Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বোরো আবাদে এবার ধানের বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৩৭৩জন দেখেছেন

Image

আবু মোতালেব হোসেন (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীতে সোনালী ধানে ছেয়ে গেছে চারিদিক। মাঠের পর মাঠ শুধুই ধান আর ধান। জেলার ছয় উপজেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বোরো আবাদ। সেই সঙ্গে ফলন হয়েছে বাম্পার। ফলন ভালো হওয়ায় খুশি স্থানীয় কৃষক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানায়, জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮১ হাজার ৭০০ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ৮১ হাজার ৭১০ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৮০

মেট্রিক টন। তবে বেশি জমি আবাদ হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অর্জিত জমির মধ্যে সদরে ২৩ হাজার ৭০২ হেক্টর, সৈয়দপুরে সাত হাজার ৭০০ হেক্টর, ডোমারে ১৩ হাজার ২১৫ হেক্টর, ডিমলায় ১১ হাজার ২৬০ হেক্টর, জলঢাকায় ১৪ হাজার ৬৬৮ হেক্টর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১১ হাজার ১৬৫ হেক্টর বোরোর আবাদ হয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় জানায়, এবার বোরো মৌসুমে সরকার কতৃক প্রতি কেজি ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা । সে হিসাবে প্রতি মণ ধানের মূল্য হয় এক হাজার ২০০ টাকা। এদিকে, সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া গ্রামের বোরো চাষি আশরাফ আলী জানান, চলতি মৌসুমে ৬৫ শতক (দুই বিঘা পাঁচ শতাংশ) জমিতে ব্রি ধান-২৮ ও ৫৮ জাতের ধান চাষ করেছেন। বীজতলা, জমি চাষ, রোপণ, স্যার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক বাবদ খরচ হয়েছে ২৮ হাজার ৩১২ টাকা।

জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছেন ৪১ মণ। প্রতিমন এক হাজার ২০০ টাকা হিসাবে মূল্য দাঁড়ায় ৪৯ হাজার ২০০ টাকা। এতে খরচ বাদে লাভ হয়েছে ২১ হাজার টাকা। একই গ্রামের কৃষক আইয়ব আলী বলেন, ‘এবার সাড়ে তিন বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছি। ধানের ফলন ভাল হয়েছে। তবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে আরও বেশি ফলন হতো। লাভের পরিমাণটা আরও বাড়তো। সরকার বাজার দর এ রকম দিলে আগামীতে আরও বেশি জমিতে বোরো আবাদ করবো।’ সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের দিঘলটারী গ্রামের কৃষক আবুল কালাম জানান, ‘এবার বোরোর তাক লাগানো ফলন হয়েছে। তিন বিঘায় আমার খরচ হয়েছে ৩৬ হাজার টাকা। আর ধান পেয়েছি ৫৪ মন। প্রতিমন এক হাজার ৩০০ টাকা করে বিক্রি করে টাকা পেয়েছি ৭০ হাজার ২০০ টাকা। এতে আমার লাভ হয়েছে ৩৪ হাজার ২০০ টাকা। তিনি বলেন, বাজার দর এরকম থাকলে আগামীতে বোরোর আবাদ বাড়াবো। শুধু আশরাফ আলী, আইয়ব আলী, আবু কালাম নন বোরোর বাম্পার ফলন পেয়ে খুশি জেলার কৃষকরা।’

জেলার জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বালারপুকুর গ্রামের কৃষক রশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এবার সেচের সুবিধা পেয়ে চার বিঘা জমিতে বোরোর আবাদ করেছি। ফলনও হয়েছে বাম্পার। তবে ইরি আবাদে কিছু ধারদেনা করেছি। তাই কাঁচা ধান বিক্রি করে (সরকারী রেট) খুব একটা লাভ করতে পারিনি। অর্ধেকেরও বেশী জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছি। বাকি ধান তিন চারদিনের মধ্যে কেটে ঘরে তুলা যাবে। সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ জানান, ‘এবার সদরে ২৩ হাজার ৭০২ হেক্টর জমিতে বোরোর চাষ হয়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষক বেজায় খুশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অর্জন বেড়ে যাওয়ায় আবাদ বেশী হয়েছে। আশা করি, আবহাওয়া ও বাজার দর অনুকুলে থাকলে কৃষকরা এবার লাভবান হবে।’ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. এসএম আবু বকর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর জমি বেশী আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলনও হয়েছে বাম্পার। এখন পর্যন্ত শতকরা ২০ ভাগ জমির ধান কাটা হয়েছে। আশা করছি, বাজারে ভাল দাম পেলে বিক্রি করে লাভবান হবেন তারা।


আরও খবর



জয়পুরহাটে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃতামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি,শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা টাস্ক ফোর্স কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক সালেহীন তানভীর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়  অতিরিক্ত জেলা জেলা ম্যাজিষ্টেড মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তুলসী চন্দ্র রায়,সহকারী কমিশনার উজ্জ্বল বাইন, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা চৈতী রায়, সাংবাদিক খ, ম আবদুর রহমান রনি, এনজিও ব্যাক্তিত্ব সুজন কুমার মন্ডল প্রমূখ।আলোচনা সভা শেষে একটি শোভাযাত্রা কালেক্টরেট চত্বর প্রদক্ষিণ করে।



আরও খবর



গোদাগাড়ীতে রিইব-এর তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত। শনিবার (৮ জুন)রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস বাংলাদেশ (রিইব)-এর উদ্যোগে উপজেলার কাকনহাট রিইব অফিসে হয়। রিইব-এর মাঠ সমন্বয়কারী বাবুল চন্দ্র সূত্রধরের সভাপতিত্বে

 বক্তব্য রাখেন আদিবাসী নেতা নীরেন খালেেকা, গণেশ মার্ডি, সুবোধ মাহাতো, সুধীর চন্দ্র ওরাওঁ, সুসেন শ্যামদুয়ার, সমাজকর্মী আনোয়ার হোসেন, সামিউল বাসির, চন্দনা রাণী, মিনতী রাণী প্রমুখ। কর্মসূচীতে গণগবেষণা দলের সদস্যদের মধ্য থেকে তথ্য অধিকার চর্চার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ইতি টুডু (সাঁওতাল), প্রতিমা রাণী (মাহাতো) রিনা খাখা (ওরাওঁ) ও মণিবালা (মূলধারা)।

 কর্মসূচীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন লিপি টুডু ও সুধা টপ্প্য। ক্যাম্পেইনটি সঞ্চালনা করেন নৃপেন্দ্রনাথ মাঝি। 

বক্তারা বলেন,তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ চর্চা করে জীবনমানের উন্নয়নের জন্য সকলকে উৎসাহিত করতে হবে এবং জ্ঞান ও কর্মতৎপরতা হল সবচেয়ে বড় সম্পদ, এ সম্পদের মালিক হতে পারলে সরকার কেন, কারো দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে না। আর এজন্যে সবচেয়ে টেকসই হাতিয়ার হল শিক্ষা। উল্লেখ্য, গত ৭ জুন এলাকার বিভিন্ন কলেজের ১৮ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে অনুরূপ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আরও খবর



আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৫.৭ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৫.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস’ শীর্ষক জুন মাসের প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কম হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৮ শতাংশ। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে হবে ৫.৬ শতাংশ। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার কমবে। তবে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৭ শতাংশ হতে পারে। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেটি কিছুটা বেড়ে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫.৯ শতাংশ ।

যদিও প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে কিছুটা চাপের মুখে থাকলেও প্রাজ্ঞ ও সঠিক নীতিকৌশল বাস্তবায়নের ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত আছে। এদিকে, বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশে আমদানি নিষেধাজ্ঞা থাকায় শিল্প–কলকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চমূল্যের কারণে মানুষের প্রকৃত মজুরি ও পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। আর বৈশ্বিক অর্থনীতি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংক বলেছে, গত তিন বছরের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতি এবারই প্রথম স্থিতিশীল হবে।


আরও খবর



মিরসরাইয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক আটক

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১১৬জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার ওয়ার্লেসে অবস্থিত দারুল উলুম মাদরাসা থেকে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়। আটক হাফেজ মাওলানা জোবায়ের চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা।সরেজমিনে জানা যায়, শনিবার রাতে ওয়ার্লেস দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক জোবায়ের হেফজ বিভাগের এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে। রবিবার সকালে ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা বিষয়টি ক্যান্টিনে জানায়। পরবর্তীতে যৌন নিপীড়নে আক্রান্ত ওই শিক্ষার্থী ক্যান্টিনে এসে পরিবারকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানায়। এরমধ্যে ঘটনাটি স্থানীয়রা জানার পর মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিষয়টি জিজ্ঞেস করতে যায়। এই নিয়ে স্থানীয় এবং মাদ্রাসার শিক্ষকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহীম, স্থানীয় তরুণ তানভীর শাহরিয়ার রিয়াজ ও নুরনবী বশর আহত হয়। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে খবর পেয়ে মিরসরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক জোবায়েরকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে।

আহত স্থানীয় বাসিন্দা তানভীর শাহরিয়ার রিয়াজ জানায়, মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি জানার পর আমি মাদ্রাসার ভিতরে গিয়ে হুজুরদের কাছে জানতে চাই। তখন মাদ্রাসার শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। আমার উপর হামলা করতে দেখে স্থানীয় অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের উপরও হামলা চালায়। ওয়ার্লেস দারুল উলুম মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়নের ঘটনা আজ নতুন নয়। এর আগে বেশ কয়েকবার এমন ঘটনা ঘটেছে। যতবারই ঘটে ততবারই মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব গোপনে বিষয়গুলো ধামাচাপা দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের কোন বিচার না করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে যৌন নিপীড়নের শিকার শিশু শিক্ষার্থীর পরিবার জানায়, ২০১৬ সালে আমার ছোট ভাইকে ওয়ার্লেস দারুল উলুম নূরানী বিভাগে ভর্তি করাই। নূরানী বিভাগ থেকে হিফজ বিভাগে যাওয়ার পর এখন নাজেরা বিভাগে পাঠদান চলছে। এতবছর কোন সমস্যা শুনি নাই। হঠাৎ করে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা আমার ভাইয়ের সাথে ঘটবে কখনো চিন্তা করি নাই।
দারুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব বলেন, দোষীতো প্রতিষ্ঠান না, দোষী একজন ব্যাক্তি। অভিযুক্ত হুজুরকে পুলিশ নিয়ে গেছে। সে যদি প্রকৃত অন্যায়কারী হয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা এভাবে আমাদের প্রতিষ্ঠানের উপর হামলা চালানোর বিষয়টি আমাকে ব্যথিত করেছে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্ত (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।


আরও খবর



রাজধানীর ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ দাউদ আদনান।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত মৌসুম পূর্ব এডিস সার্ভে-২০২৪ এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

কর্মশালায় জরিপের ফলাফল ঘোষণায় শেখ দাউদ আদনান বলেন, রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকার দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডের ৩ হাজার ১৪৯টি বাসায় জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, শতকরা ১৫ শতাংশ বাড়িতে এডিসের লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মিরপুর, বনানী, নিকেতন, হাতিরঝিল, মোহাম্মদপুর, খিলক্ষেত, মালিবাগসহ গতবারের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোই সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এডিসের ঘনত্ব সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে। এরপরই স্বতন্ত্র বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভার হার ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণের ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ঢাকা দক্ষিণের ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ পরিত্যক্ত পাত্রে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭ ও ৩৩ নম্বর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩, ০৪, ৫২,৫৪, ১৬, ৩০, ০৫, ১৫, ১৭ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড। ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মৌসুম পূর্ব জরিপে উভয় সিটি করপোরেশনেই এডিসের লার্ভার উপস্থিতি বেড়েছে। তাই লক্ষণ প্রকাশপেলেই সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে আসার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, সারা দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এই রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। রোগীর লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে রোগটি যেন না হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় পৌনে ৩ হাজার মানুষ। এই সময়ে রোগটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। যেখানে গত বছরের ২৭ মে পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিল ১৭০৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। এই পরিসংখ্যানই বলছে এবারের ডেঙ্গু কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেকেই মনে করেন ঢাকায় ভালো চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। তাই জেলা বা উপজেলা হাসপাতাল থেকে তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন। দীর্ঘ যাত্রা পথে শরীরে জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং পথেই মৃত্যু বরণ করেন।

মহাপরিচালক বলেন, ডেঙ্গুতে যেন মৃত্যু না হয় সে জন্য আমরা দেশের সব হাসপাতাল প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনীয় স্যালাইন ও আনুষঙ্গিকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাণহানি এড়াতে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের সমন্বিত চিকিৎসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মসূচি ব্যবস্থাপক ডা. এম এম আক্তুরুজ্জামান প্রমুখ।


আরও খবর