Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image

দেশে করোনা সংক্রমণের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে এক হাজার ৬৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময় করোনায় মৃত্যু হয়েছে দুইজনের।

আগের দিন করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ২৮০ জনের। আর করোনায় মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের।

টানা ২০ দিন দেশে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। গত ২০ জুন করোনায় একজনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর টানা চার দিন করোনায় একজন করে মৃত্যু হয়। মাঝে এক দিন কারও মৃত্যু হয়নি। সর্বশেষ দুই দিনে তিনজন ও দুইজনের প্রাণ গেল এই ভাইরাসে।


আরও খবর



বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে দুঃসহ অভিজ্ঞতা যাত্রীদের

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ৩১ July ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

আসামের গৌহাটি থেকে কলকাতা হয়ে কানেক্টিং ফ্লাইটে গন্তব্য ঢাকা। পাঁচ ঘণ্টার ট্রানজিটে ক্লান্ত টিমের সবাই। কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৯৬ ফ্লাইটটি ছাড়ার কথা স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে। এর ঠিক তিন দিন আগে একই সময়ের ফ্লাইটে বিমানের বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজের মধ্যে রানওয়েতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে ছিলেন যাত্রীরা। তাই এদিন কী হয় সেটা নিয়ে চলছিল জোর জল্পনা।

ঢাকা থেকে ফ্লাইটটি নেতাজি সুভাষে অবতরণ করলো যথাসময়ে। ফিরতি ফ্লাইটে আমাদের যাত্রা। একটি ফ্লাইট শেষে সাধারণত উড়োজাহাজটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে তবেই আবার যাত্রী তোলে। বিমান সেটা করবে কি না সেটা নিয়ে অপেক্ষামাণ যাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট সন্দেহ দেখা গেলো। যাত্রীরা নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই উড়োজাহাজে প্রবেশের ঘোষণা এলো। ভিতরে ঢুকেই টের পাওয়া গেলো ভ্যাপসা গরম। আমাদের তিনজনের আসন সবার শেষ সারিতে। উড়োজাহাজে সাধারণত শেষের দিক থেকে আসন হিসাব করে আগে ওঠানো হয় নানান সুবিধার কথা চিন্তা করে। এই তিনটি আসন অনেক সময় খালি রাখা হয়। কারণ ঠিকটাক বসা যায় না।

একে একে পুরো ফ্লাইট ভরে গেলো। বাড়তে থাকলো গরম। এসি চালু হয়নি তখনও। একজন কেবিন ক্রুর কাছে জানতে চাইলে বললেন, চলতে শুরু করলে এসি চালু হবে, একটু অপেক্ষা করুন। এসি নিয়ে হৈচৈ শুরু হলো প্রথম থেকেই। এর মধ্যে দেখা দিলো দুটি বিপত্তি। প্রথমত, শেষের দিকে দু পাশে যে দুটি লাগেজ কেবিন থাকে সেখানে যাত্রীরা লাগেজ ভরে ফেললেন। জাগয়ার অভাবে একজন লাগেজ রাখতেই পারলেন না। তাকে বলা হলো সামনে গিয়ে রেখে আসতে। ওই নারী যাত্রী সামনে গিয়ে লাগেজ উপরে তুলতে সাহায্য প্রার্থনা করলে কেবিন ক্রু কোনো রকম সহযোগিতা না করে আপনারটা আপনি তোলেন বলে এড়িয়ে যান।

সুকন্যা আমীর নামে ওই যাত্রী জাগো নিউজকে বলেন, বিমান বাংলাদেশের ক্রু হিসেবে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারা যাত্রীদের প্রতি একেবারেই কেয়ারিং না। যখন আমি হ্যান্ড লাগেজ নিয়ে ভেতরে ঢুকলাম তখন প্রায় লাগেজ কেবিনগুলো বুকড। ক্রুদের মধ্যে একজনকে লাগেজ রাখার জন্য অনুরোধ করলাম, উত্তরে তিনি জানান, আমার লাগেজ রাখতে তিনি পারবেন না, এমনকি ব্যবস্থাও করে দিতে পারবেন না। অতঃপর আমাকেই লাগজে রাখতে হয় কোনোরকমে।

‘এছাড়াও ভোগান্তির শেষ ছিল না। প্রচন্ড গরম, এসি বন্ধ, দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম। প্রথম দিকে বোর্ডিং পাস নিলেও শেষে সিট পাওয়া, তারপর আবার ফ্লাইট ডিলে। এমন অব্যবস্থাপনা যেন তাদের দৈনন্দিন ব্যাপার, যেটা একজন যাত্রী হিসেবে কখনো কাম্য নয়।’

এরই মধ্যে একজন ক্রু এসে শেষের দুটি লাগেজ কেবিন থেকে যাত্রীদের লাগেজ নামাতে বললেন, জানতে চাইলেন এখানে রেখেছেন কেন। সেখানে যে লাগজে রাখা যাবে না সেটা কেউ বলেনি কিংবা লেখা নেই। যাত্রীদের জানার কথাও না। তাদের বলার ধরন মোটেও ভালো ছিল না। যাত্রীরা সবাই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। লাগেজ কেবিনগুলোও ছিল সব অপরিচ্ছন্ন।

বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে দুঃসহ অভিজ্ঞতা যাত্রীদের

অপরিষ্কার লাগেজ কেবিন

আসনে বসার সময় দেখা গেলো সেখানে একটি করে ওয়েট ওয়াইপস রাখা (শেষের তিনটি সিটে সেটিও ছিল না। মানে ক্রুরাও হয়তো ধরে নিয়েছিলেন এখানে যাত্রী বসবে না।)। বিষয়টি বড়ই দৃষ্টিকটূ। ইন ফ্লাইটে কিছু দিলে সেটা সাধারণত কেবিন ক্রুরা সুন্দর করে যাত্রীর কাছে পৌঁছে দেন। সেটাও দেখা গেলো না। বসার সময় পা রাখতে গিয়েও বিপত্তি। পা স্বাচ্ছন্দ্যে রাখা যাচ্ছিল না। এর মধ্যে সামনের যাত্রী আসন হেলিয়ে একটু আরাম করতে চাইলেও পিছনের যাত্রীর আপত্তিতে তা সম্ভব হলো না। মানে পা তো রাখা যাচ্ছিলই না, সিটও চলে আসছিল প্রায় মুখের কাছে।

করোনার পর থেকে প্রতিটি ফ্লাইটে জীবাণুমুক্তকরণ এক ধরনের গ্যাস প্রায় ২০-৩০ মিনিট ছাড়া হয়। অনেকটা ধোঁয়াচ্ছন্ন হয় এসময়। গত কয়েকদিনের ভারত ভ্রমণে সবগুলো ফ্লাইটে দেখা যায় এ চিত্র। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থায় সেটাও অনুস্থিত দেখা গেলো। ভ্যাপসা গরমের মধ্যে ফ্লাইট ছাড়লো ২৫ মিনিট দেরিতে। তবে এসির দেখা মিললো না। মোবাইল সুইচ ফ্লাইট মোডে রাখা, সব ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার থেকে বিরত থাকাসহ কিছু ঘোষণা শুরুতে দেওয়া হয়। সেটাও শোনা গেলো না।

যাইহোক আকাশে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর স্ন্যাক্স এলো। সেটাও যথেষ্ট মানসম্পন্ন ছিল না। ইন্টারন্যাশনাল একটি ফ্লাইটের খাবার যতটুকুই দেওয়া হোক সেটা আরও মানসম্পন্ন হওয়া উচিত। অসঙ্গতি পিছু ছাড়ছিল না পুরো ফ্লাইটে। তীব্র গরমে অনেক যাত্রী বারবার পানি চাচ্ছিলেন। তাতেও নাখোশ হন কেবিন ক্রুরা। কেউ কেউ কাগজকে পাখা বানিয়ে বাতাস খাচ্ছিলেন। এমন একজন যাত্রী নুরুল ইসলাম হাসিব জাগো নিউজকে বলেন, গরমে কাগজকে পাখা বানিয়ে বাতোস খেতে হচ্ছে। এসি চলে না। টয়লেটে গিয়ে দেখি ফ্লাশটা ভাঙা। কোনো রক্ষণাবেক্ষণ নেই বোঝাই যায়। ফ্লাইটটি ফুল। মানে এটি লাভজনক একটি রুট। একজন কেবিন ক্রুকে দেখলাম যাত্রীদের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন। নেমে বেল্টে এসে সেই ক্রুসহ কয়েকজন ওই যাত্রীদের কাছে এলেন। ভাবলাম হয়তো স্যরি বললেন। কিন্তু দেখা গেলো সেখানেও তারা রীতিমতো মাস্তানি মুডে। এত অব্যবস্থাপনা, অপেশাদারিত্ব থাকার কথা না। বিমানের সার্ভিস হবে আন্তর্জাতিক মানের। এমন সার্ভিস অকল্পনীয়।

বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে দুঃসহ অভিজ্ঞতা যাত্রীদের

সোজা হয়ে বসেও ঠিকঠাক রাখা যায় না পা

সামনের একটি যাত্রীর সিটের হাতলে সমস্যা ছিল। তিনি বলেন, আমি যে সিটে বসে আছি সেটার হাতলের উপরের লেয়ারটা নেই। হাত রাখতে সমস্যা হচ্ছিল। পরে কেবিন ক্রুকে জানালে তিনি একটি কম্বল এনে দেন।

সার্বিক অবস্থা থেকে যাত্রীরা বারবার ঢাকার সড়কে চলা লোকাল বাস আট নম্বর ও তুরাগের সঙ্গে বিমানের সার্ভিসের তুলনা করছিলেন। স্ন্যাক্স দেওয়ার সময় ও বর্জ্য পরিষ্কারের সময়ও ক্রুদের সার্ভিস ভালো ছিল না। খাবারের ট্রে নেওয়া সময় কয়েকজনের পায়ে লাগিয়ে ব্যথা দিয়েছেন। ময়লার পলিব্যাগ যখন টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেটার সঙ্গেও যাত্রীরা তুলনা করছিলেন ময়লা কুড়ানিদের সঙ্গে। যারা নিয়মিত ট্রাভেল করেন তারা জানেন এ কাজটিরও এক ধরনের সৌন্দর্য আছে।

যাত্রীরা ঢাকা পৌঁছে বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেন। এতে জানান তিক্ত অভিজ্ঞতা ও কেবিন ক্রুদের অসৌজন্যমূলক ব্যবহারের কথা। পরে শনিবার (২৩ জুলাই) কর্তৃপক্ষ চার কেবিন ক্রুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছে


আরও খবর



সজীব গ্রুপে এক্সিকিউটিভ পদে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান সজীব গ্রুপে ‘জুনিয়র এক্সিকিউটিভ/এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: সজীব গ্রুপ
বিভাগের নাম: গ্রাফিক ডিজাইনার

পদের নাম: জুনিয়র এক্সিকিউটিভ/এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০১ বছর (গ্রাফিক ডিজাইন)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ২৫-৩৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা [email protected] এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



চাঁদপুর মাছঘাটে শুধু ইলিশ আর ইলিশ

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ ল্যান্ডিং স্টেশন চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে বেড়েছে ইলিশের আমদানি। নদীতে পানি বৃদ্ধি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রতিদিন গড়ে এক থেকে দেড় হাজার মণ ইলিশের সরবরাহ হচ্ছে এই ঘাটে। এতে যেমন হাসি ফুটেছে আড়তদারদের মুখে তেমনি শ্রমিকদের মাঝে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

যদিও ইলিশের দাম নিয়ে হতাশ সাধারণ ক্রেতা। তবে আড়তদারদের দাবি ইলিশের সরবরাহ এভাবে অব্যাহত থাকলে দাম আরো কিছুটা কমবে।

মূলত জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস ইলিশের ভরা মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মৌসুমী এই সময়ে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে এক থেকে দেড় হাজার মণ ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে। তবে আশানুরূপ মিলছে না পদ্মা ও মেঘনার কাঙ্খিত ইলিশ। আড়তদারদের দাবি অধিকাংশ ইলিশ সন্দীপ, হাতিয়া ও ভোলা থেকে আসা। আমদানি বাড়লেও চাহিদার তুলনায় এখনো ইলিশের সরবরাহ নেই বলে জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে ট্রাক ও পিকআপে ঘাটে আসতে থাকে দক্ষিণাঞ্চলের ইলিশ। ঘাটের কর্মরত শ্রমিকরা সেগুলো নিয়ে স্তূপ করেন আড়তে। আড়তের কোণায় কোণায় এখন শুধু ইলিশ আর ইলিশ। যদিও ঘাটে আসা ইলিশের মধ্যে আকারে ছোট ইলিশের পরিমাণই বেশি। বড় আকারের ইলিশ চাহিদার তুলনায় অনেক কম বলে জানিয়েছেন আড়তদাররা।

মাছঘাটের আড়তদার বিল্পব সরকার ও নবীর হোসেন বলেন, মূলত ঈদ পরবর্তী সময়ে ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। কারণ ঈদের পরে অনেকের বাসায় বিভিন্ন আয়োজন হয়ে থাকে। সেখানে ইলিশের প্রয়োজন পড়ে। তাছাড়া ঘাটে যে মাছ আসছে তার অধিকাংশই সন্দীপ, হাতিয়া, ভোলা থেকে আসা। আমাদের পদ্মা মেঘনার ইলিশের আমদানি অনেক কম। এ কারণেই মূলত দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

আড়তদারদের দেওয়া তথ্যমতে, চাঁদপুর মাছ ঘাটে বর্তমানে ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি প্রতি দাম ১১৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা, ১ কেজি থেকে ১৩০০ গ্রাম ১৩৫০ থেকে ১৪০০ টাকা, দেড় কেজির অধিক ইলিশের দাম ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। দুই কেজি ইলিশের দাম ১৯০০ থেকে ২ হাজার টাকা।

চাঁদপুর মাছঘাটে শুধু ইলিশ আর ইলিশ

এদিকে ইলিশের সরবরাহ বৃদ্ধির খবরে অনেকেই ছুটে আসছেন ঘাটে। তবে আশানুরূপ দাম কমেনি বলে দাবি সাধারণ ক্রেতাদের।

হাজীগঞ্জ থেকে আসা ক্রেতা বাপ্পি মজুমদার ও শহরের বাসিন্দা রাজন গাজী বলেন, ইলিশের মৌসুম ভেবে ঘাটে এসেছি মাছ কিনতে। ভেবেছিলাম এখন দাম কম পাওয়া যাবে। তবে এসে দেখি দাম এখনো আগের মতো। আমদানি বৃদ্ধি পেয়ে লাভ কী? দাম তো আর কমেনি।

ঘাটে আসা ইলিশের অধিকাংশই ছোট সাইজের দাবি করে চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বারি মানিক জমাদার বলেন, সরবরাহ বৃদ্ধি পেলেও দাম না কমার কারণ হলো ঘাটে যা ইলিশ আসছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তাছাড়া বর্তমানে প্রয়োজনীয় সকল নিত্যপণ্যের দাম বেশি ও জেলেদের জ্বালানি খরচ বেশি। এসব কারণে এখনো ইলিশের দাম একটু বেশি। তবে ইতোমধ্যে ছোট ইলিশের দাম কমেছে। বড় ইলিশের সরবরাহ যদি আরো বাড়ে তাহলে কিছুদিনের মধ্যে ইলিশের দাম কিছুটা কমবে।


আরও খবর



৮০০ টাকার টিকিট ১২৫০, জরিমানা গুনলেন ১০ হাজার

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে ঢাকাগামী বাসের টিকিট বিক্রির অপরাধে দিনাজপুরের বিরামপুর শহরের এস আর ট্রাভেলের স্বত্বাধিকারী মোর্শেদ হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অর্থদণ্ড দেন।

jagonews24

ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী এক যাত্রীর কাছ থেকে ৮০০ টাকার টিকিটের দাম ১২৫০ নিচ্ছিল এস আর ট্রাভেল। এমন অভিযোগ পেয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মোর্শেদ হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এরআগে রোববার (১৭ জুলাই) সন্ধায় ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করে বিক্রির অভিযোগে শহরের সুনম কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী সুমন হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


আরও খবর



গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি ঠেকাতে সফটওয়্যার আনলো ঢাবি

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সিমিলারিটি ইনডেক্স (সদৃশ সূচক) খুঁজে বের করার জন্য অনলাইন সফটওয়্যার চালু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)।

এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণা ও এসাইনমেন্টের কাজে সহযোগী তথ্য সহজে খুঁজে পাবে। আবার কেউ গবেষণা বা সাহিত্যে চৌর্যবৃত্তি করে থাকলেও এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেটিও ধরা যাবে সহজে।

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি শনাক্তকরণে সহায়তার জন্য পৃথিবীব্যাপী জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে টারনিটিন। কিন্তু এ সফটওয়্যার শুধু ইংরেজি গবেষণার সিমিলারিটি ইনডেক্স নির্ণয় করতে সক্ষম। সে ক্ষেত্রে বাংলা গবেষণায় সিমিলারিটি ইনডেক্স নির্ণয় করার জন্য কোনো সফটওয়্যার ছিল না। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবন করেছে বাংলা ভাষায় গবেষণার সহযোগী তথ্য দিতে এবং চৌর্যবৃত্তি ধরার সহযোগী সিমিলারিটি ইনডেক্স নির্ণয়কারী সফটওয়্যার।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বাংলা টেক্সট সিমিলারিটি নির্ণয়ের এ সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সফটওয়্যারটি উদ্বোধন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক আবদুস সাত্তার এবং তার দল ও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আবদুস সাত্তার বলেন, এ সফটওয়ার আরও উন্নত করা হবে। প্রাইমারী সোর্স ইনক্লিড করাসহ এতে বিভিন্ন সংযোজন করতে হবে। তারপর নীতিমালার আলোকে এটিকে কমার্শিয়ালি শুরু করবো।

অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এ সফটওয়্যার উদ্ভাবনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক নতুন যুগে পদার্পণ করেছে। এটি আমাদের অসাধারণ এক অর্জন। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া এলায়েন্স তৈরিতে এ সফটওয়্যার অবদান রাখবে। যেটি আমাদের র্যাংকিংয়েও প্রভাব ফেলবে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়, দেশ-জাতি তথা সভ্যতার উন্নয়নে এটি নানাভাবে অবদান রাখবে।

প্রসঙ্গত, এ সফটওয়্যারে বাংলা ভাষায় লিখিত বিভিন্ন রিসার্চ আর্টিকেল, এসাইনমেন্ট প্রথমিক সোর্স হিসেবে যুক্ত করা হবে। সেক্ষেত্রে উইকিপিডিয়াসহ বিভিন্ন গবেষণা ব্যবহার করা হবে। তারপর নতুন কোনো গবেষণার সিমিলারিটি ইনডেক্স নির্ণয়ের জন্য সফটওয়্যারে ইনপুট করা হলে সফটওয়্যার সেটি নির্ণয় করবে।


আরও খবর