Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা নাসিরনগরে মুক্তিযোদ্বাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ জুরাইনে পাশের বাড়ির উপড় ধসে পড়েছে সেই ঝুকিপুর্ন ভবনটি

কয়রায় বারি-৩ সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলন হয়েছে

প্রকাশিত:Friday ০৪ March ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২১৭জন দেখেছেন
Image

খুলনা প্রতিনিধিঃ

খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় প্রথমবারের মতো নতুন জাতের বারি-৩ সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে সঙ্গে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখেও। সূর্যমুখীর চাষ করে সফল হয়েছে কৃষি বিভাগ। সবুজের মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর মায়াবী হাসি আর এটি চাষে লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলায় সূর্যমুখী চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরেজমিন গবেষণা বিভাগের সহযোগিতায় ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছিলেন চাষীরা। ফুল দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে লোক আসছে।তারা আশা করছেন, সূর্যমুখী চাষে লাভবান হবেন। ’


তিন নম্বর কয়রার কৃষক রবীন্দ্রনাথ ঢালীর স্ত্রী তৃষ্ণা ঢালী বলেন, ‘সূর্যমুখী ফুল খুব সুন্দর হয়েছে। বড় বড় ফুল ফুটেছে। প্রতিদিন যা দেখতে মানুষ আসছে। ’

বৈজ্ঞানিক সহকারী জাহিদ হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের সহযোগিতায় কয়রার তিন নম্বর কয়রা, ২ নম্বর কয়রা ও আমাদী এলাকার সাতজন কৃষকের ৭ বিঘা জমিতে প্রথমবারের মতো বারি-৩ সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। জাতটি পাতা ঝলসানো ও ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধী। এটি বিনা চাষে রোপন করা হয় ডিবলিংপদ্ধতিতে। কয়রার কৃষকরা প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করে সফল হয়েছেন। ’খুলনার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুনর রশিদ বলেন, ‘প্রথমবারের মতো কয়রায় বারি সূর্যমুখী-৩ চাষ করা হয়েছে। বাম্পার ফলনও হয়েছে। এতে কৃষকরাও বেজায় খুশি। ’


তিনি বলেন, ‘বারি সূর্যমুখী-৩ বীজ বপন করা হয় মধ্য নভেম্বর-মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত। গাছের উচ্চতা ৭৫-৮০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। ১০০০ বীজের ওজন ৬৫-৮৭ গ্রাম হয়। প্রতি মাথায় বীজের সংখ্যা ৪১০-৮২৯টি। বীজে তেলের পরিমাণ শতকরা ৩৮-৪০ শতাংশ। সূর্যমুখী গাছের জীবনকাল ৯০-১০৫ দিন। শতকরা ৮০-৯০ শতাংশ বীজ পরিপক্ক হলে ফসল কাটার উপযুক্ত সময় হয়ে যায়। প্রতি হেক্টরে ১২-১৫ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়। সূর্যমুখী সারিতে বপন করতে হয়। সারিতে বপন করলে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সেন্টিমিটার এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার রাখতে হয়।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে  জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের তৈলবীজ কেন্দ্র থেকে ২০১৯ সালের প্রথম দিকে উন্নত জাতের বারি-৩ নামের এ সূর্যমুখী ফুলের জাতটি অবমুক্ত করা হয়। এরপর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা তাদের তত্ত্বাবধানে জাতটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। মানবদেহের জন্য উপকারী লিনোলিক এসিড সমৃদ্ধ, হৃদরোগ ও ক্যানসার প্রতিষেধক, নারীদের বন্ধ্যত্ব দূরীকরণ ছাড়াও ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য অধিক উপকারী বারি সূর্যমুখী-৩। বিজ্ঞানীদের মতে, খাটো জাতের রোগ প্রতিষেধক গুণসম্পন্ন সূর্যমুখীর জাতটি কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারলে দেশে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ভোজ্যতেল উৎপাদনে ব্যাপক সহায়ক হবে। 



আরও খবর



হজের সময় বাংলাদেশের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের হজ পালনের পাশাপাশি দেশের মর্যাদা রক্ষা ও জনগণের কল্যাণে দোয়া করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৩ জুন) আশকোনা হজ ক্যাম্পে এ বছরের হজ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে তিনি এ পরামর্শ দেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের আইন এবং হজের সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। হজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।

হজযাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের হজ ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করার চেষ্টা ছিল এবং আমরা সেটা করতে পেরেছি। আজ আপনারা হজে যাচ্ছেন। এটা দেখে ভালো লাগছে। আপনারা আল্লাহর মেহমান।

এসময় দেশের জন্য হাজীদের দোয়া চেয়ে সরকারপ্রধান বলেন, যারা হজ করতে যাচ্ছেন তারা যেন ইবাদত-বন্দেগি করতে পারেন সে ব্যবস্থা আমরা করতে পেরেছি। আপনারা আমাদের দেশের জনগণের জন্য দোয়া করবেন। এই করোনাভাইরাসে যেন কেউ আক্রান্ত না হন, সে দোয়া করবেন।

এসময় বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, হজ অ্যাসাসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি, সৌদি প্রতিনিধিসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পাহাড়ধসের আতংকে মিরসরাইয়ের ২০ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২২ June 20২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ঝুঁকিতে রয়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করা মানুষ। টানা বৃষ্টির ফলে পাহাড়ধসের আতংকে রয়েছেন অন্তত ২০ হাজার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের সামনের খিল, নলকূপ-আশ্রয়ণ কেন্দ্র, কালাপানিয়া, কয়লা, ঝিলতলী পাহাড়ে বাঙালি ও ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রায় এক হাজার ৫০০ পরিবার বসবাস করে। হিঙ্গুলী ইউনিয়নে ৮০ পরিবার, দূর্গাপুর ইউনিয়নে ২০০ পরিবার, সংশটিলায় ৫০ পরিবার, রব্বাইন্নাটিলা এলাকায় ৫০টি পরিবার বসবাস করে। মিরসরাই সদর ইউনিয়নের উত্তর তালবাড়িয়া, মধ্যম তালবাড়িয়া গ্রামের পাহাড়ে ৫০০ পরিবার, খৈয়াছড়া ইউনিয়নে ৮০ পরিবার, কাঁঠালবাগান এলাকায় ৪০ পরিবার, রেলস্টেশন এলাকায় ৮০ পরিবার বাঙালি বসবাস করে। এছাড়া নিজতালুক এলাকায় প্রায় ৬০০ ত্রিপুরা পরিবার, ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে ২০০ পরিবার, বাওয়াছড়া সেচ প্রকল্প এলাকায় ১০০ পরিবার, হাদি ফকিরহাট এলাকায় ৮০ পরিবার বসবাস করে।

মিরসরাই সদর ইউনিয়নের তালবাড়িয়া গ্রামের ছোটন ত্রিপুরা (৪০) বলেন, ছোট বেলা থেকে আমরা এখানে বসবাস করে আসছি। আগে পাহাড়ে বসবাসকারী কম থাকলেও এখন তা বেড়ে গেছে। কেননা বড় পরিবারগুলো আস্তে আস্তে ভেঙে যাচ্ছে। আমাদের নিজস্ব কোনো ভূমি নেই। সরকারি জায়গায় থাকি। বাঁচলেও এখানে থাকবো মরলেও এখানে মরবো।

jagonews24

রবার্ট ত্রিপুরা নামের আরেকজন বলেন, পাহাড়ের চূড়ায় ভাঙা ঘরে ছেলে মেয়ে নিয়ে বসবাস করছি। বর্ষাকালে ডরে ডরে (ভয়ে ভয়ে) থাকি কখন পাহাড়ধসে পড়ে। সারারাত জেগে থাকি। বর্ষাকালে মেম্বার-চেয়ারম্যানরা আমাদের সরে যেতে বললেও কোনো স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করেন না।

মিরসরাই সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলম দিদার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় থেকে সরে যেতে পাহাড়ের অধিবাসীদের সর্তকতা করা হয়েছে। তাছাড়া উত্তর ও মধ্য তালবাড়ীয়া এলাকায় বসবাসকারীরা পাহাড়ের উঁচুতে থাকেন। ফলে তারা কিছুটা ঝুঁকিমুক্ত।

ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কবির ফিরোজ বলেন, ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বড়দারোগারহাট থেকে নয়দুয়ার পর্যন্ত প্রায় ২৫০ পরিবার বসবাস করে। যাদের অধিকাংশ বাঙালি। যাদের নিজস্ব কোনো জায়গা নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুর রহমান বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা জানিয়েছেন পাহাড়ে বসবাসকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তারপরও কোনো পাহাড়ে লোকজন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন কী না খতিয়ে দেখা হবে।


আরও খবর



চাকরির সুযোগ দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপে ‘এজিএম/ডিজিএম (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বসুন্ধরা গ্রুপ
বিভাগের নাম: ফ্যাক্টরি

পদের নাম: এজিএম/ডিজিএম (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএ/এমবিএ (এইচআরএম)
অভিজ্ঞতা: ০৮-১০ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ১৫ বছর
কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি হারানোর ভয় নেই কর্মীদের

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ব্যবসা কমে যাওয়ায় সংকটে পড়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান। এসময় খরচ বাঁচাতে কর্মী ছাটাই করতে হয়েছে অনেককে। মহামারিকালে প্রতি মুহূর্তেই আতঙ্ক কাজ করেছে কর্মীদের মধ্যে, এই বুঝি চাকরি হারাতে হয়! এর মধ্যেই ব্যতিক্রম করাচির একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে একটি রেস্টুরেন্ট। চালু হওয়ার পর থেকে আজপর্যন্ত সেখানে কেউ চাকরি হারাননি, যেকোনো সময় চাকরি হারানোরও ভয় নেই কারও।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভির খবরে জানা যায়, বুলেভার্দ১৩ নামে ওই রেস্টুরেন্টটির প্রতিষ্ঠাতা ডা. সৈয়দ দানিয়াল জিলানি। পেশায় চিকিৎসক হলেও অভাবিদের একটি নিশ্চিত রোজগারের উৎস করে দিতে মরামারির সময় রেস্টুরেন্টটি চালু করেন তিনি।

জিও ডিজিটালের সঙ্গে আলাপকালে ডা. জিলানি জানান, রেস্টুরেন্ট থেকে মুনাফা করা তার উদ্দেশ্য নয়। করোনজনিত লকডাউনের মধ্যে অর্থনৈতিক সংকটে পড়া লোকদের সাহায্য করার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি।

জিলানি বলেন, চিকিৎসক হলেও করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো থেকে আমি নিজেকে আটকাতে পারিনি। আমি সবসময় রোগীর জায়গায় নিজেকে রেখে চিন্তা করি। সেজন্য অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটের মধ্যে মানুষকে আত্মহত্যা করতে দেখে আমাকে পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল।

তিনি বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে আমি এই জায়গাটি ভাড়া নেই এবং একটি রেস্টুরেন্ট চালু করি। রেস্টুরেন্টের নাম বুলেভার্দ১৩ কেন রাখলেন জানতে চাইলে এর মালিক জানান, বুলেভার্দ বা প্রশস্ত রাস্তা নামটি ওই জায়গার সঙ্গে খাটে। আর ১৩ সংখ্যাটি যোগ করা হয়েছে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর সম্মানে। কারণ ইংরেজিতে বর্ণমালার ১৩তম অক্ষর ‘এম’।

ডা. জিলানি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে ১৪ জন কর্মী রয়েছেন। তিনি তাদের চাকরির নিশ্চয়তা দিতে চেয়েছিলেন, যেন তরুণ বয়সে প্রয়োজনীয় সব ধরনের খরচ তারা জোগাড় করতে পারেন। এসময় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেন করাচির এই চিকিৎসক।


আরও খবর



চট্টগ্রাম কাস্টমসে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা-২০২০ এর যথাযথ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে কর্মবিরতি পালন করছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।

কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করে কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে সারাদেশের শুল্ক স্টেশনগুলোতে কর্মবিরতি পালিত হচ্ছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের উত্থাপিত দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে, শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা-২০২০ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা, এইচএস কোড ও সিপিসি ভুলের কারণে জরিমানা আরোপ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ ও বিধিবিধান বাতিল করা, লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর ধারা ২০৯ মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ না করে এবং সিএন্ডএফ এজেন্টদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ বা শুনানি প্রদানের সুযোগ না দিয়েই এআইএন লক করা বা লাইসেন্সিং সাময়িক বাতিল করা, কোনো দোষ প্রমাণিত না হলেও জরিমানা আরোপের মতো কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ব্যবসায়ীদের স্বার্থবিরোধী বিধি-উপবিধি বাতিলের দাবি জানানো হয়।

কাস্টমস হাউস খোলা থাকা পর্যন্ত এ কর্মবিরতি চলবে বলে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু।

তিনি বলেন, সারাদেশের সব শুল্ক ভবন ও স্টেশনে আজ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছি আমরা। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের প্রধান ফটকে আমাদের অবস্থান চলছে। আমরা আজ বিল অ্যান্ট্রি দাখিল, শুল্কায়ন, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার জমাসহ সব কাজ বন্ধ রেখেছি।

গত ১৮ মে সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স রুলের অপব্যাখ্যা করে প্রায় দুই শতাধিক লাইসেন্স নবায়ন না করার অভিযোগ এনে চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করে চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। পরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।


আরও খবর