Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

মাগুরা বিএনপি ও অংগ সয়গঠনের ২৪ নেতা কর্মীর জামিন মঞ্জুর

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ২০৩জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপের্টার মাগুরা থেকে: মাগুরা জেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অংগ সংগঠনের  ২৪ জন নেতাকর্মীকে হাইকোর্ট  জামিন মঞ্জুর করেছে। গত ২৭ এপ্রিল মাগুরার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ৬৭/২০২৩ নং মামলার ৩০ জন আসামী হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিচারক মাগুরা জেলা ও দায়রা জজ অমিত কুমার রায় ৬ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিএনপি নেতা সৈয়দ রফিকুল ইসলাম তুষার। সাবেক চেয়ানম্যান আনিসুর রহমান, জালাল বিশ্বাসসহ  ২৪ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারী মাগুরা শহরতলীর পারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকার ঘটনা উল্লেখ করে পুলিশ বাদি হয়ে ৩৬ জনকে আসামী করে ২৩ ফেব্রুয়ারী বিস্ফোরক মামলা দায়ের করে। আসামীরা গত ১ মার্চ হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে তাদের ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করে। হাইকোর্টের নির্দেশে ১১ এপ্রিল মাগুরা জজ আদালতে হাজির হলে আদালত ২৭ এপ্রিল শুনানীর দিন ধার্য করে। শুনানীর দিনে ৬ জনের জামিন মঞ্জুর করে বাকি ২৪ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সে  থেকে তারা জেল হাজতেই রয়েছেন। রবিবার ৭ মে হাইকোর্টে তাদের জামিনের আবেদন করলে ২৪ জনের জামিন মঞ্জুর হয়। মামলাটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান   এ্যাডঃ নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং মাগুরা জেলা বিএনপির  যুগ্ন- আহ্বায়ক এ্যাড, মিথুন রায় চৌধুরী। 

উক্ত মামলাটি সার্বিকভাবে তদারকি করেন মাগুরার বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান।


আরও খবর



মাগুরার শ্রীপুরে ৩ ইউপি সদস্যকে পেটালেন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭৪জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৪ নং শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান ও তার লোকজন বুধবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদের তিনজন নির্বাচিত সদস্যকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে।ইউপি সদস্যগণ হলেন, মদনপুর ওয়ার্ডের আব্দুল আলিম, খড়িবাড়িয়া ওয়ার্ডের আব্দুল মজিদ এবং তখলপুর ওয়ার্ডের মকবুল হোসেন। 
আব্দুল আলিম ও আব্দুল মজিদ গুরুতর আহত অবস্থায় শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

আহত ইউপি সদস্য আব্দুল আলিম জানান, নির্বাচনের পর থেকে গত আড়াই বছর তাদেরকে পরিষদের ঢুকতে দেয়া হতো না। সরকারের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তাদেরকে বাদ দিয়ে চেয়ারম্যানের পছন্দের লোক দিয়ে করানো হয়। কিছুদিন ধরে তারা পরিষদে যাওয়া আশা করলেও তাদের দিয়ে কোনো কাজ করানো হয় না। তাই বুধবার দুপুরে তারা তিনজন ইউনিয়ন পরিষদে যান। গিয়ে তারা মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার বিষয়ে তাদেরকে বাদ দিয়ে তাদের প্রতিপক্ষদের দিয়ে তালিকা করা ও ভাতা প্রদান করার বিষয়টি বাদ দিতে বলেন। তারা নির্বাচিত সদস্য হলেও মদনপুর ওয়ার্ডে ছাত্রদলের সাবেক উপজেলা সভাপতি বাবলু মিয়া, খড়িবাড়িয়া ওয়ার্ডের পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মতিন ও তখলপুর ওয়ার্ডের পরাজিত প্রার্থী কাজী আব্দুর রউফকে দিয়ে কাজ করাতে নিষেধ করেন। এতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে আব্দুল আলীমকে তিল ঘুষি মারতে শুরু করেন। এ সময় চেয়ারম্যানের কক্ষে থাকা তার অনুসারী বুলেট ও আশরাফুল তাদেরকে কিল ঘুষি মারতে শুরু করেন। 

পরে চেয়ারম্যানের কক্ষে থাকা হকস্টিক দিয়ে তাদের তিনজনকে মারতে শুরু করে। 
এ সময় ইউপি সদস্য মকবুল হোসেন প্রাণ বাঁচাতে দৌঁড় দিলে তাকে গেট থেকে চেয়ারম্যানের লোকজন মারধর করে। এদিকে আব্দুল মজিদকেও আটকিয়ে মারধর করে।পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  ভর্তি করেন। 
আব্দুল আলীমের মাথায় হকিস্টিকের প্রচন্ড আঘাত লেগেছে। 

এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মদনপুর ও শ্রীপুর গ্রামের চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষের লোকজন মশিউর রহমানের বাড়ি ঘরে ইট ছোড়ে । অপরদিকে চেয়ারম্যানের লোকজনও তিন তলার ছাদ থেকে প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তৈয়ব খান ও আব্দুল হান্নান নামে দুই যুবলীগ নেতা আহত হয়।  

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তাসমীম আলম বলেন, এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ তিনি পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া নেবেন। 
এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আরও খবর



রাণীশংকৈলে স্বর্ণের খনি ইটভাটায় ভূতত্ত্ব বিভাগ টিমের অনুসন্ধান ও মাটির নমুনা সংগ্রহ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ব্যাপক আলোচিত সেই সোনার খনি খ্যাত আরবিবি ইটভাটার মাটির স্তুপে সোনা পাওয়ার প্রচারিত সংবাদ ও হাইকোর্টে রিটের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ভূতত্ত্ব অধিদপ্তরের দুই সদস্যর একটি টিম সরেজমিনে অনুসন্ধান করেছেন। মঙ্গলবার ও বুধবার ৪ ও ৫ জুন সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব) আনোয়ার সাদাৎ মুহাম্মদ সায়েম ও সহকারী পরিচালক (ভূতত্ত্ব) মোহাম্মদ আল রাজী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রকিবুল হাসান, বাচোর ইউপি চেয়ারম্যান জীতেন্দ্রনাথ বর্মণ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকদের নিয়ে আরবিবি ইটভাটায় রক্ষিত মাটির স্তুপ, এবং যে স্থান থেকে মাটি নিয়ে আসা হয়েছিল সেই শ্যামরাই মন্দিরের পাশের জমি ও পাশ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার নানাহার পুকুরের মাটির নমূনা সংগ্রহ করেন। 

অনুসন্ধান শেষে টিমের সদস্যরা এদিন দুপুরে এ প্রতিবেদনকে জানান,আমরা এ এলাকার তিনটি স্থানের মাটির নমুনা সংগ্রহ করেছি এবং চোখে দেখে এ মাটি পরীক্ষা করেছি। এরপর এ মাটির নমুনা প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট ল্যাবরেটরিতে  পরীক্ষার জন্য জমা দেবো। সংগৃহীত মাটি অনুযায়ী এসব স্থানে সোনা থাকার সম্ভাবনা আছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, আসলে এটি ভূতাত্ত্বিকভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধানের বিষয়। সে হিসেবে এ মাটিতে সোনা থাকার সম্ভাবনা না থাকলেও প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে গুপ্তধন আকারে দেশের যে কোনো স্থানে সোনা ইত্যাদি থাকতে পারে। বিষয়টি প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানানো হবে। 

প্রসঙ্গত: গত একমাস ধরে কাতিহার এলাকায় আরবিবি ইটভাটার মাটির ঢিবিতে সোনা পাওয়ার আশায় হাজার হাজার মানুষ মাটি খোঁড়ার কাজে ছুটে এসেছিল। কেউ কেউ সোনার মোহরসহ বিভিন্ন স্বর্ণের জিনিষ পেয়েছিল বলে অনেক মাধ্যমে জানা গেছে। বর্তমানে 
ওই ইটভাটায় ১৪৪ ধারা জারি বলবৎ রয়েছে।

আরও খবর



টেকেরঘাট সীমান্তে ২হাজার টন চুনাপাথর পাচাঁরের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট সীমান্তে সরকারের রজস্ব ফাঁকি প্রায় ২হাজার মেঃটন চুনাপাথর পাচাঁরের খবর পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- গতকাল রবিবার (২রা জুন)  রাত সাড়ে ১১টা থেকে প্রতিদিনের মতো টেকেরঘাট সীমান্তের বরুঙ্গাছড়া ও রজনীলাইন এলাকা দিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী আক্কল আলী, কামাল মিয়া, রুবেল মিয়া, মহিবুর মিয়া, সাইদুল মিয়া ও তোতলা আজাদগং ১৫০টি ঠেলাগাড়ি দিয়ে ভারত থেকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে চুনাপাথর পাচাঁর শুরু করে।

আজ সোমবার (৩রা জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত চোরাকারবারীরা প্রায় ২হাজার মেঃটন চুনাপাথর পাচাঁর করে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন জয়বাংলা বাজারের কাঠের ব্রিজের পাশে অবস্থিত হেকিম, এমরান ও শাহ পরানের জায়গায় মজুত করেছে। কিন্তু পাচাঁরকৃত এসব অবৈধ চুনাপাথর জব্দ করাসহ চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতারের জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। অথচ এই ক্যাম্পে নায়েক সুবেদার সাইদুর দায়িত্ব পালন কালে বন্ধ ছিল চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য।

জানা গেছে- পাচাঁরকৃত প্রতি ঠেলাগাড়ি চুনারপাথর (দেড় টন) থেকে বিজিবি নাম ভাংগিয়ে ১৫০টাকা, সাংবাদিক ও থানার নামে ২শ টাকাসহ মোট ৫শ টাকা ও প্রতিবস্তা চোরাই কয়লা (৫০ কেজি) থেকে বিজিবির নামে ৫০টাকা, সাংবাদিক ও থানার নাম ভাংগিয়ে প্রতি টনে ২হাজার টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করে গডফাদার তোতলা আজাদ, তার সোর্স আক্কল আলী, কামাল মিয়া ও চাঁনপুরের জামাল মিয়া। চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে গত ৫বছরে গডফাদার তোতলা আজাদ ১৫ কোটি ও সোর্স আক্কল আলী ৩ কোটি টাকার মালিক হয়ে। তাদের অবৈধ অর্থ ও অর্জিত সম্পদ উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন। 

এব্যাপারে বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানী কারক সমিতির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খায়ের বলেন- ভারত থেকে অবৈধ ভাবে কয়লা ও চুনাপাথর পাচাঁর হওয়ার কারণে আমরা বৈধ ব্যবসায়ীরা বিরাট ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়না। উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী নবী হেসেন বলেন- সোর্স আক্কল আলী ও তার গডফাদার প্রতিদিন অবৈধ ভাবে চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের পর লাখলাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়না। সুনামগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া বলেন- রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের খবর পাওয়ার সাথে সাথে সীমান্তের টেকেরঘাট (০১৭৬৯-৬১৩১২৮) ও চাঁনপুর (০১৭৬৯-৬১৩১২৯) বিজিবি ক্যাম্পের সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল করে বারবার জানানোর পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না।     

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা কোম্পানী কমান্ডার দীলিপ বলেন- আমাদের অনেক কাজ আছে, এসব দেখা ও শুনার । ওই ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার জাফর বলেন- সীমান্ত দিয়ে যখন কয়লাসহ বিভিন্ন মালামাল পাচাঁর করা হয় জানাবেন, তখন আমি পদক্ষেপ নেব। তাহিরপুর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন বলেন- সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের দায়িত্ব বিজিবির। আপনি এব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলেন, থানা-পুলিশে কোন সোর্স নাই। আমাদের নামে কেউ চাঁদা উত্তোলন করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বাংলাদেশের কারাগারে আটক ৩৬৩ বিদেশি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বাংলাদেশের কারাগারে ৩৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক রয়েছে। মন্ত্রীর তথ্যমতে, বাংলাদেশে ১৬টি দেশের নাগরিক আটক রয়েছেন। এর মধ্যে সব থেকে বেশি ভারতের। দেশটির ২১২ জন নাগরিক বাংলাদেশের কারাগারে আটক আছেন।

বুধবার (১২ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতীয়দের মধ্যে ১১ জন কয়েদি, ৫৩ জন হাজতি এবং মুক্তিপ্রাপ্ত ১৪৮ জন। মিয়ানমারের ১১৪ জন আটক রয়েছে বাংলাদেশের কারাগারে। এর মধ্যে ৫৮ জন কয়েদি, ৫০ জন হাজতি ও মুক্তিপ্রাপ্ত ৬ জন। অন্যান্য দেশের মধ্যে পাকিস্তানের ৭ জন, নাইরেজিয়া ও মালয়েশিয়ার ৬ জন করে, চীন ও বেলারুশের ৪ জন করে, ক্যামেরুন ও পেরুর ২ জন করে এবং আমেরিকা, বতসোয়ানা, জর্জিয়া, তানজানিয়া, মালয় ও অ্যাংগোলার ১ জন করে নাগরিক আটক রয়েছেন।

স্বতন্ত্র মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট কারাগারসহ দেশের অন্যান্য কারাগারে বিচারবহির্ভূত কোনো বন্দী আটক নেই। তবে ৫ বছরের বেশ সময় ধরে ৬২১ জন বন্দীর মামলা চলমান রয়েছে।


আরও খবর



কওমি মাদ্রাসায় ছাত্রলীগকে সক্রিয় হতে নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৬৬জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার , স্টাফ রিপোর্টার:দেশের কওমি মাদ্রাসায় ছাত্রলীগকে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। একইসঙ্গে দেশের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোকেও কওমি মাদ্রাসায় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে কওমি শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করাতে একটি সেল গঠন করে ছাত্রলীগ ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোকে রাখার আহ্বান জানান নওফেল।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাজধানীর বকশিবাজারে সরকারি আলেয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ আয়োজিত গ্রিন, ক্লিন ও স্মার্ট ক্যাম্পাস বিনির্মিাণে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম (বাপ্পি) ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুন্ডুসহ অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিতি ছিলেন।

আরও খবর