Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কাল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১২৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ জানুয়ারি (শুক্রবার) সন্ধ্যা সাতটায় আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান মেয়াদের তিন বছর পূর্তি ও চতুর্থ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।


আরও খবর



বাকেরগঞ্জে বড়পাশা গ্রামের মনির মল্লিককে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানব বন্ধন

বাকেরগঞ্জে বড়পাশা গ্রামের মনির মল্লিককে হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানব বন্ধন

প্রকাশিত:Friday ২১ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ৯০জন দেখেছেন
Image

এ.আর হানিফঃ

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলাধীন ১৩নং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বড়পাশা, রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত মোঃ চাঁন মল্লিকের পুত্র মোঃ মনির মল্লিক এর হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মানব বন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

এলাকা বাসীর ব্যানারে উল্লেখ করা হয় হায়দার মল্রিক,ওমর ফারুক মল্লিক,মোর্তজা মল্লিক,হাশেম মল্লিক,সোহরাব মৃধা,কামাল মল্রিক,শমসের মল্লিক এর সহোদররা বড়পাশা, রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত মোঃ চাঁন মল্লিকের পুত্র মোঃ মনির মল্লিক কে কুপিয়ে জখম করে হত্যা করেছে।তাদের সকলকে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে।



আরও খবর



গাজীপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Monday ১০ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৯০জন দেখেছেন
Image


মাছুদ পারভেজ,গাজীপুরঃ-

গাজীপুরের চাপুলিয়া স্কুল এলাকার রেল পথের পাশের একটি ঝোপ থেকে নিখোঁজের ছয় দিন পর অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা সদস্যের মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।


গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার এসআই  আসাদুর রহমান জানান, স্থানীয় লোক জনের মাধ্যমে খবর পেয়ে চাপুলিয়া স্কুল এলাকার রেল পথের পাশে ঝোপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যা করে তাকে ওই স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে।


নিহতের স্বজনরা জানান, সাবেক সেনা সদস্য মেশিন টুলস কারখানায় কর্মরত ছিলেন। 

গত ৩ জানুয়ারি  বাসা থেকে খেজুরের রস আনতে বের হন।  

সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ  হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।




আরও খবর



টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনওর পরিচয় ও মতবিনিময়

প্রকাশিত:Tuesday ১১ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image


মোঃ আবুল হোসেন আকাশ (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসলাম হোসাইন ধনবাড়ী প্রেসক্লাব ও উত্তর উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সাংবাদিকদের সাথে পরিচয় ও মতবিনিময়কালে করেছেন। গতকাল সোমবার বিকালে তাঁর কার্যালয়ে এ পরিচয় ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে নবাগত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।


উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক জয়লান আবেদীনের সভাপতিত্বে ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সম্পাদক আনছার আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি স. ম. জাহাঙ্গীর আলম, মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত ও যুগান্তরের মধুপুর প্রতিনিধ এসএম শহীদ প্রমুখ। এসময় অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


এ সময়  ইউএনও বলেন, আপনাদের সহযোগিতা পেলে দুর্নীতিমুক্ত, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ বন্ধসহ উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিষয়ে ইগয়ে যেতে পারবো।


 


আরও খবর



দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক" দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে উন্নয়ন, প্রযুক্তি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং বিশ্ব দরবারে যেন তারা মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেইভাবে আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয় এবং বাস্তবায়ন শুরু করে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতগুলো উন্মুক্ত করে দেই। সরকার জনগণের সেবক; সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরটি উদ্বোধন করে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘এটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং আমাদের তিন বাহিনী সম্পর্কে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। সম্যক জ্ঞান পাবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মধ্যে একটি প্রেরণা আসবে। তারা তৃপ্ত হবেন।’

সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন,‘স্বাধীনতার পরে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলেন। সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছেন। যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত দেশকে তিনি শূন্য থেকে দাঁড়িয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়ন ও তারা যাতে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন তার জন্য বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। একই সঙ্গে আমার মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম এটা সত্য কিন্তু বাংলাদেশ কী হারিয়েছিল? একের পর এক ক্যু হয়েছে। শত শত সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের খোঁজও পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলে অত্যাচার নির্যাতন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল তার থেকে বিচ্যুত হয়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায় যা কখনো হওয়ার কথা নয়।’

বারবার নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে কেবল দেশের উন্নয়ন নয় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইশতিহারের ঘোষণা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘরের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে-স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই সঙ্গে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী-দেশের মানুষ যেন সে সম্পর্কে জানতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে, আমাদের সামরিক বাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী কী কাজ করে, কিভাবে চলে বা অতীতে তারা কী করেছে সে বিষয়ে মানুষকে জানানো একান্তভাবে দরকার। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা, একই সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে-সে সম্পর্কে জানা দরকার।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে সামরিক জাদুঘরটি আমরা দেখছি-এটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল খুব ক্ষুদ্র পরিসরে। বিজয় সরণির পাশের জায়গাটিতে এটি প্রস্তুত করা হয়। আমার খুব আকাঙ্খা ছিল-এটিকে খুব আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। তারই পাশে আরেকটি জায়গায় আমি প্রথমবার যখন সরকারে আসি, প্লানেটোরিয়াম করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো কাজ আমি প্রথমবার যখন করতে গেছি, প্রতিটি ব্যাপারেই কিন্তু পরবর্তী সরকার এসে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। প্লানেটোরিয়াম যখন আমি করলাম এর জন্য আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা দেওয়া হয়েছিল। কেন দেওয়া হয়-আমি ঠিক জানি না। আমরা যখন প্লানেটোরিয়াম করেছি, তখনই সমস্ত ইউটিলিটি যেন সামরিক জাদুঘর এবং প্লানেটোরিয়াম-উভয়েই শেয়ার করতে পারে সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে সরকার প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় বিদেশে যখন আমরা যাই বা কোনো সরকার প্রধান যখন আমাদের দেশে বেড়াতে আসে তখন যে উপহার দেয়-সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখা ও মানুষের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থাও করি। আমাদের যে তোষাখানা জাদুঘর আছে বঙ্গভবনে, সেখানে স্টোর রুমের মতো জিনিসপত্রগুলো রাখা। কিন্তু সেগুলো মানুষের সামনে প্রদর্শন করবার ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। এজন্য এই জায়গায় আমরা তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণ করি। এবং এটা সামরিক বাহিনীর হাতেই দিয়েছিলাম, একটা কমিটিও আমরা করে দেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই সঙ্গে সামরিক জাদুঘরটাকেও অত্যন্ত আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং এটা যেন দৃষ্টিনন্দন হয়-সারা বিশ্বের যত সামরিক জাদুঘর হয়েছে, তারমধ্যে যেন শ্রেষ্ঠ জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় সেটাই আমার আকঙ্খা ছিল। আমি এই জাদুঘরটি এখনো সরেজমিনে দেখিনি, প্রাথমিক পর্যায়ে যখন কাজ শুরু হয় তখন কিছুটা দেখেছি, যখন যতটুকু ডেভেলপ হয়েছে আমি ছবিতে দেখেছি, এবং যখন যেটা নির্দেশনা দেওয়ার আমি দিয়েছি, কিন্তু যতটুকু এখন দেখলাম—আমি মনে করি, এটা হবে সর্বশ্রেষ্ঠ, সুন্দর, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি সামরিক জাদুঘর। কাজেই সেভাবে এটি তৈরি হোক সেটাই আমি চাই।’

তিনি বলেন, ‘জাদুঘর শুধু প্রদর্শনীর জন্য না, এটা দেখে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে তারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যোগদান করতে আগ্রহী হবে, এগিয়ে আসবে।’


আরও খবর



সরকার পরিবর্তনের ফয়সালা রাজপথেই : ফখরুল

প্রকাশিত:Friday ৩১ December ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১১৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকার পরিবর্তনের ফয়সালা রাজপথেই হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় বলছে অনেক উন্নয়ন করে ফেলেছি। কিন্তু মূল জিনিসটা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। সেটা হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করতে হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। রাজপথেই এর ফয়সালা হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাজনীতি বিতাড়িত করার চেষ্টা করছে তার বিরুদ্ধে আমরা লড়ে যাচ্ছি। এই লড়াই এখন বেগবান হচ্ছে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। এই লড়াই অল্প সময়ের মধ্যে একটা দুর্বার গণআন্দোলনে পরিণত হবে।

সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবি করে ফখরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই কারণ তিনি একমাত্র নেত্রী যিনি গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয় বছর আপসহীন সংগ্রাম করেছেন। উড়ে এসে জুড়ে বসে প্রধানমন্ত্রী হননি, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে হয়েছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, এখন যে পার্লামেন্ট আছে, সেই পার্লামেন্টে বিরোধীদল বলতে কিছু নেই। রাজনৈতিক নেতা ও আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, তাদের কোনো মূল্যই নেই। একজন ওসি সরাসরি বলে আপনারা কে? আপনাদের তো আমরাই বানিয়েছি। অর্থাৎ রাজনীতিটা পুরোপুরি সরিয়ে একটা আমলাতান্ত্রিক বা সামরিক আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে ও সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, নিতাই রায় চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।


আরও খবর