Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

লক্ষ্মীপুরের ৩ ইউপিতে আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

লক্ষ্মীপুর সদর ও রামগতি উপজেলার তিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। সদর উপজেলার দিঘলীতে সালাউদ্দিন চৌধুরী, রামগতির বড়খেরিতে হাসান মাকসুদ ও চর আবদুল্লাহ ইউপিতে কামাল হোসেন মঞ্জুর মনোনয়ন পেয়েছেন।

রোববার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দলীয়সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৮ জুলাই দিঘলী, বড়খেরি ও চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে দিঘলীতে উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ করা হবে।

দিঘলী ইউনিয়নে মনোনয়ন পাওয়া সালাউদ্দিন চৌধুরী জেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। বড়খেরিতে মনোনয়ন পাওয়া হাসান মাকসুদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। আর চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নে মনোনয়নপ্রাপ্ত কামাল হোসেন মঞ্জুর ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানও।

কামাল হোসেন মঞ্জুর বলেন, আমার ইউনিয়ন মেঘনা নদীবেষ্টিত ও দুর্যোগপ্রবণ। সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছি। দুর্যোগে ইউনিয়নবাসীকে রক্ষায় সর্বাত্মক কাজ করেছি। আগামী নির্বাচনেও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণ আমাকে জয়ী করবেন বলে আশা করি। আগামীতেও তাদের সেবা করার সুযোগ করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, দিঘলী ইউনিয়নে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে নৌকার প্রার্থীকে জেতাতে আমাদের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নৌকার প্রার্থী জয়ী হবে।

চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে সদরের দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন গত ১৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এতে ইউনিয়নটিতে চেয়ারম্যান পদ শূন্য রয়েছে। ২৮ জুলাই সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



গুচ্ছে এবারও ফল চ্যালেঞ্জের সুযোগ থাকছে, আবেদন ফি ২০০০

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের ফলে কোনো অসংগতি লক্ষ করলে এবারও চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন তবে সেক্ষেত্রে দুই হাজার টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।

আগামী ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট ইউনিটের ফল চ্যালেঞ্জের সুযোগ দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ‘ক’ ইউনিটের ফল প্রকাশের পর গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

ড. ইমদাদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি মনে করে তাদের ফলাফলে অসংগতি আছে, সেক্ষেত্রে তারা ফল চ্যালেঞ্জের সুযোগ পাবে এবারও। তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলে অর্থাৎ আগামী ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদের পরীক্ষা শেষে ফল চ্যালেঞ্জের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রতি শিক্ষার্থীকে দুই হাজার টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।

জবি উপাচার্য আরও বলেন, চ্যালেঞ্জ করার পর কোনো শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হলে সে আবেদন ফি অর্থাৎ দুই হাজার টাকা ফেরত পাবে। আর পরিবর্তন না হলে সব একই থাকবে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় এই সুযোগ দেওয়া হবে।

গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ১৩ আগস্ট মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিট এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্যদিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে।


আরও খবর



বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার নেবেন না অমর্ত্য সেন, বললেন ‘অন্য কাউকে দেন’

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া ‘বঙ্গবিভূষণ’ পুরস্কার নিচ্ছেন না নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। পরিবারের মাধ্যমে এ অর্থনীতিবিদ জানিয়েছেন, তিনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। এবার নতুন কাউকে এ সম্মান দেওয়া হোক।

বর্তমানে অমর্ত্য সেন ভারতের বাইরে রয়েছেন। সোমবার (২৫ জুলাই) পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন।

তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সূত্র বলছে, অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের অভিমত জানার পর পুরস্কারপ্রাপ্তদের চূড়ান্ত তালিকায় সংশোধন আনা হয়েছে। নতুন তালিকায় তার নাম রাখা হয়নি।

jagonews24

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও মমতা ব্যানার্জি/ছবি: সংগৃহীত

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, অন্য বিশিষ্টদের পাশাপাশি নোবেলজয়ী দুই অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করার কথা ছিল। তবে অভিজিৎ বিনায়ক ফ্রান্সে রয়েছেন। অমর্ত্য সেনও বাইরে অবস্থান করছেন। ফলে অনুষ্ঠানমঞ্চে দুজনের কেউই সম্ভবত থাকবেন না।

সোমবার বিকেলে কলকাতার নজরুল মঞ্চে বিভিন্নক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের হাতে ‘বঙ্গবিভূষণ’ ও ‘বঙ্গভূষণ’ পুরস্কার তুলে দেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

ভারতীয় ফুটবলে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকেও ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান দেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেই একই সম্মান দেওয়ার কথা এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকেও।

এদিকে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থের ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া এবং পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনার পর সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বিশিষ্টজনদের কাছে ‘বঙ্গবিভূষণ’ ও ‘বঙ্গভূষণ’ সম্মান প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানান।

সিপিএমের একাংশের দাবি, সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই অমর্ত্য সেন সম্মাননা নিতে রাজি হননি। তবে ঘটনাক্রম বলছে, তার আগেই অমর্ত্য সেন তার পুরস্কার না নেওয়ার সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানিয়ে দিয়েছিলেন।


আরও খবর



শেখ কামাল : প্রতিভাপ্রদীপ্ত সৃজনশীল সংগঠক

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

মাত্র ২৬ বছরের জীবনে বাঙালির সংস্কৃতি ও ক্রীড়াক্ষেত্রের এক বিরল প্রতিভাবান সংগঠক ও উদ্যোক্তা হিসেবে শেখ কামাল এক অসামান্য উচ্চতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। দেশ ও সমাজভাবনায় সচেতন বহুমাত্রিক প্রতিভার এই সংগঠক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনীতিতেও ছিলেন সমান তৎপর। আজ ৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের জন্মদিন। ১৯৪৯ সালের এইদিনে তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

খুব ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি ছিল তাঁর প্রচণ্ড ঝোঁক। ঢাকার শাহীন স্কুলে পড়াকালীন স্কুলের খেলাধুলার প্রত্যেকটি আয়োজনে তিনি ছিলেন অপরিহার্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি টানটা ছিল সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘদেহী কার্যকর ফাস্ট বোলার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু একইসাথে বাঙালি এবং মুজিবপুত্র হবার কারণে অবিভক্ত পাকিস্তানের জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটে নিদারুণভাবে উপেক্ষিত থেকেছেন। তরুণ বয়সে আজাদ বয়েজ ক্লাবের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন এবং ওই ক্লাবের হয়েই দীর্ঘদিন প্রথম বিভাগ ক্রিকেট খেলেছেন। ঢাকার আজাদ বয়েজ ক্লাব তখন প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটারদের লালনক্ষেত্র।

খেলাধুলার পাশাপাশি সংস্কৃতিচর্চার প্রতি তাঁর আগ্রহ ও কর্মকাণ্ডের ব্যাপকতা তাঁর প্রতিভা ও মননের এক বিশাল দিককে উন্মোচিত করে। অভিনয়, সংগীত চর্চা, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতাসহ সকল ক্ষেত্রে তিনি তাঁর মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। শাহীন স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের ছাত্র হিসেবে হলের বাস্কেটবল টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন শেখ কামাল। বাস্কেটবলে তাঁর অসামান্য দক্ষতার কারণে তাঁর সময়ে বাস্কেটবলে সলিমুল্লাহ হল শেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছিল।

৬৯ সালে পাকিস্তান সামরিক জান্তা সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে তার প্রতিবাদের ভাষা তথা অস্ত্র হয়ে ওঠে রবীন্দ্র সংগীত। সেসময় বিভিন্ন আন্দোলন পরিস্থিতিতে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে অহিংস পন্থায় প্রতিবাদের উদাহরণ সৃষ্টি করেন শেখ কামাল। সেসময় তিনি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীদের সংগঠিত করেন এবং রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি শিল্পী জাহিদুর রহিমকে দিয়ে বিভিন্ন সভা ও জমায়েতে গাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর স্বাভাবিকভাবেই তাঁর কর্মপরিধির বিস্তার ঘটে এবং অনেক ব্যাপকতা পায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে একজন ভালো অভিনেতা হিসেবে তাঁর সুখ্যাতি গড়ে ওঠে। নাট্য সংগঠন ঢাকা থিয়েটারের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর অভিনীত নাটক নিয়ে ভারত সফরও করেছেন। কোলকাতার মঞ্চে মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক কবর মঞ্চায়ন করেন।

অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলা একাডেমি মঞ্চেও। সেতার বাজাতে খুব পছন্দ করতেন তিনি। ছায়ানটের সেতার বাদন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন শেখ কামাল। ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদের কাছে নিজ বাড়িতে শাস্ত্রীয় সংগীতের তালিম নিতেন। খেলাধুলার প্রতি অমোঘ আকর্ষণ ও খেলাধুলার প্রসারের লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও জনপ্রিয় ক্লাব আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তাঁর বড় বোন বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ধানমণ্ডি এলাকায় কোনো ধরনের খেলাধুলার ব্যবস্থা ছিল না। সে (শেখ কামাল) উদ্যোগ নেয় এবং ওই অঞ্চলের সবাইকে নিয়ে আবাহনী গড়ে তোলে। মুক্তিযুদ্ধের পরে ও এই আবাহনীকে শক্তিশালী করে।’

আবাহনী ক্রীড়াচক্র বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী বিপ্লবের জন্ম দেয়। প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় ক্লাব মোহামেডানকে পেছনে ফেলে আবাহনীকে তিনি গৌরবের উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ক্রমান্বয়ে সারাদেশে আবাহনীর শাখা গঠনে তৎপর হন। তরুণ সমাজের চিত্তের প্রফুল্লতা নিশ্চিত করা ও বিপথে ধাবিত না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রয়োজনীয়তা তিনি উপলদ্ধি করেছেন সবসময়। এবং মাত্র ২৬ বছরের নাতিদীর্ঘ জীবনে তাঁকে সে অনুযায়ী নানমুখি উদ্যোগ নিতে দেখা যায়। বন্ধু শিল্পী ও সহকর্মীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠী’।

বন্ধুবান্ধব ও সহকর্মীদের সাথে মেশার ক্ষেত্রে তাঁর মধ্যে কেউ কোনদিন কোনদিন অহমিকার প্রকাশ দেখেননি। বন্ধুবৎসল শেখ কামাল জীবনযাপনে ছিলেন খুবই সাধারণ। দেশের স্থপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুত্র হওয়া সত্ত্বেও কোনরূপ ক্ষমতার অপব্যবহার তিনি করেননি।

ধানমণ্ডির বত্রিশ নম্বরের তিনতলায় শেখ কামালের বসবাসের ঘরটিতে থাকত নানারকম বাদ্যযন্ত্রের বাদ্যযন্ত্রের সমাহার। যে মানুষটির দিন শুরু হতো সংগীত, পিয়ানো ও সেতার বাদনের মধ্য দিয়ে, তারপর ফুটবল, ক্রিকেটের পর্ব শেষ করে সন্ধ্যায় ব্যস্ত হতেন নাটকের মঞ্চে অথবা মহড়ায় তিনি রুচি ও মানসিকতায় কেমন মানুষ ছিলেন তা অনুমান করতে কারো কষ্ট হবার কথা না। শেখ কামাল তারুণ্যের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সময়ে সহকর্মী ও সতীর্থদের মাঝে যে উদ্দীপনা ছড়িয়েছেন, তরুণ ও যুবসমাজের মধ্যে তা একটি সাংস্কৃতিক চেতনার জাগরণ ঘটিয়েছিল।

বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনার আলোকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, সেই চেতনাকে লালন করেই শেখ কামালের জীবনের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতে দেখা যায়। আজকের বাংলাদেশে মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় আমরা লক্ষ্য করি, তখন শেখ কামালের মতো সংগঠকের সৃজনশীল রুচি ও মননের অধিকারী সংগঠকের অভাব আমরা খুব করে অনুভব করি।

সব ধরনের কুপমন্ডুকতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে একটি ইতিবাচক সমাজ গঠনের তাগিদ তাঁর মধ্যে সর্বদা জাগরুক ছিল। যুব ও তরুণ সমাজের মনন গঠনের উদ্দেশ্য থেকেই তিনি ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একটি সৃজনশীল প্রজন্ম তৈরির লড়াইয়ে সর্বদা সচেষ্ট থেকেছেন।

পারিবারিক পরিবেশ থেকেই এ সবকিছুর পাশাপাশি রাজনীতির পাঠও গ্রহণ করেছিলেন শেখ কামাল। বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধারাবাহিক আপসহীন সংগ্রামের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করার ফলে বাঙালি জাতীয়বাদের চেতনায় তিনি নিজেকে তৈরি করেছেন। ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগের জন্মের বছরেই শেখ কামালেরও জন্ম। আওয়ামীলীগের পথচলার যে ধারাবাহিকতা, বঙ্গবন্ধুর জীবন পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায়, তার প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই শেখ কামালের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত হয়ে গেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ শিরোনামের স্মৃতিকথায় এক জায়গায় লিখেছেন- “কামাল তখন অল্প কথা বলতে শিখেছে। কিন্তু আব্বাকে ও কখনো দেখেনি, চেনেও না। আমি যখন বারবার আব্বার কাছে ছুটে যাচ্ছি, আব্বা আব্বা বলে ডাকছি, ও অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে। গোপালগঞ্জ থানায় একটা বড় পুকুর আছে, যার পাশে বড় খোলা মাঠ। ওই মাঠে আমরা দুই ভাইবোন খেলা করতাম ও ফড়িং ধরার জন্য ছুটে বেড়াতাম। আর মাঝে মাঝেই আব্বার কাছে ছুটে আসতাম।

অনেক ফুল, পাতা কুড়িয়ে এনে থানার বারান্দায় কামালকে নিয়ে খেলতে বসেছি। ও হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘হাসু আপা, তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি?’ কামালের সেই কথা আজ যখন মনে পড়ে, আমি তখন চোখের পানি ধরে রাখতে পারি না।” বঙ্গবন্ধুর পুত্র-কন্যাদেরকে এমনই সংগ্রামমুখর পথ পাড়ি দিয়ে বেড়ে উঠতে হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার সুদীর্ঘ সংগ্রামের পথে বাঙালির উপর যত আঘাত এসেছে, প্রত্যক্ষভাবে ওই পরিবারটিতে তা স্পর্শ করে গেছে। পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জেল-জুলুমের যে সংগ্রামমুখর জীবন, তা প্রত্যক্ষ করেই বেড়ে ওঠা শেখ কামালের জীবনের দীক্ষাও ছিল সবসময় মানুষ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে নানাভাবে ভূমিকা রাখার।

ছাত্রলীগের কর্মী ও সংগঠক হিসেবে তিনি ৬ দফা, ১১ দফা আন্দোলন এবং ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে বীরোচিত অংশগ্রহণ ছিল তাঁর। অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতার অধিকারী শেখ কামাল সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন্ড লাভ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল এম এ জি ওসমানীর এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে ষড়যন্ত্রকারীদের পৈশাচিক হামলায় নিহত হবার সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের এমএ শেষ পর্বের পরীক্ষার্থী ছিলেন। এর মাত্র এক মাস আগে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লু খেতাবপ্রাপ্ত দেশসেরা অ্যাথলেট সুলতানা খুকুকে তিনি পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন।

১৫ আগস্ট ভোররাতে বাঙালির ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কিত ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে বঙ্গবন্ধুসহ সপরিবারে নিহত না হলে, বঙ্গবন্ধুর সুমহান নেতৃত্বের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেতে পারতো বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী এই সংগঠক ও নেতাকে। তাঁর মেধা ও রুচির প্রয়োগ ঘটিয়ে তরুণ প্রজন্মকে যে সুন্দর ও সম্ভাবনার পথ তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন, সেই পথটি যেন আমরা খুঁজে নিতে পারি। ৭৪তম জন্মদিনে অনন্য সংগঠক শেখ কামালের প্রতি আমার হৃদয়ের গভীর থেকে প্রগাঢ় শ্রদ্ধা।

লেখক : সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।


আরও খবর



এক দশকে দেশে মানুষ বাড়লো ২ কোটি ১১ লাখ

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

গত এক দশকে দুই কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ৯২০ জন বেড়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা আট কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বুধবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএস-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

বিবিএস প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনসংখ্যার হিসাব-নিকাশ স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত প্রথম শুমারিতে দেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৫ লাখ। এরপর ১৯৮১ সালে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় আট কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন। ১৯৯১ সালে দেশে মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬৩ লাখে।

২০০১ সালে চতুর্থ আদমশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়, এই সময় জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ কোটি ২৪ লাখ। ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ওই জনশুমারিতে দেখা যায়, দেশের জনসংখ্যা বেড়ে ১৪ কোটি ৪০ লাখ। ষষ্ঠ ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।

বিবিএস-এর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে মোট তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন। বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ শতাংশ, এক দশক আগে যা ছিল ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। দেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যা ঘনত্বের হার এক হাজার ১১৯ জন এক দশক আগে যা ছিল ৯৭৬ জন।


আরও খবর



বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘অভিভাবক ছিলেন’ সাকিব-তামিমরা

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৩ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

আসন্ন জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য তারুণ্যনির্ভর টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যেখানে নেই বহুল আলোচিত পঞ্চপান্ডবের কেউ। এরই মধ্যে অবসর নিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তামিম ইকবাল, ছুটি নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমকে বোর্ডই দিয়েছে বিশ্রাম।

সিনিয়র খেলোয়াড়রা না থাকাকে বাড়তি চাপ হিসেবে মানতে রাজি নন দলের স্পিনিং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান। তার মতে, এতোদিন দলের অভিভাবক হিসেবে ছিলেন সাকিব-তামিমরা। তাদের অনুপস্থিতিতে এখন থেকে তরুণরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নেবেন।

মঙ্গলবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমে মেহেদি বলেছেন, ‘পরিবারে যখন ছোট থাকেন, তখন বেড়ে ওঠার জন্য বাবা-মাই সব দায়িত্ব নেন। প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেন। এই সিরিজ থেকে নিজেরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারবো, যেহেতু সিনিয়ররা নেই। তারা এতদিন বাংলাদেশের ক্রিকেটের মা-বাবা ছিলেন বা অভিভাবক হিসেবে ছিলেন।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রমাণ করার আসলে কিছুই নেই। একটা সময় সিনিয়র ক্রিকেটাররা থাকবেন না। আমাদের ব্যাচ থেকে অনেকেই সিনিয়র হয়ে যাবে। সাকিব-তামিম ভাইরাও একসময় জুনিয়র ছিলেন। ২০১১ বিশ্বকাপে সাকিব ভাই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তখন তার বয়স ছিল ২২ বছর। ওখান থেকে খেলতে খেলতে এই পর্যায়ে এসেছেন। এখন যে তরুণ দল আছে, সময় লাগবে।’

jagonews24

সব সিনিয়র খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতিতে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে উইকেটরক্ষক ব্যাটার নুরুল হাসান সোহানকে। এছাড়া দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় বলতে রয়েছেন এনামুল হক বিজয়, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজরা। যারা মোটামুটি ৭-৮ বছর ধরে জাতীয় দলে খেলছেন।

এছাড়াও শেখ মেহেদি, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাসুম আহমেদ, শরিফুল ইসলামরাও গড়পড়তা ২-৩ বছর ধরে খেলছেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে। তাই জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টি দলকে পুরোপুরি নতুন মানতে নারাজ শেখ মেহেদি।

তার ভাষ্য, ‘এই দলে একদমই তরুণ কেউ না। সবাই ৩-৪-৫ বছর খেলে ফেলেছে। দশ বছর খেলা কেউ নেই। তবে ৬-৭-৮ বছর খেলা খেলোয়াড় আছে। তাই বেশিরভাগই তরুণ না। তরুণ বলতে মুনিম শাহরিয়ার ও পারভেজ ইমন যারা একদমই নতুন। সবাই পরিপক্ব, মোটামুটি অভিজ্ঞ। সবার বোঝার সামর্থ্য আছে, সবাই সামর্থ্যবান।’


আরও খবর