির বাইরে কোনোক্রমেই মাস্ক ছাড়া যাওয়া যাবে না। এটা আমরা অলরেডি বলে দিয়েছি। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে সচিব বলেন, ভ্যাকসিন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। বুস্টার ডোজের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হতে হবে। রেস্তোরাঁ, শপিংমল, বাণিজ্য মেলা, বিমানে যেতে হলে ভ্যাকসিনের ডাবল ডোজের সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ বের হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সারাদেশে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান সীমিত করতে হবে। বুস্টার ডোজের বিষয়ে ফ্রন্টলাইনারদের ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; যাতে সবাইকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়। করোনা সংক্রমণ বাড়লে গণপরিবহনে যাত্রীর সংখ্যা অর্ধেক করা হবে।

সচিব বলেন, এখন থেকে ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হলে অন্তত প্রথম ডোজ টিকা দিতে হবেই। সেইসঙ্গে বন্দরগুলোকে আরও শক্তিশালী করারও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর



বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন কাল

প্রকাশিত:Friday ৩১ December ২০২১ | হালনাগাদ:Monday ২৪ January ২০২২ | ১১৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার (ডিআইটিএফ) ২৬তম আসরের পর্দা উঠছে। আগামীকাল শনিবার পূর্বাচল নতুন শহরে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী চলবে এ মেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করবেন।

আজ শুক্রবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। মেলার এক্সিবিশন সেন্টারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রপ্তানি বাণিজ্য উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কৌশল হচ্ছে পণ্য উন্নয়ন ও পণ্যের বাজার সৃষ্টি। আর পণ্যের বাজার সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কৌশল হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন ও মেলায় অংশগ্রহণ। প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বাণিজ্যমেলার নবনির্মিত এই স্থায়ী ভেন্যুতে এবারের মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়।

দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল হতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন করা হচ্ছে। এবারই প্রথমবারের মতো স্থায়ী কমপ্লেক্সে এ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অন্যান্য বছরের মতো মাসব্যাপী এ মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত)। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা, শিশুদের ২০ টাকা।

এবার মেলায় প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কারপেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহ-সামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি।

বাণিজ্যমেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল ও ১৫টি ফুড স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক্সিবিশন সেন্টারের ১৪ হাজার ৩৬৬ বর্গমিটার (প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার বর্গফুট) আয়তনের দুটি হলে (হল-এ ও হ-বি) সব স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেলা কমপ্লেক্সের বাইরে (সম্মুখ ও পেছনে) প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও ফুড স্টল নির্মাণ করা হয়েছে। মেলা চলাকালীন যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


আরও খবর



মঙ্গলবার থেকে রাত ৮টার পর বন্ধ দোকানপাট "খুলনায়"

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১০৮জন দেখেছেন
Image

খুলনায় করোনার সংক্রমণ রোধে মার্কেট ও দোকানপাটের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার থেকে রাত ৮টার পর নগরীতে খোলা রাখা যাবে না মার্কেট ও দোকান। তবে, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য পরিবহণ ও কাঁচামালের আড়তের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে না।

খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক জেলা ও মহানগর করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির এক সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানান। সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, ‘করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার আগেই আমাদের সচেতন হতে হবে। আগামী মঙ্গলবার থেকে রাত ৮টার পর নগরীতে মার্কেট ও দোকান খোলা রাখা যাবে না। তবে, নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল পরিবহণ ও কাঁচামালের আড়তের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা নেই।’

সভায় সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, গত নভেম্বরে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে করোনায় জেলায় কোনো প্রাণহানি হয়নি। হঠাৎ সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মানা ও মাস্ক পরার বিকল্প নেই।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, ‘টিকা নেওয়ার পর করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার অনেক কম। তাই টিকা গ্রহণে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।’

সিভিল সার্জনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে খুলনা জেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় এক লাখ ৬১ হাজার ৭২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ হাজার ১৯ জন রোগী কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছেন


আরও খবর



নাসিরনগরে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রতারক লিটন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:Thursday ২০ January ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১২৯জন দেখেছেন
Image

      

মোঃ আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর(ব্রাক্ষণবাড়িয়া),

জেলার নাসিরনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে,দৈনিক যুগান্তরের নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি মনির হোসেনের বড় ভাই এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত প্রতারক লিটনকে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে  র‌্যাব জানা।


জানা গেছে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের পৈরতলা নিবাসী মৃত ইদন মিযার ছেলে সুমন মিয়ার কাছ থেকে পার্টনারশীপে ব্যবসা করার কথা বলে বø্যাক চেকে স্বাক্ষর করে ২১ লক্ষ টাকা নেয় প্রতারক লিটন। পরে সুমনকে ব্যবসায়িক পার্টনার না দিয়ে সমূদয় অর্থ আত্মসাৎ করেন লিটন। নিরুপায় হয়ে ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর সুমন বাদী হয়ে প্রতারক লিটনকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নিগোসিয়েশন ইন্সট্রুমেন্ট  এ্যাক্ট ১৩৮ ধারায় মামলা রুজু করে।


আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দীর্ঘ শুনানির পর ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর বিজ্ঞ আদালত প্রতারক লিটনের বিরুদ্ধে ২১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করে। এরপর থেকে প্রতারক লিটন গা ঢাকা দিয়ে থাকে। গত মঙ্গলবার র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের পরিচালকের নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের একটি টিম রাত ১২ ঘটিকার সময় প্রতারক লিটনের বাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরে বুধবার প্রতারক লিটন আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে র‌্যাব।

 

জানা গেছে, প্রতারক লিটন সুমন ছাড়াও গুনিয়াউক ইউনিয়নের চিতনা গ্রামের রবিউল, বুড়িশ্বর ইউনিয়নের সেলিম চৌধুরী, গোকর্ণ ইউনিয়নের সন্তোষ সরকার,বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িশ্বর গ্রামের ও সদর ইউনিয়নের দাঁতমন্ডল গ্রামের আরো বেশ কয়েকজনকে পুলিশে ও প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী দেওয়ূার নাম করে অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে। এমনটি প্রতারক লিটনের আপন চাচা নাছির মিয়ারও অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে নাছির মিয়া জানান।


প্রতারক লিটনের সমস্ত অপকর্মের মূলে তার ছোট ভাই যুগান্তরের সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মোঃ মনির হোসেন প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে লিটনকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। মামলার বাদী সুমন মিয়া জানান, লিটনের সমস্ত অপকর্মের মূল চালিকা শক্তি তাহার ছোট ভাই  যুগান্তরের সাংবাদিক মনির হোসেন।


বাদী সুমন আরো জানায় সাংবাদিক মনির যুগান্তর পত্রিকার কার্ড ব্যবহার করে লিটনকে দিয়ে প্রতারনা করিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে বিনিময়ে মনির প্রতারক লিটনের  কাছ থেকে অর্থের ভাগ নেয়। বাদী সুমন বিষয়টি  সুবিবেচনা পূর্বক মনিরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সুব্যবস্থা গ্রহণ করতে যুগান্তর কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করে। 

 -খবর প্রতিদিন/ সি.বা



আরও খবর



নাসিরনগরের প্রতারক লিটনের বিরোদ্ধে সেলিম চৌধুরীর ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলা

প্রকাশিত:Sunday ২৩ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image


পর্ব-৪

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ 

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে জধন এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রতারক মোঃ লিটন মিয়া(৩৫) এর বিরোদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে আশুরাইল বেণীপাড়া গ্রামের আজব আলী চৌধুরীর ছেলে মোঃ সেলিম চৌধুরী বাদি হয়ে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে এন,আই  এ্যাক্টের ১৩৮ বিধান মতে আরো একটি চেক জালিয়াতির মামলা করার খবর পাওয়া গেছে।


জানা গেছে বাদী সেলিম চৌধুরী একজন ইট,বালু,পাথর সালপ্লাইয়ার ও আসামী লিটন মিয়া একজন ঠিকাদার।ঠিকাদারী কাজের কথা বলে আসামী লিটন মিয়া বাদী সেলিম চৌধুরীর নিকট থেকে গত ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর নাসিরনগর সোনালী ব্যাংকের ১২১৩০ নম্ভর সঞ্চয়ী হিসাবের ৪২০৪৭৯৭ নম্ভরের একটি চেক প্রদান করে ১০ লক্ষ টাকা গ্রহন করে।ওই তারিখে বাদী সেলিম চৌধুরী নাসিরসগর সোনালী ব্যাংকে গিয়ে চেকটি নগদায়নের চেষ্টা করে।


কিন্তু লিটনের হিসাব নাম্ভারে কোন টাকা না থাকায় চেকটি ডিজনার হয়ে আসে।পরবর্তীতে বাদী সেলিম চৌধুরী আসামী প্রতারক লিটনের কাছ থেকে তার পাওনা টাকা আদায় করতে না পেরে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করে।বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে বাদী সেলিম চৌধুরী জানিয়েছে।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর