Logo
আজঃ রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

কলারোয়ায় ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হলো গনহত্যা দিবস

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৭০জন দেখেছেন

Image

কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: কলারোয়ায় গনহত্যা দিবসের সকল অনুষ্ঠান খুব ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হয়েছে। শনিবার ২৫মার্চ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলারোয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থিত শহিদ মিনার ও শহীদের স্মৃতি বিজয় স্তম্ভে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন-কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী
অফিসার রুলী বিশ্বাস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা সুলতানা নীলা।

এর পরে পর্যায়ক্রমে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ, কলারোয়া পৌরসভা, কলারোয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় বিজয় স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপরে কলারোয়া উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে ২৫মার্চ গনহত্যা দিবসের এক আলোচনা সভার আয়োজন করে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসন। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন-সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেনজির হেলাল, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দীন মৃধা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা সুলতানা নীলা, কলারোয়া পৌর সভার মেয়র মাস্টার মনিরুজ্জামান বুলবুল।

সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন- কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের দাপ্তরিক প্রধানগণ, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কলারোয়া শাখার সভাপতি ও কলারোয়া পৌর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংবাদিক সরদার জিল্লুর, সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলি, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু রায়হান ও সহ.সাংগঠনিব সম্পাদক সাংবাদিক সেলিম খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে-কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন-কলারোয়া উপজেলার কোন জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মিদের ২৫ মার্চের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করার জন্য আমি হতবাক হয়েছি। এদিকে ২৫ মার্চের আলোচনা অনুষ্ঠান ও ফুল দেওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। একই সুরে সুর মিলিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউএনও রুলী বিশ্বাস, থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দীন মৃধা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান।


আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪




থানার ভিতরেই নষ্ট হচ্ছে ৩ কোটি টাকা মুল্যের মোটরসাইকেল, কারও মাইক্রোবাস

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রায় শতাধিক দামি মোটরসাইকেল পড়ে আছে সৈয়দপুর থানার খোলা আকাশের নিচে। শুধু মোটরসাইকেল নয়, পাশেই রয়েছে জরাজীর্ণ মাইক্রোবাস প্রাইভেট কার, সহ অন্যান্য যানবাহন। নিত্যদিনের রোদ, বৃষ্টি,আর ধুলায় এসব গাড়ির যন্ত্রাংশে মরিচা ধরে গেছে। একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন, অবহেলায় পড়ে থাকায় অধিকাংশ যানবাহন অকেজো হয়ে গেছে।এ যানবাহনগুলোর অধিকাংশই বিভিন্ন অপরাধে জব্দ করা মামলার আলামত। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে এগুলো। আইনি জটিলতার কারণে অনেক মালিকই ছাড়িয়ে নিতে পারেন না এসব।  অন্যদিকে আইনি জটিলতার কারণে নিলাম না হওয়ার কারনে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

গতকাল ১ এপ্রিল সোমবার থানায় গিয়ে দেখা যায়, থানা প্রাঙ্গণে খোলা আকাশের নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে জব্দ করা প্রায় শতাধিক যানবাহন। সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় যানবাহন খোলা স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। 

থানার কর্মকর্তাদের দাবি, জব্দ করা যানবাহন রাখার জন্য আলাদা  নির্দিষ্ট কোন গ্যারেজ নেই। গ্যারেজ থাকলে জব্দ করা যানবাহন গুলো নষ্ট হতো না। সরকারের কোষাগারে জমা হতো পর্যাপ্ত রাজস্ব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর থানায় জব্দকরা যানবাহনগুলো একই স্থানে পড়ে আছে বছরের পর বছর। ১০/১২ বছর আগে আটক করা গাড়িও আছে সেখানে। যার অধিকাংশই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক গাড়ি রয়েছে যেগুলোর ভেতরে, বাইরে ধুলা, ময়লা জমে যন্ত্রাংশ ক্ষয়ে খসে পড়ছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা মোটরসাইকেলের সংখ্যা  প্রায় শতাধিক। এ ছাড়া ৩ টি প্রাইভেটকার ১ টি মাক্রোবাস সহ অন্যান্য যানবাহন খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, বিভিন্ন অপরাধে এসব যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। কাগজপত্র না থাকায় সঠিক মালিকের কাছেও হস্তান্তর করা যাচ্ছে না। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন বলে তিনিও মনে করেন। কিন্তু গ্যারেজের মত সেড না থাকায় সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘দৈনিক অথবা মাসে যে পরিমাণ গাড়ি আমাদের এখানে জমা হচ্ছে, সে অনুসারে মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। আইনি জটিলতার ফলে জব্দ হওয়া বাহনের সংখ্যা বাড়ছে। অল্প জায়গায় অধিক যানবাহন রাখার কারণে নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রাংশ। জায়গা না থাকায় এগুলোকে খোলা আকাশের নিচে রাখতে হয়।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাকির হোসেন বলেন গাড়ি রাখার ভালো কোন জায়গা না থাকায় অনেক সময় অনলাইনের মাধ্যমে জরিমানা করে গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়। ভালো জায়গা থাকলে ও কাগজ পত্র বিহীন গাড়ির দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি হলে, খোলা আকাশের নিচে যানবাহন নষ্ট হতো না এবং সরকারও পেতো রাজস্ব। 


আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪




অবশেষে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলো

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলো । শনিবার (১৬ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে ৭ দফার ম্যারাথন এই ভোটের সময়সূচি ঘোষণা করেন দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজিব কুমার।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৯ এপ্রিল শুরু হবে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। আর ৭ দফার এই ভোটগ্রহণ শেষ হবে আগামী ১ জুন। ভোট গণণা শুরু হবে আগামী ৪ জুন। লোকসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে এদিন কঠোর নির্বাচনি আচরণবিধির বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচন কশিনার রাজিব কুমার।

সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজিব কুমার বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে এ বিষয়ে নোটিশ পাঠানো হবে। সেখানে নির্বাচন নিয়ে আমাদের নির্দেশিকা থাকবে। প্রচার-প্রচারণার সময় প্রার্থীরা যাতে কোনোভাবেই সীমা অতিক্রম না করেন, সে দিকেও নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন।

এছাড়াও, এবারের লোকসভা নির্বাচনী প্রচারণায় শিশুদের ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ম্যারাথন এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২১শ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে বলেও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজিব কুমার।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৯৭ কোটি। এরমধ্যে নতুন ভোটার প্রায় ১ কোটি ৮২। যার মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৮৫ লাখ। এছাড়াও, দেশজুড়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিহার এবং উত্তরপ্রদেশেও ৭ দফায় ভোট হবে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট হবে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে।

এদিকে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার সি-ভোটার ও এবিপি আনন্দের যৌথ এক নির্বাচনি জরিপে এ তথ্য জানানো হয়।


আরও খবর



পোরশায় একটি “মিনি পুকুর” বদলে দিয়েছে শিক্ষিত বেকার যুবকের ভাগ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৫৪জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ পোরশা (নওগাঁ):শিক্ষিত বেকার যুবকের নাম নাইমুল ইসলাম নাঈম, তিনি এইচএসসি পাস করে নওগাঁর পোরশা সরকারি কলেজে অনার্স ৩য় বর্ষে পড়াশোনা করছিলেন, কিন্তু গত করোনা মহামারির সময় পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়েন। বাড়িতে বেকার বসে থাকা এবং পারিবারিক আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাকে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে চলে আসতে হয় বাপ-দাদার পেশা কৃষি কাজে। বরেন্দ্র অঞ্চল এখন আমের জন্য বিখ্যাত হওয়ায় তিনি আম চাষ করার পরিকল্পনা করেন। গত বছর তার গ্রামের পাশের মাঠে স্থানীয় এক ব্যক্তির নিকট থেকে ১২বছরের জন্য সোয়া ২বিঘা জমি লিজ নিয়ে তৈরি করেন আম্ব্রপালী জাতের আম বাগান। আর সেই বাগানের মধ্যে থাকা ছোট গর্তকে একটি বেসরকারি সংস্থার আর্থিক সহযোগিতায় পুনঃখনন করে তৈরি করেন একটি মিনি পুকুর। ঐ পুকুরের পানি ব্যবহার করে, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করে শিক্ষিত এই বেকার যুবকের ভাগ্যের চাকা ঘোরা শুরু করেছে।

নাইমুল ইসলাম নাঈম নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের ছাওড় দক্ষিনপাড়া গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে, তার এই বাগানটি ছাওড়ের বরেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন।

তরুণ চাষি নাইমুল ইসলাম নাঈম জানান, জমিতে আম বাগান তৈরি করার পরে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট তীব্র খরা প্রবন এলাকা হওয়ায় পানির অভাবে তার আম বাগানের গাছ মরতে শুরু করে। বাগানটি রাস্তার সাথে হওয়ায় মরা গাছগুলি ঐ এলাকায় কাজ করা বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবি’র কর্মকর্তাদের নজরে আসে। সংস্থার পক্ষ হতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে ঐ বাগানে থাকা একটি ছোট গর্তকে পুনঃখনন করে আনুমানিক ১শতাংশ জমির উপর একটি মিনি পুকুর তৈরি করা হয়। এই মিনি পুকুর মূলত আকাশের বৃষ্টির পানি ধরে রেখে প্রয়োজন ও পরিমাণমতো গাছে পানি সেচ দেওয়ার কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে। ঐ পুকুর থেকে বাগানের গাছ বাঁচিয়েও সিসিডিবি’র সহযোগিতায় পুকুর পাড়ে বেগুন, লাউ, টমেটো, সিম, করলা, পটল, গাজরসহ বিভিন্ন জাতের শাকসবজি চাষ করেন নাঈম। এর পরেও ঐ মিনি পুকুরে পানি অবশিষ্ট থাকায় সিসিডিবি কর্মকর্তাদের পরামর্শে আম বাগানের সাথি ফসল হিসাবে তিনি চাষ করেন মিষ্টি কুমড়া। বিনামূল্যে উন্নতমানের মিষ্টি কুমড়ার বীজ, ফেরোমেন ফাঁদ, হলুদ আঠাঁলো ফাঁদ, ২/৩জি কাটিং পদ্ধত্তি, কেঁচো সারের ব্যবহার, মালচিং ইত্যাদি জৈব পদ্ধত্তি চর্চা করার জন্য সহায়তা করে আসছে সিসিডিবি।

চাষি নাঈম আরও জানান, আম বাগান বাদে শুধু মিষ্টি কুমড়া পরিচর্যায় এখন পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে প্রায় ১০হাজার টাকা। বাগানে মিষ্টি কুমড়ার গাছ রয়েছে ৮৫০টি, প্রতি গাছে ফল রয়েছে ৩-৪টি, তবে গাছে পর্যায়ক্রমে ফল ধরা চলমান রয়েছে। বর্তমান স্থানীয় বাজারে এই ফল বিক্রি হচ্ছে সাইজ ভেদে ৫০-৬০ টাকা প্রতিটি। শুধু মিষ্টি কুমড়া বিক্রয় করে দেড় লক্ষাধিক টাকা আয় করবেন বলে তিনি আশা করছেন। এছাড়াও তিনি তার পুকুরপাড় থেকে বিভিন্ন জাতের শাকসবজি বিক্রি করে প্রতি মাসে ২-৩ হাজার টাকা আয় করছেন। এর সবগুলো ঐ মিনি পুকুরের সংরক্ষিত বৃষ্টির পানির কারণে সম্ভপর হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বেসরকারি সংস্থা খ্রিস্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি) এর প্রোমোটিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট কমিউনিটিস ইন বাংলাদেশ-২ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রুপন বলেন, আমরা প্রকল্পের কাজের জন্য ঐ বাগান সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। পানির অভাবে বাগানের গাছগুলো মরে যাচ্ছে দেখে আমাদের প্রকল্প থেকে উক্ত উপকারভোগী সদস্যকে “জলবায়ু অভিযোজিত কৃষি প্রযুক্তির উদ্ভাবন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রসারের জন্য” ঐ বাগানে থাকা একটি ছোট গর্তকে পুনঃখনন করে একটি মিনি পুকুর তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করি। তীব্র খরা প্রবণ এলাকা হওয়ায় খরা মৌসুমে এই এলাকার অনেক পুকুরই পানিশূন্য হয়ে যায়। আমরা ঐ মিনি পুকুরে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দিয়েছি, এখানে পানিতে কচুরিপানা এবং তালপাতা রাখা হয়েছে যাতে পানি কম বাষ্প হয় এবং বেশি দিন পানি ব্যবহার করা সম্ভব হয়। তিনি আরও জানান, তীব্র খরা প্রবণ এই এলাকার বিভিন্ন জমিতে বিশেষ করে নতুন ফল বাগানগুলোতে এমন মিনি পুকুর খনন করলে কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বেশ অবদান রাখা যাবে। একই সাথে বৃষ্টির পানি ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে ভূমিকা রাখবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, আমরা আম চাষি কৃষকদের আম বাগানে সাথি ফসল হিসাবে এই জাতীয় শাকসবজি ও মসলার মধ্যে পেঁয়াজ রসুন চাষ করতে বলছি। এতে আম গাছের পরিচর্যায় যে খরচ হবে তা এখান থেকেই উঠে আসবে। সিসিডিবির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এমন মিনি পুকুর এই এলাকার বাগানগুলোতে তৈরি করতে পারলে জমিতে সেচের পানির সংকট নিরসনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। 


আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪




রামগড় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮কেজি গাঁজসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল  প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে  অবৈধ মাদকদ্রব্য ৮ কেজি গাঁজা সহ মো. রফিকুল ইসলাম(৩৭) নামের এক মাদক কারবারিকে  গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মহোদয় এর নির্দেশনায় এবং দক্ষ নেতৃত্বে খাগড়াছড়ি জেলার সকল স্থানে পুলিশি অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে  রামগড় থানার চৌকস আভিযানিক দল রামগড় থানা এলাকায় নিয়মিত মাদক উদ্ধার ও  বিশেষ অভিযান পরিচালনা করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামগড় থানাধীন ১নং রামগড় ইউপির ৭নং ওয়ার্ড পশ্চিম বলিপাড়া বাজারস্থ জনৈক নুর উল্ল্যাহ এর পান দোকানের সামনে অভিযান পরিচালনা করে  মো. রফিকুল ইসলাম(৩৭) কে ৮কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন-মো. রফিকুল ইসলাম(৩৭) দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউপির ৪নং ওয়ার্ড বাঁচামেরুং এলাকার 
মৃত ওমর আলীর ছেলে।

রামগড় থানা পুলিশ সূত্রে জানাগেছে আসামীর নিজ হেফাজতে হইতে ২টি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় ৪কেজি করে ৮ কেজি নেশাজাতীয় গাঁজা কাচা মরিচ দ্বারা বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় গাঁজা সহ আসামীকে  আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করতঃ আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আরও খবর



দীর্ঘদিন পর সিনিয়র সাংবাদিক বীরপুত্র হাবিবের পুত্র সন্তান

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি:গত বৃহস্পতিবার ২৪ রমজান ১৪৪৫ হিজরী ২১ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ০৪ এপ্রিল ২০২৪ বেলা ১১ ঘটিকায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে  মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ হাবিবুর রহমান এর পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে । উল্লেখ্য বড় কন্যা হাবিবা নীম (২৩/০৩/২০০৭ ইং)।

আপনারা আমার পরিবার ও শিশু বাচ্চার জন্য দোয়া করবেন যেন বড় হয়ে কুরআনে হাফেজ ও বড় আলেম হতে পারে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সহযোগিতা করতে পারে । সাংবাদিক হাসিনা ৪ এপ্রিল - ৬ এপ্রিল দুপুরে সদর হাসপাতালের ৯ নং ওয়ার্ডের ৯ নং বেড থেকে ছেড়ে দিলে পুত্র সন্তান আব্দুর রহমান মালিথা কে নিয়ে বটতৈল বাড়ীতে চলে এসেছেন।  

সরকারী হাসপাতাল মানেই ফ্রি চিকিৎসা সেবা না , টাকা দিলেই মিলবে সুন্দর সেবা , অন্যথায় সেবা প্রত্যাশিতরা রাগ করেই চলে যায় বাহিরের বে-সরকারী হাসপাতালে ।

আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪