Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়ানোর কৌশল

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

শারমিন সুলতানা

বাঙালির রান্নাঘরের দিকে নজর দিলে পাকা রাঁধুনির হিসেব করে কুলানো যাবে না। এ রাঁধুনিরা যেমন জানে রকমারি সুস্বাদু খাবার রান্না করতে; তেমনই তারা খাবারের পুষ্টিগুণের দিকেও ইদানীং বেশ সচেতন। তবে কয়েকটি সহজ কৌশলের মাধ্যমে দৈনন্দিন খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অনেকটাই বাড়িয়ে নেওয়া যায়। একইসাথে করা যায় খাদ্যের অপচয় রোধ।

এখানে খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়ানোর জন্য আমার জানা কয়েকটি কৌশল তুলে ধরেছি-

• সুপের জন্য স্টক বানানোর সময় যে মসলা ও সবজি ব্যবহার করা হয়, যেমন- পেঁয়াজ, রসুন, আদা খোসাসহ সেদ্ধ করুন। সবজির খোসায় এবং খোসার ঠিক নিচেই বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলসমূহের পরিমাণ বেশি থাকে; সাধারণ রান্নার সময় আমরা যা ফেলে দিই। যেসব সবজির ডাটা বা পাতা খাওয়া হয় না; সেগুলোও দিতে পারেন স্টক বানানোর সময়।

• বিভিন্ন সবজির খোসা ফেলে না দিয়ে, সেটি দিয়ে ভর্তা বা ভাজিও বানাতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে লাউয়ের খোসার ভর্তা বা ভাজি করা যায়। আলু খোসাসহ রান্না করতে পারেন। বিভিন্ন কাঁচা ফল বা সবজি যেমন- শসা খোসাসহ খেতে পারেন। কমলা বা লেবুর খোসা গ্রেটার দিয়ে ঝাঁঝরি করে বিভিন্ন সালাদ তৈরিতে দিতে পারেন। এ থেকে অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি পেতে পারেন ভিটামিন-সি ও ক্যালসিয়াম।

• ভাত, পাস্তা বা নুডলস রান্না করার সময় পানির পরিবর্তে মাছ, মাংস বা সবজির স্টক ব্যবহার করুন। এতে খাবারে শর্করার সাথে সাথে প্রোটিন, কিছু কিছু ভিটামিন ও মিনারেল নিশ্চিত করা যাবে। যে বাচ্চারা ঠিকমতো খেতে চায় না, তাদের পুষ্টি জোগাতে এটি একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।

• খিচুড়ি রান্নায় কয়েক রকমের ডাল ব্যবহার করুন। একধরনের ডাল না মিশিয়ে কয়েক রকম ডাল মেশালে সবগুলো ডালের অসম্পূর্ণ প্রোটিনের মিশ্রণে পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ প্রোটিন। খিচুড়ির সাথে মেশাতে পারেন বিভিন্ন সবজিও। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মিষ্টি কুমড়া ও আলুর খিচুড়ি বা গাজর, বরবটি, ফুলকপি বা ব্রকলির খিচুড়িও চমৎকার। সবজি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের পছন্দ এবং মৌসুম বিবেচনা করা ভালো।

• পোলাও রান্নার সময় পাইননাট বা পছন্দমতো বাদাম, কিসমিস ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। বানাতে পারেন সবজি পোলাও।

• রুটিতে ডাল বা মটরশুঁটি পুর হিসেবে ব্যবহার করলে খাবারটি শর্করার পাশাপাশি প্রোটিন সমৃদ্ধ হবে। পরিবারের সদস্যরা পছন্দ করলে বানাতে পারেন- ক্রেপ, যা প্যানকেকের মতো একটি খাবার। এটি বানানো হয় দুধ, ডিম ও আটা দিয়ে। এতে মিষ্টি (চকলেট, জ্যাম, সিরাপ, বিভিন্ন ফল) বা ঝাল (ছোলা, টমেটো, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, পালংশাক ইত্যাদি) পুর দেওয়া যায়। নাস্তায় ফ্রেঞ্চ টোস্ট, তেল ও সিরাপে হাল্কা ভাজা ফলও রাখতে পারেন।

• তাজা ফলের সালাদে শুকনা ফল, ফলের বীজ ও বাদাম ব্যবহার করতে পারেন। শুকনা ফল ও বাদাম অন্যান্য সালাদেও যোগ করা যায়।

• মিল্কসেক বা জুস বানানোর সময় খেজুর, সূর্যমুখীর বীজ ও বাদাম যুক্ত করা যায়।

• ভাতের মাড় ফেলে না দিয়ে সেটি স্যুপ হিসেবে খাওয়া যায়। এতে পছন্দমতো কিছু সেদ্ধ সবজি ও সেদ্ধ ডাল বা চিংড়ি মাছ যোগ করতে পারেন।

• সবজি সংরক্ষণের জন্য সেদ্ধ (ব্লাঞ্চিং) করার পর পানি রয়ে গেলে সেটিও স্যুপ হিসেবে খেতে পারেন। খাওয়ার সময় একটু কালো গোলমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নিতে পারেন।

• রান্নায় বিভিন্ন ধরনের ভেষজ উপাদান ব্যবহারের পাশাপাশি সেগুলো যোগ করতে পারেন শরবত ও চায়ে। যেমন- লেবুর শরবতে পুদিনা পাতা কুঁচি দিতে পারেন অথবা বানাতে পারেন পুদিনা পাতার চা, যা খুবই তৃপ্তিদায়ক ও সুস্বাদু।

• ডাল বাগার বা পাঁচমিশালি সবজি রান্নায় পাঁচফোড়ন ব্যবহার করতে পারেন। পাঁচফোড়নের উপাদান- মেথি, কালোজিরা, মৌরি, জিরা ও সর্ষে প্রতিটির আছে বহু গুণ। যেমন- জিরা হজমে সহায়ক, মেথি চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং মৌরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

• ডিমে পালংশাক, ক্যাপসিকাম, মাশরুম ইত্যাদি যোগ করে ভাজতে পারেন। এতে শাক-সবজির পুষ্টিগুণগুলো পাওয়া যাবে।

এসব কৌশল প্রয়োগ করে খাদ্য থেকে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের প্রাপ্তি নিশ্চিত করা যায়। এতে একদিকে অর্থ সাশ্রয় হয়, অন্যদিকে মুখরোচক খাদ্য তৈরি করা যায় এবং স্বাদেরও পরিবর্তন হয়। এ ক্ষেত্রে যাদের বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা আছে, তারা অবশ্যই খাদ্যগ্রহণে বিধি-নিষেধগুলো মেনে চলে খাদ্য বাছাই করবেন।

লেখক: গবেষক, জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়।


আরও খবর



রাত বাড়লেই সক্রিয় হয় ঢাকা কলেজের ‘ছিনতাইচক্র’

প্রকাশিত:Wednesday ১৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজ। পাশেই শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)। কলেজ সংলগ্ন এলাকায় নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চন্দ্রিমাসহ বেশ কয়েকটি বড় মার্কেট। সকাল-সন্ধ্যা তাই লোকজনের আনাগোনায় জমজমাট থাকে পুরো এলাকা। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানটির কিছু শিক্ষার্থীর কারণে মিডিয়ায় নেতিবাচক শিরোনাম হতে হয়েছে বারবার। সম্প্রতি কলেজের সামনে ও আশপাশ এলাকায় বেড়েছে ছিনতাই। সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এর সঙ্গে জড়িত কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি চক্র। রাত যত গভীর হয় এই চক্রের তৎপরতা তত বাড়ে।

সম্প্রতি ঘটা কয়েকটি ঘটনা বিশ্লেষণে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

গত ১ আগস্ট রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে বন্ধুর জন্মদিন উদযাপন করতে ধানমন্ডি এলাকায় আসেন ১৮-২০ বছর বয়সী সাত বন্ধু। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের মোবাইলফোন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারীরা। পরে ঢাকা কলেজের এক সাবেক শিক্ষার্থী বিষয়টি হলের এক ‘সিনিয়রকে’ জানালে ছিনতাই হওয়া তিনটি মোবাইলফোন উদ্ধার হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাদের কাছ থেকে নেওয়া চারটি মোবাইলফোনের মধ্যে তিনটি ফেরত পেয়েছেন। আর খোয়া যাওয়া নগদ ১২ হাজারের কিছু বেশি টাকা ফেরত পাননি।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ভুক্তভোগী আবির (ছদ্মনাম) জাগো নিউজকে বলেন, আমরা বন্ধুর জন্মদিন উদযাপন শেষে বাসায় ফিরছিলাম। এর মধ্যে ঢাকা কলেজের সামনে থেকে ছয়জন এসে আমাদের ধরে নিয়ে যায়। টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। আমাদের ছুরি, চাকু দেখিয়ে ভয় দেখায়। পরে আবার একটা নম্বর থেকে ফোন করে আমাদের তিনটি মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়।

আরেক ভুক্তভোগী ফাহিম (ছদ্মনাম) বলেন, আমরা রিকশায় বাসায় ফিরছিলাম। হঠাৎ আমাদের রিকশা থামিয়ে গালাগালি করতে থাকেন কয়েকজন। এরপর আমাদের ধরে নিয়ে মোবাইলফোন, টাকা ছিনিয়ে নেয়। আমাদের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট আটকে রেখেছিল তারা।

jagonews24

ওইদিনের ছিনতাইয়ের ঘটনার কয়েকটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জাগো নিউজের হাতে এসেছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঢাকা কলেজের সঙ্গে লাগোয়া জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) গলি দিয়ে ১৩ জন যুবক প্রবেশ করছে। এর মধ্যে সাত ভুক্তভোগী আর ছয়জন ছিনতাই চক্রের সদস্য। প্রথমে তাদের ঢাকা কলেজের হল গেটের (৩ নম্বর গেট) ভেতরে নিয়ে মোবাইলফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আবার বের হয়ে তাদের নায়েমের গেটের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ভুক্তভোগীদের নিয়ে কলেজের সামনের মিরপুর সড়কের দিকে চলে যায় ছিনতাইকারীরা। ছিনতাইকারী চক্রের একজনের গায়ে ঢাকা কলেজের লোগো সম্বলিত টি-শার্টও দেখা যায়।

ফুটেজে দেখা যায়, ছিনতাইচক্রের সদস্যরা ভুক্তভোগী সাত যুবকের ঘাড়ে হাত দিয়ে গল্পের ছলে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে আসে। দেখে বোঝার উপায় নেই যে এরাই ছিনতাই করতে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি আঁচ করতে পারলেও ভয় দেখিয়ে তাদের মুখ বন্ধ রাখা হয়। তাই পাশ দিয়ে কেউ হেঁটে গেলেও তারা সাহায্য চাইতে পারে না।

এ ধরনের ঘটনা খুব কাছ থেকে দেখেছেন ঢাকা কলেজের এমন কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। তারা বলেন, ছিনতাইয়ের এই চক্রটি কাজ এমনভাবে করে যাতে কেউ ধরতে না পারে। অনেক সময় রাতে রাস্তায় টহল পুলিশ থাকে, তখন তারা এসব করে না। আবার কাউকে ধরে আনার ক্ষেত্রে তারা কলেজ ক্যাম্পাসকেই বেছে নেয়। কেননা ক্যাম্পাসে বিনা অনুমতিতে পুলিশ প্রবেশ করতে পারে না।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা কলেজের সামনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ছিনতাইয়ের শিকার হন। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর নাম ইকরা। তিনি ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের বোন ইনিন তাজরিনের বান্ধবী। ঘটনাটি ছাত্রলীগ সভাপতি জানতে পারলে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী তার মোবাইলফোন ফেরত পান। এমন ঘটনা এখন হরহামেশাই ঘটছে।

তথ্য বলছে, চক্রের সদস্যরা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে কাজ করেন। রাত যত বাড়ে তত সক্রিয় হয় তারা। এমনকি ভোর পর্যন্ত চলে তাদের এ অপতৎপরতা।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য বলছে, এই ছিনতাইকারী চক্রটি ঢাকা কলেজের হলের কিছু ‘বড় ভাই’ নিয়ন্ত্রণ করেন। আবার বিপদে পড়লে ওই বড় ভাইরাই তাদের উদ্ধারে করেন। তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই চক্রটি প্রতিনিয়ত এসব কাজ করে যাচ্ছে। এদের অনেকে সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, নিউমার্কেট এলাকায় ছিনতাই করতে বাইরের এলাকা থেকে অনেক ছিনতাইকারী আসে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আবার ঢাকা কলেজের কোনো বড় ভাইকে জানিয়ে আসে যাতে বিপদে পড়লে উদ্ধার হতে পারে।

কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছে, গুটিকয়েক শিক্ষার্থীর এসব কাজের জন্য কলেজের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। তাই যারা এসব ঘটনা ঘটায় তাদের কলেজ থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনা উচিত।

পুলিশ বলছে, ছিনতাইয়ের এসব ঘটনা ঘটলেও অভিযোগ না আসায় তারা ব্যবস্থা নিতে পারে না। ডিএমপির নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিনিয়তই পুলিশের নিয়মিত টহল টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে। অনেকে আটকও হচ্ছে। প্রয়োজনে আমরা পুলিশের টহল আরও বাড়াবো। কলেজ প্রশাসন উদ্যোগী ভূমিকা পালন করলে এ ধরনের ঘটনা রোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের সংযোগ থাকতে হবে এবং প্রশাসনকে সহায়তা করতে হবে।

১ আগস্টের ঘটনার পরদিন (২ আগস্ট) ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ (ওই সময়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন) অধ্যাপক এটিএম মইনুল হোসেন বলেছিলেন, দেশের স্বার্থ ও আইনবিরোধী যে কোনো কাজে যদি কেউ যুক্ত থাকে তবে তার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নিতে পারে। কলেজ এলাকার বাইরে ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনার দায় আমরা নিতে পারবো না। এটি সম্পূর্ণই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব। তারা যদি মনে করেন কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে তবে তার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, আমি নতুন যোগ দিয়েছি। এ বিষয়ে এখন কিছু বলতে পারবো না।


আরও খবর



প্রতিবন্ধী নারীর টাকা গেলো ভুল নম্বরে, উদ্ধার করে দিলো পুলিশ

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীর ভুল নম্বরে চলে যাওয়া চিকিৎসার ২০ হাজার টাকা নাটোরের বাগাতিপাড়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপুরে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম প্রকৃত মালিকের হাতে টাকা তুলে দেন।

এ সময় টাকা হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শারীরিক প্রতিবন্ধী নারী নাছরিন আক্তার। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দ্রপুর গ্রামের মো. গোলাম মাওলার মেয়ে।

নাছরিন আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার ভাই সাইফুল ইসলাম কুয়েত থেকে আমার চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকা পাঠায়। অসাবধানতাবশত টাকাগুলো ভুল বিকাশ নম্বরে চলে যায়। এ ঘটনায় ২ আগস্ট কবিরহাট থানায় সাধারণ ডায়েরি (নম্বর-৬২) করি। এক সপ্তাহ পর আজ ওসি স্যারের কাছ থেকে সেই টাকা বুঝে পেলাম। পুলিশের সহযোগিতায় আমি মুগ্ধ।’

ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক দিপুকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নাটোরের বাগাতিপাড়া থানা এলাকা থেকে জনৈক মিরাতুল ইসলামের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তা প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



খাদ্যশস্য রপ্তানি চুক্তিতে সই করতে যাচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ছয় মাসে পড়তে যাচ্ছে। তবে দেশ দুটি কৃষ্ণসাগর দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানিতে সমঝোতায় পৌঁছেছে। শুক্রবার (২২ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হতে যাচ্ছে তুরস্কে।

দেশটির রাজধানী ইস্তাম্বুলে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা বসবেন। জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন এই বৈঠকে থাকবেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তাছাড়া মধ্যস্থতাকারী তুরস্কের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে হবে চুক্তি সই।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন এক টুইট বার্তায় জানান, ‘শস্য রপ্তানি চুক্তি, যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইস্তাম্বুলে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের পৃষ্ঠপোষকতায় ইউক্রেনীয় ও রাশিয়ান প্রতিনিধিদের চুক্তি সই হবে।’

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম কয়েক দফা বেড়ে গেছে। ফলে খাদ্যসংকটে পড়েছে অনেক দেশ।

jagonews24

গেলো দুমাস ধরে খাদ্যপণ্যের দাম কমাতে যুদ্ধরত দেশগুলোর সঙ্গে দফায়-দফায় আলোচনা করে আসছে জাতিসংঘ ও তুরস্ক। অবশেষে সেই উদ্যোগ সফল হতে যাচ্ছে।

ইউক্রেনে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে কার্যত বন্ধ থাকে কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো। শুধু ওডেসা বন্দরেই আটকা পড়ে ২৫ মিলিয়ন টন শস্য। চুক্তি সইয়ের ফলে রাশিয়ার খাদ্যপণ্যসহ সারও রপ্তানি হবে এই সমুদ্রপথে।

বিশ্বে খাদ্যের ১০ ভাগের এক ভাগ সরবরাহ করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। বৈশ্বিক গম রপ্তানির ৩০ শতাংশের পাশাপাশি সূর্যমুখী তেলের ৬০ শতাংশ উৎপাদন করে তারা। কমপক্ষে ২৬টি দেশ তাদের অর্ধেকেরও বেশি খাদ্যশস্যের জন্য রাশিয়া-ইউক্রেনের ওপর নির্ভরশীল।

সূত্র: এএফপি


আরও খবর



আমড়াসত্ত্ব তৈরির সহজ রেসিপি

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

বাজারে এখন আমড়া বেশ সহজলভ্য। ভিটামিন সি এর উৎসব এই ফল। শারীরিক নানা সমস্যার সমাধান মেলে এই ফল খেলে। আমড়া কাঁচা ও পাকা দুটো অবস্থাতেই খাওয়া যায়।

অনেকে আবার আমড়ার আচার এমনকি ডাল কিংবা তরকারিতেও ব্যবহার করেন এই টক-মিষ্টি ফল। চাইলে আমড়া দিয়ে তৈরি করতে পারেন আমড়াসত্ত্ব। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ

১. আমড়া
২. চিনি
৩. লবণ
৪. চিলি ফ্লেক্স

সব উপকরণ পরিমাণমতো নিতে হবে।

পদ্ধতি

প্রথমে আমড়ার খোসা ছাড়িয়ে কেটে নিন। ভেতরের বীজ ফেলে নিন। তারপর আমড়া ধুয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এবার এই সেদ্ধ আমড়া ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে চালনিতে চেলে নিতে হবে।

এরপর চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে ব্লেন্ড করা আমড়ার সঙ্গে চিনি ও সামান্য লবণ মিশিয়ে জ্বাল দিতে হবে। একই সঙ্গে নাড়তে হবে অনবরত, যাতে প্যানের গায়ে লেগে না যায়।

অল্প কিছুক্ষণ নাড়ার পর আমড়া বেশ ঘন হয়ে হালুয়ার মতো হয়ে আসবে তখনই তাতে দিয়ে দিতে হবে চিলি ফ্লেক্স। আবারও কিছুক্ষণ নেড়ে জ্বাল দিয়ে নিতে হবে।

চামচে আমড়ার এই মিশ্রণ নিয়ে কাত করে ফেললে যদি একবারে না পড়ে থেমে থেমে পড়ে, তখনই বুঝতে হবে আমড়াসত্ত্বের জন্য সেটি তৈরি।

এরপর সরিষার তেল ব্রাশ করা একটি ট্রেতে আমড়া ঢেলে চামচ দিয়ে সমানভাবে চারপাশে ছড়িয়ে দিয়ে রোদে শুকাতে হবে ৩-৪দিন। রোদে শুকানো না গেলে চুলার নিচে রেখেও শুকিয়ে নিতে পারবেন।

একদিন শুকানোর পর খুব সাবধানে ধরে উল্টে দিতে হবে। দুই পিঠেই সমানভাবে শুকিয়ে শক্ত হয়ে গেলেই তৈরি হয়ে যাবে আমড়াসত্ত্ব।

রেসিপি ও ছবি: ঝুমুর’স কিচেন


আরও খবর



গল্পকার ও অভিনয়শিল্পীর খোঁজে চলছে ফিকশন ফিয়েস্তার নিবন্ধন

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

আরটিভি ও প্রিয়ন্তীর যৌথ উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন গল্পকার ও অভিনয়শিল্পী খুজে বের করার আয়োজন ‘আরটিভি ফিকশন ফিয়েস্তা ইন এসোসিয়েসন উইথ প্রিয়ন্তী’। একঝাঁক আগামীর তারকা অভিনয়শিল্পী যারা মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন, আরেক দল গল্পকার তৈরির জন্য এই আয়োজন।

ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে কার্যক্রম। নতুন গল্পকারদের গল্প ও অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে নির্মিত ২টি করে একক নাটক প্রতি সপ্তাহে প্রচারিত হবে আরটিভিতে এবং বছর শেষে প্রচারিত মোট ১০০টি একক নাটক থেকে সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত সেরা অভিনয়শিল্পী ও সেরা গল্পকারদেরকে পুরস্কৃত করা হবে।

অভিনয়শিল্পী এবং গল্পকার এই দুটি ক্যাটাগরিতে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলছে। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৩১ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। তাই আগ্রহী যারা এখনও রেজিষ্ট্রেশন করেননি তাদেরকে এখনই রেজিষ্ট্রেশন করতে অনুরোধ জানিয়েছে আয়োজকরা।

প্রিয়ন্তীর সিইও মনোয়ার পাঠান বলেন, ‘অভিনয়শিল্পী ক্যাটাগরিতে যারা অংশগ্রহণ করতে চায় তারা তাদের অভিনয়ের সর্বোচ্চ ১-২ মিনিটের ভিডিও ক্লিপ এবং যারা গল্পকার ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করতে চায় তারা তাদের গল্পটি পিডিএফ ফাইল করে Rtv Fiction Fiesta ফেইজ বুক পেইজে ইনবক্স করতে পারেন। চাইলে তারা [email protected] এই ই-মেইলেও পাঠিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।’

তিনি জানান, জুলাই মাসে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগস্ট ১১ তারিখে প্রাথমিক বাছাইকৃতদের ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে। প্রাথমিক বাছাইকৃতদের মধ্য হতে চূড়ান্ত বাছাই করা হবে আগামী ১৮-২০ আগস্ট ঢাকায়।

চূড়ান্তভাবে যারা নির্বাচিত হবে তাদেরকে গ্রুমিং করে নাটকের শুটিংয়ের জন্য তৈরি করা হবে ২২ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। আশা করা যাচ্ছে তাদেরকে নিয়ে সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখের দিকে নিয়মিতভাবে শুটিং শুরু করা হবে। সেগুলো প্রচার করা হবে অক্টোবর থেকে।

টেলিভিশন নাট্য মাধ্যমকে আরোও সমৃদ্ধ করার এই মহতি উদ্যোগের সাথে বাংলাদেশের বিখ্যাত সব
অভিনয়শিল্পী, নাট্যপরিচালক, কলাকুশলী, গল্পকার, নাট্যকার, বিনোদন ভুবনের সংশ্লিষ্টরা পাশে আছেন।

এর আয়োজকরা মনে করেন, নতুন শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা সত্যিই চ্যালেঞ্জ। কিন্তু মেধাবী ও প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী বা গল্পকারদের তৈরি করে মান সম্মত নাটক নির্মাণ করা দুঃসাধ্য কোনো ব্যাপার নয়।


আরও খবর