Logo
আজঃ Monday ২৭ June ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা নাসিরনগরে মুক্তিযোদ্বাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পদ্মা সেতু দেখানোর কথা বলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ জুরাইনে পাশের বাড়ির উপড় ধসে পড়েছে সেই ঝুকিপুর্ন ভবনটি

কাজকে আপন করে নিতে পারলে তাকেই আপন করে নেয় সাফল্য-আলহাজ্ব রমজান আলী মাষ্টার

প্রকাশিত:Saturday ২৬ February ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

খরস্রোতা নদীর তীরে দাড়িয়ে উজান গাঙয়ের নাইয়া হতে যেওনা।কথাটি অত্যন্ত তাৎপর্যময়।উজানে ভেসে খরস্রোতা নদী পাড়ি দেওয়া সম্ভব না বরং দুরুহ ব্যাপার তা সকলেই জানে।তার পড়েও অনেকে অসম্ভব কে সম্ভব করে ব্যাক্তি জীবনে খরস্রোতা নদীর মতো প্রতিকুল পরিবেশকে পাড়ি দিয়ে উজান গাঙের নাইয়া হিসেবে সফলতার দ্বাড়প্রান্তে পৌছে গেছেন।অসাধ্যকে সাধন করেছেন।অনেকে খরস্রোতা নদী পাড়ি দিয়ে জীবনটাকে উজান গাঙের সফল নাইয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।জীবনের চলার পথকে উচু নিচু,আঁকা বাকা আবার কখনো খরস্রোতা নদীর সাথে তুলনা করেছেন।তেমনি একজন সফল ব্যাক্তি রুপসী পল্লী টাওয়ারের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রমজান আলী মাষ্টার।বাক্তি জীবনে তিনি একজন সফল সংগঠক ও ব্যাবসায়ী।


নিজ জীবনকে আলোকিত করে যারা অন্যের জন্য নিজেকে আইকন বানিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তেমনি একজন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আলহাজ্ব রমজান আলী মাষ্টার।এক সময়ে চরম দারিদ্রের সাথে যুদ্ধ করে নিম্ন বিত্ত পরিবারে ছিল যার বসবাস আজ তিনি সমাজের প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যাক্তি।এক সময়ের ১২০০ টাকা বেতনের স্কুল মাষ্টারের জীবন আজ রঙিন ও স্বপ্নময়।আলহাজ্ব রমজান আলী মাষ্টারের পিতা ছিলেন একজন কৃষক।কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলায় তার জন্ম।আলহাজ্ব মোঃ রমজান আলী মাষ্টারের পিতা আলহাজ্ব মোঃরুস্তম আলী,তার মাতার নাম তাজ বানু,স্ত্রীর নাম মোসাম্মৎ আমেনা বেগম গ্রামের বাড়ি-গ্রামঃ গল্লাই  ইউনিয়ন গল্লাই থানা চান্দিনা জেলা কুমিল্লা।সন্তানদের নাম যথাক্রমে প্রিয়াঙ্কা মাহমুদ রথী,তাজরীমা মাহমুদ চৈতি,আদনান মাহমুদ অভি,অর্পিতা মাহমুদ অর্পি।



শৈশবকাল থেকেই প্রতিকুল পরিবেশে অর্থ সংকট মাথায় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।আজ তিনি জয় করেছেন সবকিছুকে।তার সন্তানদের তিনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন।ছেলে আদনান মাহমুদ অভি ব্যারিষ্টার  মেয়ে প্রিয়াঙ্কা মাহমুদ রথী ডাক্তার হিসেবে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন,অন্য মেয়ে তাজরীমা মাহমুদ চৈতি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্বঃবিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে অধ্যায়নরত।তার স্ত্রীকে একজন রত্নগর্ভা জননী বললেও ভুল হবে না।তিনি অত্যন্ত ধার্মিক ও স্বামীভক্ত।তিনি সব সময় রমজান মাষ্টারের পাশে থেকে উৎসাহ যুগিয়েছেন।রুপসী বাংলার পল্লী গ্রামের রমজান মাষ্টার আজকে ঢাকা শহরের ডেমরার রুপসী পল্লী টাওয়ারের সফল স্বপ্নদ্রষ্টা।


অবারিত সবুজের সমারোহে বিস্তৃত নদীমাতৃক বাংলার অপরূপ রূপে মোহিত হয়ে বিমুগ্ধচিত্তে রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ মনের গভীর থেকে উৎসারিত ভালোবাসা প্রকাশ করে বলেন -"বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিত যাই না আর ৷ "


নদীবেষ্টিত আমাদের এই সোনার বাংলা সত্যিই অপরূপ সৌন্দর্যের এক লীলাভূমী৷ ৫৬ হাজার বর্গমাইল জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য নদ-নদীই আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান। নদীর সাথে মিশে আছে আমাদের সুখ দুঃখ, আমাদের হাসি-কান্না। মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'কপোতাক্ষ'। বিদেশ বিভূঁইয়ে শত হাজার মাইল দূরে অবস্থান করেই কবি তাঁর শৈশবের সেই কপোতাক্ষকে ভুলতে পারেনি৷ জীবনানন্দ দাশের 'ধানসিড়ি'। তিনি লিখেন-

"আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে— এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়— হয়তো শঙ্কচিল শালিকের বেশে, আবার আসিব আমি বাংলায় নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে।" 

মাইকেল মধুসূধন দত্ত এবং  রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ দুজনেই স্বনামে পরিচিত।তাদের মতোই আজ স্বনামে প্রতিষ্ঠিত  রুপসী পল্লী টাওয়ারের সফল স্বপ্নদ্রষ্টা রমজান মাষ্টার।


ঢাকার শহরতলী ডেমরায় সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় স্বনামধন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্টান।প্রতি বছর এ প্রতিষ্টানটি থেকে ভাল রেজাল্ট নিয়ে অগনিত শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশসেরা বিশ্ব বিদ্যালয় মেডিক্যাল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।এমন শিক্ষাঙ্গন থেকে চরম পরিশ্রম আর সংগ্রামের মধ্য দিয়েই এগিয়ে গেছেন রমজান আলী মাষ্টার।তার মাধ্যমে নির্মিত টাওয়ারগুলো যেন স্থাপত্য শৈলির সেরা নিদর্শন।তিনি স্বল্পমুল্যে সেরা নির্মানে মাথা গোজার ঠাই করে দিয়েছেন নাগরিকদের।

রমজান মাষ্টার বলেন আমি জিবনে বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছি তবে সব কিছুর পিছনে একটি মানুষের ছায়া আছে।আমার জীবনে আইকন বলতে একজনই আর তিনি হলেন সামসুল হক খাঁন স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা।একটু একটু করে পরিকল্পনা মাফিক এগিয়ে জীবনকে কিভাবে উন্নতির চরম শিখরে এগিয়ে নিতে হয় সবি তার কাছ থেকে শিখেছি।কোন কাজই ছোট নয় ছোট আমাদের মন।কাজকে কাজ মনে করে এগিয়ে চলতে পারলেই আলহাজ্ব রমজান মাষ্টারের মতো সেরা ব্যাক্তি হওয়া যায়।যে কাজে সম্মান আসবে কি আসবে না তা ভেবে বসে থাকলে হবেনা।কাজকে আপন করে নিতে পারলে তাকেই আপন করে নেয় সাফল্য।


আরও খবর



উজবেকিস্তান: ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সভ্যতার দেশ

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

সাইফুর রহমান তুহিন

সমগ্র বিশ্বের অগণিত পর্যটকের মধ্যে অধিকাংশই মূলত দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে ভ্রমণে বের হন। একাংশ চান প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যকে আবিষ্কার করতে এবং তারা সাধারণত দৃষ্টিনন্দন সমুদ্রসৈকত কিংবা চোখজুড়ানো পাহাড়ি এলাকাকে বেছে নেন। অন্য অংশটি পছন্দ করেন কোনো ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করতে এবং ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতিকে ভালো করে জানতে। আপনি যদি দ্বিতীয় ভাগটির অন্তর্ভুক্ত কেউ হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য আদর্শ এক গন্তব্য হতে পারে মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তান। এটি একটি ভূমিবেষ্টিত রাষ্ট্র এবং দেশটির সাথে সীমান্ত আছে আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও কিরঘিজিস্তানের। ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং নজরকাড়া সব মুসলিম স্থাপত্যকর্মের জন্য ব্যাপক পরিচিতি আছে উজবেকিস্তানের। তাসখন্দ, সমরখন্দ, বুখারা, খিভা প্রভৃতি স্থান মুসলিম সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চমৎকার সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের কারণে উজবেকিস্তান তার প্রতিবেশী অন্যান্য মধ্য এশিয়ান দেশগুলোর তুলনায় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। ১৯৯১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর উজবেকিস্তানের পর্যটনশিল্প দ্রুত প্রসার লাভ করছে।

উজবেকিস্তানের প্রধান প্রধান গন্তব্য
তাসখন্দ: ঐতিহাসিক তাসখন্দ নগরী শুধু উজবেকিস্তানের রাজধানীই নয়, গোটা মধ্য এশিয়ার অর্থনৈতিক, আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক প্রাণকেন্দ্র। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের চতুর্থ বৃহত্তম নগরী ছিল তাসখন্দ। তাসখন্দের রাস্তায় রাস্তায় দেখতে পাবেন মাথায় তারব্যান্ড বাঁধা এবং সতর্ক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা রাখালদের সাথে ভেড়ার পাল। দায়েউ নেক্সিয়াসের সামনে একটার পর একটা টিকো কার, মাটির নিচে মেট্রোরেলের নড়াচড়া—এসব দেখে আপনি ভালোভাবেই টের পাবেন যে, আপনি তাসখন্দ শহরে আছেন। যদিও অনেক সময় ঐতিহাসিক সিল্ক রোড সংলগ্ন শহর সমরখন্দ, বুখারা ও খিভার সন্ধানের ছায়ায় তাসখন্দ একটু ঢাকা পড়ে যায়। তারপরও আপনি ঘুরে দেখতে পারেন চোরসু বাজার, আমির তৈমুর স্কয়ার, খাস্ত-ইমাম এনসেম্বল, ফলিত শিল্প জাদুঘর, তাসখন্দ মেট্রোরেল, তাসখন্দ টাওয়ার (যা বিশ্বের দীর্ঘতম টেলিভিশন টাওয়ারগুলোর একটি), দৃষ্টিনন্দন কুকেলদশ মাদ্রাসা, স্বাধীনতা স্কোয়ার, উজবেক পার্লামেন্ট ভবন, উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রীয় জাদুঘর প্রভৃতি। আর শহরের বাইরে আছে নজরকাড়া চিমগান পর্বত, যা একটি চমৎকার পিকনিক স্পট।

উজবেকিস্তান: ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সভ্যতার দেশ

রাতে থাকার জন্য ভালো হোটেলের কোনো অভাবই নেই তাসখন্দ নগরীতে। শহরটির তেমন কোনো নির্দিষ্ট প্রাণকেন্দ্র নেই। তাই বেশির ভাগ হোটেল গড়ে উঠেছে মূল শহর ও বিমানবন্দরের আশেপাশে। লা গ্র্যান্ড প্লাজা হোটেল, হোটেল উজবেকিস্তান, মিরান ইন্টরন্যাশনাল হোটেল, শডলিক প্যালেস হোটেল, হোটেল ইন্টারন্যাশনাল তাসখন্দ, হোটেল সিটি প্যালেস, লোটে সিটি তাসখন্দ প্যালেস হোটেল, র্যাডিসন ব্লু তাসখন্দ হোটেল, গোল্ডেন ভ্যালি হোটেল প্রভৃতি হলো তাসখন্দ নগরীর সুপরিচিত হোটেলসমূহ। যে হোটেলেই থাকুন না কেন রেস্টুরেন্টে খাওয়ার সময় উজবেকদের জাতীয় খাবার পালভের (ইংরেজি নাম পিলাফ) স্বাদ পরখ করতে ভুলবেন না। ভেড়ার মাংস, চাল ও সবজি দিয়ে তৈরি মুখরোচক খাবারটি পাবেন তাসখন্দ কিংবা অন্যান্য শহরের যে কোনো ভালো রেস্টুরেন্টে। এ ছাড়া সেখানকার তান্দির কাবাব, মান্টি ও শরবা নামের একজাতীয় স্যুপ খুবই জনপ্রিয়।

সমরখন্দ: সম্ভবত আধুনিক উজবেকিস্তানের সবচেয়ে বিখ্যাত শহর হলো সমরখন্দ। খ্রিষ্টপূর্ব আনুমানিক ২০০০ সালে এ নগরীর গোড়াপত্তন হয়। পুরোনো শহরটি আফরোসিয়াব নামে পরিচিত এবং গ্রিকরা একে বলে মারাকান্দা। খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৯ সালে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের শাসনামলে পার্সিয়ান প্রদেশ সোগদিয়ানার রাজধানী ছিল সমরখন্দ। পরে এটি চীন ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যকার সড়কের একটি বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। অষ্টম শতাব্দীর শুরুর দিকে এটি আরবদের দ্বারা শাসিত হয় এবং মুসলিম সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হয়ে ওঠে। ১২২০ খ্রিষ্টাব্দে মঙ্গল শাসক চেঙ্গিস খান সমরখন্দকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলেন। ১৩৬৯ সালে সম্রাট তৈমুর লং সমরখন্দকে তার রাজধানী বানালে আবার পুনর্গঠিত হয় সমরখন্দ। নিজের রাজধানী হিসেবে সমরখন্দকে বিশ্ব মানচিত্রে তুলে ধরেন তৈমুর লং। এখন সেখানে যেসব স্থাপত্যকর্ম দেখা যায়, সেগুলো তৈমুর লং ও তার বংশধরদের হাতে গড়া। ইমাম আল বুখারী স্মৃতিস্তম্ভ, সেন্ট ড্যানিয়েলস স্মৃতিস্তম্ভ, উলুগবেক অবজারভেটরি, শাহ-ই-জিন্দা কমপ্লেক্স, বিবি খানম মসজিদ, গুর আমির স্মৃতিস্তম্ভ ও রেগিস্তান স্কয়ার হলো সমরখন্দের উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান।

উজবেকিস্তান: ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সভ্যতার দেশ

সমরখন্দে বেড়াতে গেলে থাকা-খাওয়া নিয়ে চিন্তার কিছুই নেই। সোভিয়েত সাম্রাজ্যের পতনের পর অনেক আধুনিক হোটেল গড়ে উঠেছে সেখানে। কামিলা হোটেল, গ্র্যান্ড সমরখন্দ হোটেল, ক্যারাভ্যান সেরাইল চোরাখা হোটেল, হোটেল রেগিস্তান প্লাজা, ওরিয়েন্ট স্টার হোটেল, এশিয়া সমরখন্দ হোটেল, মালিকা প্রাইম হোটেল, হোটেল আর্ক সমরখন্দ, জাহোঙ্গির হোটেল প্রভৃতি হলো সমরখন্দ নগরীর উল্লেখযোগ্য হোটেল।

বুখারা: মধ্য এশিয়ার প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি হলো বুখারা। এই শহরের অবিভক্ত ঐতিহাসিক ভবনগুলোর বেশিরভাগই মধ্যযুগীয় সময়ের শেষ পর্যায়ে নির্মিত। নানান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ছড়িয়ে আছে বুখারার বিভিন্ন জায়গাজুড়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সিরামিক পটারি, ফায়ারপ্লেস, ছবি ও লেখাযুক্ত প্রাচীন মুদ্রা, প্রাচীন ধাতব সামগ্রী, অলংকার, হস্তশিল্পের সরঞ্জাম প্রভৃতি। একটি দীর্ঘ সময় ধরে বুখারা পার্সিয়ান শাসনের অধীনস্থ ছিল। প্রাচীনকালে আরিয়ানরা এখানে বসতি গড়েছিল এবং বুখারার স্থানীয় বাসিন্দারা এদেরই উত্তর পুরুষ। ইরানের সোগদিয়ানরাও এখানে বসবাস করেছিল এবং এর কয়েক শতাব্দী পর এখানে পার্সিয়ান ভাষার বেশ প্রাধান্য ছিল। বুখারায় বেড়াতে গেলে যেখানে অবশ্যই যাবেন, তা হলো হিস্টোরিক সেন্টার অব বুখারা। ইতিহাস ও সভ্যতার অনেক নিদর্শনই আছে সেখানে।

সোভিয়েত আমলে বুখারায় ব্যক্তিমালিকানাধীন আধুনিক আবাসিক হোটেল একপ্রকার অকল্পনীয়ই ছিল এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হোটেলগুলোর পরিবেশ ছিল খুবই বাজে। কিন্তু এখনকার পরিস্থিতি ভিন্ন। কমিল বুখারা বুটিক হোটেল, বুখারা প্যালেস হোটেল, ওল্ড সিটি হোটেল, হোটেল গ্র্যান্ড বুখারা, ওমর খৈয়াম হোটেল, এশিয়া বুখারা হোটেল, মিনজিফা বুটিক হোটেল, কামেরলট হোটেল প্রভৃতি সদা প্রস্তুত আপনাকে উষ্ণ আতিথেয়তা দিতে।

উজবেকিস্তান: ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সভ্যতার দেশ

খিভা: আরব সাগরের দক্ষিণে অবস্থান খিভা শহরের। খিভা বিখ্যাত তার সব প্রাচীন ভবনগুলোর জন্য, যার অনেকগুলোই জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষিত। উজবেকিস্তানের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি হলো খিভা। এখানকার বেশিরভাগ ঐতিহাসিক ভবনগুলো উনবিংশ শতাব্দীতে স্থাপিত এবং স্থাপত্যের বৈচিত্র্যের কারণে খিভা আপনাকে একটি স্পষ্ট ধারণা দেবে যে, মধ্য এশিয়ার অন্যান্য শহরগুলো আগে দেখতে কেমন ছিল। এখানে থাকার জন্য আছে ওরিয়েন্ট স্টার খিভা হোটেল, আজিয়া খিভা হোটেল, হোটেল মালিকা খিভা, হোটেল আরকাঞ্চি, হোটেল মালিকা খিয়েভাক, ইসলামবেক হোটেল, মেরোস হোটেল প্রভৃতি।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী: পর্যটকবান্ধব একটি দেশ হিসেবে উজবেকিস্তানের ভিসা জোগাড় করা খুব কঠিন নয়। গুগলে সার্চ দিয়ে আপনি সহজেই ভিসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন। বাংলাদেশে উজবেকিস্তান কনস্যুলেটের ঠিকানা হলো- ওয়াইল সেন্টার, ৩য় তলা, বাড়ি নং-৭৪, গুলশান এভিনিউ, ঢাকা। হযরত শাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ নগরীর কোনো সরাসরি ফ্লাইট নেই। তবে কানেকটিং ফ্লাইট সহজেই পাওয়া যাবে। টার্কিশ এয়ারলাইন্স, এমিরেটস এয়ারলাইন্স, কাতার এয়ারওয়েজ, থাই এয়ারওয়েজ, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ, সৌদি এয়ারলাইন্স, গালফ এয়ার, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স, এয়ার ইন্ডিয়া প্রভৃতি ঢাকা ও তাসখন্দের মধ্যে কানেকটিং ফ্লাইট পরিচালনা করে।

উজবেকিস্তানের জলবায়ু একটু উষ্ণমণ্ডলীয়। গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও শুষ্ক। এপ্রিল থেকে জুন এবং আগস্টের দ্বিতীয় ভাগ থেকে নভেম্বর হলো উজবেকিস্তান ভ্রমণের সেরা সময়। দেশটির অফিসিয়াল ভাষা উজবেক, তবে রুশ ভাষার প্রচলনও ভালোভাবেই আছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে ইংরেজি ভাষা দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। স্থানীয় মুদ্রা হলো সুম। এক মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য হলো আনুমানিক ১০,৯৬০ উজবেক সুম। দেশটির বিভিন্ন স্থানে অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন আছে বলে ভ্রমণের সময় একজন ইংরেজি জানা স্থানীয় গাইড সাথে রাখা এবং কমপক্ষে দিন দশেক সেখানে অবস্থান করা উচিত। জাতি হিসেবে উজবেকরা খুবই অতিথিপরায়ণ ও পর্যটকবান্ধব, যা আপনাকে বাড়তি সুবিধা দেবে।

লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও ভ্রমণ লেখক।


আরও খবর



এবারের বিশ্বকাপে ফেবারিট আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল: স্পেন কোচ

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

কাতার বিশ্বকাপ কে জিতবে? এ নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়েছে গবেষণা, ভবিষ্যদ্বানী দেয়ার চেষ্টা। এরই মধ্যে নানা পরিসংখ্যানে এবারের বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবে লাতিন আমেরিকান দেশ ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার কথাই উঠে আসছে বারবার।

এবার সেই সুরে গান গাওয়ার চেষ্টা করলেন স্পেন কোচ লুইস এনরিকেও। তিনিও দাবি করলেন, এবারের কাতার বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম ফেবারিট হচ্ছে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল।

গত বছর মারাকানায় ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। ১৯৯৩ সালের পর এই প্রথম আর্জেন্টাইনদের হাতে কোনো ট্রফি উঠে এলো।

লিওনেল মেসি অ্যান্ড কোং চলতি মাসের শুরুতেই লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ফাইনালিসিমায় ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় করে নিয়েছে। অন্যদিকে ব্রাজিল দুটি প্রীতি ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানকে হারিয়ে নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছে। ফিফা র‌্যাংকিংয়েও তারা রয়েছে শীর্ষস্থানে।

শুধু তাই নয়, লাতিন আমেরিকার এই দুটি দল (ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা) তাদের বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে রয়েছে অপরাজিত। যদিও বাছাই পর্বে আর্জেন্টিনার চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শেষ করেছিল নেইমারের ব্রাজিল।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্পেন কোচ লুইস এনরিকে বিশ্বকাপ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি দেখছি আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল হচ্ছে বিশ্বকাপে অন্য দেশগুলোর ওপরে। অন্যদের চেয়ে অনেক ওপরে তাদের অবস্থান এখন। বিশ্বকাপেও তাদেরকেই ফেবারিট দেখছি আমি।’

রোববার উয়েফা নেশন্স লিগে স্পেন মুখোমুখি হবে চেক রিপাবলিকের। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ীরা নেশন্স লিগে এখনও পর্যন্ত মাত্র সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে। চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয়ের আশা করছেন এনরিকের শিষ্যরা। প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ১-১ গোলে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে চেক রিপাবলিকের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে।

নিজেদের শক্তি এবং তাদের কাছে সমর্থকদের প্রত্যাশা নিয়ে এনরিকে বলেন, ‘যদি কেউ চায় যে, আমরা সবগুলো ম্যাচেই জিতবো এবং প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করে ছাড়বো, তাহলে আমি মনে করি তার মডার্ন ফুটবল সম্পর্কে ধারণাই নেই। আপনি যদি ফ্রান্সের (২০১৮ বিশ্বকাপ এবং ২০২১ নেশন্স লিগজয়ী) দিকে তাকান, তাহলে বিষয়টা আরো ভালো বুঝতে পারবেন।’

এবারের উয়েফা নেশন্স লিগে ফ্রান্স খুবই বাজে খেলছে। ‘এ-১’ গ্রুপে তারা রয়েছে টেবিলের তলানীতে। প্রথম তিন ম্যাচ থেকে মাত্র ২ পয়েন্ট নিতে পেরেছে ফরাসীরা।


আরও খবর



গৌরীপুরে ফার্নিচার ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে ক্রেতা নিহত

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ফার্নিচার ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে আবুল কালাম (৫০) নামে এক ক্রেতা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের শাহগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কালাম উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের খান্দার গ্রামের মৃত জাফর মিয়ার ছেলে।

গৌরীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাইনুল রেজা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি শাহগঞ্জ বাজারের এক ফার্নিচারের দোকানে খাটের অর্ডার দেন আবুল কালামের পরিবারের লোকজন। কিন্তু ফার্নিচার দোকানের মালিক খাট দেওয়া নিয়ে তালবাহানা শুরু করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ওই দোকানে খাট আনতে যান আবুল কালাম। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে ওই ফার্নিচারের দোকানের কেউ একজন আবুল কালামকে ছুরিকাঘাত করেন। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।


আরও খবর



কোরবানি নিয়ে নবিজীর (সা.) ঘোষণা

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত কোরবানি। আল্লাহর সঙ্গে বান্দার ভালোবাসার অনন্য ইবাদত এটি। মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম আল্লাহর ভালোবাসার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ এ কোরবানি মহান রবের সেরা নিদর্শন। কোরবানি একদিকে খুশির দিন অন্যদিকে নবিজীর বিশেষ ভাবনার দিন। এ দিন নিয়ে তিনি ঘোষণা করেছেন বিশেষ সুসংবাদ। কী সেই সুসংবাদ?

সামনে আসছে ঈদুল আজহা তথা কোরবানি। উদহিয়া বা কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহ তাআলা কোরবানি করার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ

’সুতরাং তোমার তোমাদের রবের কাছেই প্রার্থনা কর ও কোরবানি দাও (একমাত্র তার জন্যেই)।’ (সুরা কাউছার : আয়াত ২)

দ্বিতীয়ত কোরবানি দেওয়া নিয়ে নবিজী বিশেষ ঘোষণা দিয়েছেন। যা একটি বিশেষ পছন্দনীয় আমল। হাদিসে এসেছে-

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ঈদের নামাজের পর কোরবানি করল, সে তার ইবাদত পূর্ণ করল (ঈদের দিনের) এবং মুসলিমদের (পথ ও পন্থা) অনুসরণ করলো।’ (বুখারি)

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, ঈদুল আজহার দিনে পশু কোরবানির চেয়ে প্রিয় কোনো আমল আল্লাহ তাআলার কাছে নেই।'

মনে রাখতে হবে

কোরবানি করাকে ইসলামের অন্যতম নিদর্শন বলা হয়েছে। অন্য যেসব আমলগুলো ইসলামের নিদর্শন, সেসব আমলগুলোর মধ্যেও কোরবানি অন্যতম। ইসলামে কোরবানির গুরুত্ব অনেক বেশি।

মুসলিম উম্মাহর জন্য পশু জবাই করার মাধ্যমে কোরবানি করা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সুন্নাহ। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে কোরবানি করেছেন। তাঁর উম্মতকে কোরবানি করতে উৎসাহিত করেছেন।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, কোরবানির মতো বিশেষ ইবাদত আল্লাহর ভালোবাসা ও সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যথাযথভাবে পালন করা। আল্লাহর ভালোবাসায় নিজেকে নিয়োজিত করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কোরবানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ও আমল যথাযথভাবে করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



লাইসেন্স ছাড়া বেকারি পণ্য উৎপাদন, জরিমানা ৫০ হাজার

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Thursday ২৩ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

লাইসেন্স ছাড়া বেকারি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করায় একটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) রাজধানীর মুগদায় অভিযান চালিয়ে ‘কেক শপ’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআই আইন, ২০১৮ অনুসারে সিএম সনদ ও ছাড়পত্র ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি পাউরুটি, বিস্কুট ও কেক বিক্রি ও বাজারজাত করে আসছিল। এ অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানো হয়।

এতে নেতৃত্ব দেন বিএসটিআই’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা নাজ নীরা। বিএসটিআই’র কর্মকর্তা মাকসুদা রুনা ফিল্ড অফিসার (সিএম) দায়িত্ব পালন করেন।


আরও খবর