Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

লবণ কতটুকু খাবেন ওজন কমাতে ?

প্রকাশিত:Saturday ১১ December ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ২২৫জন দেখেছেন
Image

অনলাইন ডেস্ক: স্লিম হওয়ার সহজ উপায় খুঁজতে গিয়ে ইতিমধ্যে প্রয়োগ করে ফেলেছেন বেশ কিছু পদ্ধতি। মেদ ঝরাতে কমিয়েছেন খাবারে লবণের পরিমাণ। কিন্তু সত্যিই কী লবণ খেলে ওজন বাড়ে? বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণ খেলে ওজন বাড়ার সমস্যাটা আসলে একটা মিথ। অনেকেই মনে করেন, লবণ বেশি খেলে শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়। আর তাই স্লিম হওয়ার জন্য ডায়েট করার সময় খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দেন। আসলে এই কথাটা পুরোপুরি সত্যি নয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ জানিয়েছে, লবণ খেলে এমন নয় যে ওজন অনেকটা বেড়ে যাবে। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় যারা ভোগেন, তাদেরও প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে লবণ খেতে হবে। নতুবা দেখা দেবে অন্য শারীরিক সমস্যা।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন ঠিক কতটুকু লবণ খেতে পারবেন-

১) একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন এক চা চামচ লবণ খাওয়া উচিত। তবে কাঁচা লবণ না খেয়ে রান্নায় দিয়ে খাওয়াই ভালো। প্যাকেটের গায়ে পড়ে আয়োডিন যুক্ত লবণ কিনুন।

২) লবণের অভাবে শরীরে সোডিয়ামের অভাব হয়। রক্তচাপ কমে যায়, মাথা ঘোরা ছাড়াও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দৈনন্দিন খাবারের তালিকা থেকে লবণ পুরোপুরি বাদ দেওয়া একেবারে বোকামির কাজ হবে।

৩) পাউরুটি, চিপস, সস, চিজসহ নানা ধরনের খাবারে লবণ থাকে। এগুলো খাওয়ার সময় লবণের পরিমাণ লক্ষ্য রাখতে হবে।

৪) জিম করলে বা কিডনির সমস্যা থাকলে ডায়াটেশিয়ানের পরামর্শ মতো খাবারে লবণের পরিমাণ ঠিক করুন।


আরও খবর



দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক" দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে উন্নয়ন, প্রযুক্তি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং বিশ্ব দরবারে যেন তারা মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেইভাবে আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয় এবং বাস্তবায়ন শুরু করে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতগুলো উন্মুক্ত করে দেই। সরকার জনগণের সেবক; সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরটি উদ্বোধন করে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘এটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং আমাদের তিন বাহিনী সম্পর্কে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। সম্যক জ্ঞান পাবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মধ্যে একটি প্রেরণা আসবে। তারা তৃপ্ত হবেন।’

সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন,‘স্বাধীনতার পরে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলেন। সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছেন। যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত দেশকে তিনি শূন্য থেকে দাঁড়িয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়ন ও তারা যাতে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন তার জন্য বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। একই সঙ্গে আমার মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম এটা সত্য কিন্তু বাংলাদেশ কী হারিয়েছিল? একের পর এক ক্যু হয়েছে। শত শত সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের খোঁজও পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলে অত্যাচার নির্যাতন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল তার থেকে বিচ্যুত হয়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায় যা কখনো হওয়ার কথা নয়।’

বারবার নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে কেবল দেশের উন্নয়ন নয় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইশতিহারের ঘোষণা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘরের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে-স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই সঙ্গে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী-দেশের মানুষ যেন সে সম্পর্কে জানতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে, আমাদের সামরিক বাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী কী কাজ করে, কিভাবে চলে বা অতীতে তারা কী করেছে সে বিষয়ে মানুষকে জানানো একান্তভাবে দরকার। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা, একই সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে-সে সম্পর্কে জানা দরকার।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে সামরিক জাদুঘরটি আমরা দেখছি-এটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল খুব ক্ষুদ্র পরিসরে। বিজয় সরণির পাশের জায়গাটিতে এটি প্রস্তুত করা হয়। আমার খুব আকাঙ্খা ছিল-এটিকে খুব আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। তারই পাশে আরেকটি জায়গায় আমি প্রথমবার যখন সরকারে আসি, প্লানেটোরিয়াম করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো কাজ আমি প্রথমবার যখন করতে গেছি, প্রতিটি ব্যাপারেই কিন্তু পরবর্তী সরকার এসে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। প্লানেটোরিয়াম যখন আমি করলাম এর জন্য আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা দেওয়া হয়েছিল। কেন দেওয়া হয়-আমি ঠিক জানি না। আমরা যখন প্লানেটোরিয়াম করেছি, তখনই সমস্ত ইউটিলিটি যেন সামরিক জাদুঘর এবং প্লানেটোরিয়াম-উভয়েই শেয়ার করতে পারে সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে সরকার প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় বিদেশে যখন আমরা যাই বা কোনো সরকার প্রধান যখন আমাদের দেশে বেড়াতে আসে তখন যে উপহার দেয়-সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখা ও মানুষের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থাও করি। আমাদের যে তোষাখানা জাদুঘর আছে বঙ্গভবনে, সেখানে স্টোর রুমের মতো জিনিসপত্রগুলো রাখা। কিন্তু সেগুলো মানুষের সামনে প্রদর্শন করবার ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। এজন্য এই জায়গায় আমরা তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণ করি। এবং এটা সামরিক বাহিনীর হাতেই দিয়েছিলাম, একটা কমিটিও আমরা করে দেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই সঙ্গে সামরিক জাদুঘরটাকেও অত্যন্ত আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং এটা যেন দৃষ্টিনন্দন হয়-সারা বিশ্বের যত সামরিক জাদুঘর হয়েছে, তারমধ্যে যেন শ্রেষ্ঠ জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় সেটাই আমার আকঙ্খা ছিল। আমি এই জাদুঘরটি এখনো সরেজমিনে দেখিনি, প্রাথমিক পর্যায়ে যখন কাজ শুরু হয় তখন কিছুটা দেখেছি, যখন যতটুকু ডেভেলপ হয়েছে আমি ছবিতে দেখেছি, এবং যখন যেটা নির্দেশনা দেওয়ার আমি দিয়েছি, কিন্তু যতটুকু এখন দেখলাম—আমি মনে করি, এটা হবে সর্বশ্রেষ্ঠ, সুন্দর, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি সামরিক জাদুঘর। কাজেই সেভাবে এটি তৈরি হোক সেটাই আমি চাই।’

তিনি বলেন, ‘জাদুঘর শুধু প্রদর্শনীর জন্য না, এটা দেখে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে তারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যোগদান করতে আগ্রহী হবে, এগিয়ে আসবে।’


আরও খবর



ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের মাদক-সন্ত্রাস অপরাধ নির্মূলে কঠোর ভূমিকায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের মাদক-সন্ত্রাস অপরাধ নির্মূলে কঠোর ভূমিকায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

প্রকাশিত:Wednesday ১৯ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৪১জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ 

ডিএমপির ডেমরা থানায় গত ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন খন্দকার নাসির উদ্দিন।গত ১ বছর ১ মাসের কর্মময় সময়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় ভুমিকা রেখে চলেছেন।মাত্র কয়েক মাসে তার নানাবিধ কর্মকাণ্ড মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।মাদক,চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসবাদ, ডাকাতিসহ অপরাধ মুলক কর্মকান্ড বন্ধ করে নিরাপদ একটি এলাকা উপহার দেবার লক্ষ্য নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন ইন্সপেক্টর খন্দকার নাসির উদ্দিন।ডেমরা থানার বিভিন্ন মহল্লা,ওয়ার্ড থেকে শুরু করে প্রতিটি স্থানেই পুলিশি তৎপরতা জোরদার করায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দিনমজুর,শিক্ষক,শ্রমিক,রাজনৈতিক ব্যাক্তি থেকে শুরু করে সর্ব মহল সন্তষ্টি প্রকাশ করেছে।


স্থানীয বেশকিছু লোকজনের সাথে আলাপকালে তারা জানায়,ডেমরা থানায় ওসি হিসেবে খন্দকার নাসির উদ্দিন যোগদান করার পর থেকে এক কথায় বলতে পারি এখন আমরা রাতের আধারে নির্ভয়ে ঘরের দরজা খুলেও ঘুমাতে পারি,চুরি ডাকাতি,সন্ত্রাসী কর্মকান্ড,বন্ধ হয়েছে বলা চলে"।তারা আশাবাদ ব্যাক্ত করে বলেন"তার মত চৌকষ পুলিশ অফিসার দীর্ঘ বছর ডেমরা থানায় কর্মরত থেকে আমাদের সেবা করুক এটাই সকলের প্রত্যাশা।ডেমরা থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ খন্দকার নাসির উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি সংবাদ কর্মীদের বলেন"আমি গত ২৭/১২/২০২০ সালে ডেমরা থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেছি,বিগত ২০২১ সালের পহেলা জানুয়ারী থেকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বমোট ৬২৫ টি মামলা রুজ্জু হয়,তার মধ্যে ৩১০ টি মাদকের মামলায়৬৭৩২ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট,৩৮কেজি ৬০৩ গ্রাম গাঁজা,১১৩০ গ্রাম হেরোইন,৬১ বোতল ফেন্সিডিল,৬৪ ক্যান বিয়ার,৪ লিটার চোলাই মদ,১টি পিস্তল ০২ রাউন্ড গুলি এবং পরিত্যাক্ত অবস্থায় ৯৭৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।তাছারাও নারী ও শিশু অপহরন মামলায় ১৫ জন ভিকটিম উদ্ধার করতে সক্ষম হই"।


ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন আরো বলেন"আমি যতদিন এ থানায় থাকব চেষ্টা করব আমার দ্বারা কোন জনসাধারন যেন কষ্ট না পায়,আমার অধীনস্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়েই আমি জনসাধারনকে নিয়মিত আইনী সেবা যথাযতভাবে দিয়ে যাব,জনসাধারনের কাছে আমার ব্যাবহৃত মোবাইল ফোনের নম্বর দেয়া আছে এবং আমার ব্যাবহৃত মোবাইলটি ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে,যখনি কোন নাগরিক সমস্যায় পড়ে আমার কাছে ফোন করে আমি চেষ্টা করি দ্রুত সমস্যা সমাধানের,আমার কাছে রাতদিন ২৪ ঘন্টাই সমান"।



আরও খবর



তানোরে নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালনে জনতার ঢল

প্রকাশিত:Tuesday ১১ January ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৪ January ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image
তানোর প্রতিনিধি 
রাজশাহীর তানোরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতার স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংগালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উৎযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে  সোমবার বিকেলের দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে পরিষদ চেয়ারম্যান ময়নার বাস ভবন থেকে  আনন্দ র্যালি বের হয়ে  পরিষদ চত্বরে  বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা জানিয়ে থানা মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য শরিফ খানের সভাপতিত্বে এবং তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহাব হোসেন লালু, দপ্তর সম্পাদক শিক্ষক জিল্লুর রহমান , মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জুল হক খান, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সাজেমান আলী,চান্দুড়িয়া ইউপির চেয়ারম্যান ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান, বাধাইড় ইউপির চেয়ারম্যান ইউপি আওয়ামী লীগ সম্পাদক আতাউর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, যুবলীগ নেতা বদিউজ্জামাল নয়ন প্রমুখ।  অথিতি হিসেবে   ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা অবশর প্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক,  উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সোনিয়া  সরদার মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আমির হোসেন আমিন  আমির হোসেন আমিন,উপজেলা  নির্বাহী সদস্য ও সরনজাই ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবু সাঈদ সরকার, কলমা ইউপির সভাপতি ল ইসলা ইসলাম স্বপন,সহসভাপতি আতাউর রহমান, কলমা ইউপি আওয়ামী নেতা আলাউদ্দিন, লুৎফর রহমান, কলমা ইউপি ছাত্র লীগের সভাপতি মুর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ, রামিল হাসান সুইট ও মাহাবুর রহমান মাহাম,ভুট্ট, মমিন, প্রমুখ।কলমা ইউপির সদস্য নাজিমুদ্দি ঘোড়া আলা ছয়টির মত ঘোড়া র্যালিতে এনে চমক দেখান।এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী  সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। পথসভায় 
জনসভায় রুপ নেয়।শেষে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। 

আরও খবর



আইভীর জন্য মাঠে আ.লীগ ‘ভিন্ন কৌশলে’ তৈমূর

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৩৭জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন সাতজন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং স্বতন্ত্র তৈমূর আলম খন্দকারের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে- বলছেন স্থানীয়রা। মাঠেও এ দুই প্রার্থীকে সমানতালে প্রচারে দেখা যাচ্ছে। এ দুই হেভিওয়েট প্রার্থীকে নিয়ে সিটিতে চলছে এখন আলাপ-আলোচনা। আগামীতে কে হচ্ছেন এই সিটির মেয়র, তারই অপেক্ষায় রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের প্রায় সোয়া পাঁচ লাখ ভোটার।

নৌকার প্রার্থী ডা. আইভীকে জেতাতে মাঠে নেমেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। তারা বিভিন্ন সময় নারায়ণগঞ্জে এসে সভাসমাবেশও করছেন। তাদের নির্দেশনায় নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ কাজ করছেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী তৈমূর আলমের প্রচার চলছে ভিন্ন কৌশলে। তার পাশে নেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। উপরন্তু একের পর এক দলীয় পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে তাকে। নির্বাচনী প্রচারে দেখা যাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির শীর্ষ কোনো নেতাকেও। রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যেহেতু বিএনপি বলছে- এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে তারা কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। তাই ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তৈমূর আলমকে সুযোগ করে দিয়েছেন তারা।

ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে সবচেয়ে বড় সমাবেশটি হয়েছিল ২৪ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের শেখ রাসেল পার্কে। বিজয় সমাবেশের ব্যানারে ওই সমাবেশটি হলেও অনেকেই বলছেন- এটি আইভীর নির্বাচনী সমাবেশ। বিশাল ওই জনসমাবেশে ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। তবে ছিলেন না নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান। এর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বেশ কয়েকটি সভা করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এ ছাড়া যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দও নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন সময় আইভীর নির্বাচন ঘিরে সমাবেশ করেছে। সর্বশেষ কর্মী-সমাবেশ হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জে গত বুধবার।

এদিকে তৈমূরকে একের পর এক দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ৩ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সবশেষ গত বুধবার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যপদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফোরামের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাহবুব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কেন একের পর এক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে, তা জানতে গতকাল তৈমূর আলমকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

গতকাল সিদ্ধিরগঞ্জ এবং বন্দরে প্রচার চালান আইভী ও তৈমূর। আইভী প্রচার চালান সিদ্ধিরগঞ্জের ১০নং ওয়ার্ডে এবং বন্দরের ২৫নং ওয়ার্ডে। অন্য তৈমূর সিদ্ধিরগঞ্জের ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে প্রচার চালান। ডা. আইভী তার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য সুযোগ চান। পক্ষান্তরে তৈমূর আলম বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান।


আরও খবর



বাংলাদেশ স্কাউটস ঢাকা মেট্রোপলিটন যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জিয়াউদ্দিন জিয়া

বাংলাদেশ স্কাউটস ঢাকা মেট্রোপলিটন যাত্রাবাড়ী থানার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জিয়াউদ্দিন জিয়া

প্রকাশিত:Monday ১০ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image


সোহরাওয়ার্দীঃ

বাংলাদেশ স্কাউটস ঢাকা মেট্রোপলিটনের থানাভিত্তিক কাউন্সিলে যাত্রাবাড়ী থানা থেকে এস.এম.জিয়াউদ্দিন জিয়া সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।


যাত্রাবাড়ী থানা আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ইউনিট লিডারগণের উপস্থিতিতে নির্বাচন পক্রিয়ার মাধ্যমে জিয়া উদ্দিন (জিয়া) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।ইমপিসা ওপেন স্কাউট গ্রুপের গ্রুপ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত দ্বায়িত্ব পালন করছেন এস.এম.জিয়াউদ্দিন জিয়া।


ইমপিসা ওপেন স্কাউট গ্রুপ গত লকডাউনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করা, চলাচল করা এবং মাস্ক সঠিকভাবে পরিধান করার বিষয়ে ধলপুর বাজার, মানিকনগর বাজার, গোপীবাগ বাজার ও বিভিন্ন স্থানে  নানা কর্মসুচী পালন করেছে।


এছারাও করোনা দুর্যোগে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।ভোট ও সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ইউনিট লিডারগণের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন এস.এম.জিয়াউদ্দিন জিয়া।


আরও খবর