Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

খাগড়াছড়ি ৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বিচনে খাগড়াছড়িতে দ্বিতীয় ধাপে  তিনটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। 

উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে একটিতে আওয়ামী লীগ ও অপর দুই উপজেলা পরিষদে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সমর্থিত প্রার্থীরা নিবাচিত হয়েছেন।

দ্বিতীয় ধাপে তিন উপজেলা খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা ও পানছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১২ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

তিন উপজেলায় ভোটকেন্দ্র ১০২টির মধ্যে ৮১ কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ ছিল। যার কারণে গতকাল ৪১টি কেন্দ্রে আর আজ সকালে ৬১টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়।মোট তিন উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৩ জন।

খাগাড়ছড়ির সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে  খাগড়াছড়ি জেলা আ,লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  চেয়ারম্যান  পদে (আনারস) প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ৮শ'৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী কল্যাণ পরিষদের নেতা সন্তোষিত চাকমা   (দোয়াত-কলম) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫শ'৬৫ ভোট। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে  ক্যউচিং মারমা  (তালা) প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ২শ'৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো.আসাদ উল্লাহ (বই) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ৪শ'১৭ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কল্যাণী এিপুরা (কলস) প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৪শ'৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিপু এিপুরা  (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে ১১ হাজার ৬শ'৭৭ ভোট পেয়েছেন।

পানছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে

আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ এর  চন্দ্র দেব চাকমা  (কাপপিরিচ) প্রতীক নিয়ে ২৪ হাজার ৮শ'৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আঞ্চলিক সংগঠন  গণতান্ত্রিক সমর্থিত প্রার্থী মিটন চাকমা চেয়ারম্যান  পদে (আনারস)  প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৩শ'৫৭ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে  সৈকত চাকমা (টিউবওয়েল) প্রতীক নিয়ে ২৪ হাজার  ১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কিরণ এিপুরা (চশমা) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩শ'১৮ ভোট। নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান মনিতা এিপুরা  (ফুটবল) প্রতীক নিয়ে ২১ হাজার ২শ'৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রার্থী সুজাতা চাকমা (কলস) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭শ'৪৭ ভোট।

দীঘিনালা  উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ সমর্থিত প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা চেয়ারম্যান পদে (মোটরসাইকেল) প্রতীক নিয়ে ৩৩ হাজার ২শ.১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের  সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মো.কাশেম  (আনারস) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬শ.৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সুসময় চাকমা (চশমা) প্রতীক নিয়ে ৩২ হাজার ৪শ'৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান  মোস্তফা কামাল মিন্টু (টিউবওয়েল)  প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪শ' ৫২ ভোট। নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে সীমা দেওয়ান ( কলস) প্রতীক নিয়ে ৩০ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জেলা মহিলা যুব লীগের সাধারন সম্পাদক বিলকিছ বেগম  (প্রজাপতি) প্রতীক নিয়ে ২৫ হাজার ৬শ'৬৩ ভোট পেয়েছেন।


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার ও নতুন মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আবাসিক ও বাণিজ্যক বিদ্যুতের ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার ও নতুন মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে গ্রাহকরা মানববন্ধন করেছে। শনিবার সকাল ১০টা- থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা সদর ফিরোজ চত্বরে গোদাগাড়ী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে এ মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্বে করেন নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দীন বিশ্বাস। মানববন্ধন চলাকলীন বক্তব্য রাখেন উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শান্ত কুমার মজুমদার,উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারন সম্পাদক এস এম বরজাহান আলী পিন্টু,গোদাগাড়ী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র শহিদুল ইসলাম,সাবেক কাউন্সিলর মামুন অর রশিদ মামুন,গোদাগাড়ী সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মুসফিকুর রহমান ও আব্দুল করিম প্রমূখ।বক্তারা বলেন,প্রি-পেইড মিটারে টাকা রিচার্জের জন্য প্রথমে নগদ বা বিকাশের মাধ্যমে মিটার কোম্পানিতে টাকা পাঠাতে হবে যার জন্য নগদ বা বিকাশে ক্যাশ আউট ফি প্রদান করতে হবে।টাকা পাঠানোর পরে নগদ বা বিকাশ কোম্পানি ২০ ডিজিট এর একটি টোকেন নম্বর দিবে যা আবার মিটারে তুলতে হবে, ২০ ডিজিটের টোকেন নম্বর হওয়ার ফলে নম্বর ভুলের সম্ভবনা থাকে।বাসায় যদি কোন বৃদ্ধ মানুষ থাকে তবে নম্বর দেওয়াটা বড় সমস্যা হতে পারে, নম্বর সঠিকভাবে না দিতে পারলে বিদ্যুৎ আসবে না।প্রতি মাসে ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট এবং মিটার ভাড়া দিতে হবে যা বাধ্যতামূলক। প্রতি হাজারে ২০০ টাকা ডিমান্ড চার্জ, ৪০ টাকা ভ্যাট এবং ৬০ টাকা মিটার ভাড়া হিসেবে টাকা রিচার্জের সাথে সাথে কেটে নেওয়া হবে।আপনি ৫-৭ দিনের জন্য বাসার বাইরে কোথাও গেলেন এমন সময় আপনার বাসার মিটারের টাকা শেষ, বাসায় বিদ্যুৎ নাই এবং আপনার বাসার ফ্রিজে অনেক খাবার আছে তাহলে আপনার বাসায় সমস্ত খাবার নষ্ট হয়ে যাবে। মিটারের মিটার রিডার এখন গ্রাহক নিজেই। তারপরও কেন প্রতি মাসে ডিমান্ড চার্জ নেওয়া হয়।ডিজিটাল প্রি-পেইড মিটার আবাসিক (বাসা-বাড়ী), বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্থাপন-বাতিলের দাবি জানানো হয়।


আরও খবর



ছাত‌কে জমেছে ভোটের লড়াই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

র‌নি,ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি:ছাত‌কে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে মাঠের লড়াই জমজমাট হয়ে উঠছে। এ উপজেলা পরিষদের সিংহাসনে বসতে ৫ প্রার্থী মাঠে থাকলেও ভোটের মাঠে আলোচনায় রয়েছেন ৪ জন। উপজেলার ভোটারা বলছেন, এবারের নির্বাচন বিষয়ে আগাম মন্তব্য করাটা কঠিন। তবে ধারণা করা হচ্ছে উপজেলায় ত্রিমুখী লড়াই হবে। এখানে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। যে যার মতো নির্বাচনী মাঠ নিজের দখলে রাখার চেষ্টা করছেন। এখানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের ৫ নেতার ম‌ধ্যে প্রবাসী ৪ জন। আওয়ামী লীগের মধ্যে ৫ জন প্রার্থী হওয়ায় নেতাকর্মী সহ ভোটাররা দ্বিধা-দ্বন্দে পড়েছেন। অপরদিকে উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি মাঠে না নামলেও তলে তলে নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে গোপ‌নে ভোট প্রার্থনা করছেন। আওয়ামী লীগের বড় একটা অংশ একাট্টা হয়ে মাঠে সরব রয়েছেন। তাদের টার্গেট ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে যান এবং ভোট দেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বি এখন আওয়ামীলীগ। আওয়ামী লীগের নেতাকমীরা প্রবাসী আওলাদ আলীর পক্ষে প্রকাশ্যেই মাঠে কাজ করছেন। তার পক্ষে জোয়ার উঠেছে, তিনি অনেক ভোটে বিজয়ী হবেন ব‌লে ভোটারদের অ‌ভিমত। জানা যায়, প্রথম পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা নিরুত্তাপ থাকলেও বর্তমানে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌর সভায় নির্বাচনী উত্তাপ বইছে। জাপা বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা চায়ের দোকানে, বাজারে বসে সময় পার করছেন এবং পর্যবেক্ষণ করছেন। ভোটারদের নিরুৎসাহ এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে তারা উপজেলা সদরে লিফলেট বিতরণ করছেন। শ্রমিক শাহজাহান নামে একজন জানান, ছাত‌কে উপজেলায় বিএনপি ভোট ব্যাংক হিসাবে দ‌ক্ষিন ছাতক পরিচিত। উপজেলায় আওয়ামী লীগের ৫ প্রার্থী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির ভোটারা কেন্দ্রে গেলে বিএনপি সমর্থন আওলাদ আলী রেজা (আনারস মাকা) বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।  আওয়ামীলীগ নেতা গৌছ মিয়া ও উপ‌জেলা যুবলীগ ‌নেতা সায়াদুর রহমান ছা‌য়েদ জানান, এবার নির্বাচনে নেতার জনপ্রিয়তা যাচাই করে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন ভোটাররা। তিনি বলেন, সবার প্রিয় প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ আলী রেজা (আনারস) এগিয়ে আছেন, তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী সম্ভাবনা র‌য়ে‌ছে। গো‌বিন্দগঞ্জ এলাকার একজন ব‌্যবসা‌য়ি  মুস‌লিম মিয়া জানান তার ব্যক্তি ইমেজ ছিল, তিনি এম‌পি গ্রু‌পের নেতা ছিলেন তার দল বদল করে মেয়র আব্দুল কালাম চৌধুরীর গ্রু‌পের যোগদান ক‌রেন।  ভোটের মাঠে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তিনি যদি জাপা ও বিএনপি অংশের ভোটার টানতে পারেন তাহলে বিজয়ী নি‌শ্চিত  হবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল দুই যুগ ধ‌রে চ‌লছে। পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী  ও মুহিবুর রহমান মা‌নিক এম‌পি গ্রুপ না‌মে দু‌টি গ্রুপ র‌য়ে‌ছে ছাত‌কে। এ দু‌টি গ্রু‌পের বেশী ভাগ নেতা কমীরা রয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ আলী রেজা্র প‌ক্ষে

প্রচার প্রচারনা চা‌লি‌য়ে যা‌চ্ছেন উপ‌জেলা আওয়ামীলী‌গের নেতাকমীরা। কানাডা প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা আমজাদ আলী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম কিরন,যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ আলী ও বতমান ভাইন্স‌চেয়ারম‌্যান আবু সাদাত মোহাম্মদ লা‌হিন। ২৯ মে নিবাচন অনু‌ষ্টিত হ‌বে। ভোটার সংখ‌্যা পুরুষ এক লাখ ৬০হাজার ৪৪জন,এবং ম‌হিলা একলাখ ৫১হাজার ৯শত ৩জন মোট ভোটার সংখ‌্যা ৩ লাখ ১১হাজার ৯শত৫৭ জন,কেন্দ্র সংখ‌্যা ১০৩ বুথ সংখ‌্যা ৬শত ৭১জন।


আরও খবর

ছাতকে ২১০ বস্তা চিনিস ও আটক এক

মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪




টেকেরঘাট সীমান্তে ২হাজার টন চুনাপাথর পাচাঁরের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট সীমান্তে সরকারের রজস্ব ফাঁকি প্রায় ২হাজার মেঃটন চুনাপাথর পাচাঁরের খবর পাওয়া গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- গতকাল রবিবার (২রা জুন)  রাত সাড়ে ১১টা থেকে প্রতিদিনের মতো টেকেরঘাট সীমান্তের বরুঙ্গাছড়া ও রজনীলাইন এলাকা দিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী আক্কল আলী, কামাল মিয়া, রুবেল মিয়া, মহিবুর মিয়া, সাইদুল মিয়া ও তোতলা আজাদগং ১৫০টি ঠেলাগাড়ি দিয়ে ভারত থেকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবাধে চুনাপাথর পাচাঁর শুরু করে।

আজ সোমবার (৩রা জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত চোরাকারবারীরা প্রায় ২হাজার মেঃটন চুনাপাথর পাচাঁর করে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন জয়বাংলা বাজারের কাঠের ব্রিজের পাশে অবস্থিত হেকিম, এমরান ও শাহ পরানের জায়গায় মজুত করেছে। কিন্তু পাচাঁরকৃত এসব অবৈধ চুনাপাথর জব্দ করাসহ চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতারের জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। অথচ এই ক্যাম্পে নায়েক সুবেদার সাইদুর দায়িত্ব পালন কালে বন্ধ ছিল চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য।

জানা গেছে- পাচাঁরকৃত প্রতি ঠেলাগাড়ি চুনারপাথর (দেড় টন) থেকে বিজিবি নাম ভাংগিয়ে ১৫০টাকা, সাংবাদিক ও থানার নামে ২শ টাকাসহ মোট ৫শ টাকা ও প্রতিবস্তা চোরাই কয়লা (৫০ কেজি) থেকে বিজিবির নামে ৫০টাকা, সাংবাদিক ও থানার নাম ভাংগিয়ে প্রতি টনে ২হাজার টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করে গডফাদার তোতলা আজাদ, তার সোর্স আক্কল আলী, কামাল মিয়া ও চাঁনপুরের জামাল মিয়া। চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে গত ৫বছরে গডফাদার তোতলা আজাদ ১৫ কোটি ও সোর্স আক্কল আলী ৩ কোটি টাকার মালিক হয়ে। তাদের অবৈধ অর্থ ও অর্জিত সম্পদ উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন। 

এব্যাপারে বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানী কারক সমিতির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খায়ের বলেন- ভারত থেকে অবৈধ ভাবে কয়লা ও চুনাপাথর পাচাঁর হওয়ার কারণে আমরা বৈধ ব্যবসায়ীরা বিরাট ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছি। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়না। উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী নবী হেসেন বলেন- সোর্স আক্কল আলী ও তার গডফাদার প্রতিদিন অবৈধ ভাবে চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের পর লাখলাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়না। সুনামগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া বলেন- রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের খবর পাওয়ার সাথে সাথে সীমান্তের টেকেরঘাট (০১৭৬৯-৬১৩১২৮) ও চাঁনপুর (০১৭৬৯-৬১৩১২৯) বিজিবি ক্যাম্পের সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল করে বারবার জানানোর পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না।     

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা কোম্পানী কমান্ডার দীলিপ বলেন- আমাদের অনেক কাজ আছে, এসব দেখা ও শুনার । ওই ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার জাফর বলেন- সীমান্ত দিয়ে যখন কয়লাসহ বিভিন্ন মালামাল পাচাঁর করা হয় জানাবেন, তখন আমি পদক্ষেপ নেব। তাহিরপুর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন বলেন- সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের দায়িত্ব বিজিবির। আপনি এব্যাপারে তাদের সাথে কথা বলেন, থানা-পুলিশে কোন সোর্স নাই। আমাদের নামে কেউ চাঁদা উত্তোলন করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ভোলার দৌলতখানে বরফ কলের গ্যাসের রিসিভার বিস্ফোরণ, নিহত-১, নারি-শিশুসহ আহত-৮

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলার দৌলতখানে খোরশেদ আলম আইচ ফ্যাক্টরি (বরফ কল) গ্যাসের রিসিভার বিস্ফোরণ হয়ে ছিদ্দিকা খাতুন নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছে। এতে নারী-শিশুসহ আহত হয়েছে আরো ৮জন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গ্যাস নিয়ন্ত্রণ আনেন। শনিবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় দৌলতখান পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ডের আইচ ফ্যাক্টরিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আহতরা বরিশাল,  ভোলা, দৌলতখান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। 

আহতরা জানান, সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে খোরশেদ আলম আইচ ফ্যাক্টরিতে গ্যাসের রিসিভার বিস্ফোরণ হয়। এ সময় বিকট শব্দে গ্যাস এলাকায় ছড়িয়ে পরে ফ্যাক্টরির পাশে থাকা বসত ঘরের ছিদ্দিকা খাতুন নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়। এ ঘটনায় অন্তত আরো ৮ জন আহত হয়য়। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল, ভোলা, দৌলতখান হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। 

ভোলা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারি পরিচালক লিটন উদ্দিন জানান, গ্যাস বিষ্ফোরণের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ ক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে গ্যাস নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ ঘটনায় এক বৃদ্ধা মারা গেছে। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।


আরও খবর



ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা দুপুরের মধ্যে

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে দেশের কয়েক অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি।

শুক্রবার (৩১ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বগুড়া, টাঙ্গাইল, খুলনা, ফরিদপুর, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে একই দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪