Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

কোরবানি নিয়ে নবিজীর (সা.) ঘোষণা

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১২৫জন দেখেছেন
Image

ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত কোরবানি। আল্লাহর সঙ্গে বান্দার ভালোবাসার অনন্য ইবাদত এটি। মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম আল্লাহর ভালোবাসার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ এ কোরবানি মহান রবের সেরা নিদর্শন। কোরবানি একদিকে খুশির দিন অন্যদিকে নবিজীর বিশেষ ভাবনার দিন। এ দিন নিয়ে তিনি ঘোষণা করেছেন বিশেষ সুসংবাদ। কী সেই সুসংবাদ?

সামনে আসছে ঈদুল আজহা তথা কোরবানি। উদহিয়া বা কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহ তাআলা কোরবানি করার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ

’সুতরাং তোমার তোমাদের রবের কাছেই প্রার্থনা কর ও কোরবানি দাও (একমাত্র তার জন্যেই)।’ (সুরা কাউছার : আয়াত ২)

দ্বিতীয়ত কোরবানি দেওয়া নিয়ে নবিজী বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন। যা একটি বিশেষ পছন্দনীয় আমল। হাদিসে এসেছে-

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ঈদের নামাজের পর কোরবানি করল, সে তার ইবাদত পূর্ণ করল (ঈদের দিনের) এবং মুসলিমদের (পথ ও পন্থা) অনুসরণ করলো।’ (বুখারি)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, ঈদুল আজহার দিনে পশু কোরবানির চেয়ে প্রিয় কোনো আমল আল্লাহ তাআলার কাছে নেই।'

মনে রাখতে হবে

কোরবানি করাকে ইসলামের অন্যতম নিদর্শন বলা হয়েছে। অন্য যেসব আমলগুলো ইসলামের নিদর্শন, সেসব আমলগুলোর মধ্যেও কোরবানি অন্যতম। ইসলামে কোরবানির গুরুত্ব অনেক বেশি।

মুসলিম উম্মাহর জন্য পশু জবাই করার মাধ্যমে কোরবানি করা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সুন্নাহ। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে কোরবানি করেছেন। তাঁর উম্মতকে কোরবানি করতে উৎসাহিত করেছেন।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, কোরবানির মতো বিশেষ ইবাদত আল্লাহর ভালোবাসা ও সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যথাযথভাবে পালন করা। আল্লাহর ভালোবাসায় নিজেকে নিয়োজিত করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কোরবানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ও আমল যথাযথভাবে করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



‘দুদক শুধু চুনোপুঁটি নয়, রাঘববোয়ালদেরও ধরে’

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ০৪ August ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শুধু চুনোপুঁটি নয়, এখন রাঘববোয়ালদেরও ধরে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান। তিনি বলেন, দুদক বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। অনেক বড় বড় সরকারি কর্মকর্তা এখন কারাগারে আছেন। কেউ অপরাধী হলে জীবদ্দশাতেও তাদের ছাড় দেওয়া হয় না। শুধু মারা গেলেই নিস্তার পাওয়া সম্ভব। দুর্নীতি যারা করেন তারা জাতির শত্রু। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম আমৃত্যু চলবে।

বুধবার (৩ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শহীদ শাহ আলম বীরোত্তম অডিটোরিয়ামে দুদকের গণশুনানিতে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘জিরো টলারেন্স টু করাপশন’ লক্ষ্য নিয়ে দুদক কাজ করছে জানিয়ে ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দুদক কাজ চালিয়ে যাবে। বর্তমানে ৩৬টি কার্যালয়ে দুদক কাজ করছে। ৭০ ভাগ মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছি। দেশে -বিদেশে দুদকের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গণশুনানিতে ভুক্তভোগী জনসাধারণ তাদের অভিযোগসমূহ তুলে ধরেন। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনেও এ ধরনের গণশুনানী করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, দুদক মহাপরিচালক (আইসিটি ও প্রশিক্ষণ) এ কে এম সোহেল, সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, দুদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান, চট্টগ্রাম মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী প্রমুখ।


আরও খবর



ঢাকায় দূতাবাস চালু করতে রাজি উজবেকিস্তান

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

ঢাকায় দূতাবাস চালুর বিষয়ে সম্মত হয়েছে উজবেকিস্তান। একইসঙ্গে ঢাকা-তাসখন্দ রুটে ফ্লাইট চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্মত হয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশটি।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভ ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত সৌজন্য বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহায়তাবিষয়ক তৃতীয় ইন্টার-গভর্নমেন্টাল কমিশন সভায় যোগ দিতে বর্তমানে ঢাকা সফর করছেন উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভ।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ২০২১ সালে তার উজবেকিস্তান সফরকালে সেদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন এবং ঢাকায় উজবেকিস্তানের একটি কূটনৈতিক মিশন খোলার বিষয়ে উজবেক রাষ্ট্রপতির ইতিবাচক মনোভাবের কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ সরকার ঢাকায় উজবেকিস্তানের কূটনৈতিক মিশন খোলার ব্যাপারে সব ধরনের সহায়তা দেবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উজবেক উপ-প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দেন।

এর প্রেক্ষিতে উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় তার দেশের দূতাবাস খোলার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন দুদেশের মধ্যে যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি দুদেশের মধ্যে পূর্বের মতো বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে জোর দেন। এ বিষয়ে দুদেশের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনায় কোড শেয়ারিং পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা হয়। ঢাকা-নয়াদিল্লি রুটে বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইট এবং নয়াদিল্লি-তাসখন্দ রুটে উজবেক এয়ারের নিয়মিত ফ্লাইট দুটোর মধ্যে কোড শেয়ারিং পদ্ধতিতে দুদেশের জনগণ ভ্রমণ করতে পারবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া পরবর্তীতে চাহিদা বিবেচনা করে ঢাকা-তাসখন্দ সরাসরি ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়।

jagonews24

উজবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী খোদজায়েভ বাংলাদেশ এবং উজবেকিস্তানের মধ্যে মোঘল আমল থেকে শুরু হওয়া ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ এবং উজবেকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও ইরানের চাবাহার বন্দরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হলে পণ্য পরিবহনে খরচ কম হবে বলে উজবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় ড. মোমেন উজবেকিস্তান থেকে তুলা আমদানির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে উজবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উজবেকিস্তান থেকে তুলা আমদানি করে ভ্যালু অ্যাডিশনের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশে রপ্তানি করতে পারে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন উজবেকিস্তান থেকে সার আমদানির ব্যাপারেও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের এ অগ্রযাত্রায় উজবেকিস্তানও শরিক হতে পারে। ইতোমধ্যে আফ্রিকার কিছু দেশে বাংলাদেশি বিনিয়োগে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইমাম বোখারির কথা তুলে ধরে বলেন, ইমাম বোখারি বাংলাদেশ বহুল পঠিত এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের উজবেকিস্তান ভ্রমণে এবং ব্যবসায়ীদের উজবেকিস্তানে বাণিজ্যের আগ্রহ রয়েছে। এ বিষয়ে সহজে যেন বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা পেতে পারেন সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে খোদজায়েভ বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-ভিসার ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশি যে কোনো নাগরিক ভ্রমণ কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ই-ভিসা গ্রহণ করে উজবেকিস্তান ভ্রমণ করতে পারবেন।


আরও খবর



মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০১ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ভুবন ভোলানো হাসিই ছিল তার অন্যতম পরিচয়। বাংলা সিনেমার এই আইকন আজও বেঁচে আছেন কোটি মানুষের হৃদয়ে। মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই প্রয়াত হন উত্তম কুমার। কলকাতা শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিনেতাকে স্মরণ করে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কলকাতার ভবানীপুরে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্মেছিলেন এই কিংবদন্তি নায়ক। তার আসল নাম ছিল অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। সিনেমায় এসে হয়ে যান উত্তম কুমার। তার অভিনয় খ্যাতি কতটা ছিল মানুষের মুখের একটি উক্তিই এর বড় প্রমাণ। আজও বাঙালিকে বলতে শোনা যায়- ‘নিজেকে কী উত্তম কুমার মনে হয়?’

উত্তম কুমারের জীবনের শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। সংসারের হাল ধরতে শিক্ষাজীবন শেষ না করেই কলকাতা পোর্টে কেরানির চাকরি শুরু করেন। পরে অভিনয়ের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে কাজ করেন মঞ্চে। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে চলচ্চিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে।

৫০ এর দশকে ‘দৃষ্টিদান’ দিয়ে সিনেমা জীবন শুরু। এরপর প্রথম ছবি হিসেবে ‘দৃষ্টিদান’ ছবিটিও ব্যর্থ হয়। অবশেষে রূপালি পর্দায় ‘মায়াডোর’ দিয়ে উত্তম কুমারের শুরু। ‘বসু পরিবার’ ছবিটি দিয়ে খানিকটা পরিচিতি আসে। ১৯৫৩ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবি দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে ঝড় তোলেন উত্তম কুমার।

সেই ছবির মধ্য দিয়েই বাংলা চলচ্চিত্র পায় তার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা। শুরু হয় উত্তম যুগ। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে ‘হারানো সুর’, ‘পথে হল দেরী’, ‘সপ্তপদী’, ‘চাওয়া পাওয়া’, ‘বিপাশা’, ‘জীবন তৃষ্ণা’ আর ‘সাগরিকা’-এর মতো কালজয়ী সব ছবি করে সবার হৃদয়ে স্থান করে নেন উত্তম।

একে একে অনেক সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের অভিনেতা তিনি। রোমান্টিক অভিনেতার চূড়ায় অবস্থান করেন উত্তম কুমার। পান মহানায়কের খ্যাতি। শুধু বাংলা ছবিই নয়, বেশ কয়েকটি হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন উত্তম কুমার। এর মধ্যে ‘ছোটিসি মুলাকাত’, ‘অমানুষ’, ‘আনন্দ আশ্রম’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ ও ‘চিড়িয়াখানা’ উত্তম কুমারের আরো দুটি সেরা চলচ্চিত্র। উত্তম কুমারকে ভেবেই ‘নায়ক’ ছবি করার কথা ভেবেছিলেন সত্যজিৎ রায়। ‘নায়ক’ উত্তমের ক্যারিয়ারের ১১০তম ছবি। এই ছবিটি আজও সিনেমাপ্রেমীদের মনে এক অন্যরকম আলোড়ন তৈরি করে।

‘সাড়ে চুয়াত্তর’ তাকে চলচ্চিত্র জগতে স্থায়ী আসন করে দেয়। এই ছবিতে তিনি সুচিত্রা সেনের বিপরীতে অভিনয় করেন। এই ছবির মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল উত্তম-সুচিত্রা জুটির সূত্রপাত হয়।

উত্তম কুমার গৌরী দেবীকে বিয়ে করেন। তাদের একমাত্র সন্তান গৌতম চট্টোপাধ্যায় মাত্র ৫৩ বছর বয়সে ক্যান্সারে মারা যান। গৌরব চট্টোপাধ্যায় উত্তম কুমারের একমাত্র নাতি। তিনি বর্তমানে টালিগঞ্জের জনপ্রিয় ব্যস্ত অভিনেতা।

১৯৬৩ সালে উত্তম কুমার তার পরিবার ছেড়ে চলে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি তৎকালীন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে বসবাস করেন।


আরও খবর



ফের আসামকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের যুবারা

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

ভারত সফরটা দারুণ কাটছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দলের। আসাম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অনূর্ধ্ব-১৬ দলের বিপক্ষে তিন দিনের দুই ম্যাচ সিরিজে ২-০ ব্যবধানেই জিতেছে বাংলাদেশের যুবারা। কোনো ম্যাচেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা, সহজ জয় পেয়েছে সফরকারীরা।

গৌহাটির আমিনগাও ক্রিকেট গ্রাউন্ডে দ্বিতীয় তিন দিনের ম্যাচটিতে ইনিংস ও ২৪৪ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দল। প্রথম ম্যাচে জয়ের ব্যবধান ছিল ১০ উইকেট। এবার দ্বিতীয় ম্যাচের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের যুবাদের করা ৮ উইকেটে ৪৩১ রানের সংগ্রহ দুই ইনিংসে ২০ উইকেট হারিয়েও টপকাতে পারেনি আসামের যুবারা।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সফরকারীদের পক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকান জাওয়াদ আবরার ও হাসানুজ্জামান। ওপেনার জাওয়াদ ২০৩ বলে ১৮ চার ও ৫ ছয়ে করেন ১৩৯ রান। হাসানুজ্জামান মাত্র ৮৩ বলে ১৪ চার ও ৭ ছয়ে করেন ১১৪ রান। এছাড়া কালিম সিদ্দিকী ৭২ রান করলে ৮ উইকেটে ৪৩১ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দল।

জবাব দিতে নেমে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৮ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন সবশেষ স্কুল ক্রিকেট মাতানো শাইখ ইমতিয়াজ শিহাব। এছাড়া সঞ্জিত মজুমদার, আল ফাহাদ ও ফারহান শাহরিয়ার নেন দুইটি করে উইকেট।

৩৬৩ রানে পিছিয়ে থেকে ফলো-অনে পড়ে আসাম। দ্বিতীয় ইনিংসেও সুবিধা করতে পারেনি তাদের ব্যাটাররা। এবার খানিক উন্নতি করে তারা অলআউট হয় ১১৯ রানে। এই ইনিংসে ফারহান শাহরিয়ার নেন ৫ উইকেট। এছাড়া সামিউন বশির ৩ ও ইমতিয়াজ শিহাবের শিকার ২টি করে উইকেট।

তিন দিনের ম্যাচের সিরিজ জেতার পর এবার আসামের যুবাদের বিপক্ষে পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশের যুবারা। আগামী ৮, ১১ ও ১৩ আগস্ট হবে দুই দলের মধ্যকার তিনটি একদিনের ম্যাচ।


আরও খবর



৭ ঘণ্টা পর কক্সবাজার সৈকতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

কক্সবাজার সৈকতের ইনানী পয়েন্টে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া ঢাকার স্কুল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজের দীর্ঘ সাত ঘণ্টা পর ইনানী সৈকত থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে চার কাজিন গোসলে নেমে এ নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছিল। মৃত আবদুল্লাহ (১৬) ঢাকার মহাখালী ডিওএইচএসর বাসিন্দা কর্নেল ডা. শহিদের ছেলে। সে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সাগরে হারিয়ে যাওয়া আবদুল্লাহর মরদেহ বুধবার বিকেল ছয়টায় ডেলপাড়া এলাকার বিচে ভেসে আসে। মরদেহটি ট্যুরিস্ট পুলিশ, সি সেইফ লাইফগার্ড ও বিচ কর্মীদের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়। পরে বাবা কর্নেল শহিদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, সামরিক বাহিনীর চিকিৎসক কর্নেল শহীদ পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে রয়েল টিউলিপ হোটেলে ওঠেন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে কর্নেল শহীদের ছেলে আবদুল্লাহ তার চার কাজিন মিলে অভিভাবকদের না জানিয়ে বে-ওয়াচ আর সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পার মাঝামাঝি বিচে গোসলে যায়। উত্তাল ঢেউয়ে গোসল শেষে তিনজন ওপরে উঠতে পারলেও আবদুল্লাহ ঢেউয়ের সঙ্গে ডুবে যায়।


আরও খবর