Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে খুশী নতুন কৃষক

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৮৩জন দেখেছেন

Image
হাবিবুর রহমান ,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ায় গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শে ক্ষতিকর তামাক চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে আগামজাতের গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে অধিক লাভ হওয়ায় এখানকার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি খরিপ-১ মৌসুমে কুষ্টিয়ায় সূর্যডিম, ব্ল্যাকবেরী ও গোল্ডেন ক্লাউনসহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন রংয়ের গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ হয়েছে। এরমধ্যে দৌলতপুরে চাষ হয়েছে ২ হেক্টর জমিতে। এতে বেশ সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা। মাত্র দুইমাস সময়কালীন লাভজনক ফল তরমুজ চাষে প্রতি বিঘা জমিতে কৃষকদের খরচ হয়েছে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা। আর তা থেকে কৃষকদের আয় হচ্ছে প্রতি বিঘায় ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। জিয়ারুল ইসলাম নামে এক যুবক বিদেশ থেকে দেশে ফিরে বেকার বসে না থেকে তরমুজ চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। একই অবস্থা সান্টু আলী নামে অপর এক কৃষকের। দৌলতপুরের গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষী জিয়ারুল ইসলাম ও সান্টু আলী জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবছর গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছেন এবং আগামীতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ আরো বাড়াবেন বলে জানান তারা। গ্রীষ্মকালীন রঙিন সুস্বাদু ও রসালো ফল হওয়ায় অনেকে ক্ষেত থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে টাটকা তরমুজ ক্রয় করতে ছুটে যাচ্ছেন ক্ষেতে। আবার তাদের দেখে তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকে। বাড়ির আঙিনায় বা পতিত জমি ফেলে না রেখে স্বল্পকালীন সময়ের লাভজনক ও অর্থকরী ফল তরমুজ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওবায়দুল্লাহ। দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম জানান, গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন রংয়ের তরমুজ চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় অনেক কৃষক তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। সেক্ষেত্রে কৃষি বিভাগও তাদের সার্বিক সহযোগিতা ও কারিগরি পরামর্শ দিচ্ছেন।

আরও খবর



ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সহজ হয়, উদ্যোক্তারা যাতে উৎসাহ পায়, আমরা সর্বদা সেই কাজই করছি,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আমাদের সরকার ব্যবসায় নানা প্রণোদনা প্রদান করে আসছে।

‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি’ প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আজ (১৪ জুলাই) এই রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাণিজ্যের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে সফল রপ্তানিকারকদের আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনা করে আমরা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নে রপ্তানি বাণিজ্যের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা বিশ্ববাজারে দেশীয় উৎপাদিত মানসম্পন্ন পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। বিশ্ব অর্থনীতির এ কঠিন সময়েও পণ্য ও সেবাখাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে ৬৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয়েছে।

২০২৭ সালে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ১১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার এবং রপ্তানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পণ্য রপ্তানির পাশাপাশি সেবা খাতের সম্প্রসারণ ও রপ্তানিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন, পণ্য খাতের মতো সেবা খাতেও আমরা সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান কার্যক্রম দেশের রপ্তানিকারকদের উৎসাহ প্রদানসহ রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রদত্ত এ ধরনের স্বীকৃতি দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে রপ্তানির চলমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করবে বলে তিনি দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২১-২২ প্রদান অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্ত দিয়ে ভারত থে‌কে ১০-১২ জন পুশ ইন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

মে‌হেরপুর প্রতিনিধি:মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্ত দিয়ে ভারত থে‌কে ১০ জন পুশ ইন  হ‌য়ে‌ছে।ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ তা‌দের‌কে বৃস্পতিবার ভোরের দিকে পা‌ঠি‌য়ে দেয়।  পুশ ইন হ‌য়ে আসা লোকজন তাদের নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরে গেছে। তা‌দের বা‌ড়ি য‌শোর, সাতক্ষীরাসহ বি‌ভিন্ন জেলায়। 

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ভোর চারটার দিকে নাজিরাকোনা সীমান্তের কাটাতারের গেট খুলে দেয় বিএসএফ। এসময় ১০ জন ভারত থেকে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। পায়ে হেঁটে তারা নাজিরাকোনা গ্রামের ভেতরে গিয়ে ভ্যানযোগে মুজিবনগর উপজেলা শহর কেদারগঞ্জে পৌঁছায় ভোরের দিকে। সেখানে স্থানীয় সাংবাদিকরা তাদের গন্তব্যে ফেরার ভিডিও ধারণ করেন। 

পুশ ইন হয়ে আসা কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তারা সকলেই দরিদ্র। কাজের খোঁজে অনেক আগে তারা ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে শ্রমিকের কাজ করার এক পর্যায়ে তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হয়। বেশ কিছুদিন হাজতবাসের পর গেল রাতে তাদেরকে আনা হয় নাজিরাকোনা সীমান্তে। সেখানে তাদের আঙ্গুলের ছাপ নেয় বিএসএফ সদস্যরা। এক পর্যায়ে কাটাতারের গেট খুলে তাদেরকে বাংলাদেশের ভেতরে পাঠিয়ে দেয়। 

মুজিবনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজ্জল দত্ত জানান, পুশব্যাকের বিষয়টি পুলিশের কাছে কোন তথ্য নেই। বিজিবির কাছে কোন তথ্য আছে কি না তাও জানা নেই। 

তবে পুশব্যাকের বিষয়ে জানতে চেয়ে বিজিবি মুজিবনগর নাজিরাকোনা বিও‌পি কমান্ডার  বলেন, পুশব্যাকের কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



নেচার ফটো কনটেস্ট ২০২৪ শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে জ্যামিতিক হারে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরিবেশ বিপর্যয়। দেশকে এই বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে চাইলে দরকার প্রচুর পরিমানে বৃক্ষরোপন। এই লক্ষ্যে উদ্ভুদ্ধ হয়ে ‘মিশন গ্রিন বাংলাদেশ’ এবং ভ্রমণ ও পরিবেশ বিষয়ক জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ‘গো উইথ আশরাফুল আলম’ আয়োজন করেছে নেচার ফটো কনটেস্ট ২০২৪।

গাছ লাগানোর সময়ে একটি ফটো তুলে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে #MissionGreenBangladesh এবং #GowithAshrafulAlam হ্যাশট্যাগ লিখে পোস্ট করলেই দশজন পাবেন শ্রীমঙ্গলে দিনব্যাপী নেচার ট্রিপ ও ৫০ জন পাবেন আকর্ষনীয় পোলো শার্ট। গাছ লাগানো এবং প্রতিযোগিতার বিষয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে মিশন গ্রিন বাংলাদেশের আহ্বায়ক আহসান রনি জানান, গাছ ঘরে (ইন্ডোর), বারান্দা, ছাদ, বাড়ির বাহিরে কিংবা যেকোন যায়গায় গাছ লাগানো যাবে।

তিনি আরও বলেন প্রতিটি পোস্টে ১ টি ফটো দেয়া যাবে। তবে অনেকগুলো গাছ লাগানো হলে গাছপ্রতি আলাদা আলাদা পোস্ট দেয়া যাবে। কমেন্ট ও রিয়েক্টের ভিত্তিতে সেরা বিজয়ী নির্বাচন করা হবে।

ইচ্ছামত বন্ধুদের ট্যাগ/ম্যানশন করা যাবে এবং সেটাও কমেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।গো উইথ আশরাফুল আলম প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম বলেন ‘বৃক্ষরোপনের অনেক উপকারিতা আছে এবং এইজন্যই বিপন্ন পরিবেশকে ঠিক করতেই আমরা এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। মূলত এই ধরনের ছোট ছোট কাজ আমাদের নিজেদেরই জন্যই করা উচিৎ কেননা আমরা প্রকৃতি থেকে যে বিপুল পরিমান অক্সিজেন নেই সেটা কিন্তু বিনামূলতে নিয়ে থাকি। বেঁচে থাকার দায় মেটানোর জন্য হলেও আমাদের নিজেদের অক্সিজেনের যোগান নিজেদেরই দেয়া উচিৎ’।

প্রসঙ্গত, একটি গাছ গড়ে পঞ্চাশ বছরে যে উপাদান ও সেবা দিয়ে থাকে তার আর্থিকমূল্য বিবেচনা করলে গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় চল্লিশ লাখ টাকার অংকে। একটি গাছ এক বছরে দশটি এসি’র সমপরিমাণ শীতলতা দেয়, ৭৫০ গ্যালন বৃষ্টির পানি শোষণ করে, ৬০ পাউন্ড ক্ষতিকর গ্যাস বাতাস থেকে শুষে নেয়। এক হেক্টর সবুজ ভূমির উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় নয়শ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে এবং ৬৫০ কেজি বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়। এছাড়াও বৃক্ষরাজি আবহাওয়ার তাপমাত্রা হ্রাস করে, বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ায় ও ভূমিক্ষয় রোধ করে। তাই পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর গো উইথ আশরাফুল আলম অংশগ্রহনেরর শেষ সময় ৩১ জুলাই, ২০২৪ রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



মিউজ ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডে প্লাটিনাম জিতলো টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে মিউজ ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড। এই সমাদৃত ইভেন্টে পুরস্কৃত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো। এই ব্র্যান্ডের ক্যামন ৩০ সিরিজ বিচারকদের দ্বারা প্রশংসিত হওয়ার পাশাপাশি অর্জন করেছে প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড। টেক আর্ট লেদার এডিশনের জন্য টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজকে টেলিকমিউনিকেশন ক্যাটাগরিতে এই সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

স্মার্টফোন ডিজাইনে নতুনত্ব ও নান্দনিকতার সম্মিলন ঘটাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে টেকনো। বিশেষ করে, ডিজাইনে প্রকৃতি এবং নৈসর্গিক সৌন্দর্যের উপাদান একীভূত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে এই ব্র্যান্ড। নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রতিফলন এই পুরস্কার। টেক আর্ট লেদার এডিশনে আছে ইন্ডাস্ট্রি-ফার্স্ট টেক-আর্ট সোয়েড ব্যাক ডিজাইন, যা এই ফোনকে করে তুলেছে আরও মোহনীয় ও স্টাইলিশ। ফ্যাশন সচেতন ব্যবহারকারীদের জন্য দুর্দান্ত একটি ফোন টেক আর্ট লেদার এডিশন। প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে ৮,৫০০টিরও বেশি এন্ট্রি জমা দেওয়া হয়। অসংখ্য এন্ট্রি থেকে বিচারকরা এই বিশেষ এডিশনটি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেন।

টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজের টেক আর্ট লেদার এডিশন আলপাইন উইন্ড (পাহাড়ি বায়ু বা হাওয়া) থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। পেছনের প্যানেলটি অনন্য টেক্সচার সহ উদ্ভাবনী টেক আর্ট লেদার দিয়ে তৈরি, যা নৈসর্গের সৌন্দর্যকে প্রতিফলিত করে। এই ডিভাইস ব্যবহার করার সময় পাওয়া যাবে মনোমুগ্ধকর অনুভূতি। এই ফোনে রয়েছে ক্লাসিক ক্যামেরা ডিজাইন, যা স্মার্টফোন প্রেমীদের মাঝে ফটোগ্রাফির প্রতি আপনার পুরোনো ভালোবাসা জাগিয়ে তুলবে। ক্লাসিক ফ্লেয়ারের মিশ্রন সহ আধুনিকতার ছোঁয়া আছে এই স্মার্টফোনে। নিজের স্বকীয় স্টাইলে নতুন মাত্রা যোগ করতে চান এমন ফ্যাশন সচেতন মানুষদের জন্য উপযুক্ত ডিভাইস টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজ।

সম্প্রতি দেশের বাজারে এসেছে টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজ। লঞ্চ হওয়ার পর থেকেই তরুণ ব্যবহারকারীদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই সিরিজ। নাইট পোর্ট্রেট মাস্টার হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত এই সিরিজে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ সহ একটি ৫০ মেগাপিক্সেল ওআইএস ক্যামেরা। অসাধারন ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এই ফোনে আছে বিভিন্ন এআই ফিচার এবং অত্যাধুনিক এআইজিসি পোর্ট্রেট।এছাড়া, এআই ইমেজ প্রসেসর পোলারএইস এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা তুলতে পারবেন দুর্দান্ত এআই পোর্ট্রেট ইমেজ।

উল্লেখ্য, মিউজ ক্রিয়েটিভ এবং ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডস সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত একটি প্রতিযোগিতা। এই ইভেন্টের মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অনন্য ডিজাইন ও নান্দনিক কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই পুরস্কার ডিজাইন নান্দনিকতা এবং উদ্ভাবনের প্রতি টেকনোর অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।


আরও খবর



ডোমারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম (বিপিএএ)’র বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর জেলার ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম (বিপিএএ)’র বিদায় সংবর্ধনা উপলক্ষে বাংলাদেশ স্কাউটস ডোমার উপজেলার পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি সফল করা হয়েছে।

সোমবার (০১ জুলাই) বিকালে মহোদয়ের বাসভবন থেকে সকল স্কাউটস ও নের্তৃবৃন্দ গার্ড অব অনার এর মাধ্যমে অবিভাদন মঞ্চে প্রবেশ করেন। পরে উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়। বাংলাদেশ স্কাউটস ডোমার উপজেলার কমিশনার নাজিরা আখতার ফেরদৌসী চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিদায়ী অতিথিকে উপজেলা স্কাউটস এর লিডারগণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিদায়ী অতিথির উদ্যেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন কমিশনার নাজিরা আখতার ফেরদৌসী চৌধুরী।

শিক্ষক আফরোজা চৌধুরী মিলির সঞ্চালনায় নির্বাহী কর্মকর্তার সহধর্মীনী ডাঃ মহমুদা বিনতে আখতার, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, ডোমার বহুমূখি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম, ডোমার ইসলামিয়া সিনিয়র ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ শামসুদ্দিন হোসাইনী, স্কাউটস দিনাজপুর অঞ্চলের যুগ্ন-সম্পাদক শফিউল ইসলাম, সাবেক সম্পাদক অধ্যাপক আলহাজ¦ করিমুল ইসলাম, গ্রুপ সভাপতি আমিনুল হক বাবু, মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শাহিনুল ইসলাম বাবু, উপজেলা শাখার সম্পাদক হারুন অর রশিদ প্রমুূখ বক্তব্য রাখেন। 

নাজমুল আলম নাটোর জেলায় থাকাকালীন এসডিজি বাস্তবায়নে সফলতার জন্য ২০১৯ সালে জাতীয় পর্যায়ে (বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-বিপিএএ) লাভ করেন এবং ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ০৭-১০ মার্চ ৮ম ডোমার উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী ও স্কাউট সমাবেশ সফল করতে ব্যপক ভুমিকা রাখেন। এ ছাড়াও প্রশাসনিক কর্মদক্ষতা ও সকলের সাথে সু-সর্ম্পক গড়ে তুলে এলাকার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তার পরিবার ও পরিজনের সুস্থতা কামনা এবং দেশ জাতীর মঙ্গল কল্পে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওঃ শামসুদ্দিন হোসাইনী। শেষে শালকী মুক্ত মহাদলের উদ্যোগে শিল্পকলা একাডেমি ভবনে বৃক্ষ রোপন কর্মসুচি পালন করা হয়। 


আরও খবর