Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

মাদকের নেশা ছাড়ার ঘরোয়া উপায়

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১১২জন দেখেছেন
Image

মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষই কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছেন। কিশোর-কিশোরিদের মধ্যে এখন নেশায় জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা বেড়েছে।

নেশায় জড়িয়ে পড়া বা মাদকাসক্তি আসলে একটি ব্যাধি। সাধারণত চিকিৎসাবিদ্যায় মাদকাসক্তিকে বলা হয় ক্রনিক রিলাক্সিং ব্রেইন ডিজিজ।

মাদকাসক্তিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানসিক রোগের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে চিহ্নিত করেছে ও এর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন বলে সুপারিশ করেছে। কেননা মাদকাসক্ত ব্যক্তি মাদকের কাছে ফিরে আসতে বাধ্য হয়।

মাদক গ্রহণের পর রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে তার মস্তিষ্ক সেভাবে তৈরি হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রে আমেরিকান অ্যাডিকশন সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে চিকিৎসার পর ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রে মাদকাসক্ত ব্যক্তি এক বছরের মধ্যে আবারও মাদকদ্রব্য ব্যাবহার শুরু করেন।

মাদকাসক্তি নিরাময়ের ক্ষেত্রে অনেকেই ভরসা রাখেন পুনর্বাসন কেন্দ্র বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের উপর। তবে এই উপায়ে রাতারাতিই একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠবে না।

এজন্য ওই ব্যক্তির মনোবল ও আসক্তির সঙ্গে লড়াইয়ের মানসিকতা থাকতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন উপায়ে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি নিজেকে মাদকমুক্ত রাখবেন-

>> মাদক ছাড়ার আগে নিজের দোষ স্বীকার করতে হবে। মাদক ব্যবহারের কারণে মানসিকভাবে মানুষ আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। বেশিরভাগ মদকাসক্ত ব্যক্তিই নিজেকে নেশাগ্রস্ত হিসেবে ভাবতে পারেন না। তবে নেশামুক্ত হতে আগে নিজের এই খারাপ অভ্যাসের কথা স্বীকার করতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নিন এই অভ্যাস ছাড়ার জন্য কী কী করা উচিত আপনার।

>> যে সময় মাদক ব্যবহারের প্রবল আকাঙ্খা জাগবে ওই সময় একা থাকবেন না। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। সমাদকাসক্তরা সব সময় একা থাকতে পছন্দ করেন। যা তাদের জন্য আরও ক্ষতিকর। ব্যস্ত সময় কাটানোর মাধ্যমে মাদক থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

>> কোনো কিছুতেই কাজ না হলে একজন পেশাদারের সাহায্য নিন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে ব্যক্তিগত থেরাপি নিন ও পরিবারের সাহায্য চান। আপনার যে কোনো বিপদে কিন্তু পরিবারই পাশে থাকবে, তাই তাদের সঙ্গে সব কিছু শেয়ার করে নিন।

>> বেশিরভাগ মানুষই হতাশা, বিষণ্তা কিংবা দুঃখ-কষ্টের কারণে নেশা করা শুরু করেন। তবে মাদক গ্রহণের মাধ্যমে বিষণ্নতা ও উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। তাই নেশামুক্ত থাকতে নেতিবাচক বিষয়ে চিন্তা করা বন্ধ করতে হবে।

>> বিভিন্ন কারণে মানুষ নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। যেমন- মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত আবেগ, পরিবেশগত সমস্যা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, মানসিক বা শারীরিক অসুস্থতা ইত্যাদি। এরমধ্যে আপনি ঠিক কী কারণে মাদক গ্রহণ করছেন সে বিষয়টি চিহ্নিত করুন।

>> মাদক বা অ্যালকোহল ত্যাগ করতে নিজের রুটিন পরিবর্তন করুন। যেমন- কার সঙ্গে সময় কাটাবেন কিংবা অবসরে কী করবেন, কখন-কোথায় কার সঙ্গে দেখা করবেন ইত্যাদি বিষয় নতুন করে সেট করুন।

>> মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাডভোকেট থেরেসি জে. বোরচার্ডের মতে, নেশামুক্ত হওয়ার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো ব্যায়াম। বিষণ্নতা কাটানোর সেরা উপায় শরীরচর্চা করা।

ঘাম ঝরানোর মাধ্যমে আপনি শুধু সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরই উন্নতি ঘটাবেন না, বরং মাদকাসক্তিও কাটাতে পারবেন। এতে এন্ডোরফিন বা সুখের হরমোন বেশি নিঃসৃত হয়। ফলে ভালো কাজের উদ্যোম বাড়ে। মাদকের নেশা থেকে নিজেকে বাঁচানোর দায়িত্ব আপনার নিজেকেই নিতে হবে।

আজ বিশ্ব মাদকমুক্ত দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব মাদক বিরোধী দিবস ২০২২। মাদকের বিভীষিকাময় থাবা থেকে বাঁচতে ও সবাইকে সচেতন করতে ২৬ জুন পালিত হয় এই দিবস।

সূত্র: অলিম্পিয়া হাউজ রিহ্যাব


আরও খবর



টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লে এবং পাওয়ার হিটিং নিয়ে কী ভাবছেন সোহান!

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০১ August ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

স্কিল, টেকনিক, ট্যাকটিস কিংবা সাহস এবং সময়মতো ব্যাট ও বল হাতে জ্বলে ওঠার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ার প্লে’র সঠিক ব্যবহারে পাওয়ার হিটিংয়ের রয়েছে বিরাট গুরুত্ব।

ইনিংসের শুরুতে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ফিল্ডিংয়ের বিধিবদ্ধতা কাজে লাগানোর মত দক্ষতা থাকতে হয়। যার ওপর নির্ভর করে প্রতিপক্ষ ফিল্ডারদের মাথার ওপর দিয়ে হাত খুলে ব্যাট চালিয়ে রানের গতি বাড়ানোর দারুন সুযোগ থাকে। এই সুযোগটা কাজে লাগাতে প্রাণপন চেষ্টা থাকে সব দলের।

এমনিতে ওভার পিছু রান তোলার গতি যেমনই থাকুক না কেন, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বেশিরভাগ দলের লক্ষ্য থাকে পাওয়ার প্লে‘র ৬ ওভারে অন্তত ৮ রান করে তুলে রানকে পঞ্চাশের আশপাশে নিয়ে যাওয়া। তাহলে পরের ১৪ ওভারে সাড়ে ৬ আর ৭ রান করে তুললেও ২০ ওভার শেষে দেড়শো পেরিয়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড়িয়ে যায়। এ কারণে পাওয়ার প্লে কাজে লাগানোটা এখন প্রতিটি দলের গেম প্ল্যানেই থাকে।

পাশাপাশি বিগ ও পাওয়ার হিটিং নেয়াটাও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটিং সাফল্যের পূর্বশর্ত বলে ধরা হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ড এই পাওয়ার প্লে‘তে বেশ সিদ্ধহস্ত।

কিন্তু সে তুলনায় পাওয়ার প্লে‘র মত পাওয়ার হিটিংয়েও রাজ্যের দুর্বলতা বাংলাদেশের ব্যাটারদের। এই দুই জায়গার ঘাটতিটাই দিনকে দিন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পিছিয়ে দিচ্ছে টাইগারদের।

শুরুতে পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়ে ৬ ওভারে ৪৮ থেকে ৫০ রান তোলা বহুদুর, ওই সময়ের মধ্যে বেশিরভাগ ম্যাচে ৩০-৩৫ রানে ৩ থেকে ৪ উইকেট খুইয়ে উল্টো খাদের কিনারায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। যে কারণে শেষ দিকে যে কেউ ১৫০ প্লাস থেকে ২০০ স্ট্রাইকরেটে ঝড়ো ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডটাকে একটু মোটা তাজা করবেন, সে কাজটাও হয় না। তাই ঘুরেফিরে বাংলাদেশের স্কোর থাকে জীর্ন-শীর্ণ।

জিম্বাবুয়ে সফরে সে দুই ঘাটতি পোষাতে কী ভাবছেন নতুন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান? পাওয়ার প্লে আর পাওয়ার হিটিং নিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের ভাবনা কী?

আজ রোববার মধ্যাহ্নে অফিসিয়াল প্রেস মিটেও উঠলো প্র্শ্ন। জবাব দিতে গিয়ে সোহান অকপটে স্বীকার করেছেন , টি-টোয়েন্টিতে অবশ‍্যই পাওয়ার প্লে‘র অনেক বড় গুরুত্ব থাকে। আমরা এই জায়গায় উন্নতির অনেক চেষ্টা করছি। আশা করছি, আমরা ভালো করতে পারব। ’

এর বাইরে আরও যোগ করে সোহান বলেন , একটা প্রক্রিয়ার ভেতরে অবশ্যই থাকবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে আমরা মাত্রই এসেছি, সবার সঙ্গে সামনের সিরিজ নিয়ে কথা হয়নি। জিম্বাবুয়ে গেলে নিশ্চয়ই এটা নিয়ে আলোচনা হবে। ’

পাওয়ার হিটিং নিয়ে সরাসরি কোন মন্তব্যে না গিয়ে সোহান ভীতিহীন ক্রিকেট খেলা কথা বলেন। তার অনুভব, টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভয় ডরহীন ক্রিকেট খেলাটা খুব জরুরি।

তাই মুখে এমন সংলাপ, ‘আমার কাছে মনে হয়, ভীতিহীন ক্রিকেট খেলাটা খুব গু রুত্বপূর্ন। অবশ‍্যই চেষ্টা থাকবে, সেটা যেন করতে পারি। ফল নিয়ে আগে থেকে চিন্তা অনেক সময় প্রক্রিয়া ঠিক থাকে না। প্রক্রিয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণে। ফল নিয়ে খুব বেশি কিছু চিন্তা করছি না। ভীতিহীন ক্রিকেট খেললে ইতিবাচক কিছু হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।


আরও খবর



জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিকদের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লার দেবিদ্বারে উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদকে মারধরের ঘটনায় কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য রাজি মোহাম্মদ ফখরুলের শাস্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশন। এ ঘটনায় জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিকদের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

আগামী মাস শেষ হওয়ার আগেই তারা দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান। বিচার না হলে উপজেলা চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যানরা একযোগে পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (২৪ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কুমিল্লার দেবিদ্বারে এ ঘটনার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি হারুন-অর রশীদ হাওলাদার এসব কথা বলেন। ।

হারুন-অর রশীদ বলেন, বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে কয়েকটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হবে। ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। রাজি মোহাম্মদ ফখরুলের আচরণের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বরাবর আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হবে। ১৫ সেপ্টেম্বর দেশের সব উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, নারী ভাইস চেয়ারম্যানরা ঢাকায় সমাবেশ করবেন।

তারপরও যদি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে সব উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, নারী ভাইস চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রী ও নিজ নিজ এলাকার জনগণকে অবহিত করে একযোগে পদত্যাগ করতে বাধ্য হবেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তি স্বার্থ ও প্রতিহিংসা চরিতার্থে আবুল কালামকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এ ঘটনা সরকারকেও বিব্রত করেছে। এ ঘটনা দেশের ৪৯২টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ সব জনপ্রতিনিধিদের আহত করেছে।

তিনি আরও বলেন, রাজি মোহাম্মদ ফখরুল ও আবুল কালাম আজাদ উভয়ই আওয়ামী লীগ দলীয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। আবুল কালাম ইতিমধ্যে সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বরাবর আবেদন করেছেন। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে সংযুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভায় রাজি মোহাম্মদ ফখরুল তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খান বীরু ও বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, নারী ভাইস চেয়ারম্যানসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পাশে থাকবে এডিবি

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

সম্প্রতি সিলেটসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন জিনটিং সাক্ষাৎ করতে এসে এ কথা জানান।

এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সিলেট অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট এবং পানি ও স্যানিটেশনসহ অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন। এসব ক্ষতি দ্রুত কাটিয়ে উঠার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।

jagonews24

মন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো, পানি সম্পদ, কৃষি, শিক্ষা, পরিবহন ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সহায়তা দিয়ে আসছে এডিবি। বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে আছে সংস্থাটি।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের পাশে থাকায় এডিবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাশে থাকার জন্য আহ্বান জানান তাজুল ইসলাম।

বৈঠকে এডিমন জিনটিং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারের পাশাপাশি এডিবির পক্ষ থেকে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে এডিবি সবসময় পাশে ছিলো ও যেকোনো ক্লান্তিলগ্নে পাশে থাকবে।

এডিমন জিনটিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে রুপান্তরিত হয়েছে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



অর্থপাচার মামলায় বরকত-রুবেলের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এই দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে উপস্থিত হয়নি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৭ মার্চ আসামিদের নির্দোষ দাবি করে আইনজীবী শাহিনুর রহমান অব্যাহতির আবেদন করেন। এরপর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আদালত দিন ধার্য করেন।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, আশিকুর রহমান ফারহান, খোন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, এ এইচ এম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।

২০২১ সালের ৩ মার্চ বরকত ও রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) উত্তম কুমার বিশ্বাস আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

এর আগে ২০২০ সালের ২৬ জুন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে অর্থপাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দুই হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বরকত ও রুবেল। এছাড়া তারা মাদক কারবার ও ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসি ও নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ডাম্পট্রাক, বোল্ডার ও পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন তারা। একই সঙ্গে দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন।

এতে আরও বলা হয়, প্রথম জীবনে দুই ভাই রাজবাড়ীর এক বিএনপি নেতার সঙ্গী ছিলেন। তখন তাদের সম্পদ বলতে কিছুই ছিল না। ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর ওই এলাকায় এক আইনজীবী খুন হন। ওই হত্যা মামলার আসামি ছিলেন বরকত ও রুবেল।


আরও খবর



২০ জন অফিসার নিয়োগ দেবে নাসা গ্রুপ

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান নাসা গ্রুপে ‘ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার’ পদে ২০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম : নাসা গ্রুপ
বিভাগের নাম: মার্চেন্ডাইজিং

পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার
পদসংখ্যা: ২০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাচেলর অব সায়েন্স
অভিজ্ঞতা: ০১ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৪-৩০ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর