Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
কাশিমপুর কারাগারে বন্দীর সাথে বাদির বিয়ে

কারাগারে বন্দি আসামির সাথে মামলার বাদীর বিয়ে

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৩৪জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

কারাগারে থাকা অবস্থায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় কাশিমপুর কারাগারের আসামির সঙ্গে ওই মামলার বাদীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।


উচ্চ আদালতের আদেশে শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে বাদী ও আসামিপক্ষের স্বজন এবং আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।



গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ ওই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বরের নাম নাঈম মিয়া (২৩)। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায়। কনের (১৯) বাড়িও একই জেলায়।


কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর জেলার রীতীশ চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে কারাগারের অফিস রুমে উভয় পরিবারের স্বজন ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর বরের স্বজনদের সঙ্গে কনে শ্বশুরবাড়ি চলে যান।


জেলার আরও জানান, রাজধানীর মিরপুর থানায় করা মামলায় গ্রেফতারের পর নাঈমকে ২০২০ সালে ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগারে আনা হয়।


আরও খবর



তাইওয়ানের স্বাধীনতা ঠেকাতে ‘শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের’ অঙ্গীকার চীনের

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

তাইওয়ানের স্বাধীনতা ঠেকাতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার অঙ্গীকার করেছে চীন। এ বিষয়ে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ ব্যর্থ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। তাছাড়া এরই মধ্যে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। রোববার (১২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে শাংরি-লা সংলাপ নিরাপত্তা সম্মেলনে বলেন, যদি কেউ তাইওয়ানকে চীন থেকে আলাদা করার দুঃসাহস দেখায় তাহলে আমরা সর্ব শক্তি প্রয়োগ করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাবো। এটাই চীনের একমাত্র পথ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, নিজেদের অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় চীনের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে কারও অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।

ওয়াশিংটনকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কিছু দেশ তাইওয়ানকে ব্যবহার করে খেলছে, যা অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ। কিন্তু তাইওয়ানকে একত্রীকরণের ক্ষেত্রে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

এদিকে গত মাসের শেষের দিকে স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ানের আকাশসীমায় চীনের ৩০টি যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করে। তাইওয়ানের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীনের এসব যুদ্ধবিমানকে সতর্ক করতে তারাও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।


আরও খবর



রিট শুনানি মুলতবি: আপিল করলেন শরীফ

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-সহকারী পরিচালক পদ থেকে চাকরিচ্যুত শরীফ উদ্দিনের রিটের শুনানি (স্ট্যান্ডওভার) মুলতবি রাখার বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন শরীফ উদ্দিনের আইনজীবী মো. সালাউদ্দিন দোলন।

দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো.খুরশিদ আলম খান বলেন, শরীফ লিভ টু আপিল করেছেন। তার আবেদনের কপি আমরা পেয়েছি।

এর আগে গত ২৪ মে দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) বিধিমালার ৫৪(২) বিধি নিয়ে আপিল বিভাগে দুদকের একটি আপিল বিচারাধীন থাকায় ওই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শরীফ উদ্দিনের রিটের শুনানি মুলতবি করা হয়।

গত ২৪ মে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ওইদিন শরীফের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সালাহ উদ্দিন দোলন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এর আগে গত ১৯ মে শরীফ উদ্দিনের চাকরি পুনর্বহাল সংক্রান্ত আবেদনের নথিপত্রসহ রিটে সম্পূরক তথ্য দিতে সময় নিয়েছিলেন তার আইনজীবী। পরে এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে শুনানির জন্য সোমবার (২৩ মে) দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

রিটটি দায়েরের আগে চাকরি থেকে অপসারণের আদেশ পুননিরীক্ষণের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে চাকরির ধারাবাহিকতা ও অন্যান্য সুবিধা পুনর্বহাল চেয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদক চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন (রিভিউ) করেন শরীফ উদ্দিন। তবে রিভিউ’র সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় গত ১৯ মে শরীফের আইনজীবী রিট শুনানিতে সময়ের আরজি জানালে আদালত ২৩ মে দিন রাখেন। এর ধারাবাহিকতায় রিটের ওপর শুনানি হয়।

এর আগে গত ১৩ মার্চ শরীফের চাকরিতে পুনর্বহাল দাবিতে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিয়া মোহাম্মদ ইশতিয়াক। রিটে দুদকের সচিব ও চেয়ারম্যান এবং আইন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়।

রিটের আগে চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য দুদকে রিভিউ করেছিলেন শরীফ উদ্দিন। ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর তিনি এ আবেদন করেন। কিন্তু তার আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চাকরিচ্যুত করা হয় শরীফ উদ্দিনকে। তখন দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহের সই করা আদেশে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) বিধিমালা- ২০০৮ এর বিধি ৫৪ (২) তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মো. শরীফ উদ্দিন (উপ-সহকারী পরিচালক) দুদক, সমন্বিত জেলা কার্যক্রম, পটুয়াখালীকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হলো।

এরপর এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন শরীফ উদ্দিনের সহকর্মীরা। পরে তারা ৫৪(২) ধারা বাতিলের দাবিতে দুদক সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেন।

এছাড়া শরীফ উদ্দিনকে অপসারণ করায় হাইকোর্টে চিঠি ও রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী।

এর আগে চট্টগ্রাম দুদক কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে ২০২১ সালের ১৬ জুন ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে অন্তর্ভুক্তের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের পরিচালকসহ ইসির চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন শরীফ।

একই বছর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে সংলগ্ন কলাতলী বাইপাস রোড এলাকায় পিবিআই অফিস তৈরির জন্য এক একর জমি অধিগ্রহণে জালিয়াতির ঘটনা উঠে আসে শরীফ উদ্দিনের তদন্তে।

এছাড়া কক্সবাজারের মেগা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর জমি অধিগ্রহণের দুর্নীতিতে জড়িত বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে মামলাও করেন শরীফ উদ্দিন। এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে নামে দুদক। তখন নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার ও দুদকের পক্ষে বেশ কয়েকটি মামলা করেছিলেন শরীফ।


আরও খবর



একনেকে উঠছে মেট্রোরেলের সময়-ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

শিগগির জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উঠছে মেট্রোরেল প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব। এরই মধ্যে প্রস্তাবে সই করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রকল্পের মেয়াদ বাড়বে এক বছর। ব্যয় বাড়বে ১১ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। একই সঙ্গে দৈর্ঘ্য বাড়বে ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার। মোট ব্যয় গিয়ে ঠেকবে ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি টাকায়।

এজন্য বর্তমান উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সংশোধন করছে মেট্রোরেল বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সংশ্লিষ্টদের প্রস্তাবনা যাচাই-বাছাই করা হয় পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির বৈঠকে।

প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মামুন-আল-রশীদ জাগো নিউজকে বলেন, নানা কারণে নতুন করে চলমান মেট্রোরেল-৬ এ ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আমরা কয়েক দফা পিইসি সভা করেছি। এখন প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ও সময় একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। মূলত ভূমি অধিগ্রহণে বাড়তি ব্যয় ও সময় লাগছে। কারণ মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এক কিলোমিটারের বেশি দৈর্ঘ্য বাড়ছে। খরচটা বাড়ছে মূলত এটার জন্যই।

তিনি আরও বলেন, এটা একনেক সভায় যাবে। মেট্রোরেল প্রকল্পের আওতায় ডিএমটিসিএল ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্ট (টিওডি) করতে চেয়েছিল, এটা বাদ দেওয়া হয়েছে। স্টেশনপ্লাজায় বেশি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল, এটাও কমিয়ে আনা হয়েছে। উন্নত দেশেও স্টেশনে কিছু কেনাকাটা করতে চায়, তাই দরকার অনুযায়ী বরাদ্দ রেখেছি।

উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার অংশের কাজ বলতে গেলে শেষ। চলতি বছরের ডিসেম্বরে এই অংশে মেট্রোরেল চলাচল উদ্বোধন করা হবে। কাজ চলছে প্রকল্পের বাকি অংশেও। তবে মতিঝিল ছাড়িয়ে মেট্রোরেলের রুট কমলাপুর পর্যন্ত নেওয়ায় প্রকল্পের কাজ বেড়ে গেছে। মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার ধরে মেট্রোরেলের রুট দাঁড়াচ্ছে ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার। কাজ বাড়ার কারণে বেড়েছে ব্যয়ও। ডিপিপির দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাবে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রকল্পে নতুন ব্যয় ১১ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা বাড়ছে।

আগের প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুসারে, ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ের মধ্যে ১৬ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকাই ছিল জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা-জাইকার ঋণের। বাকি টাকা সরকারি তহবিলের। নতুন করে যে ব্যয় বাড়ছে, সেখানে জোগানের জন্য জাইকা থেকে ঋণ চাওয়া হবে আরও তিন হাজার ৮১ কোটি ১১ লাখ টাকা। সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হবে আট হাজার ৪০৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। নতুন অর্থ জাইকা দিলে তাদের ঋণ দাঁড়াবে ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এ প্রকল্পে সরকারি তহবিলের ব্যয় দাঁড়াবে ১৩ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির প্রাথমিক মেয়াদকাল ছিল ১ জুলাই ২০১২ থেকে ৩০ জুন ২০২৪। তবে কাজ বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প শেষ করতে সময় লাগবে আরও এক বছর ছয় মাস। সেক্ষেত্রে এটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে প্রকল্প প্রস্তাবনা সংশোধন প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার বাড়তি অংশে ভূমি অধিগ্রহণ, নির্মাণ ও ইঅ্যান্ডএম সিস্টেম সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি ট্রানজিট ওরিয়েন্টেড ডেভেলপমেন্টের (টিওডি) জন্য ভূমি বরাদ্দ ও নকশা তৈরি, ট্রেন পরিচালনার বিদ্যুৎ খরচ এবং এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া স্টেশনে যাত্রী ওঠানামার জন্য লিফট, এস্কেলেটর ও সিঁড়ি তৈরি, ফুটপাত নির্মাণ, পরামর্শক ব্যয় এবং আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলবে। এসবের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ও ব্যয় বাড়ছে।

পাশাপাশি উত্তরা সেন্টার স্টেশন কেন্দ্র করে একটি ট্রান্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড হাব (টিওডি) নির্মাণ, স্টেশনপ্লাজাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরির জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এসব পরিকল্পনা অবশ্য প্রকল্পের মূল ডিপিপিতে ছিল না।

মেট্রোরেল নির্মাণের ব্যয় বাড়ার পেছনে শুল্ক ও ভ্যাট খাতকেও অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে ডিএমটিসিএল। সংস্থাটি বলছে, প্রকল্প ব্যয়ের একটি বড় অংশ চলে যায় বিভিন্ন পণ্য, নির্মাণসামগ্রী ও সেবা ক্রয় বাবদ সরকারকে শুল্ক-কর দিতে গিয়ে। এর বাইরে জমি অধিগ্রহণের পেছনেও একটা বড় ব্যয় হয়। সংশোধিত ডিপিপির প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের প্রায় ২৩ শতাংশই খরচ হচ্ছে শুল্ক-কর ও জমি অধিগ্রহণ খাতে। পরামর্শক খাতেও ব্যয় বাড়বে।

মেট্রোরেলের স্টেশন সংখ্যা বেড়ে ১৭টি
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুসারে, মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশন হওয়ার কথা ছিল। এখন নতুন করে কমলাপুরে একটি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। স্টেশনের স্থানগুলো হচ্ছে উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ও মতিঝিল।

প্রকল্পের অগ্রগতি
প্রকল্পের সবশেষ অগ্রগতি প্রসঙ্গে ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের সবশেষ সার্বিক গড় অগ্রগতি ৮০ দশমিক ১০ শতাংশ। প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি ৯২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি ৭৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক (রেল কোচ) ও ডিপো ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি ৮১ দশমিক ১৫ শতাংশ। এরই মধ্যে অর্ধেক মেট্রো ট্রেন বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার রুট আগামী ডিসেম্বরে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।


আরও খবর



৪ লাখ ট্যাবে শুমারি, ২০ হাজার স্পট থেকে ছিন্নমূলের তথ্য সংগ্রহ

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

দেশের প্রায় ২০ হাজার স্পট থেকে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষ গণনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ জনশুমারি। মঙ্গলবার (১৪ জুন) দিনগত রাত ১২টা থেকে বুধবার (১৫ জুন) ভোর ৬টা পর্যন্ত ভাসমান মানুষ গণনা করা হয়। এরপর সকাল ৮টা থেকে জনশুমারির মূল কাজ শুরু হয়, যা আগামী ২১ জুন শেষ হবে।

সারাদেশে একযোগে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯৭ জন গণনাকারী ট্যাবের সাহায্যে সাতদিন ধরে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এই শুমারি পরিচালনা করছেন। ৬৩ হাজার ৫৪৮ জন সুপারভাইজার, ৩ হাজার ৭৭৯ জন আইটি সুপারভাইজার, ৩ হাজার ৭৭৯ জন জোনাল অফিসার, ১৬৩ জন জেলা শুমারি ও ১২ জন বিভাগীয় শুমারি সমন্বকারীর মাধ্যমে এই ডিজিটাল শুমারি সম্পন্ন করা হচ্ছে।

জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ প্রকল্পের আওতায় ১৫-২১ জুন দেশের প্রতিটি খানার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। গণনাকারীগণ দেশের প্রতিটি খানায় গিয়ে ট্যাবলেটের মাধ্যমে কম্পিউটার-অ্যাসিস্টেট পার্সোনাল ইন্টারভিউজ বা কম্পিউটারের সহায়তায় ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার (কাপি) পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গত ৭ জুন সন্ধ্যা ৭টায় জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেন।

প্রকল্পের পরিচালক মো. দিলদার হোসেন বলেন, জনশুমারির প্রধান উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে- দেশের প্রতিটি খানা ও খানার সদস্যদের গণনা করে মোট জনসংখ্যার হিসাব নিরূপণ, দেশের সব বসতঘর বা বাসগৃহের সংখ্যা নিরূপণ, দেশের সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ, স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচনী এলাকা নির্ধারণের নিমিত্তে তথ্য সরবরাহ ও জাতীয় সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তথ্য সরবরাহ করা।

এ জনশুমারির মাধ্যমে দেশের সব সাধারণ খানা, প্রাতিষ্ঠানিক খানা ও বস্তিখানা, ভাসমান বা ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী, খানার বাসগৃহের সংখ্যা ও ধরন, বাসগৃহের মালিকানা, খাবার পানির প্রধান উৎস, টয়লেট সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা, রান্নার জ্বালানির প্রধান উৎস, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বৈদেশিক রেমিট্যান্স ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এছাড়াও গণনাকারীরা খানায় বসবাসরত সদস্যদের জনতাত্ত্বিক ও আর্থসামাজিক তথ্য যেমন- বয়স, লিঙ্গ, খানাপ্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, প্রতিবন্ধকতা, শিক্ষা, কর্ম, প্রশিক্ষণ, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার, ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, জাতীয়তা, নিজ জেলা ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন।

প্রকল্পের গণনাকারীরা নির্ধারিত গণনা এলাকার প্রতিটি বাসগৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করবেন। ডিজিটাল এ শুমারি বাস্তবায়নে সারাদেশে একযোগে তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার হচ্ছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ট্যাবলেট। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবলেটসমূহ মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট (এমডিএম) সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

এছাড়া এমডিএমের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম রিয়েল টাইমে মনিটর করা হচ্ছে। সর্বোপরি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজতর হবে ও স্বল্পতম সময়ে শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

মূল শুমারির প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে ১ম, ২য় ও ৩য় জোনাল অপারেশন সম্পাদন করা হয়েছে। শুমারির তথ্য সংগ্রহের জন্য গড়ে ১০০টি খানা নিয়ে একটি গণনা এলাকা গঠন করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গণনা এলাকার জন্য একজন গণনাকারী এবং ৫-৬ জন গণনাকারীর জন্য একজন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা স্থানীয় শিক্ষিত যুবক বা যুব মহিলা।

গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের (গড়ে ১২০ জন) কার্যক্রম তদারকির জন্য একজন জোনাল অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য দপ্তরের নিয়মিত কর্মচারী।

জোনাল অফিসারদের কার্যক্রম তদারকির জন্য উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী, উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারীর কার্যক্রম তদারকির জন্য জেলা শুমারি সমন্বয়কারী, জেলা শুমারি সমন্বয়কারীর কার্যক্রম তদারকির জন্য বিভাগীয় শুমারি সমন্বয়কারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সব পর্যায়ের সমন্বয়কারীরা বিবিএসের সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা। অর্থাৎ শুমারির গুণগতমান নিশ্চিতকল্পে ছয় স্তর বিশিষ্ট মনিটরিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের নিমিত্তে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (বিডিসিসিএল) ও বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) মাঠ পর্যায়ে কর্মরত আইটি জনবলকে এ শুমারির কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে।

শুমারির তথ্য-উপাত্তের গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন ধাপে চারদিন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে, মনিটরিং কর্মকর্তা ও মাস্টার ট্রেইনারদের (বিভাগীয় ও জেলা শুমারি সমন্বয়কারী) প্রশিক্ষণ বিবিএস সদর দপ্তরে, দ্বিতীয় ধাপে, উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী, জোনাল অফিসার ও আইসিটি সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ জেলা পর্যায়ে এবং তৃতীয় ধাপে, গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দুই পর্বে জোন পর্যায়ে (উপজেলা/পৌরসভা/ইউনিয়ন/ওয়ার্ড) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়াও বিবিএস সদর দপ্তরে শুমারির একটি কল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে যা গত ৩০ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রয়েছে। কল সেন্টারের নম্বর ০৯৬০২৯৯৮৮৭৭। কল সেন্টারে ফোন করে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি শুমারিতে নিয়োজিত বিভিন্ন স্তরের কর্মীগণ কারিগরি ও সাধারণ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন।


আরও খবর



এবার সাবিনাদের রুখে দিলো মালয়েশিয়া, তবু সিরিজ বাংলাদেশের

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

র‍্যাংকিংয়ে মালয়েশিয়া ৬১ ধাপ এগিয়ে। বাংলাদেশের মেয়েরা এই দলটিকেই গত ম্যাচে দিয়েছিল ৬ গোল। তবে এবার সাবিনা-আঁখিদের গোল করতে দেয়নি মালয়েশিয়া।

বাংলাদেশের মেয়েরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মালয়েশিয়া। তবে প্রথম ম্যাচে জয়ের সুবাদে সিরজি নিজেদের করে নিয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে প্রথমার্ধেই দিয়েছিল চার গোল। দ্বিতীয় ম্যাচে সেটা আর হলো না। এমনকি প্রথম ৪৫ মিনিটে মালয়েশিয়ার জালও চিনতে পারেননি সাবিনা-স্বপ্নারা। গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিটের খেলা।

গোল না হলেও বাংলাদেশের একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা ছিল মালয়েশিয়ার মেয়েরা। প্রথমার্ধে ১১টিসহ মোট ১৬টি কর্নার আদায় করে নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু কোনো কর্নারই গোলে পরিণত করতে পারেনি।

বাংলাদেশ একাদশে কোনো পরিবর্তন না আনলেও ৫টি পরিবর্তন ছিল মালয়েশিয়ার একাদশে। এই ম্যাচে তারা দাঁতে দাঁত চেপে বাংলাদেশের আক্রমণ ঠেকিয়েছে। গোল খাবে না-এমন ইস্পাতদৃঢ় পণ করেই যেন নেমেছিল মালয়েশিয়ার মেয়েরা। ড্র করে ম্যাচশেষে স্বস্তির হাসি দেখা যায় তাদের মুখে।

বাংলাদেশ একাদশ
রূপনা চাকমা, শিউলি আজিম, আঁখি খাতুন, মাসুরা পারভীন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা, সানজিদা আক্তার, কৃষ্ণা রানী সরকার , সিরাজ জাহান স্বপ্না, সাবিনা খাতুন (অধিনায়ক)।


আরও খবর