Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

মা ব্যস্ত নুডলস রান্নায়, পানিতে ডুবে প্রাণ গেলো শিশুর

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

ভোলার লালমোহনে পুকুরের পানিতে ডুবে মো. সোহান (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে ওই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সোহান উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের মঙ্গল সিকদার বাজার এলাকার মাতব্বর বাড়ির ফেরদাউস মাতব্বরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালের দিকে সোহান তার মায়ের সঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে উঠানে একা একা খেলা করছিল। পরে মা তাকে উঠানে রেখে সবার জন্য নুডলস রান্না করতে রান্নাঘরে যান। এ সময় খেলার এক পর্যায়ে উঠানের পাশে পুকুরে পড়ে যায় শিশু সোহান। পরে তার মা নুডলস রান্না শেষে ছেলেকে ঘরে আনতে উঠানে গেলে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। এক পর্যায়ে শিশু সোহানের মরদেহ পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে মরদেহ উদ্ধার করেন।

লালমোহন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুল ইসলাম পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



প্রতি সাড়ে তিন মিনিটে ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

প্রতি সাড়ে তিন মিনিটে ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নাগরিকের মৃত্যু হয়, এমন তথ্য দিচেছ দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান। একবছরে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় দেড় লাখ মানুষ। তবে সেটি আরও বেশি হতে পারে অন্যান্য সংস্থার হিসাবমতে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য বলছে, ভারতে বছরে তিন লাখ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে যা দ্বীপ রাষ্ট্র বার্বাডোসের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। তবে ভারতের বিশাল জনসংখ্যা বলে এতো বেশি দুর্ঘটনা, ব্যাপারটি এমন নয়।

চীনেরও জনসংখ্যা ভারতের মতোই কিন্তু দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, সেখানে ৫৮ হাজার হতাহতের ঘটনা ঘটে প্রতিবছর। ডব্লিউএইচও-র সূত্র ধরে বিশ্ব ব্যাংক বলছে, প্রকৃতপক্ষে, ভারতে বিশ্বের নিবন্ধিত যানবাহনের মাত্র ১০ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনায় ২২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী। এটিকে নিত্যদিনের গণহত্যা বলা যায়, যেটি জনসম্মুখে ঘটে।

এটা কোনো গোপন বিষয় নয় যে ভারতের রাস্তাগুলো চরম বিপর্যস্ত। চালকরা লেনের চিহ্ন উপেক্ষা করেন। ট্রাফিক লাইট নাম মাত্র কাজ করে। এমনকি পথচারীরাও দ্রুত রাস্তা পারাপার হন।

শুধু প্রাইভেট কার নয়, ওভারলোড করা লরি, অটোরিকশা, স্কুটার, এমনকি মোটরসাইকেল চলে একই সড়কে। ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তৈরি হয়। অনেক শহরের রাস্তায় বিক্রেতারা রাস্তার অর্ধেক জায়গা দখল করে দোকান-পাট বসান। হাইওয়েতে রাস্তার ভুল দিকে গাড়ি চালানো অস্বাভাবিক কিছু নয়। এতেই ঘটে বিপত্তি।

সড়কে বিশৃঙ্খলা একটি কাঠামোগত সমস্যাকে চিহ্নিত করে। গরীব দেশগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা কম, যা খারাপ রাস্তায় ধীরে ধীরে চলে। ফলে জনসংখ্যার তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম মৃত্যু হয় সেখানে, যদিও নিরাপত্তার মান কম হতে পারে।

দুর্ঘটনা কমাতে ধনী দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনিক সক্ষমতা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারে এবং কঠোর নিয়মের ব্যবস্থা করতে পারে। দ্রুত বর্ধনশীল দেশগুলোর প্রচুর যানবাহন ও কিছু ভাল রাস্তাঘাটও রয়েছে, কিন্তু নিরাপত্তার জন্য খুব বেশি অর্থ বিনিয়োগে মনোযোগ দেয় না। সেসব দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

নিরাপদ বিনিয়োগের সংকটের ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান দিক রয়েছে। প্রথমটি হলো, রাস্তা ও গাড়ির মৌলিক অবকাঠামো। অনেক যানবাহন পুরোনো এবং সিটবেল্ট, অনেক কম এয়ারব্যাগের মতো প্রয়োজনীয় জিনিস রয়েছে। অনেক রাস্তার সঠিক চিহ্ন বা ক্র্যাশ ব্যারিয়ার নেই। পথচারীদের ট্র্যাফিক থেকে দূরে রাখার জন্য ফুটপাতগুলোও খুব কম ব্যবহার হয় এবং দখল হয়ে যায়।

আমেরিকার একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের মাধব পাই বলেছেন, ‘মৌলিক সমস্যা’ হলো যে অনেক দরিদ্র দেশে রাস্তার নকশা ধনী বিশ্বের আদলে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে গাড়ি এবং লরিগুলোই সড়ক দখলে রাখে। কিন্তু ভারতে মোটরসাইকেল ও স্কুটারের ব্যবহার ৭০ শতাংশ। এসব যানবাহন একটি গাড়ির তুলনায় ৩০ গুণ বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ধ্বংস হতে পারে। তবুও ভারতীয় রাস্তাগুলো দুই চাকার গাড়ির জন্য আলাদা লেন নির্ধারণ করে না।

দ্বিতীয় ব্যর্থতা হলো শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ। ২০১৭ সালে পরিচালিত একটি সমীক্ষায় জানা যায়, প্রতি দশজন ভারতীয় চালকের মধ্যে ছয়জন তাদের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য পরীক্ষা দেননি। অভিযোগ আছে, এর ফলে এখনো লাখ লাখ চালক ঘুষের মাধ্যমে কাগজপত্র পান। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা প্রায়শই একটি হেঁয়ালিপনা সেখানে। আরও ভয়ানক বিষয় হলো ৩৭ শতাংশ ট্রাক চালক স্বীকার করে যে লাইসেন্স পাওয়ার আগে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না।

তৃতীয় বড় ঘাটতি হলো স্বাস্থ্যসেবা। একটি দুর্ঘটনা ঘটলে, ধনী দেশের তুলনায় আহতদের মারা যাওয়ার শঙ্কা অনেক বেশি গরীব দেশগুলোতে। সরকারি অনুমান বলছে যে নিহতদের অর্ধেককে বাঁচানো যেত যদি তারা সময় মতো চিকিৎসা সহায়তা পেত। কিন্তু শহরের বাইরে জরুরি সেবার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে ট্রমা রোগীদের জন্য শয্যার সংকট রয়েছে।

জনসংখ্যার সঙ্গে চিকিৎসকের অনুপাতে প্রতি এক হাজার জনে চিকিৎসক একজনেরও কম। যা প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান, এমনকি ধনী জার্মানি অথবা জাপানের চেয়েও কম ভারতের। দরিদ্র কর্মজীবী পুরুষরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তাদের আহত হওয়ার শঙ্কা বেশি এবং তাদের স্বাস্থ্যবীমাও থাকে না।

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলার কারণে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ব্যয় বিলও দরিদ্র পরিবারকে অসহায় অবস্থায় ঠেলে দেয়। ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাংক সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক ব্যয় হিসাব করে ১৭২ বিলিয়ন ডলার যা সে সময় জিডিপির ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল।

ভারতের সরকার সমস্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে অন্ধ নয়। ২০২০ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা অর্ধেক করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে জরিমানা গুণতে হবে এবং জেলে যেতে হবে। মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, কম বয়সী কেউ গাড়ি চালালে বা সঠিক নম্বর প্লেট ছাড়াই গাড়ি চালালে অপরাধ বলে গণ্য হবে। হেলমেট ছাড়া স্কুটার বা মোটরসাইকেল চালালে তাদের লাইসেন্স স্থগিত করা হবে।

একটি ভালো সামেরিটান আইন যা নিশ্চিত করে যে পথচারীদের পুলিশ হয়রানি করবে না বা দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সাহায্য করলে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে বলা হবে না। দুর্ভাগ্যবশত, এখনো এটির কোনো ফলাফল নেই। সহায়তা প্রদানকারীদের জন্য নতুন সুরক্ষা প্রবর্তনের দুই বছর পর, একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, এই ধরনের প্রায় ৬০ শতাংশ লোক এখনো পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়।

রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্যসেবা এবং চালকদের শিক্ষার উন্নতি করতে এক প্রজন্ম লাগবে বলা চলে। কিন্তু এমন অনেক দ্রুত সমাধান রয়েছে যা অবিলম্বে মৃত্যু কমানো শুরু করতে পারে।

এক দশক আগে তামিলনাড়ু, ভারতের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি প্রদেশ সড়ক দুর্ঘটনার একটি ডাটাবেস তৈরি করেছিল। রাজ্য সরকার কর্তৃপক্ষকে সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থানগুলোর কাছাকাছি জরুরি সেবা কেন্দ্র স্থাপন করার অনুমতি দেয়। এই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য তারা। কেননা মহামারি শুরু হওয়ার আগে পাঁচ বছরে প্রদেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বার্ষিক মৃত্যুর এক চতুর্থাংশ কমেছে।

সুশীল-সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগও কাজে লাগে। চাচাতো ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর পীযূষ তেওয়ারি নামে এক ব্যক্তি সেভলাইফ ফাউন্ডেশন শুরু করেছিলেন। সংগঠনটি দিল্লির রাস্তার সবচেয়ে বিপজ্জনক অংশ চিহ্নিত করে এবং কেনো দুর্ঘটনা ঘটছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাউন্ডেশন দ্বারা নিযুক্ত তদন্তকারীরা ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পেতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে।

চালকদের শিক্ষা, অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য পরিচর্যায় উন্নতির জন্য সময় লাগতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করলে অনেক জীবন বাঁচতে পারে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট


আরও খবর



সরকারি চাল নিয়ে সাবেক-বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ৩০ July ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ভিজিএফের চাল নিয়ে বর্তমান ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভিজিএফের ১২০ বস্তা চাল পাচারের সোমবার গভীর রাতে ইউনিয়ন পরিষদের সামনের একটি বাড়িতে রাখা হয়। খবর পেয়ে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল হক বাচ্চুর সমর্থকরা বাড়িটি ঘিরে রেখে পুলিশে খবর দেন।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চুর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে ছয়জন আহত হন।

jagonews24

চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় চালগুলো পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠলেও অস্বীকার করেছেন তিনি। অপরদিকে চালগুলো জব্দ না করেই ফিরে গেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, ভিজিএফের চালগুলো সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে কিনে নিজের ঘরে রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম।

গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল হক বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, ‘চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন রাতের আঁধাঁরে গুদাম থেকে চাল পাচার করে ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে রাখেন। এলাকাবাসী খবর পেয়ে পুলিশ ও ইউএনওকে খবর দেয়। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও চাল জব্দ করেনি। উল্টো চেয়ারম্যানের লোকজন আমার লোকজনের ওপর হামলা করে।

jagonews24

অপর দিকে চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘গিয়াস উদ্দিন গরীব মানুষের কাছ থেকে চাল কিনে মজুত করেন। এর সঙ্গে আমি বা আমার পরিষদের কেউ জড়িত না। সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চু তার লোকজন নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে একজন গ্রামপুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।’

এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কলিন্দ্র নাথ গোলদার জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। তবে চালগুলো দরিদ্রদের কাছ থেকে খুচরা কেনা হয় বলে নিশ্চিত হয়েছি। তাই এগুলো জব্দ করার সুযোগ নেই।


আরও খবর



যে খাবার খেলে ত্বকে পড়বে না বয়সের ছাপ

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে কতজনই না কতকিছু করেন। বিশেষ করে ত্বক থেকে বয়সের ছাপ লুকাতে বর্তমানে অনেকেই নানা ধরনের সার্জারি কিংবা ইনজেকশন ব্যবহার করেন। এগুলো কার্যকরী হলেও এর থেকে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কেউই চান না যে তার ত্বক বুড়িয়ে যাক। এজন্য ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার আগেই এর যত্ন নিতে হবে। বিশেষ করে কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত পাতে রাখলে আপনি চিরযৌবনা থাকতে পারবেন।

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ ও শেফ ইশতি সালুজা এমন কিছু খাবারের পরামর্শ দিয়েছেন যা আপনি আপনার ডায়েটে রাখলে ত্বকের বলিরেখা থেকে মুক্তি পাবেন।

এজন্য আপনাকে প্রথমে যা করতে হবে তা হলো পরিশোধিত সাদা চিনি ত্যাগ করা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর চিনির বিকল্প ব্যবহার করা। এর পাশাপাশি পাতে রাখুন এসব খাবার-

>> স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ডায়েটে যোগ করুন কোলাজেন। এটি হলো প্রোটিন যা আপনার ত্বককে বলিরেখামুক্ত ও সুস্থ রাখে। শরীরে কোলাজেনের মাত্রা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশের দশকের শেষের দিক থেকে ত্বকের কোলাজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে!

>> ডায়েটে প্রচুর সবুজ শাকসবজি রাখুন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পালং শাক, কালে ও কলার্ডের মতো শাকগুলো সূর্যও দূষণের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সহায়তা করে। ক্যাপসিকাম ও টমেটোতে কমলার চেয়েও বেশি ভিটামিন সি।

>> পলিফেনল সমৃদ্ধ দারুচিনি ত্বকের স্বাস্থ্যকর কোষের উৎপাদন বাড়ায়।

>> আদা ও মধুও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। আদায় থাকে জিঞ্জেরল। যার আছে প্রদাহরোধী বৈশিষ্ট্য। এটি ত্বকের পৃষ্ঠের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। অন্যদিকে মধু ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না সহজে। রপ্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল থাকায় মধু ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়তে দেয় না।

>> ভিটামিন এ, ডি, ই, কে ও স্বাস্থ্যকর চর্বি ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। ভিটামিন এ বিশেষভাবে ত্বকের কোষ মেরামত করে ও কোলাজেন উৎপাদনকে স্থিতিশীল করে।

অন্যান্য চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিন সূর্য থেকে ইউভি ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্যকর চর্বির মধ্যে আছে- সালমন, অ্যাভোকাডো, আখরোট, ঘি, ফ্ল্যাক্স সিড, অলিভ অয়েল।

>> বেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি ত্বকের ফ্রি র‌্যাডিক্যালগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে যা ত্বকের কোলাজেনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

>> মাশরুমে থাকে কপার, যা ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত প্রোটিন, কোলাজেন ও ইলাস্টিনকে সংশ্লেষিত ও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করে।

>> অ্যালোভেরা শরীর ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আপনি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস খেতে বা ত্বকেও ব্যবহার করতে পারেন।

এতে থাকে স্টেরল, যা কোলাজেন ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিডের উত্পাদন বাড়ায়। এমনকি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। ত্বকের বলিরেখা ও ত্বকের দাগ কমাতেও সাহায্য করে।

>> ত্বক ভালো রাখতে পানির বিকল্প নেই। শরীরে পর্যাপ্ত হাইড্রেশন ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের বলিরেখা দূর হয়।


আরও খবর



রাজধানীতে স্কুলের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে একটি স্কুলের ছাদ থেকে পড়ে মো. ইশরাক মঞ্জুর (১৭) নামে ‘এ’ লেভেল পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে মোহাম্মদপুরের এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেণ।

ইশরাক মঞ্জুরের বাবা মো. মঞ্জুরুল হাসান বলেন, আমার দুই ছেলের মধ্যে ইশরাক মঞ্জুর বড়। সে এ লেভেলের ছাত্র। একটু রাগী ও চুপচাপ স্বভাবের ছিল। প্রয়োজন ছাড়া খুব বেশি কথা বলতো না। তবে ছাত্র হিসেবে বেশ ভালো। পড়ালেখা নিয়ে তার মা তাকে মাঝেমধ্যে একটু জোরাজুরি করতো। এছাড়া অন্য কোনো সমস্যা ছিল না।

ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় কোনো অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে যাওয়ার চলে গেছে। হাজার অভিযোগ করেও ফিরে পাবো না। মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করবো।

রাজধানীতে স্কুলের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জানা গেছে, মো. মঞ্জুরুল হাসান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তিনি পরিবারসহ রাজধানীতে একটি বাসায় থাকেন। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে যেহেতু কোনো অভিযোগ নেই সেহেতু মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হবে। তবে তারা চাইলে আমরা অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করতে প্রস্তুত আছি।


আরও খবর



‘টাউট-বাটপারদের’ পরামর্শে পরিষদ চালানোর অভিযোগ কাদের মির্জার

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০১ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

নিজের অনুসারী এক ইউপি চেয়ারম্যান টাউট-বাটপারদের পরামর্শে পরিষদ চালাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

রোববার (২৪ জুলাই) দুপুরে মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদে জবাবদিহিতার উন্মুক্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের মির্জা বলেন, দলীয় কর্মকাণ্ড ও দলের লোকজনকে বাদ দিয়ে চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী টাউট-বাটপারদের পরামর্শ নিয়ে পরিষদ চালাচ্ছেন। সময় এলে ‘দজ্জা টোয়াই হাইতেন ন’ (দরজা খুঁজে পাবেন না)। ধ্বংস হয়ে যাবেন।

আইয়ুব আলীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নৌকা না পেলেও দলের সমর্থন নিয়ে আপনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দলের বাইরে আপনি কিছুই না। বিভিন্ন জায়গায় তদবির করেন সেটাও দলের প্রভাবে। তবুও দলকে অবহেলা করলে ভবিষ্যতে পস্তাবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী। তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারি ইউপি নির্বাচনে মেয়র কাদের মির্জার সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

শপথ নেওয়ার চার মাসের কর্মকাণ্ড নিয়ে জবাবদিহিতার উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করেন চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী। এতে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সহযোগিতায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের ফিরিস্তি তুলে ধরেন তিনি।

jagonews24

অনুষ্ঠানে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং, ইয়াবা, হেরোইন, আইস সেবনসহ নারী নির্যাতন বৃদ্ধির নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এছাড়া কিশোর গ্যাং সদস্যদের যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ বলেও অভিযোগ করা হয়।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবক একরামুল হক মিয়া, মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবর, সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবদুল গফুর, ইউপি সদস্য আহছান উল্যাহ ভূট্টো, আবদুর রহিম বাবুল প্রমুখ।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি ইউপি নির্বাচনে কোম্পানীগঞ্জের আট ইউনিয়নের মধ্যে কাদের মির্জা সমর্থিত তিনজন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সমর্থিত চারজন ও জামায়াত সমর্থিত একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এর আগে গত ১৭ মাস সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নিজ এলাকায় তার ছোটভাই বসুরহাটের মেয়র কাদের মির্জার সঙ্গে স্থানীয় উপজেলা আওয়ামী লীগের বিরোধ চলে আসছে। তাদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক সাংবাদিকসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুই। শতাধিক নেতাকর্মী। মামলা হয়েছে শতাধিক।


আরও খবর