Logo
আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে: শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের হার দিয়ে সুপার এইট শুরু গোদাগাড়ীতে রাসেল ভাইপারের চিকিৎসার দাবিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটি রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার বাবা মাকে কুপিয়ে হত্যা যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা ভোলায় ফের দেখা মিলল রাসেল ভাইপার, জনমনে আতঙ্ক বাজেট পাস হয়নি,অনেক কিছু পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী দেশের সব মহৎ অর্জন আ. লীগের মাধ্যমেই হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

খেজুর খাবেন ইফতারে যে কারণে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১১১৩জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক: খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। একে প্রাকৃতিক শক্তির উৎস বলা হয়। ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্কসমৃদ্ধ খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই রোজার সময় ইফতারিতে খেজুর রাখা ভালো।

খেজুর এমন একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক–সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। এতে বিদ্যমান ভিটামিন বি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এবার জেনে নিন খেজুরের নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কে-

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়

খেজুরে তো পুষ্টি আছেই, তবে এটা খাওয়ার পাশাপাশি এই ফলের পাতা খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে। রাতকানা রোগসহ চোখের সমস্যা প্রশমনেও সহায়তা করে।

শরীরে শক্তি জোগায়

খেজুরের মধ্যে থাকা সুগার শরীরে একটা চনমনে ভাব আনে। এটি মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

হার্ট সবল থাকে

ডায়েটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে খেজুর খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। তাই এতে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়

প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে এটি হজমে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমানোর পাশাপাশি এতে বদহজম, কোলাইটিস এবং হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

হাড় সবল রাখে

খেজুরে সেলেনিয়াম, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপকারী খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে, যা হাড়কে খুবই সবল রাখে। এ ছাড়াও বয়সী ব্যক্তিরা নিয়মিত খেজুর খেলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

ওজন বাড়াতে সাহায্য করে

যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে তারা খেজুর খেলে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্রেইন ভালো রাখে

খেজুরে থাকা বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ বিশেষ করে পটাশিয়াম নার্ভ ও ব্রেইনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

খেজুরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ খেজুর।

রক্তশূন্যতা দূর করে

খেজুর নিয়মিত খেলে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করার পাশাপাশি শরীরে রক্ত তৈরিতে সহায়তা করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ খেজুর ক্যানসার প্রতিরোধ করে। তাই যারা নিয়মিত খেজুর খান, তাদের বেলায় ক্যানসারের ঝুঁকিটাও অনেক কম থাকে।

অ্যালার্জি থেকে বাঁচায়

খেজুরে থাকা সালফার অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

খেজুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গ্লুকোজের পাশাপাশি প্রাকৃতিক চিনি পাওয়া যায় খেজুর থেকে যা এনার্জি বাড়ায়। খেজুরে থাকা ভিটামিন সি ও ডি ত্বক ভালো রাখে। এ ছাড়া খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে রাতকানা প্রতিরোধেও সহায়ক।

যারা খেজুর খাবেন না

যাদের মাইগ্রেন বা প্রচণ্ড মাথাব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাদের খেজুর না খাওয়াই ভালো। কারণ ছোট মিষ্টি খেজুরে টিরামিন বলে যে পদার্থটি রয়েছে, তা মাথাব্যথা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তা ছাড়া যারা ডিপ্রেশনে ভুগছেন, তাদের জন্যও খেজুর খাওয়া ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আবার যাদের দেহে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি, তারা খেজুর খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করবেন। আর যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে, খেজুর গ্রহণের আগে তারা অবশ্যই নিকটস্থ পুষ্টিবিদের পরামর্শ গ্রহণ করুন।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




জয়পুরহাটে সাংবাদিকদের তিন দিন ব্যাপী মোবাইল জার্নালিজম প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১৪৬জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃসাংবাদিকদের মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে প্রতিবেদন তৈরির পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিন ব্যাপী মোবাইল জার্নালিজম ট্রেনিং।

সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ওই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। জয়পুরহাট সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত তিন দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম সোলায়মান আলী। পিআইবির প্রশিক্ষক মোহাম্মদ শাহ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. জামিল খান।

প্রশিক্ষণে সাংবাদিকরা মোবাইলে কনটেন্ট সংরক্ষণ ও তথ্য যাচাইকরণ, মোবাইল ক্যামেরার ফ্রেমিং এবং ভিডিও ধারণের ব্যবহারিক কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে সক্ষম হবেন।
জেলার দায়িত্ব পালন করা মূল স্ট্রিমের ৩০ জন সাংবাদিক ওই প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করছেন।

আরও খবর



বগুড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় মোটর শ্রমিক নেতা মিঠু সহ গ্রেফতার ৪

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image
লতিফ বগুড়া বিশেষ প্রতিনিধি:মঙ্গলবার শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হত্যাকান্ডের ঘটনায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কবির আহমেদ মিঠু তার ছোট ভাই জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ সার্জিল আহমেদ টিপু ও পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহ মো. মেহেদী হাসান হিমুসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় আরো ১৪/১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে নিহত শরিফের মা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শাহীনুজ্জামান। 
অন্য গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদরের সুলতানগঞ্জ পাড়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে ছাত্রলীগ আজবিন রিফাত (১৯), নিশিন্দারা খাঁপাড়া এলাকার আব্দুল গফুর এর ছেলে শেখ সৌরভ ও নিশিন্দারা পূর্বপাড়ার মৃত আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে নাঈম হোসেন (২৮)।এর আগে সোমবার (১৭ জুন) রাত দেড়টায় নিশিন্দারা চকপাড়া এলাকার জাহিদ মিয়ার ইউক্যালিপ্টাস বাগানের গলিতে একই এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে রুমন (১৭) ও দুদু মিয়ার ছেলে শরিফ (১৮)কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তারা গোলাগুলির ঘটনাও ঘটায় সেখানে। এ ঘটনায় নিহতদের বন্ধু একই এলাকার মোঃ বাদলের ছেলে হোসাইন পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ দুটো উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং হোসাইনকে চিকিৎসার জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন বিকেলে নামাজগড় থেকে হাকিরমোড়গামী নির্মাণাধীন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় নিহত রুমনের মোটর সাইকেল জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ সার্জিল আহম্মেদ টিপুর গাড়িতে ধাক্কা লাগে। ওই গাড়িতে টিপুর মেয়ে ছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে আসামীরা ওই দিন রাত ১২টায় শরিফ শেখ, রুমন, হোসাইনকে ঘটনাস্থল চকরপাড়ার জাহিদ মিয়ার ইউক্যালিপ্টাস বাগানে মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত), মো. শাহিনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১৮ জুন দিবাগত রাত ১২টায় মামলাটি দায়ের করা হয়। ইতোমধ্যে মামলার আসামী হিসেবে ছাত্রলীগ নেতা রিফাতসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

র‍্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানী কমান্ডার মীর মনির হোসেন বলেন, গতকাল সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্যালয়ে ডাকা হয়। এরপর তদন্ত শেষে রাত ৩টায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও খবর



‌এমপি আনার হত্যাকারীদের বিচারের দায়িত্ব ভারত সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ৮৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এমপি আনার হত্যাকারীদের বিচারের দায়িত্ব ভারত সরকারের,বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। যেহেতু এই হত্যাকাণ্ড তাদের দেশে (ভারত) হয়েছে, এজন্য এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের দায়িত্বও তাদের (ভারত)।

সোমবার (১০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত সিয়ামকে নিয়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে কলকাতার বাগজোলা খাল থেকে একাধিক হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ টেস্ট না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না এটা এমপি আনারের মরদেহ কি না।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, রাজধানীতে পুলিশের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত হবার ঘটনার মূল মোটিভ কী এবং এ ধরনের ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে অনেক প্রশ্নই সামনে আসছে। এই ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন রয়েছি। এমন আচরণের কী কারণ হতে পারে! ইচ্ছাকৃত নাকি পারিবারিক সমস্যা থেকে এমন করেছে তা তদন্তের পর সঠিক ঘটনা জানা যাবে।


আরও খবর



দেশে কোটিপতির সংখ্যা কমেছে

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কয়েক দফা দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ার পর এবার কমেছে। এসব হিসাবে টাকার রাখার পরিমাণও কমেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছে, নানা কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। যার প্রভাব পড়ছে সব শ্রেণির আমানতকারীর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ সময়ে) কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি। পাশাপাশি আমানত কমেছে ১ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। মার্চ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৯০টি। কোটি টাকার ওপরে এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা জমা আছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। এসব ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাব সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি, আর তাদের অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে ১ হাজার ১১ কোটি।

মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২০২ টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানত জমা রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। তবে কোটি টাকার হিসাব মানে কোটিপতি নাগরিকের হিসাব নয়। অনেক ব্যক্তিই যেমন ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখেন, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানও ব্যাংকে কোটি টাকা জমা করে। অর্থাৎ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বলতে যুগপৎ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই। তাছাড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। এতে করে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নানা সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬২৩টি, এসব হিসাবে জমা ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকার ১২ হাজার ৪৪৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫১৬টি। যেখানে জমার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির ১২ হাজার ৬৫২টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা।

আলোচিত সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৩৯৬টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৯৬১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ২১১টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৭৫ টি আমানতকারীর হিসাব। আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫০১টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩৬৯টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৬৮১টি। ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ১ হাজার ৮২৬টি। যা গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮২টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ২ হাজার ২টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৩৪৫টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ছিল ৯১২টি আমানতকারীর হিসাব। এছাড়া ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫১২টি, ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ছিল ৪৮০টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ৭৩৮টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮১২টি।

দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ৪৭টি, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ হাজার ৫১৬টি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার শুরুতে ২০২০ সালের মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫, বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে ৮৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে শিশুদের মাঝে গাছের চারা বিতরন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শিশুদের মাঝে পুষ্টির চাহিদা পুরণের লক্ষে ১৯ হাজার ২৫০ টি ফলজ গাছের চারা বিতরন করা হয়।বৃহস্পতিবার ১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায়  উপজেলার আই হাই উচ্চ বিদ্যালয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপির উদ্যোগে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপি ম্যানেজার প্রেরণা চিসিমের সভাপতিত্বে  ফলজ গাছের চারা বিতরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন,গোদাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসিদুল গণি মাসুদ,আই হাই উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গোদাগাড়ী এপির প্রোগ্রাম অফিসার এন্ড্রিকাস মুর্মু প্রমূখ। উল্লেখ্য যে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভার মধ্যে ১৯হাজার ২৫০ টি ফলজ চারা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে আম ৭ হাজার ৭০০টি, লিচু ৩হাজার ৮৫০টি পেয়ারা ৩হাজার ৮৫০টি লেবু-৩ হাজার ৮৫০টি ফলজ গাছের চারা শিশুদের মাঝে তুলে দেয়া হয়। যা শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পুরণে সাহায্য করবে।


আরও খবর