Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মালবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে পড়ায় প্রাণ গেল দু’জনের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের মণিরামপুরে মালবাহী ট্রাকের চাপায় দু’জন নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় ট্রাক চালক আহত হয়েছে। সোমবার (১০ জুন) সকালে মণিরামপুর বাধাঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।নিহতরা হল, মণিরামপুুরের বিজয়রামপুর গ্রামের মৃত আনার আলীর ছেলে আব্দুর রহমান (৮৫) ও টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার দেওভাটা গ্রামের ঝন্টু মিয়া (৪৮)। আহত ট্রাক চালকের নাম নুরুল ইসলাম। তিনি গাজীপুর থানার উত্তর দাড়িয়াপুর গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার রাতে একটি মালবাহী ট্রাক গাজীপুর থেকে শ্যামনগরের উদ্দ্যেশে রওনা হয়। সকালে ট্রাকটি মণিরামপুর বাধাঘাট এলাকায় পৌছালে চলন্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ে।এসময় দোকানের সামনে বসে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকে চাপা পড়ে মারা যান। আর গাড়িতে থাকা ট্রাক মালিক ঝান্টু মিয়াও ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় ট্রাক চালক নুরুল ইসলাম গুরুত্বর আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে।প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ব্যাপারী অটো রাইস মিলের সামনে দোকানে বসে থাকা আব্দুর রহমানকে চাপা দিয়ে ট্রাকটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলে তিনি মারা যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে ট্রাকের মধ্যে থেকে অপর একজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

চালক নুরুল ইসলাম বলেন, গাজীপুর থেকে শ্যামনগরের যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ঝন্টু মিয়া ওই ট্রাকের মালিক।মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাফায়াত হোসেন বলেন, ট্রাক দুর্ঘটনায় তিন জন হতাহত হয়েছে। এদের মধ্যে ট্রাক চালক নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মণিরামপুুর থানার এসআই লিটন বিশ্বাস বলেন, চালকের ঘুম ভাব থাকার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাথে ইউসিবি’র ব্যাঙ্কাসুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সম্প্রতি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) এর গ্রাহকদের কাছে বিভিন্ন বীমা পণ্য ও সেবা বিক্রি করার লক্ষ্যে জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাথে একটি ব্যাঙ্কাসুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ইউসিবি’র কর্পোরেট হেড অফিসে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি’র (ইউসিবি) পক্ষ থেকে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিসি) সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম; অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি এটিএম তাহমিদুজ্জামান এফসিএস; করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড আলমগীর কবির; উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. মইনুল কবির; বিডিসিইউ-এর হেড ও এসইভিপি মো: সেকান্দার-ই-আজম; প্রধান ব্যাঙ্কাসুরেন্স অফিসার এটিএম তাজমিলুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবু বক্কর সিদ্দিক; অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইকবাল রশিদী এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো: আহসান হাবীব। 

এদেশে ব্যাঙ্কাসুরেন্স একটি নতুন ধারণা। এটি ব্যাংক ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মধ্যে এক ধরনের অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করে, যার মাধ্যমে একটি ব্যাংক গ্রাহকদের কাছে বিমা কোম্পানির বিভিন্ন পণ্য ও সেবা বিক্রি করতে পারে। বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের সুবিধা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। ইউসিবির গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সুবিধা এবং আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাথে একযোগে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ ধরনের অংশীদারিত্ব দেশের জনগণকে সমন্বিত আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। 

এই চুক্তির ফলে উভয় প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকরা উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই চুক্তির অধীনে, ইউসিবির গ্রাহকদের কাছে জনতা ইন্স্যুরেন্সের নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স পণ্য ও সেবা বিক্রি করতে পারবে; অন্যদিকে, এই উদ্যোগ জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে আরও বেশি সংখ্যক গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। 


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




হোমনায় ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image
হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার হোমনায় ভূমিসেবা সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে কার্যালয় চত্বরে জনসচেতনতামূলক সভা এবং তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সেবা গ্ৰহিতাদের নামজারি জমা খারিজের সৃজিত খতিয়ান, দাখিলা ও খতিয়ানের ভুল সংশোধন সেবা দেওয়া হয়। 

এতে সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছেরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্ষেমালিকা চাকমা। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র বর্মণ, উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের কানুনগো আবদুল করিম ও নাজির মো. গোলাম মোস্তফা, খাদিজা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

আরও খবর



পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে বগুড়ায় বায়ুদূষণ প্রতিরোধে কর্মশালা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৪৩জন দেখেছেন

Image

আল আমিন মন্ডল বিপ্লব (বগুড়া):বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সোমবার (১০ই জুন২৪) পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় ও বগুড়া  জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে পরিবেশ ভবনে বায়ু দূষণ প্রতিরোধে পরিবেশ বান্ধব ব্লকের ব্যবহার শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (উপ-সচিব) মুহাঃ আহসান হাবিব। পরিবেশ অধিদপ্তর এর সরকারী পরিচালক তামিম হাসান এর সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করনে বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহথীর বিন মোহাম্মদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম ও আসাদুর রহমান, সহকারী পরিচালক নাজমুল হোসাইন, মলিন মিয়া, মিজানুর রহমান, ফারুক হোসেন ও রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।


আরও খবর



ঘুর্নীঝড় রেমালের তান্ডবে সৈয়দপুরে ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফারীর সৈয়দপুরে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এতে প্রায় পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া গাছপালা উপড়ে গেছে প্রায় কয়েক হাজার। ২৯ মে দিবাগত রাত ১টা থেকে শুরু হয় রিমালের তাণ্ডব। প্রায় ২ ঘন্টা চলে ওই ঘুর্ণিঝড়ের তান্ডব। সৈয়দপুর শহরের আমিন মোড়ের বাসিন্দা দুলাল সরকার বলেন,  ২ ঘন্টা ধরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব এর আগে সৈয়দপুর শহর সহ উপজেলার কোথাও হয়নি। ২০০৭ সালে সিডরের চেয়েও কিছুটা ভয়ানক ছিলো এই ঘুর্ণিঝড়। আর মাত্র ১/২ ঘন্টা তান্ডব চালালে ভয়াবহ অবস্থা হয়ে যেতো। আমর পরিবার সহ এলাকার সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।

উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরী বলেন, গাছপালা উপড়ে কয়েকটি গ্রামের  যোগাযোগ ব্যবস্হা বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক মানুষ ঘরবন্দী হয়ে গেছে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নুরী- আলম সিদ্দিকি জানান, উপজেলার শহর সহ গ্রামের অনেক ঘর বাড়ি গাছপালা ভেঙে উপড়ে গেছে। অনেক মানুষ ঘরবন্দী রয়েছেন।

নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক  বলেন, ঘুর্নীঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে।  ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



তৃষ্ণার্ত পথিকের স্বস্তি এনে দিতে জুড়ি নেই কচি তাল শাঁসের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃস্বাদে অতুলনীয় ও পুষ্টিগুণে ভরপুর মৌসূমী ফল তালের শাঁসের কদর সেই আদি কাল থেকে। সব বয়সি মানুষের জন্য এটি মুখরোচক হলেও এর চাহিদা বাড়ে গ্রীষ্মকালে। তৃষ্ণার্ত পথিকের স্বস্তি এনে দিতে জুড়ি নেই কচি তাল শাঁসের। তবে পুরাতন তাল গাছ কেটে ফেলা ও নতুন করে গাছ রোপন না করায়  ফরমালিনমুক্ত তালের শাঁস পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। বাড়ির পাশে বন বাদাড়ে বা রাস্তার ধারে অযতেœ বেড়ে ওঠা গাছে কিছু তাল দেখা যায়। ফলে দাম একটু বেশি। তবুও মৌসুমী ফল হওয়ায় সকলের কাছেই এর কদর রয়েছে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ জেলায় নির্দিষ্ট কোন তাল বাগান নেই। রাস্তার পাশে, ফসলি জমির আইলে অনেক তাল গাছ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গাছের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। তবে এগুলোর মধ্যে সব গাছে ফল হয় না। গত কয়েক বছর যাবত তাল গাছ রোপন করা হয়েছে। এগুলো ফলবান হতে আরো অন্তত ৯/১০ বছর লাগবে। বজ্র নিরোধক বৃক্ষ হিসেবে সকলকে তাল গাছ রোপনের জন্য উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। 

জেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও রাস্তার মোড়ে দেখা গেছে তাল শাঁস বিক্রি করছেন গাছিরা। কেউ কেউ রাস্তার পাশে চট বিছিয়ে তাল শাঁস বিক্রি করছেন। আবার অনেকেই ভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছেন। প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে বেচা বিক্রি। গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে অস্থির পথচারীদের এক মুহূর্তের জন্য হলেও তৃষ্ণায় স্বস্তি এনে দেয় তাল শাঁস। আবার অনেকেই বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। মৌসুমী ফল হওয়ায় দামের বিষয়টি বিবেচনা করছে না ক্রেতারা। 

মৌসুমী তাল বিক্রেতা বালিয়া ঘাট গ্রামের রশিদ জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় থেকে কচি তাল সংগ্রহ করেন তারা। তালের কাদি দেখে দর দাম ঠিক করা হয়। প্রতিটি তাল ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা করে কিনে আনা হয়। পরে পরিবহন খরচ ও পারিশ্রমিক যোগ করে তালের শাঁসের দাম নির্ধারণ করা হয়। তাল গাছ আর তালের পরিমান কম হওয়ায় এবার তালের দামটা একটু বেশি। প্রতি পিচ তাল শাঁসের দাম ৫ টাকা থেকে ৭ টাকা। বিক্রিও বেশ ভালো। তবে বেশি দামে কেনার কারণে লাভ কম হচ্ছে।

গাংনী হাসপাতাল বাজারের তাল শাঁস বিক্রেতা শিশির পাড়া গ্রামের ফল বিক্রেতা হিরমত আলী জানান, সারা বছরই বিভিন্ন ফল বিক্রি করেন তিনি। জৈষ্ঠ্য মাসের শুরু থেকে তাল শাঁসের ব্যবসা করছেন। গত বছর ১২ টাকা হালি বিক্রয় করলেও এবছর ২০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। দাম বেশি হলেও এবছরেও চাহিদা খুব বেশি। ছোট বড় সকলেরই বেশ পছন্দের। একই কথা জানালেন ব্যবসায়ী লিটন আলী ও মহিবুল ইসলাম।

প্রভাষক এসএম রফিকুল আলম বকুল জানান, গ্রীষ্মকালের অন্যতম একটি রসালো সুস্বাদু ফল হচ্ছে তালের শাঁস। এটি খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার হিসেবে পরিচিত। ছোটকালে এক টাকায় এক হালি তাল শাঁস পাওয়া যেত। এখন অনেক দাম তবুও ছেলে-মেয়ের জন্য নিয়মিত কিনে নিয়ে যান। তালের শাঁস খেতে অনেকটা নারকেলের মত। নরম ও সুস্বাদু হওয়ায় পরিবারের সকলেই তাল শাঁস খেতে খুবই ভালোবাসে। কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এর রয়েছে পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা।

তালের উপকারিতা সম্পর্কে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আব্দুল আল মারুফ জানান, তালের শাঁসে থাকা জলীয় অংশ মানুষের দেহের পানি শূন্যতা দূর করে। এ ফলে মিনারেলস, আয়োডিন, জিংক, পটাশিয়াম ও ফসফরাস থাকে। বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর তালের শাঁস নানা রোগের দাওয়াই হিসেবে কাজ করে।


আরও খবর