Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ক্রসিংয়ে আটকে পড়া মাহিন্দ্রাকে ঠেলে এক কিলোমিটার নিয়ে গেলো ট্রেন

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৭৪জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহ সদরে অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে আটকে যাওয়া মাহিন্দ্রাকে ঠেলে প্রায় ১ কিলোমিটার নিয়ে গেছে ট্রেন। এ ঘটনায় সিদ্দিকুর রহমান (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বিদ্যাগঞ্জ চৌহানিয়া রেলক্রসিংয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, সদরের চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের রাজগঞ্জ এলাকা মুসল্লিদের একটি দল দুটি মাহিন্দ্রা গাড়িতে করে জামালপুর শৈলীকান্দার এক পিরের বাড়িতে জুমার নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। সদর উপজেলার বিদ্যাগঞ্জ চৌহানিয়া রেলক্রসিংয়ে যেতেই মাহিন্দ্রা গাড়িটি রেললাইনে আটকে যায়। এমন সময় ঢাকা থেকে জামালপুরগামী তিস্তা এক্সপ্রেস আসতে দেখে সব যাত্রী নেমে যায়। কিন্তু সিদ্দিকুর রহমান নামতে পারেননি। মাহিন্দ্রা গাড়িটিকে ট্রেন ধাক্কা দিয়ে প্রায় ১ কিলোমিটার নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সিদ্দিকুর রহমান মারা যান।

কুষ্টিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম শামসুল হক জাগো নিউজকে বলেন, সকালের দিকে বিদ্যাগঞ্জ চৌহানিয়া রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মাহিন্দ্রার এক যাত্রী মারা গেছেন।

জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গুলজার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এমন কোনো ঘটনা জানা নেই। বিদ্যাগঞ্জ চৌহানিয়া রেলক্রসিং অনেক দূরে। এ কারণে কোনো খবর খুব সহজে পাওয়া যায় না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



রাতে নিষিদ্ধ হচ্ছে বালি উত্তোলন, আসছে নীতিমালা

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

নদী থেকে বালি উত্তোলন নিয়ে সরকার একটি নীতিমালা করছে। নীতিমালা অনুযায়ী রাতে বালি উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

সোমবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী ভাঙনের সবচেয়ে বড় কারণ বালি উত্তোলন। এই ব্যবসা একটি রমরমা ব্যবসা। এখানে বিনিয়োগ খুবই কম, দেশীয় ছোট ছোট ট্রলার নিয়ে আসে। রাতের অন্ধকারে তারা বালি উঠায়। বালি নদীর মাঝখান থেকে উঠায় না।

তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বালুমহাল আছে, জেলা প্রশাসন এসব বালুমহাল ইজারা দেয়। জেলা প্রশাসনের প্রতি নির্দেশনা আছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে বালুমহাল ঘোষণা করতে হবে। তারা সেখান থেকে বালি উঠাতে পারবে। তবে বালি উঠানো আমরা বন্ধ করতে পারবো না। বন্ধ করলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে, দাম বেড়ে যাবে বালির।

তীর থেকে বালি উঠানোর কারণে বাঁধের ক্ষতি হচ্ছে উল্লেখ করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, আহ্বান জানাচ্ছি আমরা যেখান থেকে বলবো সেখান থেকে আপনারা বালু উত্তোলন করেন। কিন্তু এরা করে কী রাতের অন্ধকারে নদীর কিনারা থেকে বালি উত্তোলন করে। যেখান থেকে উঠায় সেখানে ব্লক থাকে, মাটির বাঁধ থাকে। আমি বলেছি সেখানে যদি লোহা দিয়ে বাঁধ দেই, (তীর থেকে বালি উঠানোর কারণে) সেই বাঁধও টিকবে না।

বালি উত্তোলনের বিষয়ে একটি নীতিমালা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি শিগগির মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সেখানে আমরা বলেছি, বালি উত্তোলন কোনোভাবেই সন্ধ্যার পর হবে না। বালি উত্তোলনের সময় হবে সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। যাতে দিনের বেলা বালি উঠানো হয়, তাহলে জনগণসহ সবাই দেখতে পারবে।

জাহিদ ফারুক আরও বলেন, আমি মনে করি বালি উত্তোলনটা যদি সঠিকভাবে হয়, তবে এই নদী ভাঙনের যে প্রবণতা আছে তা অনেকাংশে কমে যাবে। এখন ইঞ্জিনিয়াররা বলা শুরু করেছেন, এভাবে যদি বালি উত্তোলন করা হয়, তবে যতই কাজ করি সব দোষ তো এসে আমাদের ওপরে পড়বে। তারাও একটা অজুহাত দেখানোর চেষ্টা করছেন।

jagonews24সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী

তিস্তা চুক্তি নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

তিস্তা চুক্তির অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদ ফারুক বলেন, তিস্তা চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, আমরা আগে চেষ্টা করেছিলাম। কাজটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছে। এটার স্টাডি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে গেছি। কোন কোম্পানি কাজটা করবে সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যালোচনা করছে। পর্যালোচনার পর একটা দিক-নির্দেশনা দিলে সেই বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, দুই বছর আগে আমি যখন হাঙ্গেরি গিয়েছিলাম, তখন ভারতের জলশক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হয়। আসার পর আমি তাকে কয়েকবার পত্র দিয়েছি। আমি তাকে বাংলাদেশে আসার জন্য দাওয়াত দিয়েছি। বলেছি, আসেন আমরা আলোচনা করি। উনি হয়তো একটা সময় দেখে আসবেন।

বাংলাদেশ সরকার তিস্তা চুক্তি করতে আগ্রহী উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তাটা নিয়ে আমরা নিজেরাই উদ্বিগ্ন। এই চুক্তিটি আমরা করতে চাই। ধীরগতিতে হলেও কাজ আগাচ্ছে। আপনারা জানেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কারণে কাজটি স্লো হয়ে গেছে। হয়তো অচিরেই তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের ব্যাপারটি সমাধান করতে পারবো।

সুনামগঞ্জের হাওর

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম থেকে সুনামগঞ্জের বিষয়ে আমার নজর রয়েছে। সেখানে এক হাজার ৫৪৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছি। সেখানে আমরা ১৪টা নদী খনন করবো। সমীক্ষা সেপ্টেম্বর মাসে চলে আসবে, অক্টোবরের মধ্যে চেষ্টা করবো একনেক থেকে সেটা পাস করিয়ে নিতে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই কার্যক্রম শুরু করবো।

তিনি বলেন, বর্ষার আগে যদি ২০ শতাংশ কাজও করতে পারি, আশা করি সুনামগঞ্জের হাওরে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক একজন ঠিকাদার ৫০-৭০টি কাজ নিয়ে বসে আছেন। সে কাজগুলো তারা নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারছে না। এই ঠিকাদাররা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত- এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ১১ জন ঠিকাদার ছিল। অনেক বড় বড় ঠিকাদার ছিলো। এক একজন ডিপিএমে (সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি) ৩০০-৪০০ কোটি টাকার কাজ পেতো। আমরা একটি কাজও ডিপিএমে দেইনি। আমরা বলেছি এই ১১ জন ঠিকাদার কাজ শেষ না করা পর্যন্ত নতুন করে কোনো কাজ পাবে না। কাজগুলো শেষ করার পর সেই পুরনো ১১ জনকে এখন আমরা কাজ দিচ্ছি। এখন নির্দেশনা হচ্ছে একজন ঠিকাদার তিনটির বেশি কাজ করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা সতর্ক আছি যে, একজন ঠিকাদারকে বেশি কাজ দেবো না। বেশি কাজ দিলে দেরি হয়ে যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস। সঞ্চালনা করেন বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।


আরও খবর



পদ্মা সেতু: শরীয়তপুরে মাছে ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসার স্বপ্ন

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২২ June 20২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

অপেক্ষার প্রহর গুনছেন শরীয়তপুরের মৎস্য খামারিরা। আগে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের মাছ ঢাকায় নেওয়া ছিল কষ্টকর ও ব্যয়বহুল। কিন্তু পদ্মা সেতু চালু হলে দেশের অন্যতম মৎস্য উৎপাদনকারী শরীয়তপুর জেলার মৎস্য খাতের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে।

আগামীতে জেলায় এ মৎস্য ব্যবসা প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা খামারি ও মৎস্য বিভাগের। এতে মৎস্য উৎপাদনকারীরা শুধু অর্থনৈতিকভাবেই লাভবান হবেন না তৈরি হবে অনেক নতুন উদ্যোক্তা, সৃষ্টি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ।

জেলার খামারি ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলার ছয়টি উপজেলা থেকেই মাছ সড়ক পথে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। কিন্তু ফেরিঘাটে যানজটে পড়ে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয় অনেক মাছ, কমে যায় দামও। পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে আমুল পরিবর্তন আসবে মৎস্য ব্যবসায়। বাড়বে মাছের দাম ও সাশ্রয় হবে পরিবহন খরচ। যার সুফল পাবেন পাইকার থেকে শুরু করে প্রান্তিক জেলেরাও।

বর্তমানে ঢাকা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বাজারে বছরে প্রায় ৩১৫ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হচ্ছে। পদ্মা সেতু চালু হলে এরে পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা খামারিদের।

Fish-(3).jpg

শরীয়তপুর সদরের মৎস্য খামারি মো. শাহীন মাদবরসহ অন্যান্য খামারিরা জাগো নিউজকে জানান, রাজধানী ঢাকা থেকে স্থানভেদে শরীয়তপুরের দূরত্ব ৭৩ কিলোমিটার। এরমধ্যে পদ্মা নদী থাকায় ফেরি পার হয়ে ঢাকায় যেতে অনেক সময় লাগে ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ কারণে শরীয়তপুরের মৎস্য খামারিরা তাদের উৎপাদিত মাছ কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ঢাকায় বিক্রি করতে পারছিলেন না। তাই তারা চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে মাছ বিক্রি করে আসছিলেন।

বর্তমানে শরীয়তপুর থেকে ওই বাজারগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৭০ মেট্রিক টন মাছ পাঠানো হয়। প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে ওই মাছের বাজারমূল্য এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা। বছরে বিক্রি দাঁড়ায় ১২৬ লাখ মেট্রিক টন। যার বাজারমূল্য অন্তত ৩১৫ কোটি টাকা। তবে পদ্মা সেতু চালু হলে উৎপাদন বেড়ে বিক্রি ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

শরীয়তপুরের ভোজেশ্বর ইউনিয়নের পাচক গ্রামের মৎস্য খামারি শহিদুল সিকদার জাগো নিউজকে বলেন, ফেরিঘাটের বিড়ম্বনার কারণে আমরা ঢাকায় মাছ পাঠাতে পারছি না। তাই চাঁদপুরে পাঠাই। পদ্মা সেতু চালু হলে আমাদের এ অঞ্চলের মাছচাষিরা ঢাকার বাজার ধরতে পারবেন। এতে করে পরিবহন ব্যয় কমবে ও দাম বেশি পাওয়া যাবে।

auto

নড়িয়া পৌরসভার লোনসিং গ্রামের মাছের খামারি শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী জাগো নিউজকে বলেন, ঢাকার বাজারে মাছ বিক্রি করতে পারলে আমরা বেশি লাভবান হবো। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকায় মাছ পাঠানো সহজ হবে। ফলে এ খাতে বিনিয়োগ অনেকগুণ বাড়বে।

শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রণব কুমার কর্মকার জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিবছর জেলায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু ভালো বাজারের অভাবে খামারিরা খুব বেশি লাভের মুখ দেখতে পারছেন না। পদ্মা সেতু চালু হলে খামারিরা খুব সহজেই ঢাকার বাজার দখল করতে পারবেন।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান জাগো নিউজকে বলেন, পদ্মা সেতুকে ঘিরে শরীয়তপুরে বিপুল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জেলায় ব্যাপক শিল্পায়নের প্রস্তুতি চলছে। পদ্মা সেতু চালু হলে সম্ভাবনাময় খাত মৎস্য, গবাদিপশু, পরিবহন, শিক্ষা-সংস্কৃতির ব্যাপক উন্নয়ন হবে।


আরও খবর



বিএনপিকে ধ্বংস করা মাত্র সময়ের ব্যাপার: নাছির

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১১৮জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন, জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ট্র্যাজেডির মূল রূপকার। তারা আবারও মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়।

তিনি আরও বলেছেন, তারা হত্যার রাজনীতি চায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যা প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এবার আবার ডাক দিয়েছে ৭৫-এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক। এর বিরুদ্ধে একটিই জবাব, ৭১-এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় এসেছে। শেখ হাসিনার কাছ থেকে একটি মাত্র হুকুমের অপেক্ষা। বিএনপিকে ধ্বংস করা মাত্র সময়ের ব্যাপার।

শনিবার (৪ জুন) বিকেলে জেলা পরিষদ চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তারা গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ এসবের সঙ্গে নেই। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য এই দেশকে পাকিস্তান বানানো। যারা ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে পাকিস্তান বানাতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে, তারা আবার ৭৫-এর হাতিয়ারকে জেগে উঠতে বলছে। তাদের নিশ্চিহ্ন করা ছাড়া আমাদের রক্ষা নেই।

সমাবেশের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। কিন্তু হত্যার মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করেছে। তারা এখনো হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এই হত্যার বদলা হত্যা দিয়েই হতে পারে। তবে আমরা সেই পথে যেতে চাই না। শেখ হাসিনা যেভাবে আমাদের নির্দেশ দেবেন সেভাবে চলবো। আমরা একটি শক্তিশালী বিরোধী দল চাই। কিন্তু ক্যান্টমেন্টে জন্ম নেওয়া পাপবিদ্ধ কোনো দলকে চাই না।

প্রতিবাদ সমাবেশে মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বাংলাদেশ ব্যাংক, কোতোয়ালী মোড়, দোস্ত বিল্ডিং, নিউমার্কেট হয়ে আমতল দারুল ফজল মার্কেটের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।


আরও খবর



ফিটনেসবিহীন ওয়েলকাম বাসচাপায় প্রাণ যায় পুলিশ সদস্যের

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বাংলামোটরে বাসচাপায় এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক ওয়েলকাম পরিবহনের চালক ও মালিককে গ্রেফতারের পর জানা গেলো বাসটি ছিলো ফিটনেসবিহীন। দৈনিক চুক্তিভিত্তিক বাসটি চালিয়ে আসা জাকির হোসেন বেপরোয়া গতিতে বাংলামোটরের দিকে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহী পুলিশ সদস্যকে চাপা দেন।

শুক্রবার (১০ জুন) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর এলাকা থেকে ঘাতক ওয়েলকাম পরিবহনের বাসচালক জাকির হোসেন (৪০) ও ঢাকার সাভার এলাকা থেকে বাসটির মালিক মো. আলম ওরফে খোকাকে গ্রেফতার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-২)।

র‌্যাব জানায়, দুর্ঘটনার ২০ দিন আগে চুক্তিতে ওয়েলকাম পরিবহনের বাসটি চালানো শুরু করেন জাকির। ঘটনার পর প্রথমে আত্মগোপণে চট্টগ্রাম যান চালক। এরপর ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাওয়ার পর তিনি গ্রেফতার হন। সেখান থেকে সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে পাশের দেশে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তিনি।

ফিটনেসবিহীন ওয়েলকাম বাসচাপায় প্রাণ যায় পুলিশ সদস্যের

শনিবার (১১ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, গত ৬ জুন সকালে বাংলামোটর সড়কে মোটরসাইকেলযোগে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে যাওয়ার পথে ওয়েলকাম পরিবহনের বাসচাপায় পুলিশ কনস্টেবল কোরবান আলী মারা যান। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গোয়েন্দা নজরদারির ধারাবাহিকতায় চালক ও বাস মালিককে গ্রেফতার করা হয়। তবে বাসটির হেলপার এখনো পলাতক রয়েছেন।

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, চালক জাকির ২০০৫ সালে ঢাকায় টেম্পুর হেলপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পর ২০১০ সালের দিকে তিনি লেগুনা চালাতেন। পরে ২০১৫ সালে বাসের হেলপার হিসেবে ঢাকায় চাকরি নেন। ২০১৮ সাল থেকে লাব্বাইক ও ওয়েলকাম ট্রান্সপোর্টে ড্রাইভার হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে বাস চালানো শুরু করেন।

২০১৯ সালে হালকা যানবাহন চালনার লাইসেন্স করে নিয়মিত বাস চালানো শুরু করেন। প্রায় এক মাস আগে বর্তমান গাড়ির মালিক খোকার সঙ্গে জাকিরের পরিচয় হয়। প্রায় ২০ দিন আগে ওয়েলকাম পরিবহনের ও বাসটি দৈনিক ২৫০০ টাকা চুক্তিতে চালানো শুরু করেন জাকির। এর বাইরে গাড়ির লাইন খরচ ১৩০০ টাকা দিতে হতো। এরপর বাকি টাকা জাকির, হেলপার ও কন্ট্রাক্টর ভাগ করে নিতেন।

ফিটনেসবিহীন ওয়েলকাম বাসচাপায় প্রাণ যায় পুলিশ সদস্যের

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার দিন কারওয়ান বাজার সিগনাল থেকে যাত্রী নিয়ে পরবর্তী সিগন্যালে বেপরোয়াভাবে চালিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল আরোহীকে পুলিশ সদস্যকে চাপা দেন জাকির। বাংলামোটরে গিয়ে বাসটি রেখে পালিয়ে যান।

পরে বাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে আত্মগোপণে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সারাদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘোরাঘুরি করে রাতে চট্টগ্রামে চলে যান। সেখানে এক আত্মীয়ের বাসায় দুইদিন থাকার পর আরেক জায়গায় চলে যান। সেখান থেকে শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আত্মগোপনে যান। যেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জাকিরের পরিকল্পনা ছিল সীমান্ত পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে অবৈধভাবে পালিয়ে যাওয়া।

তিনি বলেন, বাসের মালিক আলম ২০১৭ সালে পরিবহন ব্যবসা শুরু করেন। একটি বাসের লাভ দিয়ে ২০২০ সালে এই বাসটি কিনে রুট পারমিট ছাড়াই সড়কে চালানো শুরু করেন। এখনো গাড়িটির রুট পারমিট না পেলেও ২ বছর ধরে গাড়িটি রাস্তায় চলছিলো। ঘটনার পর তিনিও সাভারে আত্মগোপনে যান।

এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের পক্ষ থেকে বিভিন্নসময় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস চালক-মালিক থেকে শুরু করে সকল স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। এটি শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নেই। সবাই সচেতন না হলে সড়কে রোধ করা কঠিন।


আরও খবর



জীবনের প্রথম আয় দিয়ে যা কিনেছিলেন আলিয়া

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

জীবনে যত টাকাই উপার্জন করা হোক না কেন প্রথম উপার্জনের স্বাদ কখনো ভোলা সম্ভব না। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। কারণ প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ এটি। আর এই স্মৃতি সবার কাছেই মহামূল্যবান। হোক সে সাধারণ কেউ অথবা কোনো বিশেষ ব্যক্তিত্ব।

তবে প্রথম উপার্জনের টাকা দিয়ে কোনো সাধারণ মানুষ কী করেছেন সেটা জানার আগ্রহ কারো থাকে না। কিন্তু সেটা যদি হয় কোনো সেলিব্রেটি অথবা কোনো বিশেষ ব্যক্তিত্ব তবে আগ্রহের কোন সীমা থাকে না। সে কী করেছে, কী কিনেছে সেটা জানার জন্য থাকে আলাদা আগ্রহ।

আর সেই আগ্রহের কথা মাথায় রেখেই আজ আপনাদের জানাব এমন একজনের কথা। যাকে বলা হয় বলিউডের ডিম্পল গার্ল। বলছি আলিয়া ভাটের কথা। নিজের প্রথম উপার্জনের টাকা হাতে পেয়ে কী করেছিলেন আলিয়া?

২০১২ সালে করণ জোহরের হাত ধরে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় আলিয়া ভাটের। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তার। ঝুলি ভরেছে একের পর এক হিট সিনেমায়। এখন তিনি শুধু বলিউডে নয় আরব সাগর পেরিয়ে পা রেখেছেন হলিউডে। এমনকি এই মুহূর্তে বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকাদের তালিকায় প্রথম সারিতেই আসে তার নাম।

তবে এত প্রাপ্তির পরও তিনি জানালেন তার জীবনের প্রথম উপার্জনের সেই অনুভূতির কথা। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া জানান তার সেই অনুভূতির কথা।

তিনি বলেন, একটি দামি ব্যাগ নিজেকে উপহার দিই আমি। আসলে সুন্দর সুন্দর ব্যাগের উপর আমার বড্ড লোভ! আর ভালোবাসি জিমে যাওয়ার বাহারি প্যান্ট।

তবে শুধুই কি ব্যাগ আর জিমে পরার জামা তার পছন্দের তালিকায়? মোটেই নয়, ভ্রমণপ্রেমী আলিয়া বছরে একবার বেড়াতে যান। সেখানেও জমিয়ে খরচ করেন। তার কথায়, ‘হোটেলে থাকাতেই আমি খরচ করি বেশি। তবে বেড়াতে গিয়ে কেনাকাটা করতে মোটেই পছন্দ করি না।

তিনি আরও জানান তার বিশেষ দুটি শখের কথা। ব্যক্তিগত বিমান আর পাহাড়ের কোলে একটা ছবির মতো বাড়ি। সেই সঙ্গে আশাও রাখেন কোনো না কোনো দিন নিশ্চয়ই এ দুটো জিনিসও তার হবে!


আরও খবর