Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

জয়পুরহাটে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃসমন্বিত কৃষি ইউনিটের কৃষি খাতের আওতায় জয়পুরহাটে গ্রীষ্মকালীন নানা জাতের তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (১২ মে)দুপুরে সদর উপজেলার উপচক এলাকায় স্থানীয় এনজিও জেআরডিএম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।এ সময় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাফসিয়া জাহান,জেআরডিএমের সহকারি পরিচালক এন এম ওয়ালিদ জামান সোহাগ ও কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিব ।

আরও খবর



স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ৪৫০০ টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বর্ণের দাম আবারও দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে। ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৫০২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস)। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম হবে এক লাখ ১৫ হাজার ৪৫০ টাকা। যা বুধবার (৮ মে) থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (৭ মে) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।


আরও খবর



আগরবাতি তৈরি করে ১০ হাজার নারীর ভাগ্য বদল

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:আগরবাতি কারখানায় কাজ করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে সৈয়দপুরের প্রায় ১০ হাজার নারীর। প্রায় দুই যুগের ও বেশি সময় ধরে তৈরি হচ্ছে এই আগরবাতি।বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব মসজিদ, মন্দির, গির্জায় জ্বালানো হয় এই আগরবাতি। এ ছাড়া সুগন্ধি হিসেবেও এখন অনেকে প্রতিদিন ঘরে বা দোকানেও ব্যবহার করেন অনেকেই। 

ব্যবসায়িক শহর হিসেবে খ্যাত এলাকা সৈয়দপুর। এ শহরে বেশ কয়েকটি শিল্প-কল কারখানা থাকলেও ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প রয়েছে এই শহরে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ছোট ছোট অর্ধশত কারখানা। এর মধ্যে অন্যতম হলো আগরবাতি তৈরির কারখানা। একসময় শহর সহ উপজেলার বাড়ি বাড়ি আগরবাতি তৈরি করা হলেও এখন কারখানাতেই তৈরি হচ্ছে বেশি। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আগরবাতির কারখানার মালিকরা নিজ কারখানা ছাড়া ও পাড়া মহল্লার নারীদের আগরবাতির উপকরণ দিয়ে যান। আর এসব উপকরণ দিয়ে নারীরা পিড়িতে বসে আগরবাতি বানাচ্ছেন। একেকটি নারী শ্রমিক প্রতিদিন তৈরি করছেন ৩/৪ হাজার আগরবাতি। এতে প্রতিদিন একেকজনের আয় হচ্ছে ১০০/১৫০ টাকা। শহরের ২২টি বিহারি ক্যাম্পের অধিকাংশ নারী সহ উপজেলার প্রায় নারী অবসর সময়ে আগরবাতি তৈরি করে সংসার চালাচ্ছেন। 

বাঁশবাড়ি এলাকার সাদরা লেন এর আগরবাতি কারখানার মালিক মাসুম বলেন, মেশিন ক্রয়ের আগে নারীরা হাত দিয়েই আগরবাতি তৈরি করতেন। কিন্তু যখন থেকে কারখানায় মেশিন বসিয়েছি তখন থেকে তাদের খাটনি কমে গেছে।  তিনি আরও বলেন বর্তমানে শহর সহ উপজেলার পাড়া মহল্লায় এমন একটা বাড়ি খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে বাড়ির নারীরা আগরবাতি বানাচ্ছেন না। এখন তাদের খাটনি কমে গেছে এবং মজুরি ও পাচ্ছেন ভালো।

শহরের গোলাহাট বিহারি ক্যাম্পের ফরিদা পারভীন বলেন, ‘আমরা বাড়ির কাজ শেষ করে অবসর সময়ে আগরবাতি তৈরি করি। এক দিনে ২ থেকে ৩ হাজার পিস আগরবাতি তৈরি করতে পারি।। মজুরি যা পাই তা দিয়ে আমরা আমাদের শখ-আহ্লাদ পূরন করতে পারি।

ওই ক্যাম্পের বিলকিস নামের অপর একজন জানান, আগরবাতি তৈরির সঙ্গে আমি ২০ বছর ধরে জড়িত। শরুর দিকে আগরবাতির কাঁচামাল বিভিন্ন মহল্লার নারীদের দিয়ে আসতাম। ওইসময় হাত দিয়ে তৈরি করা আগরবাতির ফিনিশিং ভালো হতো না, তবে এখন মেশিন দিয়ে তৈরি করা আগরবাতির ফিনিশিং অনেক ভালো। এতে ব্যবহার কারির চাহিদা বেড়েছে।

সাহেবপাড়ায় আগরবাতি কারখানার স্বত্বাধিকারী শাহাজাদা বলেন, ‘সৈয়দপুরের ২২টি বিহারি ক্যাম্পের অনেক নারী আগরবাতি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। অনেক নারী এ কাজ করে সাবলম্বি হয়ে ভালো ভাবে সংসার চালাচ্ছেন। নিজেদের উদ্যোগে অনেকের বাসায় ছোট ছোট কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ শিল্পে স্বল্প ঋণ সুবিধা ও সরকারি অনুদান পাওয়া পেলে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো সম্ভব।’ 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের উপব্যবস্থাপক হুসনে আরা বলেন, ‘উদ্যোক্তাদের আমরা সব সময় প্রাধান্য দিয়ে আসছি। আগরবাতির ক্ষেত্রেও কারিগরি প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি অর্থও দেয়া হবে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযান গ্রেপ্তার ৩৯

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

শনিবার (৪ মে) সকাল ছয়টা থেকে রোববার (৫ মে) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৪৬৮৯ পিস ইয়াবা, ৪ গ্রাম ২০ পুরিয়া হেরোইন ও ১১ কেজি ৪১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩০টি মামলা রুজু হয়েছে।


আরও খবর



পোরশায় সড়কে নাইট ডিউটি করতে এসে গ্রাম পুলিশের রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ,পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর পোরশায় নাইট ডিউটি করতে এসে রহস্যজনকভাবে নিহত হয়েছেন নজরুল ইসলাম(৬০) নামের এক গ্রাম পুলিশ। নিহত নজরুল ইসলাম ঘাটনগর ইউপির ঘাটনগর পাহাড়িয়া পুকুর হাটখোলা পাড়া গ্রামের মৃত লাল মুহাম্মদের ছেলে। তিনি ঘাটনগর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ছিলেন। কি কারনে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। 

নিহত গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলামের ছেলে কামরুজ্জামান জানান, তার বাবা প্রায় দিনই রাস্তায় নাইট ডিউটি করতেন। চলতি মে মাসের ১তারিখ বুধবার দিবাগত রাতে অন্যান্য দিনের মতো নাইট ডিউটি করার জন্য তার বাবা নজরুল ইসলাম ও তার দুই সহকর্মী গ্রাম পুলিশ শ্রী সুফল ও কাঞ্চন উপজেলার সারাইগাছী-নোচনাহার সড়কের ছাতুনতলি মোড়ে আসেন। রাত সাড়ে ৯টায় তার বাবা আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে আছে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান তিনি। সেখান থেকে তার বাবাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এসময় ঘটনাস্থলে তার বাবার দুই সহকর্মী ছিলেন না বলে জানান তিনি।

ছেলে কামরুজ্জামান আরও জানান, তার বাবার বাম চোখে আঘাত করে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও তার বাবার মাথা, গলা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রায় ৩সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক তার বাবাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যেতে বললে গত বৃহস্পতিবার তার বাবাকে বাসায় নিয়ে আসেন তারা। গত সোমবার দিবাগত রাতে নিজ বাসায় মারা যান গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান জানান, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। কি কারনে এবং কিভাবে তার মৃত্যু হলো তা ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে বলেও তিনি জানান। 


আরও খবর



সৈয়দপুরে মা ও মেয়ে একসাথে উত্তির্ন এস এস সি পরিক্ষায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরর ও প্যানেল মেয়র-৩ সাবিয়া সুলতানা ও তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তির্ন হয়েছেন।

ওই পরিক্ষায় প্যানেল মেয়র সাবিয়া সুলতানা পেয়েছেন জিপিএ-৩.৬৪ ও মেয়ে মোহিনী পেয়েছেন ৩.৫০ পয়েন্ট।মা পড়াশোনা করেছেন আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে আর মেয়ে শহরের ইসলামিয়া স্কুল থেকে। 

শিক্ষার যে কোন বয়স নেই তার প্রমান করলেন মা সাবিহা সুলতানা। এঘটনায় সৈয়দপুর শহর আলোচনায় মুখরিত। 

সাবিহা সুলতানা বলেন, আমার মা ছিলেন সৈয়দপুর পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিল। নবম শ্রেনিতে যখন পড়তাম তখন আমার বিয়ে দেয়া হয়। স্বামী চাকরি করতেন পৌর পরিষদের অধিনে। তার ইচ্ছে ছিল আমাকে পড়াশোনা করাবে কিন্তু  শ্বশুর বাড়ির লোকজন চাইতেন না বলেই পড়াশুনা করতে পারিনি।  প্রায় দশ বছর আগে আমার মা মারা যাওয়ায় জনগনের চাপের মুখে আমি সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন করি। ওই নির্বাচনে জনগণ আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করেন। পরপর দুইবার  কাউন্সিল নির্বাচিত হলে বর্তমান পৌর মেয়র ও এলাবাসী আমাকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বলে।  সবার অনুমতি নিয়ে আবার পড়াশুনা শুরু করি। কারন, পড়াশুনার যে কোনো বয়স বা বিকল্প নেই বলে তা আমি জানতে পেরেছি । ভর্তি হই আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসায়। মেয়ে এস এস সির ফরম ফিলাপ করে ইসলামিয়া স্কুল থেকে, আর আমি আসমতিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে। মা ও মেয়ে একসাথে এস এস সি পরিক্ষায় উত্তির্ন হয়ে খুব ভালো লাগছে।  তিনি সকল মা দের বয়স না দেখে শিক্ষিত হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। 


আরও খবর