Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মালাবদল করবেন সোনাক্ষী-জহির

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:প্রকৃতিতে গ্রীষ্মকাল। বিয়ের মৌসুম শীত আসতে ঢের দেরি। কিন্তু ততদিন অপেক্ষা করতে চাইছেন না সোনাক্ষী সিনহা। গৃহত্যাগী সূর্যটাকে সাক্ষী রেখেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তিনি। পাত্র দীর্ঘদিনের প্রেমিক জহির ইকবাল। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

কয়েক বছর ধরে চুটিয়ে প্রেম করছেন সোনাক্ষী-জহির। প্রথম দিকে সম্পর্কের কথা গোপন রেখেছিলেন তারা। কিন্তু আকাশে চাঁদ উঠলে তো আর লুকিয়ে রাখা যায় না। এ জুটিও পারেননি। ধীরে ধীরে তা প্রকাশ পেয়ে যায়।

বলিউডের অনেক অনুষ্ঠানেই একসঙ্গে হাজির হয়েছেন সোনাক্ষী-জহির। কখনও হাতে হাত ধরে সিনেমা দেখতে গেছেন, কখনও বা ডিনার ডেটে। সম্প্রতি সালমান খানের পার্টিতেও একসঙ্গে দেখা যায় তাদের।জানা গেছে, সোনাক্ষীর চেয়ে দুই বছরের ছোট জহির। একজের বয়স ৩৭, আরেকজনের ৩৫। যদিও বলিউডি সংস্কৃতিতে বয়স কোনো বাধা নয়। এরকম নজির আরও অনেক আছে।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৯ জুন মালাবদল করবেন সোনাক্ষী-জহির। এরইমধ্যে আয়োজন শুরু হয়ে গেছে। তবে বিয়েতে কোনো থিম থাকছে না। নিমন্ত্রিত অতিথিদের সাধারণ পোশাকেই অনুষ্ঠানে আসতে বলা হয়েছে।

এদিকে সোনাক্ষীর জীবনে জহিরই প্রথম পুরুষ নন। এর আগে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। পরে অজানা কারণে তারা আলাদা হয়ে যান।

সোনাক্ষীর হবু বরও একজন অভিনেতা। ২০১৯ সালে ‘নোটবুক’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। এরপর বেশ কয়েকটি সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে সেই সোনার খনিতে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল বাচোর ইউনিয়নের কাতিহার বাজারের উত্তর পাশে রুহুল আমিন মালিকানাধীন ‘সোনার খনি’ খ্যাত আরবিবি (জইই) ইটভাটা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রবিবার (২৬ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন । এর আগে গত শনিবার (২৫ মে) ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

জানা গেছে,গত এক মাস ধরে ওই ইটভাটায় কাঁচা ইট তৈরির জন্য এলাকার বিভিন্ন পুকুর থেকে মাটি কেটে এনে ৩টি মাটির স্তুপ করা হয়। ওই মাটির স্তূপগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সোনার মোহর, স্বর্ণের দুল, আংটিসহ বিভিন্ন সোনার তৈরি জিনিস পাওয়া যায়। এতে করে প্রতিদিন হাজার হাজার নারী, পুরুষ স্বর্ণ পাওয়ার আশায় রাত দিন মাটি খনন করতে থাকে। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনে নিউজ প্রকাশিত হয়।

এরই প্রেক্ষিতে শনিবার ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। আদেশে বলা হয়েছে, ওই ইট ভাটার মাটির স্তপ খুঁড়ে সোনা পাওয়া যাচ্ছে মর্মে স্থানীয় লোকজনসহ আশেপাশের অসংখ্য লোকজন বেশ কিছুদিন যাবৎ খুন্তি, কোদাল, বাশিলা ইত্যাদি দিয়ে মাটি খুঁড়া-খুঁড়ি শুরু করে প্রতিদিন ওই স্থানের তিনটি মাটির স্তূপে সোনার সন্ধান করছে। এতে আগ্রাসী লোকজন স্বর্ণ পাওয়ার আশায় ঝগড়া বিবাদ, কলহ ও দ্বন্দ্বে লিপ্ত হচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মাটি খুঁড়ে স্বর্ণের সন্ধান করতে থাকলে যে কোনো সময় ঘটনাস্থলে মারামারি, খুন, জখমসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরবিবি (জইই) ইটভাটা এলাকা ও এর আশেপাশে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

গভীর রাতে মাটি খুঁড়ছেন হাজার হাজার মানুষ চিঠিতে ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, থানার ওসি, বাচোর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব বরাবরে সদয় অবগতির জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুল হাসান জানান, ১৪৪ ধারা জারির পর শনিবার দিনগত রাত ৪টা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে গিয়ে সকল জনগণকে ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সেখানে জনমানবশূন্য। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়াও ইটভাটা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ওইসব মাটি অপসারণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর



ফুলবাড়ীতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগদানের প্রতিবাদে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে তাদের মনোনিত ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগদানের উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

সোমবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউপির জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী বিদ্যালয় চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালনসহ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে দাবির সমর্থনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. রায়হান আলী, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোছা. তাহেরা বেগম, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. শাহানুর আলম, সহকারী শিক্ষক ওয়াহেদ আলী, সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলম, বিদ্যালয়ের জমিদাতা আফজাল তালুকদার, অভিভাবক মোহাম্মদ আলম, এজাজ ম-ল, শিক্ষার্থী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার, ফাহারিয়া আক্তার রিয়া, জান্নাতুন তাজরিন, মোহনা জান্নাত, ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ¯িœগ্ধা আক্তার ইতিমনি, তাজমুন নাহার রীতা সহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

মানবন্ধন শেষে বিদ্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল প্রদর্শন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. রায়হান আলী, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোছা. তাহেরা বেগম ও সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মো. শাহানুর আলম বলেন, ম্যানেজিং কমিটিকে পাশ কাটিয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্বাস উদ্দিন মন্ডল ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র রায় যোগসাজস করে সরকারি বিধি বহির্ভূতভাবে পার্শ্ববর্তী বিরামপুরের মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পাঁয়তারা করছেন। গত ১৮/০৫/২০২৪ ইং তারিখের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে প্রধান শিক্ষকের পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সেই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এবং কমিটির কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে গোপনে মামুনুর রশিদকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আজ সোমবার (১০ জুন) সকাল ১০টায় দিন ধার্য করেন প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সভাপতি। এজন্য আবেদনকারিদের কাউকে মৌখিকভাবে আবার কাউকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারি-অভিভাবকসহ এলাকাবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন। এরই অংশ হিসেবে তারা অবৈধ প্রক্রিয়া মামুনুর রশীদকে প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগের উদ্যোগ বন্ধসহ অবৈধ পন্থা অবলম্বনকারিদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভসহ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবে বিক্ষোব ও মানববন্ধনের জন্য সকালে নিয়োগ পক্রিয়া স্থাগিত করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তবে বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ ১১/০৬/২০২৪ ইং তারিখ মঙ্গলবার শেষ হয়ে যাবে। এ কারণে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তড়িঘড়ি করে নিয়োগ পক্রিয়া শেষ করে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। 

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিতু ও রিক্ত চন্দ্র রায় বলে, কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ে চাই না। মামুনুর রশিদকে নিয়োগ দেওয়া হলে তারা বিদ্যালয়ে তারা ঝুঁলিয়ে দেবেন বলে জানান। 

 অভিভাবক মোহাম্মদ আলম ও এজাজ ম-ল বলেন, কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে দেবে এলাকাবাসী। স্বচ্ছ ও সরকারি বিধি মোতাবেক একজন যোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে হবে। এটা করা না হলে এলাকাবাসী বিদ্যালয়ে তালা ঝুঁলিয়ে দিতে বাধ্য হবেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র রায়কে তার ০১৩০৯ ১২০৪২৩ এবং ০১৭৬১ ৩৮১৮৭৯ নম্বরে মুঠোফোন একাধিকবার ফোন করা হলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্বাস উদ্দিন মন্ডলের ০১৭৪৭ ৫৪৭৭২৫ নম্বরের মুঠোফোনে ফোন করা হলে ফোনে গ্রহণ করেন’নি।

নিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার মহাপরিচালকের প্রতিনিধি বিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক মুঠোফোনে বলেন, ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে মৌখিকভাবে বলেছেন, তবে লিখিতভাবে এখনও জানাননি। ফলে এ বিষয়ে কোনো কিছু জানেন না তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর আলম বলেন, মৌখিকভাবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে বলা হলেও লিখিতভাবে কোনো কিছু বলা হয়নি। ফলে নিয়োগ হবে কি না তাও তিনি জানেন না।

জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, ওই বিদ্যালয়ে নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে তাকে লিখিতভাবে কোনো কিছু জানানো হয়নি। ফলে তিনিও জানেন না নিয়োগ হবে কি না।


আরও খবর



বিএনপি নেতা ইশরাক জামিন চেয়ে কারাগারে

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা নাশকতার মামলায় বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আস-সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন ইশরাক। এদিন আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের সময় বাড়ানোর আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে আদালত সেই আবেদন না মঞ্জুর করে বিএনপির এই নেতাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


আরও খবর



ডুমনী’তে ৫ পরিবারের বাড়ি ঢুকার রাস্তায় জোরপূর্বক বাউন্ডারির ওয়াল করে জমি দখলের অভিযোগ!

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২০১জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:সাম্প্রতিক সময়ে খিলক্ষেত থানাধীন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ডের ৭৬১৫/১৬ নং দাগের আহবর ডুমনী বাজারে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম(৪৩)রফিকুল ইসলাম,কালীপদ রায়,এম এ আজিম,আসদ্দর আলী,বিল্লালুর রহমারসহ বেশ কয়েকজন ক্রয়কৃত জায়গার সামনে দখল করার উদ্দোশ্যে জোরপূর্বক ওয়াল নির্মান করেছেন দীপু  ও তার সহযোগি মধু। তাদের ওয়াল ব্যবহারের কারনে পিছনে পড়া ৫/৬ জন পরিবারের জীবন শেষ সম্ভল টাকা জমিয়ে  বাড়ি নির্মানের জন্য জীবনের শেষ ঠিকানাটি এখন বেদখলে চলে যাচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন। তাদের পিছনে রেখে ওয়াল নির্মান করেছেন দিপু ও মধু । ভুক্তভোগিরা অনেক আকুতি মিনতি করলে তারা কোনে কর্ণপাত করে নি তারা।আজ তাদের জন্য পাঁছ ছয় টি পরিবার  খুব অসহায় অবস্থায়  জীবন যাপন করছে।

তাদের ক্রয়কৃত জায়গা জোরপূর্বক দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাদের এই দুই  প্রতিবেশী সাইদুর রহমান দিপু’ ও মধুর বিরুদ্ধে। 

অভিযোগে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম ও টিটু ও রফিকুল ইসলামের স্ত্রী সাংবাদিকদের জানান আমার প্রতিবেশী সাইদুর রহমান দিপু  ও তার মুল সহযোগি মধু আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি যার দাগ নং-৪৫৭৯/৮০ (চালা ও ভিটা) হোল্ডি নং-৪৬-৪৪ খতিয়ান নং-১১১১২, ডুমনী আহবর খানা-খিলক্ষেত ঢাকায় ডিজিটাল সার্ভেয়ার দিয়ে মেপে সাইনবোট এবং পিলার লাগানো হয়।গত ১৮ সেপ্টেম্বর-২৩ ইং তারিখে সকাল ১১ ঘটিকার সময় আমার জমিতে গিয়ে দেখি উক্ত সিমানা পিলার এবং সাইবোড নাই। আমার মনে হয় বিবাদী উক্ত সিমানা পিলার কৌসলে সরিয়ে ফেলেছেন। এবং বিবাদী আমার জায়গা জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করতেছেন।এমতাবস্থায় আমার চাকুরী জীবনের জমানো কিছু টাকা দিয়ে ক্রয়কৃত জায়গাটি সাইদুর রহমান দিপুর হাত থেকে রক্ষা পেতে আইনের আশ্রায় নিতে আমি বাধ্য হয়েছি বলে ও জানান তিনি ।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,সাইদুর রহমান দিপু  ও মধু নিজ এলাকায় ডুমনীতে ত্রাসের রাজত্ব্য কায়েম করেন।অত্র ওয়ার্ডের অসংখ্য মানুষের ক্রয়কৃত জায়গা জোরপূর্বক নিজের নামে নেওয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে ।নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক ডুমনী এলাকার এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন সাইদুর রহমান দিপুর পেশায় একজন ঠিকাদার সাধারন মানুষকে নয় ছয় বলে তাদের ক্রয়কৃত জমি নিজের নামে করে নেন তিনি।

উল্লেখ্য যে উক্ত জমি গুলো ২০০০ সালে মধু কিনে দিয়ে ছিলো পাঁচজন ভুক্তভোগিকে ।জমি কেনার সময় স্বাক্ষী হিসেবে সই করেছেন মধু।তখন পায়ে হেটে যাওয়া যেতো জমি গুলোতে তখন জমি গুলোতে দুই দাগের মাঝে আইল ছিল।

বর্তমানে জায়গা গুলো দিপু এবং মধু জোরপূর্বক ভোগ দখল করার উদ্দ্যাশে গেইট দিয়ে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করেছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগিরা। 

ডিএমপি খিলক্ষেত থানার ওসি হুমায়ন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই বিষয়ে আমাদের থানায় কিছুদিন আগে একটা অভিযোগ হয়েছে স্থানীয় কাউন্সিলর এর সাথে কথা বলে আমরা তদন্ত সহিত ব্যবস্থা নিবো যাতে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম তার ক্রয়কৃত জায়গা টি বুজে পায় ।

এ ব্যাপারে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো.শরিফুল ইসলাম জানান,এই বিষয়ে আমার খিলক্ষেত থানার ওসির সাথে কথা হয়েছে দুই পক্ষের সাথে কথা হয়ে সময় করে দুইপক্ষকে থানায় বা আমার অফিসে বসে যার জায়গা তাকে বুজিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।
তিনি আরো বলেন বর্তমান দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকার কারো জমি জোরপূর্বক দখল বা ভাংচুর করা হলে তার বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইদুর রহমান দিপুর কাছে জানতে চাইলে পুরো বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন যার জায়গা যতটুকু তিনি ততোটুকু পাবেন জোরপূর্বক কারো জমি তিনি দখল করে রাখেন নি বলে জানান।

অন্যদিকে দিপুর আরেক সহযোগি মধুর কাছে এবিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করে নি।

আরও খবর



মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১ নারী নিহত আহত হয়েছে ৭ জন

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩২জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:পা ভাঙা স্বামীকে অ্যাম্বুলেন্সে  ঢাকায় নেয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন স্ত্রী। এছাড়া আহত হয়েছেন পরিবারের ৫ সদস্যসহ আরো ৭ জন। 

রবিবার ৯ জুন সকালে মাগুরার মঘির ঢাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দুর্ঘটনায় পা ভাঙা রবিউলকে নিয়ে সকালে মহেশপুর থেকে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যাচ্ছিলেন স্ত্রী মিনু আরাসহ পরিবারের সদস্যরা। মাগুরার মঘির ঢাল এলাকায় এলে অ্যাম্বুলেন্সটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। অ্যাম্বুলেন্সটির গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই মিনু আরা মারা যান। অ্যাম্বুলেন্সে থাকা পরিবারের আরও ৫ সদস্যসহ ৭ জন আহত হন। তাদের মধ্যে রবিউলের অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে। 

আহতদের মধ্যে মিজান শিকদার (৪৫) পিতা মনু শিকদার ,রবিউল শিকদার (৫৫) পিতা মনু শিকদার , রিনা খাতুন( ৪০) পিতা মনু শিকদার ,আলামিন (২৭ ) পিতাঃ‌ রবিউল শিকদার,মিথিলা আক্তার মিতু( ২০) স্বামী সাজ্জাদ ইসলাম জালাল  তারা সকলেই   ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গৌরিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মোঃ পারভেজ ও হেল্পার বরিশালের মুলাদী উপজেলার গ্রাম চরগাছা গ্রামের সজীব (২০) আহত হন।

মাগুরা রামনগর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মাগুরা হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


আরও খবর