Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

মাগুরা সদর উপজেলায় রানা আমীর ওসমান শ্রীপুরে শরিয়ত উল্লাহ রাজন বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে মাগুরা সদরে রানা আমীর ওসমান ও শ্রীপুর উপজেলায় শরিয়ত উল্লাহ রাজন বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছে।   রানা আমীর ওসমান পেয়েছে ৮৩০৭১   ভোট আর তার প্রতিদন্দি শেখ রেজাউল ইসলাম পেয়েছে ৫০৮৬৩   ভোট।শরিয়ত উল্লাহ রাজন পেয়েছে ৪৪৯৪৭  ভোট। তার নিকটতম প্রতিদন্দি মোস্তাসিম বিল্লাহ পেয়েছে ২৯২৮১  ভোট।দুটি উপজেলায়  ১৭৭ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার ৮ মে সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ চলে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মাগুরা সদর উপজেলার ১২০ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা  ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০৬ জন,  অন্যদিকে শ্রীপুর উপজেলার ৫৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারর ছিল  ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫২ জন। সকাল থেকেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম লক্ষ করা যায়। মাগুরা সদরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাহারুল ইসলাম ৩৩৬৮৮ ভোট,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সোনিয়া ৩৫৫৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাবুল রেজা ২৬৫৫৬ ভোট, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নার্গিস সুলতানা ৫১৪৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে।

মাগুরার দুটি উপজেলায়  ৫১ টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ  ঘোষনা করে জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন সে জন্য মাগুরায় ৬ স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, বিজিবি,  আনসার সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করে বলে জানান,মাগুরার পুলিশ সুপার মোঃ মশিউদৌলা রেজা। নির্বাচনে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আরও খবর



১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ রাজধানী ঢাকার কিছু এলাকায় শনিবার (২৭ এপ্রিল) ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস।

এতে বলা হয়, পাইপলাইনের কাজের জন্য শনিবার সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত শনির আখড়া, বড়ইতলা, ছাপড়া মসজিদ, দনিয়া, জুরাইন, ধোলাইরপাড় ও কদমতলী এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এছাড়া, ওই সময়ে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। গ্রাহকদের এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



মধুপুরে সড়ক দখল করে চলছে ধান মাড়াই ও খড় শুকানোর মহোৎসব

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইলঃ- টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন ব্যস্ততম ও কাঁচাপাকা সড়ক দখল করে ধান মাড়াই ও খড় শুকানোর কাজ করছেন স্থানীয় কৃষাণ-কৃষাণিরা। ফলে একদিকে রাস্তা যেমন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি বৃদ্ধি পেয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা। মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্ততম সড়ক সহ পাড়া মহল্লার কাঁচা-পাঁকা রাস্তায় চলছে ধান মাড়াই ও খড় শুকানোর মহোৎসব।


যানবাহন ও সর্বসাধারণে যাতায়াতের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে কতিপয় কৃষাণ-কৃষাণী ধান মাড়াই সহ খড়ের স্তুপ ফেলে সাধারণ পথচারীদেরকে মারাত্মক দুর্ঘটনার মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।বিশেষ করে মধুপুর কাঁঠাল তলী মোড় হতে চাপড়ী বাজারে হয়ে গারো বাজার, কুড়ালিয়া মোড় হতে বাগানবাড়ি চৌরাস্তা, রক্তিপাড়া বাসস্ট্যান্ড হতে চাপড়ী, কাকরাইদ হতে গারো বাজার সহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লার রাস্তা গুলো বর্তমানে খড় ও ধান মাড়াই মেশিন মালিকদের দখলে।


এসব ব্যস্ততম সড়কপথে বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ছাড়াও রিকশাভ্যান এবং ইজিবাইক চালকরা সার্বক্ষণিক দুর্ঘটনার আতঙ্কের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে।খানাখন্দে ভরা রাস্তাগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে যেমন দুর্ভোগ বাড়ছে তেমনি রাস্তায় ধান মাড়াই ও খড় শুকানোর কাজে বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা।


এই খড়ের গাদায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বেশ কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক ও পথচারী হাত পা ভেঙে পঙ্গু হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এমনও পরিবার রয়েছে যে পরিবারের একমাত্র উপার্জনের মানুষটি আজ পঙ্গু হয়ে বিছানায় পড়ে আছে, এই অসহায় পরিবারের দায়ভার কে নিবে?সাধারণ মানুষের নিরাপদে পথচলায় যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও জনসাধারণ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



আমতলীতে ডায়েরীয়ার প্রকোপ, স্যালাইন সংঙ্কট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনের বেডে ৩১ জনের চিকিৎসা!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:আমতলী উপজেলায় ডায়েরীয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। স্থান সংকুলণ না হওয়ায় রোগীদের বারান্দায় বেড দেয়া হয়েছে। ধারন ক্ষমতার চেয়ে পাঁচগুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। ৬ জনের বেডে ৩১ জনের চিকিৎসা চলছে। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত বেড বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছেন রোগী ও তার স্বজনরা। অপর দিকে আইভি স্যালাইন সংঙ্কট দেখা দিয়েছে। রোগীদের ফার্মেসি থেকে আইভি স্যালাইন কিনতে হচ্ছে। এই সুযোগে ঔষুধ ব্যবসায়ীরা বেশী দামে স্যালাইন বিক্রি করছেন।

জানাগেছে, গত এক সপ্তারে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়েরিয়া আক্রান্ত হয়ে দুই শতাধির রোগী ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবিকাদের রোগীদের সামাল দিতে হিমশীম খেতে হচ্ছে। ৬ শয্যা ডায়েরীয়া রোগীর বেডের স্থলে ৩১ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় রোগীদের বেড দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ হাসপাতাল থেকে এন্টিবায়োটিক ও কলেরা স্যালাইন সরবরাহ করা হলেও বাহির থেকে ঔষুধ কিনতে হচ্ছে এবং হাসপাতালের বারান্দায় বেড দেয়া হয়েছে। এতে রোগীদের সমস্যা হচ্ছে বলে জানান তারা। এছাড়াও শত শত রোগী কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্থানীয় চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে। সোমবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখাগেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বারান্দার বেডে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালে বেডে ৬ জন এবং বারান্দায় ২৫ জন রোগীর চিকিৎসা চলছে।

ডায়েরীয়ায় আক্রান্ত রোগী সামসুল হক কাজী বলেন, হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে তারপরও বাহির থেকে ঔষুধ কিনতে হয়। তিনি আরো বলেন, বেড না থাকায় বারান্দায় বেড পেতে চিকিৎসা নিচ্ছি। দ্রুত হাসপাতালে বেড বাড়ানো প্রয়োজন। উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের বুশরা বলেন বলেন, তিন দিন আগে নাতনিতে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এখন কিছুটা সুস্থ্য। তবে হাসপাতাল থেকে কিছুই দেয়নি। সকল ঔষুধ বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে।

এমপিও হাট এলাকার বাসিন্দা নাজমা বলেন, ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত ছেলে নাঈমকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। শুধু আইভি স্যালাইন ছাড়া হাসপাতাল থেকে কিছুই পাচ্ছি না।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, প্রচন্ড গরমের কারনে ডায়েরীয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে চাহিদার চেয়ে স্যালাইন কম রয়েছে। দ্রুত স্যালাইন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ডায়েরিয়া রোগী সামাল দিতে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


আরও খবর

গলাচিপায় বকনা বাছুর বিতরণ

বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪




সাসটেইনেবিলিটি এক্সিলেন্সের জন্য ‘ইকোভাডিস সিলভার মেডেল’ পেল সিগওয়ার্ক

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ এপ্রিল 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পরিবেশে টেকসই উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য আবারও ইকোভাডিস সিলভার মেডেল রেটিং পেয়েছে প্রিন্টিং কালি ও কোটিং প্রস্তুতকারী কোম্পানি সিগওয়ার্ক ড্রাকফারবেন এজি অ্যান্ড কোং কেজিএএ।   এর আগে ২০২২ সালেও এই মেডেল অর্জন করে জার্মান এই কোম্পানিটি। 

এর মধ্য দিয়ে বর্তমান ইকোভাডিস রেটিংয়ে সিগওয়ার্ক নিজের শিল্প খাতের শীর্ষ ১৮% কোম্পানির মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এই উন্নতি ব্যবসায়িক ইউনিট ও অঞ্চল জুড়ে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠানের দৃঢ়  প্রতিশ্রুতির বিষয়টি তুলে ধরে।

ইকোভাডিস একটি বৈশ্বিক সাসটেইনেবিলিটি রেটিং প্রদানকারী সংস্থা। বিভিন্ন কোম্পানির পরিবেশগত, সামাজিক ও নৈতিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তাদের মূল্যায়ন করে সংস্থাটি। পরিবেশগত প্রভাব, শ্রম ও মানবাধিকার, নৈতিকতা এবং টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্সের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে থাকে ইকোভাডিস। 

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৩ সালের স্কোরকার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল পরিবেশগত উন্নয়ন। এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে টেকসই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, নিঃসরণ কমানো এবং সার্কুলার প্যাকেজিং সমাধান। এই ক্যাটাগরিতে সিগওয়ার্ক ১০০ পয়েন্টের মধ্যে ৮০ পয়েন্ট অর্জন করেছে।

অনুমোদিত বিজ্ঞান-ভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা উদ্যোগের (এসবিটিআই) ক্ষেত্রেও বৈধতা অর্জন করেছে সিগওয়ার্ক। এতে দেখা যায়, সিগওয়ার্ক গ্রিনহাউজ গ্যাস হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা বিজ্ঞানসম্মতভাবে কমিয়েছে, যা বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও সমানভাবে অবদান রাখে।   

সিগওয়ার্কের সিনিয়র গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজার সারাহ মাহ বলেন, “কালি ও কোটিং শিল্পে টেকসই ব্যবসায়িক অনুশীলনের ওপর আমরা যে প্রচেষ্টা ও গুরুত্ব দিয়েছি, এই বর্ধিত রেটিং পারফরম্যান্স তারই একটি প্রমাণ।” 

তিনি আরও জানান, “আমরা আমাদের অর্জন নিয়ে গর্বিত। একইসাথে আমাদের কার্যক্রম ও ভ্যালু চেইনে সাসটেইনেবিলিটি বৃদ্ধির বিষয়েও আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

সিগওয়ার্কের সাসটেইনেবিলিটি সংক্রান্ত উদ্যোগ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে সিগওয়ার্কের সাসটেইনেবিলিটি পেইজ এবং সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট ভিজিট করুন।


আরও খবর



দেশে ১৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৬ কোটি ডলার

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৬০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চলতি মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে প্রবাস থেকে দেশে এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (১৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, মে মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে এসেছে ১৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যার মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২০ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৮ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, মে মাসের ১১ থেকে ১৭ তারিখ দেশে এসেছে ৫৪ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। ৪ থেকে ১০ মে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর মে মাসের ১ থেকে ৩ তারিখ দেশে এসেছে ১৪ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ২১০ কোটি ডলার, ফেব্রুয়া‌রি‌তে ২১৬ কো‌টি ৬০ লাখ ডলার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার এবং এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ডলার।


আরও খবর