Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কল ড্রপের বিষয়ে ছাড় পাবে না কোনো মোবাইল অপারেটর: পলক

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কল ড্রপ এখন একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে অসন্তোষের শেষ নেই। আমরা আগামী জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকেই অ্যাকশনে যাব। কল ড্রপের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর ছাড় পাবে না, বলেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

রোববার (৩০ জুন) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান সংক্রান্ত বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশনা দেন।

পলক বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে কল ড্রপের হার কমিয়ে আনার জন্যই আজকে আমরা বৈঠকে বসেছি। সরকার মোবাইল অপারেটরদের যেসব সুবিধা দিয়েছে তার বিপরীতে গ্রাহকরা প্রতিশ্রুত সেবা পাচ্ছেন কি না সেটিই বড় বিষয়। সম্প্রতি বিটিআরসি কল ড্রপ নিয়ে যে পরীক্ষাগুলো করেছে সে রিপোর্ট অনুসারে কোয়ালিটি অব সার্ভিস খুব সন্তোষজনক নয়। মোবাইল ফোন এখন জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা দেখছি যে, আমাদের গ্রাহকেরা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে কলড্রপ নিয়ে অপারেটরগুলো থেকে যে তথ্য দিক না কেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না গ্রাহক এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে একটা উল্লেখযোগ্য চিত্র না পাব বা রিক্যাকশন না পাব ততক্ষণ পর্যন্ত শুধু কাগজে-কলমে বা ডিজিটাল উপস্থাপনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে সন্তুষ্ট হব না।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের (মোবাইল অপারেটরদের) পরিষ্কার বার্তাটি দেওয়ার জন্য আজ আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা একটি স্মার্ট টেলিকম ইকোসিস্টেম বাংলাদেশকে উপহার দিতে চাই। কলড্রপের জন্য গ্রাহকের যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা আমরা আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে যাব। যেহেতু আমরা আরও কঠোর অবস্থানে যাব, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা যেন করা হয়। সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণটাই আমরা দেওয়ার চেষ্টা করব, যাতে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরগুলো একটা চাপে থাকে যে, তারা যদি সেবা না দেয় তাহলে তাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

পলক আরও বলেন, আমরা মনিটরিং এবং অডিট নিয়মিত করব। বেঞ্চমার্ক যাই থাকুক, কলড্রপ রেট কাগজে-কলমে যাই থাকুক, আমাদের গ্রাহকের সন্তুষ্টির ওপর জোর দেব। ফাইভজি রোল আউটেরও একটা নির্দিষ্ট টার্গেট বিটিআরসি এবং চারটি মোবাইল অপারেটরকে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এয়ারপোর্ট, সি পোর্ট এবং কিছু বিজনেস ডিস্ট্রিক্টস, কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক-শিল্পাঞ্চলে ফাইভজি রোল আউট করা। তারপর গ্র্যাজুয়ালি রোল আউট করা। আমাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের থার্ড টার্মিনাল অক্টোবরে উদ্বোধন হতে পারে। অক্টোবরকে টার্গেট করে চারটি মোবাইল অপারেটরকে একটা চ্যালেঞ্জ দিতে চাই, যেন অক্টোবরের ৩০ তারিখের মধ্যে ফাইভজি ওখানে নিশ্চিত করতে পারে। পাশাপাশি গুলশান, বনানী, মতিঝিল, আগারগাঁও এলাকায় ফাইভজি এনাবল অনেক স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয় বেশি। আমার বিশ্বাস এখানেও মনোযোগ দেবে।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদসহ গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি এবং টেলিটক অপারেটরদের শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ফুলবাড়ী পৌরসভার ৩৯ কোটি ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৩৬ টাকার বাজেট ঘোষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভার ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে ৩৯ কোটি ৮৯ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫৩৬ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন ফুলবাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ¦ মাহমুদ আলম লিটন। 

গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ফুলবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট ও ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে নতুন কোন কর আরোপ না করে এই বাজেট ঘোষণা করেন। বাজেট পেশ করেন ফুলবাড়ী পৌরসভার সহকারী হিসাবরক্ষক ও (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাজেদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলবাড়ী পৌরসভার নির্বাহী কমকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ লুৎফুল হুদা চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর মোঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার মাসুদ, মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ আব্দুল মজিদ, মোঃ মাজেদুর রহমান, শ্রী হারান দত্ত, মহিলা কাউন্সিলর মোছাঃ তঞ্জুয়ারা, মোছাঃ বাবলী আরা, মোছাঃ রেবেকা সুলতানা। বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে পৌরসভার সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। বাজেট ঘোষণার অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পৌরসভার জন্ম নিবন্ধন বিভাগের দায়িত্বে মোঃ আশরাফ পারভেজ। আয়োজনে ছিলেন ফুলবাড়ী পৌরসভা।


আরও খবর



হানিফ ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষ ও ডিএমপি'র ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয় সভা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৯৯জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃহানিফ ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক ট্রাফিক প্রেসার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ট্রাফিক ওয়ারি ডিভিশন, ট্রাফিক লালবাগ ডিভিশন এবং ট্রাফিক মতিঝিল ডিভিশনের কর্মকর্তাদের সাথে হানিফ ফ্লাইওভার এর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ অরিয়ন গ্রুপের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ২৯ জুন এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান বিপিএম (বার) পিপিএম (বার)।সভা সঞ্চালনা করেন ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম।ওরিয়ন গ্রুপের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব প্রদান করেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এরফানুল আজিম।

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের টিম ট্রাফিক। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম শর্ত। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নিমিত্তে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে সেতু, উড়াল সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল। মহানগরীর মধ্য দিয়ে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করা স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের  অন্যতম একটি উপাদান। দেশের ৪০টি জেলার পরিবহন হানিফ ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক যাতায়াত করে। ওরিযন গ্রুপ কর্তৃক হানিফ ফ্লাইওভারের  উপর দিয়ে চলাচলকারী পরিবহন থেকে আরএফআইডির মাধ্যমে টোল আদায়ের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। উল্লেখিত তিনটি ট্রাফিক বিভাগের সমন্বয়ে প্রচারণা চালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তাছাড়া শীঘ্রই এক মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের আয়োজন করা হবে। একটি নির্দিষ্ট সময় সকল পরিবহনের ক্ষেত্রে বেধে দেয়া হবে যাতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে সবাই আরএফআইডি কার্ড গ্রহণ করে। আলোচনায় ফ্লাইওভারের উপরের বাস যাতে যখন-তখন  লেন পরিবর্তন করতে না পারে, যেখানে সেখানে বাস পার্কিং করতে না পারে, যেখানে সেখানে যাত্রী উঠা-নামা করতে না পারে - সেজন্য সমন্বিতভাবে ড্রাইভ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি, যাত্রাবাড়ী মোড়ের  ফ্লাইওভারের নিচের আইল্যান্ড ভেঙে বাস চলাচলের রাস্তা প্রশস্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সাথে যৌথভাবে অপারেশন কন্ট্রোল রুম স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কুতুবখালি ফ্লাইওভার ইনকামিং এর রাস্তার  ফেন্সিং করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগ এবং ট্রাফিক লালবাগ বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানটি বুধবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, নির্ধারিত চার দিনের সফর শেষে বৃহস্পতিবার দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অসুস্থ থাকায় রাতেই বেইজিং ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, বুধবার (১০ জুলাই) বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরত যাওয়ার কথা ছিল ১১ জুলাই। সেটি না হয়ে বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টায় বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এতে কিন্তু তার আনুষ্ঠানিক যে কর্মসূচি, সেটির বিন্দুমাত্র হেরফের হয়নি।

নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর সমাপ্ত করার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার কন্যা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ পুতুলেরও বেইজিং সফরের কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি বেইজিং সফর করতে পারেননি। আমরা যেদিন বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা করি, সেদিন সকালে হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি এখনও অসুস্থ। সফরসূচির অন্তর্ভুক্ত সব আনুষ্ঠানিক কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় আর মেয়েকে ছেড়ে দূরে থাকতে চাইছেন না প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার বেইজিং সফরে যান।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



মোবাইল চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোবাইল চোর চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামিদের কাছ থেকে ট্যাব, ল্যাপটপ সহ বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।বুধবার(৩রা জুলাই ) দুপুরে মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুন্সী ছাব্বীর  বিষয়টি নিশ্চিত করেন।গ্রেফতারকৃত ৩ আসামী হলেন- ১। রাব্বি হাওলাদার (১৮), ২। ইয়াসিন আনসারী (৩০), ৩। মোঃ মনির হোসেন (৩৭) ।অফিসার ইনচার্জ মুন্সী ছাব্বীর আহাম্মেদ বলেন, মোবাইল চোর সিন্ডিকেট চক্র রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ মোবাইল কেনা-বেচার বানিজ্য নিয়ে তৎপর। তারা এসব চোরাই মোবাইল ফোন বিভিন্ন মার্কেটের সামনে ভাসমান দোকানে গোপনে বিক্রি করে আসছে। এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোনের ছিনতাইকারী চক্র সুকৌশলে নানা সিন্ডিকেট হোতার সঙ্গে যোগসাজশে এসব চোরাই মুঠোফোন কেনা-বেচায় জড়িত রয়েছে।
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২রা জুলাই ) সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চোরচক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।তিনি আরো বলেন, অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামিদের কাছ থেকে ৩৫টি চোরাই মোবাইল, ২টি ট্যাব, ১ টি ল্যাপটপ ও ১৭টি IMEI নাম্বার বিহীন মোবাইল এর খালি বক্স উদ্ধার করা হয়।মিরপুর মডেল থানা এসআই আব্দুর রকিব খান বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা মূলত কম দামে চোরাই মোবাইল ফোন ক্রয় করে IMEI নাম্বার পরিবর্তন করে তাদের নিজেদের দোকানে অথবা বাইরে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে থাকে।আর এই অপারেশনে দুইজন এসআই ও একজন এএসআই সংযুক্ত থাকেন এস আই সালাউদ্দিন, এস আই রকিব ও এএসআই ওবায়দুল

আরও খবর



পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৬ বছর পূর্তি উদযাপন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ গবেষণা কেন্দ্রের সভাকক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক  মন্ত্রণালয়ের ২৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সোমবার (১৫ জুলাই) পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের ২৬বছর পূতি উদযাপন উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি কেক কাটার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৬ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেনন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ, সুদূরপ্রসারী ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাই শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন চায়। সরকার শান্তিচুক্তির সকল ধারা বাস্তবায়নে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে অঙ্গিকারাবদ্ধ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি  আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন হওয়ার পর থেকে বিগত ২৬ বছর যাবৎ পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও বিদেশী দাতা সংস্থার সাথে সমন্বয় করে পার্বত্য তিন জেলার মানুষের জীবন মান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ এবং তার বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পার্বত্য অঞ্চলের কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য-পুষ্টি, বাসস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণসহ সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম অত্যন্ত স্বার্থকতার সাথে পরিচালনা করে যাচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী-এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব  মো. অামিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, কে এস মং, সদস্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা টীটন খীসা, তিন পার্বত্য জেলার বিশেষ প্রতিনিধি ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর