Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
পিবিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

খুলনায় পিবিআই কর্মকর্তা মাসুদের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৫২জন দেখেছেন
Image

শরীফ আহমেদঃ

খুলনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মঞ্জুরুল আহসান মাসুদের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।


রোববার (১৫ মে) দুপুরে ওই ভিকটিমকে নিয়ে খুলনা মহানগরীর ছোট মির্জাপুরস্থ এক‌টি বেসরকা‌রি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।



পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  ওই কলেজছাত্রীর বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায়। তিনি ২০২১ সালে এইচএসসি পাস করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ছবি সংক্রান্ত একটি সমস্যা নিয়ে পাঁচদিন আগে পিবিআই ইন্সপেক্টর মাসুদের কাছে আসেন ওই নারী। 


এ সুবাদে তাকে সহযোগিতা করার কথা বলে পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ ছোট মির্জাপুর রোডের কাগজী হাউজের একটি অফিসের কক্ষে নিয়ে যায়।


 সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।



এ ঘটনার পর মেয়েটি খুলনা সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।


এরপর ওই মেয়েটিকে নিয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সাউথ) সোনালী সেন, সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) বায়েজিদ ইবনে আকবর ও খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। 


এ সময় অফিসটি তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ কর্মকর্তারা তালা ভেঙে অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।


খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, পূর্ব-পরিচয়ের সূত্র ধরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পিবিআইর ওই কর্মকর্তা ছোট মির্জাপুরের এক অফিসে ভিকটিমকে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। 


দুপুরে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিকটিমকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। 


ওই ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



নারীর একা থাকা না-থাকা

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

জান্নাতুল যুথী

একটা সময় নারীরা ছিল ঘরমুখী। কিন্তু এখন তার স্বভাব ও ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে। তারা শিক্ষা গ্রহণ করছে। কেবল প্রাথমিক শিক্ষাই নয়, তারা উচ্চতর ডিগ্রিও লাভ করছে। চাকরিও করছে উচ্চপদে। ফলে তাদের রুচি, মন-মেজাজেরও পরিবর্তন ঘটছে। শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জ্ঞানচক্ষুও খুলে যাচ্ছে। তারা নিজেকে চিনছে, সমাজ চিনছে। চিনছে পারিপার্শ্বও। এমনকি তারা নারীর শক্রমিত্রও এখন সহজে শনাক্ত করতে পারছে। ফলে জীবন-যাপনের বড় পরিবর্তনগুলো মধ্যে যৌথজীবন ও একাকী জীবনের ধারণায়ও এসেছে পরিবর্তন। এখন নারীরা কারও গলগ্রহ হয়ে পড়ে থাকে না, থাকতেও চায় না। অনেক ক্ষেত্রে তাদের আত্মজাগরণ-আত্মশক্তির উন্মেষ ঘটছে। ফলে তারা যৌথ জীবনের চেয়ে একাকী জীবনকে শ্রেয় মনে করছে। থাকছে একা।

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, নারীর জীবনচেতনার সঙ্গে সমাজ-চিন্তারও পরিবর্তন ঘটছে। আগে নারীরা বাবা-ভাই-স্বামীর ওপর বেশি নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু এখন শিক্ষাকে কেন্দ্র করে নারীর জ্ঞানের পরিধি বেড়েছে। ফলে তারা অনায়াসে ভালো-মন্দ বুঝতে সক্ষম হচ্ছে। এ কারণে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে। নারীর এই আত্মনির্ভরশীলতাকে কেন্দ্র করে নিজের কাজের জন্য অন্যের দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে তারা নিজের জীবনকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিচ্ছে। এই গুছিয়ে নেওয়ার পক্ষে নারীরা নিজেদের কল্যাণকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। ফলে তারা অনেক সময় প্রায়-ঝামেলাহীন জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। সঙ্গীকে কেন্দ্র করে নারীকে সব সময় নিজেকে সমর্পণ করতে হয়। এই সমর্পণের সুযোগে নারীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় অনেক বিধিনিষেধ। এ কারণে বর্তমান শিক্ষিত নারীরা বাইরের থেকে চাপিয়ে দেওয়া বিষয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতে পারছে না।

একা থাকা মানে একাকিত্ব বা নিঃসঙ্গতা নয়। বরং নারীর নিজেকে প্রাধান্য দেওয়াই এর মূল। আগে নারীরা নিজের ভেবেও দেখতো না। এই কদিন আগেই কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। তবে তখন কেবল রূপচর্চা আর সমানাধিকার নিয়ে তারা কথা বলতে শুরু করেছিল। কিন্তু তারা এখন জ্ঞানচর্চা-জীবনচর্চাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। জ্ঞানের জগৎ নারীকে নিজের শক্তি সম্পর্কে সচেতন করে তুলেছে। নারী এখন আর কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চায় না। তার একার ঘরেই প্রদীপ শিখার মতো জ্বলছে জ্ঞানের আলো। এখন প্রশ্ন উঠছে, শুধু কি শিক্ষিত নারীই একা থাকাতে বেশি পছন্দ করছে? না। শিক্ষিত, অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত নারীও জীবনকে অন্য দৃষ্টিতে দেখছে। শুধু শিক্ষিত হয়ে নিজের জীবনের ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে, এমন নয়; গ্রামের অনেক মেয়ে বিভিন্নভাবে জীবিকা নির্বাহ করে নিজেকে আত্মনির্ভরশীল করেও তুলছেন। বাবা বা স্বামীর বোঝা হয়ে এখন তারা থাকতে নারাজ।

বিশ্বায়নের যুগে প্রত্যেকের হাতেই ডিজিটাল ডিভাইস। তাই জীবনচেতনারও পরিবর্তন ঘটেছে। নারীরা নিজের মতো থাকার এই পন্থাটাকে রপ্ত করছে এ কারণে যে, বাইরের কোনো চাপ তারা নিতে চায় না আর। মূলত চাপমুক্ত জীবনযাপন করাই এই একা থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। নিজের হাতেই যখন নিজের নির্ভরতার চাবি, তখন কেন যেচে মানসিক যন্ত্রণার সম্মুখীন হবে! এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যখন পাচ্ছে না, তখন তারা একা থাকার পক্ষে দাঁড়াচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে একটি কথা বলে রাখা প্রয়োজন, মানসিক যন্ত্রণা বলতে শুধু যে স্বামীর হাতে মানসিক হেনস্তা, এমন নয়। বরং ব্যক্তি নিজে যেভাবে জীবনযাপন করতে চায়, সে জীবনযাপন প্রক্রিয়ায় আরেক জন থাকলে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যের পথে বাধা আসবে। সঙ্গী কোনো রকম বাধা না দিলেও অস্বস্তিতে ভোগে। তাই তারা বাধাহীন, অস্বস্তিমুক্ত জীবন বেছে নিতেই একাকী জীবন-যাপনকে শ্রেয় মনে করছে।

নারীর একা থাকার পেছনে ভারমুক্ত জীবনযাপন যেমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, তেমনই জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর দায় থেকেও মুক্ত থাকার বিষয়টি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। আজকের নারীরা এতটাই স্বাধীনচেতা যে, তারা অন্যের কাছে মাথা নত করাকে আত্মহননের শামিল মনে করছে। জবাবদিহিতা করাকেও তাদের কাছে অনেকটা বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। তাই যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার আগেই তারা সে পথই মাড়াতে চায় না আর।

এ ছাড়া নারীরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। তারা নিজেদের মন ও দেহের ওপর পুরুষতন্ত্রের প্রভুত্ব-কর্তৃত্ব মেনে নিতে আর চায় না। তাদের মধ্যে মূল্যবোধ ও যুক্তিবিচারের ক্ষমতা বাড়ছে। তারা ভালো-মন্দ, শুভ-অশুভ, ন্যায়-অন্যায়, সুন্দর-অসুন্দর, সুর-অসুরের পার্থক্য করতে পারছে নিমিষেই। এ কারণে তারা আনন্দ ও সৌন্দর্য দ্রুত ও সহজেই ধরতে পারে। একইসঙ্গে মনের আনন্দ ধরে রাখতে নিজেকে প্রাধান্য দিচ্ছে। নিজের ক্যারিয়ারকে প্রাধান্য দিচ্ছে। অনেক সময় নিজের অভিরুচি-স্বপ্নের পথে হাঁটার মতো যোগ্য সঙ্গীর অভাবও বোধ করছে তারা। অযোগ্য ও মতের মিলহীন কাউকে সঙ্গী করে জীবন চলার পথে তারা ঝুঁকি বাড়াতে চায় না। এ কারণেও তারা একলা পথের পথিক হওয়ার দিকে বেশি ঝুঁকছে।

সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে উঠছে! ফলে তারা ঘরে-বাইরে নিজেকে ফিট রাখতে এত দ্বন্দের সম্মুখীন না হয়ে একা থাকাটাকেই শ্রেয় মনে করছে। এর বাইরে নারীদের একা থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ অনেকটাই লক্ষ ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষ উভয়ই নিজের মত-পথের গুরুত্ব বেশি দিচ্ছে। আগের মতো কোনো বিষয়ে ‘জি হুজুর-জি হুজুর’ কিংবা ‘স্বামীই সতীর গতি’ তত্ত্বে আর নারীর বিশ্বাস নেই। এ ছাড়া ব্যক্তিগত সম্পত্তির নিরাপত্তার কারণেও নারীরা বর্তমানে একা থাকাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

একদিকে নারীরা নিজের মতকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে একা থাকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, অন্যদিকে ধর্মগুরুরা নানাভাবে তার বিরোধিতা করছেন। কিন্তু নারীর মূল পরিচয় সে মানুষ। তাহলে নারী হিসেবে না দেখে বরং একজন মানুষ যেভাবে জীবনযাপন করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, তাকে সেভাবেই থাকতে দেওয়া উচিত। যেখানে অন্যের কোনো ক্ষতির আশঙ্কা নেই, সেখানে নারী বা পুরুষ কীভাবে জীবনযাপন করবে, সেটা একান্ত তার ব্যক্তিগত অভিমত, রুচি ও বিশ্বাসের ব্যাপার। আবার নারীর একা থাকাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় গুরুরা ওই নারীর দিকে আঙুল তোলেন, তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কিন্তু একজন পুরুষের জন্য সমাজের সেই বিধান কোথায়!

কিন্তু কেন! পুরুষরা নিজেদের ভালো-মন্দ বুঝে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে পারবেন। কিন্তু নারীরা তা পারবেন না! এই প্রশ্নের জবাবে ধর্মীয় গুরুরা বলেন, তারা নারী তাই! কিন্তু নারীও যে মানুষ। তারও নিজস্ব অভিমত আছে, পছন্দ আছে, জীবনচেতনা আছে। নারীরা নিজেদের জীবনকে পরিচালনার ক্ষমতা অর্জন করছেন, ফলে তাকে ফাঁকা বুলিতে না বেঁধে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।

সামাজিক প্রথাকে কেন্দ্র করে অনেকেই নারীর চলার পথে বাধা সৃষ্টি করেন। আবহমানকাল ধরে চলে আসা প্রথাটাকেই তারা বেদবাক্যের মতো এখনো মেনে চলতে চান। কিন্তু যুগের পরিবর্তনের ফলে প্রথা-রীতিরও পরিবর্তন জরুরি। প্রকৃতি বনযাপনের যেহেতু পরিবর্তন ঘটেছে, তাই সামাজিক প্রথাগুলোরও আধুনিকায়ন জরুরি। তবে নারী যতই একা থাকার পণ করুক, তার সেই প্রতিজ্ঞার পথে কিছু শক্ত বাধা রয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় বাধা হলো পরিবার।

পরিবারগুলো কোনোভাবেই নারীর একা থাকাকে সমর্থন করে না। কারণ প্রথম সমস্যা নারীর নিরাপত্তা! পরিবার মনে করে, মেয়ে বড় হলে তাকে পাত্রস্থ করা নৈতিক দায়িত্ব। আর সেই নৈতিকতাবোধের সঙ্গে যুক্ত হয় ধর্মীয় বিধানও। তাই নারীর জীবনকে নিজের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে কাটনোর বিপক্ষে অবস্থান নেয় পরিবার ও ধর্ম।

তারা বরং সঙ্গী বেছে নেওয়ার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। এ ক্ষেত্রে সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা মানসিকতাও দায়ী। কারণ মেয়ে বড় হলে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব বাবার কাঁধ থেকে স্বামীর কাঁধে হস্তান্তর করা সবচেয়ে বড় সামাজিক প্রথা। মেয়ের জন্য বাবা-মা সামাজিকভাবে বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে চান না। তাই তারা নারীর একা থাকার বিপক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।

এর বাইরে আছে বিভিন্ন সংগঠন-প্রতিষ্ঠান। এসব সংগঠন-প্রতিষ্ঠানও নারীর একা থাকার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। নারীর মুক্ত চিন্তা, স্বাধীনভাবে বাঁচাকে সাধুবাদ দিতে চায় না। বরং বর্বর যুগের মতো এই শ্রেণিও ধরে নেয়, নারী প্রভুত্ব মেনে, দাসত্ব স্বীকার করে জীবন পার করবে। অবশ্য এসব সংগঠন-প্রতিষ্ঠানের মূল হোতা পুরুষতন্ত্র। একশ্রেণির নারী-পুরুষ আছে, যারা সব সময় স্বাধীনচেতা নারীর কোনো ভালোও সহ্য করতে পারে না। বরং ভালোর মধ্যেও খুঁত ধরার চেষ্টা করে নিরন্তর। আর পান থেকে চুন খসলে তো কথাই নেই। ‘অন্নপাপের’ মতো গুরুতর পাপের অভিযোগ তোলে তারা। নারীর প্রাগ্রসর চিন্তা-চেতনাকে শ্রদ্ধা-সম্মান না করে তার জীবনকেও বিষিয়ে তোলাই যে পুরুষতন্ত্রের একমাত্র তপস্যা।

কিন্তু যে নারী এক জীবন-যাপনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, সে এসব প্রতিবন্ধকতা নিজের যোগ্যতা, মানসিক শক্তি দিয়ে জয় করে নেয়। থাকে একা। জয় করে হিমালয়ের মতো পর্বতসমান বাধাও। উন্নত জীবন ও আত্মিক বিকাশের পথে একাই চলে নারী। নিজের জীবনের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া সেই সব নারীর জয় হোক, মঙ্গল হোক একলা চলার নারীজীবনের। নারীর একা থাকাকে সমাজপতিরা কোনোভাবেই স্বীকৃতি দিতে চান না। কারণ তাদের মানসিকতা বর্বর যুগেই থমকে গেছে। যদি বিচারবুদ্ধি দিয়ে সঠিকতা নির্ধারণ করেন। তবেই বুঝবেন নারীকে নারী নয় বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা আছে এবং ব্যক্তির সিদ্ধান্তের ওপর শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

সব ক্রটি-বিচ্যুতি কাটিয়ে মানুষকে মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করতে হবে। যে নারী একা থাকতে চায়, তাকে একা থাকতে দেওয়া উচিত। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, সবারই উচিত নারীকে তার পছন্দের জীবনযাপন পদ্ধতি নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া, স্বাধীনতা দেওয়া উচিত। এ ছাড়া বিয়ে-সংসার-সম্পর্ক বিষয়ে তার ওপর জবরদস্তি না করা। তাই যে একা থাকতে চায়, তার সামাজিক নিরাপত্তা বিধান করার দায়িত্ব প্রথমে পরিবারের, পরে সমাজ ও রাষ্ট্রকে নিতে হবে। নারীকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী বাঁচার সঠিক পরিবেশ আমাদেরই তৈরি করতে হবে।


আরও খবর



পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ইসির বৈঠক বৃহস্পতিবার, আমন্ত্রণ পেলেন যারা

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (৯ জুন) এবার পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি।

এরই মধ্যে ১৩ ও ২২ মার্চ এবং ৬ ও ১৮ এপ্রিল যথাক্রমে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী, নাগরিক সমাজ, প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিক এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী/প্রধান বার্তা সম্পাদক/সিনিয়র সাংবাদিকদের সংলাপ সম্পন্ন হয়েছে।

ঈদের বিরতি শেষে এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইসির যুগ্মসচিব এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, আগামী ৯ জুন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসবে কমিশন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মলেন কক্ষে ইসির নিবন্ধনে থাকা ১১৮টি নির্বাচন পর্যাবেক্ষক সংস্থার মধ্যে থেকে ৩২টি সংস্থার প্রতিনিধিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রণ পেয়েছেন যারা

লাইট হাউসের নির্বাহী প্রধান মো. হারুন অর রশিদ, আইন ও সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক নাজমুন নাহার, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মোহাম্মদ আবেদ আলী, কোস্ট ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী, হাইলাইট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. সহিদুল ইসলাম, আদর্শ পল্লী উন্নয়ন সংস্থার (আপউস) নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল হাই, বাংলাদেশ আলোকিত প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন সোসাইটির চেয়ারম্যান সানজিদা রহমান, মুভ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাইফুল হক, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদের (জানিপপ) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশেল সাধারণ সম্পাদক সঞ্চিতা তালুকদার।

এছাড়া ডরপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম নোমান, টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে আরা বেগম, হিউম্যান রাইটস ডিজএবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. রাজীব শেখ, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা-মানবাধিকানের নির্বাহী পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন, রুপনগর শিক্ষা স্বাস্থ্য সহায়তা ফাউন্ডেশনের (রিহাফ) চেয়ারম্যান এই এম আব্দুর রাজ্জাক, মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা-মওউসের চেয়ারম্যান ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, পিপলস ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশনের (পপি) নির্বাহী পরিচালক মোর্শেদ আলম সরকার, জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ওয়েলফেয়ারের মহাসচিব মো. আসিফ মাহমুদ, উত্তরণের প্রধান নির্বাহী শহিদুল ইসলাম, ডেমোক্রেসিওয়াচের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ওয়াজেদ ফিরোজ।

আরও আমন্ত্রণ পেয়েছেন- প্রিপ ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক অ্যারমা দত্ত, ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইইডি) নির্বাহী পরিচালক নুমান আহমেদ খান, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক খন্দকার ফারুক আহমেদ, ইন্টিগ্রেটেড সোসাইটি ফর উম্যান অ্যান্ড চাইল্ড হেলথের নির্বাহী পরিচালক লুৎফুন নাহার, দি গুড আর্থ এর নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, খান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এডভোকেট রোখসানা খন্দকার, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক (সিইও) মো. মনির হোসেন, লুৎফর রহমান ভূইয়া ফাউন্ডেশন (এলআরবি) এর নির্বাহী পরিচালক সুলতানা রাজিয়া, ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ, ফেমা’র প্রেসিডেন্ট মুনিরা খান, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের মহাসচিব সাইফুল ইসলাম ও ইলেকশন স্পেশালিস্ট ড. আবদুল আলীম।


আরও খবর



ফেসবুকে মাদরাসাছাত্রীর আপত্তিকর ছবি পোস্ট, বখাটের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

বগুড়ার ধুনটে ফেসবুকে মাদরাসাছাত্রীর আপত্তিকর ছবি পোস্ট করায় জুয়েল রানা (২৪) নামের এক বখাটেকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইলটি জব্দ করা হয়।

শনিবার (৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল রানা উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গুয়াডহরি গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছেন বখাটে জুয়েল রানা। বিষয়টি নিয়ে তার বাবার কাছে বিচার দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জুয়েল রানা। পরে নিজের মোবাইলে এডিট করে ওই স্কুলছাত্রীর একটি আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জুয়েল রানাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে দোষ স্বীকার করায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, রোববার সকালে জুয়েল রানাকে কারাগারে পাঠানো হবে।


আরও খবর



দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এ বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। এ হার গত বাজেটে ছিল ৬ দশমিক ২ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস হতে এ ঘাটতি মেটানো হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনায় এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম, বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট।

প্রস্তাবিত এ বাজেটের এ ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা, যার মধ্য থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে। ফলে প্রকৃত বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা।

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে যে ঋণ নেওয়া হবে তার মধ্যে এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা নেওয়া হবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। এর মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ ৬৮ হাজার ১৯২ কোটি টাকা। আর স্বল্প মেয়াদি ঋণ ৩৮ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। এছাড়া ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ ধরা হচ্ছে ৪০ হাজার ১ কোটি টাকা। যার মধ্যে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্প থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং ৫ হাজার ১ কোটি টাকা অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে।

নতুন অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে চার লাখ ১১ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় তিন লাখ ৭৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। মূলধন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩৮ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা। খাদ্য খাতে ব্যয় ৫৪০ কোটি টাকা এবং ঋণ ও অগ্রিম ব্যয় ছয় হাজার ৫০১ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

কোভিড-১৯ অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। বাজেটে সংগত কারণেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে।


আরও খবর



ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো-তে ফোটন কমার্শিয়াল ভেহিক্যাল

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো ২০২২। ২৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এ শো চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত।

দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এসিআই লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসিআই মটরস এই শোতে অংশগ্রহণ করছে ফোটন কমার্শিয়াল ভেহিক্যাল নিয়ে। বাংলাদেশে এসিআই মটরস ফোটন কমার্শিয়াল ভেহিক্যালের একমাত্র পরিবেশক।

ফোটন ইতোমধ্যে বিশ্বের ১০০টিরও অধিক দেশে এক কোটির বেশি কমার্শিয়াল ভেহিক্যাল বিক্রি করেছে। এসিআই মটরস, কৃষি যন্ত্রপাতি, কনস্ট্রাকশন ইকুইপমেন্ট, মোটরসাইকেল ব্যবসায় বিক্রয়োত্তর সেবা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টিতে দেশের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ফোটন কমার্শিয়াল ভেহিক্যালের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি সর্বাধিক গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনে বদ্ধপরিকর।

মেলাতে এসিআই মটরস প্রদর্শন করেছে ফোটনের বিভিন্ন কমার্শিয়াল ভেহিক্যাল যার মধ্যে রয়েছে ১ টন টিএম, ১.২ টন টিএম প্লাস, ১.৫ টন, ৩.৫ টন পিক আপ, অ্যাম্বুলেন্স এবং মিনিবাস।

ইঞ্জিনিয়ার আসিফ উদ্দিন, সার্ভিস এন্ড প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট, এসিআই মটরস এর উপস্থিতিতে ব্র্যান্ড নিউ ১.২ টন টিএম প্লাস লঞ্চ করা হয়। তার সাথে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জ্যাক, কান্ট্রি ম্যানেজার, ফোটন মোটর গ্রুপ, এসিআই মটরসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, গ্রাহকরা।


আরও খবর