Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কানাডাকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:কানাডা আমেরিকাতে প্রথমবারের মতো কোপা সুযোগ পেয়ে সবাইকে চমকে দিয়েই সেমিফাইনালে ওঠেছিল। কিন্তু কানাডা যে সেমিতে সহজ প্রতিপক্ষ সেটি প্রমাণ করল লিওনেল মেসিরা। একপেশে লড়াইয়ে কানাডাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে চলে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৩ মিনিটের মাথায় প্রথম সুযোগ পায় কানাডা। শ্যাফেলবার্গের বাঁ পায়ের শট গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ৮ মিনিটের মাথায় সেই শ্যাফেলবার্গই আবার একই পজিশনে বল পেলে সেটিও বাইরে মারেন।

ম্যাচে আর্জেন্টিনা প্রথম আক্রমণের সুযোগ আসে ১২ নিনিটের মাথায়। ডি-বক্সের বাইরে থেকে লিওনেল মেসির বা পায়ের জোড়ালো শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। কানাডার খেলোয়াড়রা পেশিশক্তির ব্যবহার করলেও আর্জেন্টিনা মাথা ঠাণ্ডা করে খেলতে থাকে। যার ফলও পেয়ে যায় মেসিরা।

টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনার শুরুর ম্যাচে প্রথম গোলটা এসেছিল ম্যানচেস্টার সিটির তারকা আলভারেজের পা থেকে। আজ সেমিফাইনালেও সেই আলভারেজই ত্রাতা হয়ে আর্জেন্টিনাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন। ২২ মিনিটে তার দেওয়া গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। রদ্রিগো ডি পলের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে বল পেয়ে গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন আলভারেজ।

এগিয়ে যাওয়ার আবারো সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। ৩৪ মিনিটে এবার ডি মারিয়া তার চিরাচরিত চিপ শটে বল গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে মারলে সামান্য উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।

প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে ডি-বক্সের ভেতর সুযোগ পায় কানাডা। জটলা থেকে নেওয়া আলফনসো ডেভিসের শট রুখে দেন মার্টিনেজ। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপটের সঙ্গে শুরু করে আর্জেন্টিনা। যে কারণে গোল করতেও বেশি দেরি হয়নি তাদের। ৫১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। এনজো ফার্নান্দেজের জোরালো মেসির বাঁপায়ে লেগে কানাডা জালে গিয়ে জমা হয়। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।

এই অর্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য দারুণ চেষ্টা চালিয়েছে কানাডা। প্রথমার্ধে রক্ষণাত্মক খেলার চেষ্টা করলেও এবার উপরে এসেছিল তারা। বেশ কিছু আক্রমণ করেছিল তারা। তবে সফলতা আসেনি।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও একের পর এক আক্রমণ করে কানাডা রক্ষণভাগকে ব্যস্ত করে তোলে। ৬১ মিনিটে ডি মারিয়ার অ্যাসিস্ট থেকে আলভারেজের একটি শট রুখে কানাডার গোলরক্ষক মেক্সিম ক্রিপাউ। এরপর টানা ২টি আক্রমণ চালায় কানাডা। তবে ব্যর্থই থাকে তারা। ৮৯ ও ৯০ মিনিটেও গোলচেষ্টা চালিয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশটি। তবে সফলতার মুখ দেখেনি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়েই ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এই বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার বাংলাদেশ, এই বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ। আগামী দিনগুলোয় তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করাই সরকারের লক্ষ্য,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

সোমবার (২৪ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে স্বাক্ষরতার হার ৪৫ ভাগ। আমরা সেটিকে বর্তমানে ৭৬.৮ ভাগে উন্নীত করেছি। এ সময় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোয় তা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিনামূল্যে বই বিতরণের বিষয়টি অনেকে অসম্ভব মনে করলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তা করে দিয়েছে। ২০১০ সাল থেকে আমরা বিনামূল্যে বই বিতরণ করছি। এখন পর্যন্ত ৪৬৪ কোটির বেশি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তিজ্ঞান ছাড়া কোনও দেশ বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে না। আমরা সমস্ত টেলিফোন সিস্টেমকে ডিজিটালাইজ করি। কম্পিউটার শিক্ষার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় দুই তিনটা কম্পিউটার দিয়ে। ছেলেমেয়েরা যাতে শিক্ষা নিতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। তাছাড়া আইন পাশ করে ১২টা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ কাজ শুরু করি। ৭৫ পরবর্তী যারা ক্ষমতায় ছিল তারা গবেষণায় কোনও বরাদ্দ দেয়নি। গবেষণা আমাদের কোনও বরাদ্দ ছিল না। আমাদের প্রথম বাজেট অল্প ছিল। সেখান থেকেও গবেষণার জন্য টাকা দিয়ে দেই। পরে যখন বাজেট দেই তখন ১০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দিয়েছিলাম। সেটা ছিল কম্পিউটার শিক্ষা এবং গবেষণায়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের শুধু একটা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। আমি আরও কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করে দেই। সেইসঙ্গে ১৬টি বেসরকারের বিশ্ববিদ্যালয়, নভোথিয়েটার প্রতিষ্ঠা, সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট, বায়ু টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, এই সবগুলো আওয়ামী লীগ সরকার আমলে শুরু করেছিলাম।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন্নাহার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান।


আরও খবর



যানজট নিরসনে সংসদ সদস্যগণের সাথে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সমন্বয়সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৭৮জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে গ্রামের বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। রাজধানীতে ফিরতে শুরু করা এসব মানুষের রাস্তায় ভোগান্তি লাঘবে নানা উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ।

বুধবার ১৯ জুন ১৯:০০-২১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষ যাতে মাওয়া ইনকামিং ও আউটগোয়িং রাস্তা দিয়ে স্বস্তিতে ঢাকা মহানগরীতে ফিরতে পারে, সে লক্ষ্যে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উদ্যোগে ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের এমপি ড. মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন এবং মশিউর রহমান মোল্লা  সজলকে নিয়ে এক সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং এডিসি (ট্রাফিক -ওয়ারী) সঞ্চালনা করেন। এছাড়া, যাত্রাবাড়ীর টিআই পবিত্র বিশ্বাস এবং ধোলাইপাড়ের টিআই মাহমুদ সভায় উপস্থিত ছিলেন। সমন্বয় সভায় উল্লেখিত সংসদ সদস্যদ্বয় তাদের রাজনৈতিক মাঠ পর্যায়ের নেতা/কর্মীকে  ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগকে সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশনার পাশাপাশি অন্যান্য যে নির্দেশনা দেন: 

১) যাত্রাবাড়ী হতে ধোলাইপাড় পর্যন্ত (মাওয়া আউটগোয়িং ) ও ধোলাইপার হতে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত  (মাওয়া ইনকামিং) রাস্তা দুটিতে সকল প্রকার ব্যানারের বাস এক সাড়িতে দাঁড়াবে। 

২) একটি কোম্পানির একটি বেশির বাস রাস্তায় বাম লেন ঘেঁষে দাঁড়াবে না।

৩) প্রতিটি ব্যানারের বাস সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট দাঁড়াবে। 

৪) এমপিগন আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে উপস্থিত থেকে সকল বাস মালিক, কাউন্টার মালিক, পেট্রোল পাম্প মালিক, জ্বালানি পাম্প মালিক  এবং রাজনৈতিক কর্মীদেরকে যানজট নিরসনে অধিকতর কঠোর নির্দেশনা প্রদান করবেন।




আরও খবর



ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৭৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃমহাসড়কে এবং মহানগরীর প্রধান সড়কে গাড়ির চাপ কমিয়ে আনার জন্য কাজ করছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। যানজটকে সহনীয় মাত্রায় রেখে ঢাকা মহানগরবাসির  চলাচল আরো বেশি নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ। বিশেষ করে ফিটনেসবিহীন যে বাস রাস্তায় ট্রাফিক প্রেসার সৃষ্টি করে সে সকল বাসের বিরুদ্ধে।

ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম জানান, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৫০টি ব্যানারের বাস যাতায়াত করে। অনেক বাসের ফিটনেস নেই। অনেক বাসে রোড পারমিট নেই। আবার এক রুটের বাস অন্যরুটে যাতায়াত করে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে সার্বিক অপারেশন চালানো হচ্ছে। 

তথ্যমতে, গত এক সপ্তাহে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক মামলা, রেকার এবং আটকসহ মোট ২৯১টি বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৩১টি বাস ডাম্পিং গ্রাউন্ডে আটক আছে। ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ আরো জানান, ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জায়গা সীমিত হওয়ায় আপাতত কোন ফিটনেসবিহীন বাস আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন আবার মামলায় যেতে হবে। অনেক বড় পরিসরের ডাম্পিং গ্রাউন্ড থাকলে ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে ড্রাস্টিক অ্যাকশান নেয়া সম্ভব। কারণ, রাস্তায় যানবাহনের প্রেসার থাকাকালীন রাস্তার সাইডে বাস থামিয়ে কাগজপত্র চেক করার ক্ষেত্রে যানজট আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রাস্তায় যখন প্রেসার থাকেনা, তখনই বাস এর কাগজপত্র চেক করা যায়। 

ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং রাস্তায় ট্রাফিকের চাপ থাকা অবস্থায় গাড়ির কাগজপত্র চেক করার সুযোগ কম থাকায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। 

সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইপাড় এর সকল বাস কাউন্টার ম্যানেজারদেরকে ফিটনেস আছে এরকম সকল বাসের তালিকা দেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছে। 

ফিটনেস ব্যতীত অন্যান্য বাসগুলোর বিরুদ্ধে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে চলমান এই অভিযান ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম এর নেতৃত্বে এডিসি ট্রাফিক ওয়ারী সুলতানা ইশরাত জাহানের টিম পরিচালনা করছে ।


আরও খবর

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ১০ সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। যার মধ্যে ৩টি সমঝোতা নবায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বৈঠকে বসেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

‘ডিজিটাল অংশীদারত্ব’ এবং ‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারত্ব’ বিষয়ক দুটি সমন্বিত রূপকল্পকে সামনে রেখে কাজ করবে ভারত এবং বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই যৌথ কার্যক্রমের নথি সই করে বাংলাদেশ।

এ দুটি হলো-বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল অংশীদারত্বের বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশ-ভারত সবুজ অংশীদারত্বের বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ক নথি সই।

নতুন পাঁচটি সমঝোতা স্মারক হলো-বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সুনীল অর্থনীতি এবং সমুদ্র সহযোগিতার বিষয়ে দুদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত মহাসাগরের ওশানোগ্রাফির ওপর যৌথ গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে বাংলাদেশের বিওআরআই ও ভারতের সিএসআইআরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক; বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগের ওপর সমঝোতা স্মারক; যৌথ ছোট স্যাটেলাইট প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভারতের ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথোরাইজেশন সেন্টারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক এবং ডিফেন্স স্টাফ কলেজের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক।

নবায়নকৃত তিন সমঝোতা স্মারক হলো-মৎস্যসম্পদ সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক এবং স্বাস্থ্য ও ওষুধ খাতে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক।

এর আগে সকাল ৯টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোটর বহরকে পাহারা দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের গেট থেকে ফোরকোর্টে নিয়ে যায়।

এরপর এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। সশস্ত্র সালাম গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাইন অব প্রেজেন্টেশনে দুদেশের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় করিয়ে দেন।

রাষ্ট্রপতি ভবনের এ কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাট যান। সেখানে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে শেখ হাসিনা হায়দ্রাবাদ হাউসে যান। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।


আরও খবর



ডিমলায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

আবু মোতালেব হোসেন (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃনীলফামারীর ডিমলায় গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষন ও উজানের সিকিমের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৫১.৮৫ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। 

পানি বৃদ্ধি পেয়ে কিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে নদীর তীরবর্তী এলাকা উপজেলার খগা খড়িবাড়ী, খালিশা চাপানীর বাইশপুকুর, টেপা খড়িবাড়ী, ঝুনাগাছ চাপানী, পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন সহ বেশকিছু এলাকায়। নদীর আশপাশের পরিবারগুলো পানি বন্দি সহ কৃষিক্ষেত তলিয়ে রয়েছে পানির নিচে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুপুর ১২ঃ০০ টা পর্যন্ত ৫১.৮৫ সে.মি। যা বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারনা করছে ডালিয়া পাউবো। পানি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারাজের জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষনে বন্যা দেখা দেওয়ার কারেনে এলাকার পূর্বখড়িবাড়ী ও চরখড়িবাড়ী এলাকার একটি বালির বাধ ভেঙ্গে গেছে, যা স্থানীয়ভাবে আমরা মেরামতের উদ্যেগ নিয়েছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা-উদ-দৌল্লা বলেন, তিস্তা নদীর পানি সোমবার রাত থেকে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা ব্যারেজের জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। তিস্তাপাড়ের মানুষকে সর্তক করার পাশাপাশি সকল প্রকার দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুুত আছি বলে তিনি জানান। 

এদিকে পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বক্ষনিক এলাকার খোঁজখবর নিচ্ছেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে সালমা।


আরও খবর