Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় আব্দুল মান্নান ও শালিখা উপজেলায় শ্যামল কুমার দে বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে   মাগুরার মহম্মদপুরে আব্দুল মান্নান আনারস এবং শালিখা উপজেলায় শ্যামল কুমার দে আনারস প্রতীক নিয়ে  বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আব্দুল মান্নান ৪৩ হাজার ৯৭৭  ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। তার নিকটতম প্রতিদন্দি শালিক পাঁখী কবিরুজ্জামান পান ৩৩ হাজার ৯৬২ ভোট। শালিখায় শ্যামল কুমার দে ৩১ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদন্দি রেজাউল ইসলাম মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোট পান ২৬ হাজার৭৮৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সজিব আহমেদ ৩৫ হাজার ৬৭৮ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেসমিন আক্তার শাবানা ১৩ হাজার ৭৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন   শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

মহম্মদপুর উপজেলায়  চেয়ারম্যান পদে ৭ জন এবং শালিখা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদন্দিতা করেন। মহম্মদপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ৬৪ টি ভোট কেন্দ্রে  এক লাখ ৮১ হাজার ৩৬২ জন ভোটার এবং শালিখা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫৪ টি ভোট কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৫ জন ভোটারের জন্য ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। 

আরও খবর



পাকিস্তানে ট্রাক খাদে, নিহত ১৪

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ব্রেক ফেল করে গাড়ি খাদে একই পরিবারের ১৪ জন নিহত হয়েছেন পাকিস্তানে খাইবার-পাখতুনখাওয়া প্রদেশের খুশাব জেলার নওশেরায় । শনিবারের (১৮ মে) এ দূর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে আটজন শিশু রয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

খুশাবের রেসকিউ ১১২২ ইমার্জেন্সি অফিসার ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ জানান, একই পরিবারের ২৩ জন সদস্য বান্নু থেকে নওশেরা (খুশাব) যাওয়ার সময় ব্রেক ফেল করে ট্রাকটি ২০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।

মৃতদেহ ও আহতদের নওশেরার টিএইচকিউ হাসপাতালে এবং জোহরাবাদের ডিএইচকিউ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

যাত্রীরা সবাই শ্রমিক শ্রেণির এবং কাজের জন্য খুশাব শহরে যাচ্ছিলেন।

সূত্র: ডন।https://www.dawn.com/news/1834266/14-killed-in-truck-accident-in-punjabs-khushab-district-rescue-1122


আরও খবর



বিডিইউ’তে অতিরিক্ত ফি আদায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন, বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে (বিডিইউ) শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সেমিস্টার ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ওই অতিরিক্ত ফি  কমানোর দাবিতে ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। রোববার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিডিইউ’র একাডেমি ক্যাম্পাসের সামনে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। 

এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেশের প্রথম ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে আওয়ামী সরকার। নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের সেমিস্টার ফি অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই অতিরিক্ত ফি কমানোর দাবীতে রোববার সকালে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীরা। পরে তারা সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করে। এসময় অতিরিক্ত ফি কমানো, শিক্ষার্থী বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতসহ বিভিন্ন দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে বিক্ষুব্দ শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অলিউর রহমান, শাহরিয়ার কবির  সজীব, সাজিদ আমিন, মাহমুদুল ইসলাম, ফখরুল হাসান ফয়সাল, প্রীতম ভৌমিক, প্রতিভা সাহা, আশুরা জাহান, জিন্না জামান মাহি, নায়লা তাবাসসুম, জান্নাতুল ফেরদৌস রাত্রিসহ প্রায় ১৭৪ জন শিক্ষার্থী।  

এসময় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দোহাই দিয়ে শুরু থেকেই অতিরিক্ত বিভিন্ন ফিসহ সেমিস্টার ফি নেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে এর আগেও আন্দোলন করা হয়েছিল। তখন কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ^াস দেওয়া হয়েছিল, ফাইনাল পরিক্ষার আগেই ফি কমানোর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত আসবে। কিন্তু আট বছর অতিবাহিত হলেও সেশন ফি কমানো হয়নি। আগামী সপ্তাহে আমাদের পরিক্ষা। অতিরিক্ত ফি কমানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এছাড়াও আমাদের ৬ মাসের জন যে সেমিস্টার ফি নেওয়া হচ্ছে। সেটা ১০ হাজার টাকা। আমরা জানি অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসি শেষ করতে মোট এত বেিিশ টাকা দিয়ে থাকে। আমরা বছরে যে টাকা দিচ্ছি, অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চার বছরেও ওই টাকা দিচ্ছে না। আর আমাদের অতিরিক্ত যে পাঁচ হাজার টাকার হিসাবও দেওয়া হচ্ছে না। তাই আমরা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যতক্ষন পযন্ত আমাদের সেমিস্টার ফি কমানো হচ্ছে এবং সে বিষয়ে লিখিত কোনো সিদ্ধান্ত না আসছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সকল ধরণের ক্লাস বর্জন করে এখানে অবস্থান কর্মসূচী পালন করবো। অপর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে স্ট্রাকচার অনলাইনে গেলে দেখা যাবে সুন্দর স্ট্রাকচার করা হয়েছে। এটা আট বছর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৌহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয় সাহেবের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধুর নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এই রকম প্রহশন চলতেছে। যেগুলো বাস্তবায়ন হতে আমরা এখনো দেখছি না। আমাদের ক্যাম্পাসের যে স্থানটা বর্তমানে সেখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যায় এগুলো বিরুদ্ধে কোনো হস্তক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বিদ্যুতের সমস্যা জেনারেটর ঠিকমতো থাকে না। ক্লাসে গরমে খুব সমস্যা হচ্ছে। এসব বিষয়ে এটা আমাদের নায্য আন্দোলন।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মিল রেখে এই ফি ধরা হয়েছে। তারপরও এ সমস্যা সৃষ্টি কারণে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মাননীয় উপচার্য এই সমস্যার সমাধান করবেন।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসাবে অন্তর্ভূক্তিকরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৩৪জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পৌরসভা এলাকার সুজাপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভা কক্ষে নাগরিক প্লাটফর্ম ও অন্যান্য স্টেক হোল্ডার দের সাথে যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে অর্ন্তরভূক্তিকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় সুজাপুর মডেল প্রাথমিক সভা কক্ষে নাগরিক প্লাটফর্ম ও অন্যান্য স্টেট হোল্ডারদের সাথে যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে অন্তরভূক্তিকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ডিপুটি কমান্ডার মোঃ এছার উদ্দীন। এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ডেমক্রেস ওয়াচ অস্থা প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মোঃ কামরুজ্জামান, মনিটরিং রিপোটিং কালেক্টর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, বর্তমান যুব সমাজ প্রযুক্তি ও স্যোসাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলোতে পারদর্শী। হুইসেল ব্লোয়িং করার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহারে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে। আজকের যুব সমাজ বিভিন্ন পরিচয়ে নেতা, কর্মচারী, ভোক্তা ইত্যাদি আগামী দিনের নাগরিক। তাই হুইসেল ব্লোয়িং প্রক্রিয়ায় যুবকদের অন্তর্ভুক্ত করা হলে, তারা ভবিষ্যতে নিজ সম্প্রদায় বা সংস্থায় দায়িত্বশীল স্টেকহোল্ডার হয়ে উঠবে। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মাদিলহাট কলেজের প্রভাষক আবু শহীদ, সাংবাদিক মোঃ রজব আলী, ইমাম আব্দাল সাত্তার, ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুল ইসলাম ডিফেন্স, গুপ্তা প্লাইউড এর এমডি আনন্দ কুমার, ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল। যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার অন্তর্ভূক্তিকরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, মসজিদের ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজের বিত্তবান, ব্যবসায়ী, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ শতাধিক বিভিন্ন সমাজের সচেতন ব্যক্তিরা, স্টেক হোল্ডার এবং যুবকদের হুইসেল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। আয়োজনে ছিলেন ডেমোক্রেসি ওয়াচ।


আরও খবর



নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞা না থাকলে দেশ আরও এগিয়ে যেত: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যুদ্ধ-সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট চলছে। বাংলাদেশও এর প্রভাবমুক্ত নয় জানিয়ে, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা না থাকলে দেশ আরও এগিয়ে যেত ।

শুক্রবার (১৭ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির ২২তম দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে জিডিপির পরিমাণ ছিল মাত্র ১০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে জিডিপির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ-সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট চলছে। বাংলাদেশেও তার প্রভাবমুক্ত নয়।

এসময় প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘোষনা হবে ৬ জুন, দেশি-বিদেশি নানা কারণে কিছুটা কমতে পারে জিডিপি আকার।

শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে শূন্য হাতে যাত্রা শুরু করে মাত্র তিন বছর সাত মাসে স্বল্পোন্নত দেশের রূপান্তর করেছেন বঙ্গবন্ধু যা জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়েছে। সেই বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটলে মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো হবে। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে এবং বাকি প্রতিবন্ধকতাগুলোও শিগগিরই সমাধান করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত প্রযুক্তিগত যোগাযোগ তৈরি করা হয়েছে। সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগাতে হবে। বাজার তৈরি করতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে হবে, কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। তরুণদের নিজে উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

বিদেশেীদের উপদেশ মেনে দেশের উন্নয়ন হবেনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতিবিদদের মাটি মানুষের কথা বিবেচনায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা করার আহ্বান জানান।

তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্ভাবনী ধারণা কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাড়াতে নতুন বাজার ও পণ্য খুঁজে বের করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ জন্য সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো কোনো ব্যবসায়ীকে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দেখে বিচার করে না।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের সময় দেশে মাথাপিছু আয় বাড়েনি। কারণ গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক ধারা ছাড়া দেশ এগোতে পারে না। রাজনীতিবিদদের জনগণের কাছে ওয়াদা থাকে। আর ক্ষমতা যারা দখল করে তাদের জনগণের কাছে ওয়াদা থাকে না।

তিনি বলেন, স্বৈরশাসকেরা শুধু ক্ষমতা ভোগ করা বুঝতো। কে কোন ব্র্যান্ডের জিনিস পড়বে, সেসব নিয়েই ব্যস্ত থাকতো। আসলে স্বৈরশাসকেরা যখন ক্ষমতায় আসে তখন দুর্নীতিই নীতি হয়ে যায়। জিয়াউর রহমানের সময়ই খেলাপি ঋণের কালচার শুরু হয়। যা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ধীরে ধীরে কমাতে শুরু করে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমানের শাসনকালে ১৮ থেকে ১৯ ক্যু হয়েছে জানিয়ে বলেন, খেলাপি ঋণের কালচার জিয়াউর রহমানের সময় শুরু করেছিল কিছু মানুষকে সুযোগ দিতে ।

শেখ হাসিনা বলেন, বাবা-মা-ভাই হারিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে দেশে ফিরেছিলাম। দেশের মানুষের মধ্যেই নিজের হারানো পরিবারকে খুঁজে পেয়েছিলাম। অর্থনীতি বলতে আমি বুঝি শুধু মানুষের কল্যাণ করতে হবে। আমার প্রতিটি কাজের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




ডোমার কাচাঁ বাজার ও মাছ বাজার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৫৪জন দেখেছেন

Image

মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে কাচাঁ বাজার ও মাছ বাজার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আনুষ্ঠনিক ভাবে নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন ডোমার পৌরসভার সফল মেয়র আলহাজ্ব মনছুরুল ইসলাম দানু। 

এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস হোসেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক, প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান,  কাউন্সিলর আখতারুজ্জামান সুমন, মিজানুর রহমান জুয়েল, ওহিদুল ইসলাম, দেলওয়ার হোসেন, আনারুল হক, উম্মেকুলছুম, হিসাব রক্ষক সিফাত করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণানালয়ের অধিনে বাজার উন্নয়ন প্রকল্প-৬১টির আওতায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নুর কনস্ট্রাকশন ঢাকা কাজটি সম্পন্ন করবেন। মার্কেটে ৬টি লেনে উন্নত মানের পাঁকা ঘড় টিনসেট, টয়লেট, ব্লক ওয়াস ও ড্রেনেস ব্যবস্থা থাকবে। 

গত রমজান মাসে মার্কেটটি ভাঙা হয়, বর্তমানে দোকানীরা বাজারের পশ্চিমদিকে ভ্রাম্যমান দোকান সাজিয়ে ব্যবসা করে আসছে। এতে করে দোকানী ও ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়তে। দ্রুত মার্কেটটি নির্মাণ হলে নতুন জায়গায় ব্যবসা জমজমাট হবে বলে এমনটি আশা করেন সাধারণ দোকানদার।


আরও খবর