Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

করোনায় আক্রান্ত তাহসান-মিথিলার মেয়ে আইরা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪১৬জন দেখেছেন
Image

বিনোদন প্রতিবেদক: গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার মেয়ে আইরা তেহরীম খান করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের শুরুতেই করোনায় আক্রান্ত হন মিথিলার বর্তমান স্বামী ভারতীয় নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। বর্তমানে মিথিল-আইরা কলকাতাতেই আছেন।

মিথিলা বলেন, ‘সৃজিতের পর আমার মেয়ে আইরারও করোনা পজিটিভ এসেছে। গত তিন দিন ধরে তার জ্বর ছিল। পরীক্ষা করার পর গতকাল (৫ জানুয়ারি) তার করোনা পজিটিভ আসে। তবে আমরা আগে থেকেই ওষুধ খাওয়ানো শুরু করি। এখন বেশ ভালো আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুরুতে জ্বর এবং কাশির পর দুজনই এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছে। তারা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে সেজন্য সবাই দোয়া করবেন।’

মিথিলা জানান, করোনার কারণে স্বামী এবং কন্যা দুজনের কাছ থেকে আলাদা থাকছেন তিনি। দূর থেকেই তাদের সেবা করছেন। তার বিশ্বাস দ্রুতই স্বামী সৃজিত ও কন্যা আইরা করোনামুক্ত হবেন।

তাহসানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে তাদের বিচ্ছেদ হয়। তাদের একমাত্র সন্তান আইরা। ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর কলকাতার নির্মাতা সৃজিতকে বিয়ে করেন মিথিলা।


আরও খবর



আনোয়ার হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামি জাহাঙ্গীরের দায় স্বীকার

প্রকাশিত:Saturday ১৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর জুলধায় নুরুল আনোয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১২ আগস্ট) দিনগত রাতে ঢাকার কদমতলী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ। পরে একটি দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর কর্ণফুলী থানার জুলধা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের আনিছ তালুকদার বাড়ির মো. ইদ্রিস ওরফে বাইশার ছেলে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জাহাঙ্গীর। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন ওসি দুলাল মাহমুদ।

ওসি দুলাল মাহমুদ জাগো নিউজকে বলেন, ১০ আগস্ট বিকেল তিনটার দিকে পূর্ব শত্রুতা ও নালার পানি চলাচলের বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের নুরুল আনোয়ারকে (৩১) কুপিয়ে হত্যা করে জাহাঙ্গীরসহ কয়েকজন। ঘটনার পর জাহাঙ্গীর পলাতক হয়ে যান। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার দিনগত রাতে তাকে ঢাকার কদমতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।


আরও খবর



ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ফেনী অংশে অনুমোদনহীন ১২ ক্রসিং

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ফেনী অংশের শর্শদী থেকে মুহুরীগঞ্জ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ২৩ কিলোমিটার। রেলপথের এ দূরত্বে ২১টি রেলক্রসিং থাকলেও অনুমোদন ছাড়াই তৈরি হয়েছে ১২টি। এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) রিটন চাকমা। তিনি বলেন, এ পরিসংখ্যানটি হালনাগাদ নয়। প্রতিনিয়ত ইচ্ছেমতো রেললাইনের ওপর দিয়ে পথ তৈরি করা হচ্ছে।

রিটন চাকমা আরও বলেন, অনুমোদনহীন এসব ক্রসিংয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে মুহুরীগঞ্জে। এখানে ছয়টি অনুমোদনহীন রেলক্রসিং তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া শর্শদী, দেওয়ানগঞ্জ, ফাজিলপুরে রয়েছে আরও ছয়টি। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে মুহুরীগঞ্জ।

অনুমোদনহীন এসব রেলক্রসিং প্রসঙ্গে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মীর মোহাম্মদ ইমাম বলেন, রেলপথের পাশে বসতঘর থাকায় বিভিন্ন সময় অনুমোদনহীন ক্রসিং তৈরি করা হয়। ফলে দুর্ঘটনার শঙ্কা অনেক বাড়ছে।

গত শুক্রবার (২৯ জুলাই) মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া রেলক্রসিংয়ে দুর্ঘটনায় একসঙ্গে ১১ তরুণের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে নিরাপদ রেলক্রসিংয়ের বিষয়টি ফের সামনে উঠে আসে।

অনুমোদনহীন রেলক্রসিং ছাড়াও আরও কিছু অসামঞ্জস্য, বিকল প্রযুক্তি রেলপথকে আরও দুর্ঘটনাপ্রবণ করে তুলছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিকল সিগন্যাল বাতি, অনুমোদিত রেলক্রসিংগুলোতে গেটকিপারদের দায়িত্বে অবহেলা, পথচারী ও যানবাহন চালকদের অসচেতনতা, পূর্বের দুর্ঘটনার যথাযথ তদন্ত প্রকাশ্যে না আসা, সব স্থানে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা না থাকা প্রভৃতি দুর্ঘটনার শঙ্কা বাড়াচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ফেনী অংশে অনুমোদনহীন ১২ ক্রসিং

ফেনী শহরের ব্যস্ততম পুরাতন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গুদাম কোয়ার্টারের রেলক্রসিংকে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদুল হক বলেন, ট্রেন আসার আগে ক্রসিংয়ে গেট ফেলেও যানবাহন চালকদের আটকে রাখা যায় না। স্বয়ংক্রিয় সাইরেনের শব্দ পথচারীদের কানে আলোড়ন তুললেও চালকদের তাতে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। অনেক দূর থেকে ট্রেন হুইসেল বাজিয়ে সাবধান করতে করতে এগোতে থাকে। কিন্তু ক্ষুদ্র পরিবহনগুলো সামান্য অপেক্ষা করতে রাজি নয়। এমনও ঘটেছে, রেলক্রসিংয়ের ওপর যানবাহন রয়ে যাওয়ায় ট্রেন থামাতে বাধ্য হয়েছেন চালক। এ ক্রসিংয়ে বহুবার ঘটেছে হতাহতের ঘটনা।

সাত মাসে ট্রেনে কাটা পড়ে ৯ জনের মৃত্যু

চলতি বছরের সাত মাসে রেলপথের ফেনী অংশে ট্রেনে কাটা পড়ে ৯ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনায় ৯টি অপমৃত্যুর মামলাসহ ১২ মামলা রেকর্ড হয়েছে। এসব তথ্য জানিয়েছে রেলওয়ে পুলিশের ফেনী ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নফিল উদ্দিন। এছাড়া চলতি বছরের তিনটি ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে গত বছরের ১১ অক্টোবর ভোরের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর রেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাস রেললাইনে উঠে পড়লে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে চার ব্যক্তি প্রাণ হারান। এছাড়া বারাহীপুর রেলক্রসিং, শহরের রেলগেট ক্রসিংয়ে সম্প্রতি দুর্ঘটনা ঘটে এবং প্রাণহানিও হয়।


আরও খবর



ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘরের যাত্রা সোমবার, ঘুরবে সব স্টেশন

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন সংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের সমন্বয়ে একটি ব্রডগেজ ও একটি মিটারগেজ কোচ দিয়ে ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর তৈরি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সোমবার (১ আগস্ট) থেকে ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর দেশের এক প্রাপ্ত থেকে আরেক প্রান্তের স্টেশনগুলোতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকবে এবং ওই অঞ্চলের মানুষদের কাছে প্রদর্শিত হবে। দুটি কোচের একটি থাকবে দেশের পূর্বাঞ্চলে, অন্যটি থাকবে পশ্চিমাঞ্চলের রেল স্টেশনে।

রোববার ( ৩১ জুলাই) এসব তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শরিফুল আলম।

তিনি জানান, শিডিউল অনুযায়ী রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে একটি জাদুঘর থাকবে ১ থেকে ৫ আগস্ট, ভাটিয়ারী স্টেশনে থাকবে ৫ থেকে ৭ আগস্ট, সীতাকুণ্ড স্টেশনে থাকবে ৭ থেকে ৯ আগস্ট, চিনকিআস্তানা স্টেশনে থাকবে ৯ থেকে ১১ আগস্ট, ফেনী জংশনে থাকবে ১১ থেকে ১৫ আগস্ট, গুণবতী স্টেশনে থাকবে ১৪ থেকে ১৭ আগস্ট, নাঙ্গলকোট স্টেশনে থাকবে ১৬ থেকে ১৯ আগস্ট, লাকসাম জংশনে থাকবে ১৮ থেকে ২৩ আগস্ট, চৌমুহনী স্টেশনে থাকবে ২৪ থেকে ২৫ আগস্ট, মাইজদী কোর্ট স্টেশন থাকবে ২৬ থেকে ২৭ আগস্ট, নোয়াখালী স্টেশনে থাকবে ২৮ থেকে ২৯ আগস্ট, চাঁদপুর স্টেশনে থাকবে ৩০ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর, কুমিল্লা স্টেশনে থাকবে ২ থেকে ৪ নভেম্বর, আখাউড়া স্টেশনে থাকবে ৫ থেকে ৮ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে থাকবে ৯ থেকে ১০ নভেম্বর, ভৈরব স্টেশনে থাকবে ১১ থেকে ১২ নভেম্বর, নরসিংদী স্টেশনে থাকবে ১৩ থেকে ১৪ নভেম্বর, টঙ্গী জংশনে থাকবে ১৫ থেকে ১৬ নভেম্বর এবং ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে থাকবে ১৭ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

jagonews24

অন্যদিকে, আরেকটি কোচ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের গোপালগঞ্জ স্টেশনে থাকবে ১ থেকে ৫ আগস্ট, কাসিয়ানি স্টেশনে থাকবে ৬ থেকে ৭ আগস্ট, ভাটিয়াপাড়া ঘাট স্টেশনে থাকবেন ৯ থেকে ১০ আগস্ট, মধুখালী জংশনে থাকবে ১২ থেকে ১৩ আগস্ট, রাজবাড়ী স্টেশনে থাকবে ১৫ থেকে ১৭ আগস্ট, ফরিদপুর স্টেশনে থাকবে ১৯ থেকে ২০ আগস্ট, পাংশা স্টেশনে থাকবে ২২ থেকে ২৩ আগস্ট, কুমারখালী স্টেশনে থাকবে ২৫ থেকে ২৬ আগস্ট, কালুখালী জংশনে থাকবে ২৮ থেকে ২৯ আগস্ট, কুষ্টিয়া স্টেশনে থাকবে ৩০ থেকে ৩১ আগস্ট, খুলনা স্টেশনে থাকবে ২ থেকে ৭ নভেম্বর, দৌলতপুর স্টেশনে থাকবে ৯ থেকে ১০ নভেম্বর, নোয়াপাড়া স্টেশনে থাকবে ১২ থেকে ১৩ নভেম্বর, যশোর স্টেশনে থাকবে ১৫ থেকে ১৮ নভেম্বর, বেনাপোল স্টেশনে থাকবে ২০ থেকে ২১ নভেম্বর, নাভারণ স্টেশনে থাকবে ২২ থেকে ২৩ নভেম্বর, মোবারকগঞ্জ স্টেশনে থাকবে ২৫ থেকে ২৬ নভেম্বর, দর্শনা স্টেশনে থাকবে ২৮ থেকে ২৯ নভেম্বর এবং চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে থাকবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।


আরও খবর



চবির তরুণ লেখক ফোরামের নেতৃত্বে আকিজ-মুরাদ

প্রকাশিত:Thursday ১১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার ২০২২-২৩ বর্ষের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আকিজ মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুরাদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুর ১২টায় সংগঠনে সাবেক সভাপতি নেজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইসরাফিল আলম রাফিল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২২-২৩ (এক বছর) কার্য বর্ষের জন্য আকিজ মাহমুদকে সভাপতি ও মুরাদ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হলো। নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী ০৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

নতুন কমিটির সভাপতি আকিজ মাহমুদ বলেন, দক্ষ ও সৃষ্টিশীল লেখক তৈরিতে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে আমদের এই সংগঠন রাষ্ট্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবে বলে বিশ্বাস করি।

সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন বলেন, সংগঠনকে এগিয়ে নিতে সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ স্লোগানে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম’। দেশের ১৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে সংগঠনটি।


আরও খবর



লোডশেডিং এবং করণীয়

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য ও সরবরাহ অন্য সব দেশের মতো আমাদেরও সমস্যায় ফেলেছে। দেশে গ্যাস স্বল্পতার কারণে বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে অনেক জায়গায়ই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় স্বাভাবিক হবে সেপ্টেম্বর নাগাদ।

জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। রাজধানীতেও এর প্রভাব পড়েছে। গত ৩ জুন থেকে দিনের বেলায় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ার পর লোডশেডিং মোটামুটি বিদায় নিয়েছিল। বিদ্যুতের ভোগান্তির কথা মানুষ ভুলেই গিয়েছিল।

শহরে বিদ্যুৎবিভ্রাট হতো না বললেই চলে। এখন সেই লোডশেডিং আবার ফিরেছে। দেশে যে পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা হয়, তার একটি বড় অংশ ব্যবহার করা হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে। এছাড়াও বিদেশ থেকে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। তবে স্বস্তির কথা এই যে, ঈদের সময় লোডশেডিং ছিল না বললেই চলে।

বিদ্যুতের এ সমস্যা যে শুধু আমাদেরই তা নয়। সমস্যা শুরু হয়েছে পৃথিবীর দেশে দেশে। উন্নত অনুন্নত কেউ বাদ নেই। পরিচ্ছন্ন, নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের দেশ এবং ধনী অস্ট্রেলিয়া এখন বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস বোয়েন। একই সঙ্গে সেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টা বাসাবাড়িতে বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বে কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানিতে তালিকার শীর্ষের দিকে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

দেশটির চার ভাগের তিন ভাগ বিদ্যুৎই কয়লা ব্যবহার করে উৎপাদন করা হয়। এরপরও গত মে মাস থেকে বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে দেশটি। এই সংকটের পেছনে কারণও রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে নিউ সাউথ ওয়েলস ও কুইন্সল্যান্ড প্রদেশের কয়েকটি কয়লার খনি পানিতে তলিয়ে যায়।

প্রযুক্তিগত কারণেও দুটি খনি থেকে কয়লা উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। খনিগুলো থেকে নিউ সাউথ ওয়েলসের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহ হয়। এ মুহূর্তে নানা সমস্যার মুখে অস্ট্রেলিয়ার চার ভাগের এক ভাগ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ফলে বিদ্যুতের বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

উন্নত দেশ ছাড়া আমাদের আশপাশের দেশগুলোতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি নাজুক। বিশ্বের অন্যতম পিছিয়ে পড়া দেশ পাকিস্তানে অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। সংকট এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে, দেশটির টেলিকম অপারেটররা তাদের মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। গত ৩০ জুন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম জিও নিউজ।

কয়লা সংকটের পাশাপাশি গ্রীষ্মের চরম দাবপ্রবাহের কারণে ভারতজুড়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। ফলে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। চলতি বছরের টানা তাপপ্রবাহের কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং শিল্পকারখানার কর্মকাণ্ডে কোভিড সংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কার্যক্রমে ভারতের বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এই চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে ভারত সরকার।

আমরা সবাই জানি শ্রীলঙ্কা অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটেও নাজেহাল। শ্রীলঙ্কা বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখন এক অন্ধকার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। গত বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে আমাদের এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক জায়ান্ট চীনের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও মারাত্মক খারাপ। বিদ্যুতের জন্য চীন কয়লার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। চীনের কিছু কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হচ্ছে, কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় এর সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

গোটা দুনিয়ার দেশে দেশে যখন বিদ্যুতের এই অবস্থা, তখন আমাদেরও এর বাইরে থাকার সুযোগ নেই। আমাদেরও নির্ভর করতে হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঁচামাল কয়লা কিংবা এলএনজি আমদানির ওপর, আন্তর্জাতিক বাজারে যার দাম এই মুহূর্তে আকাশছোঁয়া।

বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার এই সময় আমদানি যত কম করা যায়, ততই দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল। সরকারের কাছে প্রত্যাশার পারদ ওপরে থাকার পাশাপাশি আমাদের সব নাগরিকের সহনশীল আচরণও কাম্য। দেশের জনগণকে শুধু একবার মনে করতে বলব, ২০০১-২০০৬ আমলে সেই সময়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে নেগোসিয়েট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে বাংলাদেশকে জেনারেটর, ইউপিএস বাজার বানানোর আমলের কথা কিংবা বৈদ্যুতিক তারবিহীন খাম্বা-খুঁটির দেশে পরিণত করার কথা। সেই সময় থেকে বাংলাদেশের এখনকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি অনেক ভালো। কারণ, বাংলাদেশের এখন চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অনেক বেশি।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ২৭, যা এখন ১৫২টিতে দাঁড়িয়েছে। ওই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল প্রতিদিন ৫ হাজার মেগাওয়াটের কম, যা এখন দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াট (ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্যসহ)। অবশ্য এত বিদ্যুতের চাহিদা দেশে নেই। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫-১৬ হাজার মেগাওয়াট। বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করে অনেক কেন্দ্রকে বসিয়ে বসিয়ে ভাড়া দেওয়া, বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও রয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, এখন সরকার লোডশেডিং করছে এক প্রকার বাধ্য হয়ে। সরবরাহ সংকট থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্ববাজারে দাম চড়া। তাই খোলাবাজার (স্পট মার্কেট) থেকে আপাতত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনছে না সরকার। সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা সাম্প্রতিককালে দেখা যায়নি। খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ২০২০ সালে যে গ্যাস প্রতি ইউনিট ৪ মার্কিন ডলারে নেমে গিয়েছিল, তা এখন বেড়ে ৩৮ ডলার ছাড়িয়েছে।

সর্বশেষ কেনা হয়েছিল ২৫ ডলারে। এতে নতুন করে এলএনজি গ্যাস কিনতে বিপুল বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই সরকার পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেই মনে হয়। কারণ, এই মুহূর্তে বাড়তি দামে কিনতে গেলেও আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর মারাত্মক চাপ পড়বে, যা পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনৈতিক চাপের এই সময়ে মারাত্মক হুমকিতে ফেলতে পারে। হয়তো জনগণের কিছুটা কষ্ট হবে, কিন্তু তারপরও এখন সময় বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের। এর কোনো বিকল্প নেই।

সার্বিক বিবেচনায় এখনকার সমস্যাটা সাময়িক বলেই মনে হয়। যেটি জ্বালানি সংকট কাটলেই স্বাভাবিক হবে। কাজেই কোনোভাবেই আমাদের আবার জেনারেটর, ইউপিএস বাজারে পরিণত হওয়ার সুযোগ নেই। বিদ্যুতের তারবিহীন খাম্বা-খুঁটির দেশেও পরিণত হবে না, এটা নিশ্চিত। অপেক্ষা শুধু সুসময়ের জন্য।

লেখক: সাংবাদিক।


আরও খবর