Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
তিন দিন ধরে স্কুলছাত্রী নিখোঁজ

কিশোরগঞ্জে তিন দিনেও নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়নি

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় স্কুলে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি এক স্কুলছাত্রী (১৬)। এ নিয়ে তিন দিন ধরে তার পরিবার উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।




ওই স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ায় শনিবার (১৪ মে) দিনগত রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে হোসেনপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডি নং-৫২৪, তারিখ-১৪/০৫/২০২২ইং।


নিখোঁজ মেয়েটি হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাতী শাখার ১০ম শ্রেণির ছাত্রী।


জিডি ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে মেয়েটি স্কুলে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফিরে আসেনি।


পরে পরিবারের লোকজন তার খোঁজ করেও সন্ধান পায়নি। নিখোঁজের সময় তার গায়ে ছিল সাদা রঙের স্কুল ড্রেস।


তার উচ্চতা ৫ ফুট এবং গায়ে রং ফর্সা। গত তিন দিন ধরে মেয়েটিকে না পেয়ে পরিবারে চলছে কান্নার রোল। এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। যার জিডি নং-৫২৪, তারিখ-১৪/০৫/২০২২ইং।


কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি মেয়েটির সন্ধান পেলে ০১৭৯১-০৯৪৪৭১ মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করতে মেয়েটির বাবা অনুরোধ জানিয়েছেন।


আরও খবর



গার্ড অব অনার দিয়ে দুই ফায়ার ফাইটারকে বিদায়

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৯৬জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ হারানো দুই ফায়ার ফাইটারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে রাঙ্গামাটিতে। শেষকৃত্যের আগে তাদের দুইজনকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় ফায়ার সাভির্সের তরফ থেকে।

নিহত মিঠু দেওয়ান ও নিপন চাকমা দু’জনই পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির সন্তান। সোমবার (৬ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এর আগে সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাদের মরদেহ নিয়ে আসা হয়।

দু’জনের মরদেহ রাঙ্গামাটিতে আনার পর প্রথমেই তাদের নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। মিঠু দেওয়ানের মরদেহ শহরের ট্রাইবাল আদাম এলাকায় এবং নিপন চাকমা মরদেহ কলেজ গেইট সুদীপ্তা দেওয়ান সড়কের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়িতে মরদেহ পৌঁছালে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

পরবর্তীতে দুজনের মরদেহ ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তাদের দুইজনকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় ফায়ার সাভির্সের তরফ থেকে।

গার্ড অব অনার দিয়ে দুই ফায়ার ফাইটারকে বিদায়

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুই ফায়ার ফাইটারকে ফুল দিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন। এছাড়া শেষকৃত্যের জন্য পরিবারের হাতে জেলা প্রশাসন থেকে ১০ হাজার টাকা ও ফায়ার সার্ভিস থেকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এরপর দুপুর ১২টায় তাদের মরদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রাহ্মণটিলা শ্মশানে মিঠু দেওয়ানের ও আসামবস্তি শ্মশানে নিপন চাকমার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এ সময় চোখের জলে এই ফায়ার ফাইটারদের শেষ বিদায় জানান সহকর্মী ও প্রতিবেশীরা।

গার্ড অব অনার দিয়ে দুই ফায়ার ফাইটারকে বিদায়

মিঠু দেওয়ানের ভাই টিটু দেওয়ান বলেন, মিঠু ১২ দিন ছুটি ভোগ করে শনিবার দুপুরে শহরের ট্রাইবাল আদাম এলাকার বাসা থেকে কুমিরায় কর্মস্থলে যোগ দেন। সেদিন রাতেই সীতাকুণ্ডে আগুন নেভাতে গিয়ে কন্টেইনার বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, এই ধরনের ঘটনা বেদনাদায়ক, এই পেশাটাই এমন চ্যালেঞ্জের। সর্বদাই আমাদের ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে হয়। কন্টেইনারে দাহ্য পদার্থ ছিল এটা জানা থাকলে হয়তো এতো প্রাণহানি হতো না।


আরও খবর



নেত্রকোনার ৩ উপজেলা প্লাবিত, পানিবন্দি ৩ লাখ মানুষ

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৪ June ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনার তিন উপজেলা বন্যার কবলে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, বারহাট্টা প্লাবিত হয়েছে। জেলা ও উপজেলার সঙ্গে গ্রামগুলোর সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অন্তত তিন লাখ মানুষ। তারা এখন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন।

তবে কলমাকান্দার পরিস্থিতি ভয়াবহ। এ উপজেলার আট ইউনিয়নে ৩৪৩ গ্রাম, যার মধ্যে প্রায় সব গ্রামে বন্যার পানি ঢুকেছে। প্লাবিত হয়েছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। উপজেলাজুড়ে পানি থই থই। বেশিরভাগ এলাকায় কোমর পানি। এ উপজেলার বাসিন্দা প্রায় আড়াই লাখ, যার মধ্যে বন্যার কবলে পড়েছেন ৮৫ শতাংশ মানুষ। এতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন মানুষ।

জেলা প্রশাসন সূত্র ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, বন্যায় কলমাকান্দার পরিস্থিতি খুবই নাজুক। উপজেলার চানপুর, নদীপাড়, পশ্চিমবাজার, পূর্ববাজার, কলেজ রোডসহ অধিকাংশ এলাকায় হাঁটুপানি। কোথাও কোথাও পানি উঠেছে কোমর পর্যন্ত। বাড়িঘর, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ-মাদরসারার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরও প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে তিন হাজারের বেশি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে, কলমাকান্দা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, চান্দুয়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছেন শতাধিক বেশি মানুষ।

কলমাকান্দা উপজেলা মোড় এলাকার রড ও সিমেন্ট ব্যবসায়ী প্রণয় তালুকদার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকাল ৭টার দিকে এসে দেখি দোকানে পানি ঢুকেছে। ৪০০ বস্তা সিমেন্ট পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। দুই বছর আগে যে বন্যা হয়েছিল, তার চেয়েও এবারের ব্যাপকতা আরও বেশি।’

কলমাকান্দা সরকারি কলেজের প্রভাষক রোপণ সাহা বলেন, ‘কলমাকান্দার আট ইউনিয়নের প্রায় সব গ্রামই প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার দুই লাখ ৪৫ হাজার মানুষের মধ্যে ৮৫ শতাশংই এখন পানিবন্দি। পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। পানি বাড়ছে, মানুষজন আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন।’

Netrokona.jpg

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সৈকত জানান, ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কংস, সোমেশ্বরী, ধনু, উব্দাখালিসহ ছোট-বড় সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আজ সকাল ৯টার দিকে উব্দাখালি নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে বিপৎসীমা ৬ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল হাসেম বলেন, ‘কলমাকান্দার সব এলাকায় এখন বন্যার পানি। অবস্থা তেমন ভালো না। ইউএনও কার্যালয়, উপজেলা পরিষদসহ শহরে হাঁটুপানি থেকে কোমর পানি। মানুষের আশ্রয়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৪০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, ‘কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও বারহাট্টা উপজেলার মধ্যে কলমাকান্দায় বেশি বন্যা হচ্ছে। ক্রমশ পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। তিন উপজেলায় অসংখ্য মানুষ পানিবন্দি। রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ডুবে যাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে বন্যাকবলিত প্রতিটি উপজেলায় ২০ মেট্রিক টন করে চাল ও নগদ দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শুকনো খাবারসহ ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে। কলমাকান্দায় ৭টি আশ্রয়ণকেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরমধ্যে কলমাকান্দা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫০টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরকে খাবারসহ সব ধরনের সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে।’


আরও খবর



সেনাবাহিনীর বিশেষ টিম কাজ করছে কেমিক্যাল কনটেইনারে

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

ঢাকা থেকে আজ (মঙ্গলবার) সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত টিম সীতাকুণ্ডে এসেছে। সেখানে বিপজ্জনক আরও কিছু আছে কি না তা নিয়ে কাজ করছেন তারা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ১৮ ব্রিগেডের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম হিমেল মঙ্গলবার (৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় ঘটনাস্থলে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম হিমেল বলেন, ডিপো বিশাল একটি এলাকা। এখানে রাসায়নিক কনটেইনার ছিল। সেগুলো শনাক্ত করতে আমাদের কিছুটা সময় লাগে। এরই মধ্যে আমরা বেশ কিছু কনটেইনার শনাক্ত করেছি এবং বেশ কিছুটা সময় অতিক্রম হয়েছে। তাই আমরা আশা করছি আর কোনো বড় ধরনের বিপদ হওয়ার আশঙ্কা নেই। ঢাকা থেকে আজ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত টিম এসেছে। এখানে বিপজ্জনক আর কিছু আছে কি না, সেগুলো নিয়ে কাজ করছে। তাদের কাজ শেষে আমরা একটি ফাইনাল রিপোর্ট পাবো।

তিনি বলেন, কিছু কনটেইনারে কাপড়ের জিনিসপত্র আছে। সেগুলোতে পানি দেওয়ার পর ধোঁয়া বেরোচ্ছে। ডিপোর ডেঞ্জারাস এলাকা মার্ক করে কাউকে কাছে যেতে দেইনি। এখানে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতার পাশাপাশি এখানে ড্রেনেজ কন্ট্রোল, সিকিউরিটি কন্ট্রোল এবং প্ল্যানিং কন্ট্রোলের ব্যাবস্থা করেছে সেনাবাহিনী।

এদিকে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ৬১ ঘণ্টা পর তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এর আগে শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে।


আরও খবর



গাজীপুরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

গাজীপুরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুন) দুপুরে জেলার কাপাসিয়ায় এক কৃষক এবং বিকেলে কালিয়াকৈরের ফুলবাড়িয়ায় বজ্রপাতে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন, কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে কিরণ মিয়া (৫০) ও কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের মজিদচালা এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুস সোবাহান (৫৫)। বিলে মাছ ধরতে গিয়ে কিরণ মিয়া এবং মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুস সোবহানের মৃত্যু হয়।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, বিকেল তিনটার দিকে কাইজলি বিলে মাছ ধরতে যান কৃষক কিরণ মিয়া। এসময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হলে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর কিরণ মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে কালিয়াকৈর থানাধীন ফুলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল মোল্লা বলেন, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের মজিদচালা গ্রামের কৃষক আব্দুস সোবহান শুক্রবার বিকেলে বাড়ির পাশের মাঠ থেকে গরু আনতে যান। এ সময় বজ্রপাতে মাঠেই ওই কৃষকের মৃত্যু হয়। এলাকাবাসী সোবহানের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।


আরও খবর



সেতুতে দাঁড়িয়ে মেয়ের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মৃতিতে ধরে রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি তুললেন কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

শনিবার (২৫ জুন) দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন শেষে মা-মেয়ের স্মৃতিময় এ সময়টিকে ফ্রেমে আবদ্ধ করতে দেখা যায়।

এ সময় আবেগআপ্লুত হয়ে ভিডিও কলে কথা বলতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। আর মেয়ে পুতুল শেখ হাসিনাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনস্থলের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্য থেকে কিছুটা সরে গিয়ে মা ও মেয়ে ছবি তোলেন। এরপর সায়মা ওয়াজেদ পুতুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক সেলফি তোলেন এবং শেখ হাসিনার অনেকগুলো একক ছবি তুলে দেন।

এক পর্যায়ে পাশে থাকা নিরাপত্তারক্ষীকেও ফোনে তোলা ছবি দেখান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর