Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

জয়পুরহাটে সাংবাদিকের ওপর হামলা, হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২৩৮জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে জেএমবি’র সাজাপ্রাপ্ত নেতা মন্তেজার রহমানের মৃত্যু ও মরদেহ দাফনের ছবি নিতে গেলে যমুনা টিভির সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুল আলীমের ওপর হামলা ও হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এ বিষয়ে শুক্রবার (১৭ মে) বিকেলে ক্ষেতলাল থানায় জিডি করা হয়েছে।

জিডি সুত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে পুলিশের উপর জেএমবির হামলার ঘটনায় আসামি হয়ে ২০০৭ সাল থেকে কারাগারে থাকা মন্তেজার মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়ায় মারা যান। গত বুধবার (১৫ মে) বিকেলে তার মরদেহ বাড়িতে আনা হলে উৎসুক জনতা ভিড় করে।
সেখানে যমুনা টিভির রিপোর্টার আব্দুল আলীম ও নাগরিক টিভির প্রতিনিধি মাহফুজার রহমান সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তাদের বাঁধা দেয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন আব্দুল আলীম। তবে পরিচয় দেয়ার পরেও তার ওপর আক্রমন করা হয়। এসময় কয়েকজন গালিগালাজ করে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ওই রিপোর্টার ক্ষেতলাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ক্ষেতলাল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইমায়েদুল জাহেদী বলেন, সাংবাদিককে হত্যা ও হুমকির জিডি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, মন্তেজার জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আ. রহমান ওরফে বাংলা ভাইয়ের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। ২০০৬ সালে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় সে এতদিন জেলে ছিল।

আরও খবর



ভোট গণনায় অনিয়ম ও সুকৌশলে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ; যৌক্তিক দাবির সমাধান চান তিনি

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:ভোট গণনায় অনিয়ম ও সুকৌশলে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর আত্রাইয়ে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের ৩য় ধাপের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে। অভিযোগ তুলেছেন আফছার আলী প্রামানিক নামে এক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি ওই নির্বাচনে তালা প্রতিকে নির্বাচন করে হেরে গিয়েছেন। তার অভিযোগ সুকৌশলে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে একাধিক অনিয়ম তুলে তিনি গত বৃহস্পতিবার (৩০ মে) আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়া পরের দিন শুক্রবার (৩১ মে) সকালে ভূক্তভোগী আফছার আলী প্রামানিক তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ ও সংবাদ সন্মেলন করেও তিনি কোনো সমাধান বা আশ^াস পাননি। তাই হতাশ হয়ে গণমাধ্যমকর্মীর কাছে আবারও অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

প্রার্থী আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আফছার আলী দাবি করে বলেন, গত ২৯মে আত্রাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই নির্বাচনে উপজেলার জনগণ স্বত:স্ফূর্ত ভাবে আমাকে ভোট প্রদান করেছেন। কিন্তু ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ছয়টি কেন্দ্রে ভোট গণনায় তার প্রতি চরম অন্যায় এবং অবিচার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রদেয় তিন হাজার ৮১০ভোট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রদেয় ভোটের সংখ্যায় এবং শতকরা হারে গড়মিল রয়েছে। তিনি বলেন, একজন ভোটার যখন ভোট দিতে যায় তখন তাকে তিনটি পদে তিনটি ব্যালট পেপার দেয়া হয়। এতে তিনটি পদেই প্রদেয় ভোটের সংখ্যা একই রকম হওয়ার কথা। অথচ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত প্রাথমিক বেসরকারী ফলাফল সিটে চেয়ারম্যান পদে প্রদেয় ভোটের সংখ্যা ৭৩হাজার ২৪৮, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৩হাজার ২৩১এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৩হাজার ২৬৮প্রদেয় ভোট দেখানো হয়েছে। এতে কোনো পদের সাথে কোনো পদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যার মিল নেই। যা অনিয়মের নজির। তিনি বলেন, ঘোষিত বেসরকারী ফলাফলে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুল শেখ এর ভোট দেখানো হয়েছে ৩৩হাজার ৫১৮এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমাকে তালা প্রতিকে দেখানো হয়েছে ৩২হাজার ২৭৪ভোট। এতে ভোটের ব্যবধান দেখানো হয়েছে এক হাজার ২৪৪ভোট। অথচ বাতিল ভোটের সংখ্যা দেখানো  হয়েছে তিন হাজার ৮১০ভোট। তিনি দাবি করে বলেন, আমাকে সুকৌশলে অনিয়ম করে হারানো হয়েছে। মোট বাতিলকৃত ভোট বাছাইপূর্বক এবং ৬টি কেন্দ্রের ভোট পুনরায় গণনা করলে আমিই জয়লাভ করব। এঘটনায় মোট বাতিলকৃত ভোট বাছাইপূর্বক এবং ছয়টি কেন্দ্রের ভোট পুনরায় গণনার দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভূক্তভোগী আফছার আলীর দাবি তার প্রতীকে সিল মারা একাধিক ব্যালট বাহিরে পাওয়া গিয়েছে। যেটা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। তাই তিনি পুনরায় বাতিলকৃত ভোট ও ছয়টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোট গণনা চান। তিনি বলেন, প্রধানমনত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। আমার এখানেও নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা আমাকে সুকৌশলে হারিয়ে দিয়েছে। আমার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। আমাকে যারা ভালোবাসেন এবং ভোট দিয়েছেন তারা আমার এই পরাজয়কে মেনে নিতে পারছেনা। সেই জন্য আমি উচ্চ আদালতে যাবো। এর শেষ দেখে ছাড়বো। 

এদিকে তিনি সংবাদ সন্মেলনেও একই দাবি তোলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য স্বপন কুমার সাহা, আত্রাই উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা আমানুল্লাহ ফারুক বাচ্চু, পাঁচুপুর ইউনিয়ন সেচ্ছা সেবকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাকিল হোসেন, সমাজ সেবক রতন প্রামানিকসহ দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।

সুকৌশলে হারিয়ে দেওয়া ও অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে আত্রাই নির্বাচন কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম অস্বীকার করে বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। আর প্রদেয় ভোটের শতকরা হার এক না হওয়ার কারণ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা যেকোনো কারণে হতে পারে। দুই এক ভোটের গড়মিল হতেই পারে বলে জানান তিনি। এছাড়া দুই তিন ভোট কোনো প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করেনা। তবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ থাকলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করতে পারে। এতে বিজয়ী ভাইস চেয়ারম্যানের গেজেট স্থগিত হয়ে যাবে।

একইভাবে প্রদেয় ভোটের শতকরা হারের যে ব্যবধান রয়েছে তা অনেক কারণে হতে পারে জানিয়ে আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, তার অভিযোগ সত্য নয়। ভোটে বা ভোট গণনায় কোন অনিয়ম হয়নি। আমরা শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হয়েছি। আফছার আলী প্রামানিক যে লিখিত আবেদন করেছিলেন তা আমাদের এখতিয়ার ভুক্ত না হওয়ায় তাকে নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা এখন নির্বাচন কমিশন দেখবেন। 


আরও খবর



খাগড়াছড়ি তিন উপজেলার নির্বাচনি শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে প্রচারণা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ  নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে খাগড়াছড়ি জেলার তিন  উপজেলা খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা,পানছড়ি নির্বাচনি শেষ মূহুর্তে প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে প্রতিটি  জনপদ । তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। 

তবে পানছড়িতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেই। আঞ্চলিক সংগঠনের দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির ভোট বর্জন ও আওয়ামী লীগেরও প্রার্থী না থাকায় ভোট নিয়ে তেমন আগ্রহ নেই ভোটারদের মাঝে।

বিএনপির ভোট বর্জনের মুখে প্রচণ্ড তাপদাহ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদে প্রার্থীদের প্রচারণা চলছে। 

আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ৪১টি। মোট ভোটার ৯২ হাজার ৮৬৪ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৭ হাজার ৮৯৫ ও নারী ভোটার ৪৪ হাজার ৯৬৯ জন।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম (আনারস), সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মো. আকতার হোসেন (মোটরসাইকেল), গোলাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা (কৈ মাছ) জাতীয় পার্টির নজরুল ইসলাম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুশীল জীবন ত্রিপুরা (টেলিফোন) ও ভারত প্রত্যাগত নেতা সন্তোষিত চাকমা (দোয়াত কলম) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. আসাদ উল্লাহ (বই), ক্যাউচিং মারমা (তালা), মো. আবু হানিফ (টিয়াপাখি), মো. এরশাদ হোসেন (চশমা) ও শাহাবুদ্দিন সরকার পেয়েছেন (টিউবওয়েল) প্রতীক।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কল্যাণী ত্রিপুরা (কলস), নিউসা মগ (প্রজাপতি) ও নিপু ত্রিপুরা (ফুটবল) নিয়ে নির্বাচন করছেন।

দিদারুল আলম ৩২ বছরের রাজনীতি ক্যারিয়ারে দুই মেয়াদে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।মানুষের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে তিনি কাজ করছেন। খাগড়াছড়ি সদর  উপজেলাকে স্মাট উপজেলা করার লক্ষ্যে এবছর নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন  তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই তিনি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগে ব্যস্থ সময় পার করছেন। নির্বাচনের বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হলে তিনি জয় লাভ করবেন।নির্বাচিত হলে উপজেলা পরিষদকে সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে জানান।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ এর বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান আকতার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে  উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই তিনি  খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।তিনি দীর্ঘ ৫বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে উপজেলার  প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারের উন্নয়ন জনগনের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি।  আমি দীর্ঘদিন মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছি।নির্বাচনে জনগন যদি আমাকে নির্বাচিত করে আমি উপজেলার অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করবো। পাশাপাশি নতুন প্রকল্পকের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদকে আধুনিক স্মাট উপজেলা পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলবো।

গোলাবাড়ী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা (কৈ মাছ) প্রচার চালাচ্ছেন প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায়। তিনি বিগত ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালীন বাস্তবায়িত উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন।আমাকে নির্বাচিত করে আমি উপজেলার অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করবো।

দীঘিনালা উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দুই জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দীঘিনালা উপজেলার ভোট কেন্দ্র ৩৬টি। মোট ভোটার ৯০ হাজার ১৯৪। পুরুষ ভোটার ৪৬ হাজার ৮১ জন ও নারী ভোটার ৪৪ হাজার ১১২ জন। দুর্গম নাড়াইছড়িতে ভোটার সরঞ্জাম যাবে হেলিকাপ্টারে।

দীঘিনালায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কাশেম (আনারস) ও ইউপিডিএফ প্রসীত সমর্থিত প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা (মোটরসাইকেল)। দুই প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় সরগরম দীঘিনালার প্রত্যন্ত জনপদ। উভয় প্রার্থীই জয়ে আশাবাদী। ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও বসে নেই।

দীঘিনালায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোস্তফা কামাল মিন্টু (টিউবওয়েল), সোলাইমান (টিয়াপাখি ) ও সুসময় চাকমা (চশমা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সীমা দেওয়ান (কলসী) ও বিলকিছ বেগম পেয়েছেন (প্রজাপতি) প্রতীক।

পানছড়ি উপজেলা পরিষদে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়নি। সেখানে দুই আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ প্রসীত ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পানছড়ি উপজেলার ২৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১টিতে শূন্য ভোট ও অপর কেন্দ্রে মাত্র একটি ভোট পড়ে। পানছড়িতে মোট ভোটার ৫৬ হাজার ৫ ভোট। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৮ হাজার ২৪ ভোট ও নারী ভোটার ২৭ হাজার ৯৮০ ভোট।

পানছড়িতে চেয়ারম্যান পদে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক সমর্থিত প্রার্থী মিটন চাকমা (আনারস) ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের ইউপিডিএফ প্রসীত সমর্থিত চন্দ দেব চাকমা (কাপ-পিরিচ) নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ সমর্থিত প্রার্থী পানছড়ির প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালালেও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের প্রচারণা বাজার কেন্দ্রিক। প্রতিদ্বন্দ্বী দুই আঞ্চলিক দলের প্রার্থীর কারণে এ উপজেলার সাধারণ ভোটাররা নির্বাচনের দিন সংঘাতে আশঙ্কায় আতঙ্কিত। দুই আঞ্চলিক দলের প্রার্থী নিজেদের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হলেও বিএনপির বর্জন ও আওয়ামী লীগেরও প্রার্থী না থাকায় ভোট নিয়ে আগ্রহ নেই ভোটারদের মাঝে।

মিটন চাকমা তিনি নির্বাচিত হলে সহাবস্থান ও উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন। অপরদিকে চন্দ্র দেব চাকমা বলেন, অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে তিনিই নির্বাচিত হবে।

পানছড়িতে ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে লোকমান হোসেন (বৈদ্যুতিক বাল্ব), জয়নাথ দেব (তালা), সৈকত চাকমা (টিউবওয়েল) ও কিরণ ত্রিপুরা পেয়েছেন (চশমা)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনিতা ত্রিপুরা ফুটবল) ও সুজাতা চাকমা (কলস) প্রতীক নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

রির্টানিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জোনায়েদ কবীর সোহাগ বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। এ ব্যাপারে সকল প্রার্থীর সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

আরও খবর



শ্বাসরুদ্ধ ম্যাচে ২ উইকেটে জয় পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:বাংলাদেশ অবশেষে জয়ের দেখা পেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে দুইবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়ে টাইগাররা জয়ের দেখা পায়নি। আজও লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচটা কঠিন করে তুলেছিল টপ অর্ডাররা। শেষ মুহূর্তে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ২ উইকেটে জয় পেল বাংলাদেশ।

মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করা শ্রীলঙ্কাকে দারুণ আক্রমণের মুখে ফেলে দেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি দুজনই তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। ফলে সর্বসাকুল্যে ৯ উইকেটে মাত্র ১২৪ রানের পুঁজি দাঁড় করায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দল। সেই রানের চাপও শুরুতে নিতে পারেননি টপ অর্ডারে নামা সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

তিন উইকেট ৩০ রানে হারানো বাংলাদেশ পথ খুঁজে পায় তাওহীদ হৃদয়ের কল্যাণে। তিনি যখন ফিরছেন তখন জয় পেতে আর ৫০ বলে ৩৪ রান দরকার টাইগারদের। সেই ম্যাচটাই কিনা কঠিন বানিয়ে ফেলেন সাকিব আল হাসান ও রিশাদ হোসেনরা। মাহমাহমুদউল্লাহ মাঠে নেমে খেলাকে জেতার লড়াইকে সহজ করে তোলেন। প্রথম বলকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচকে নিজেদের দিকে টেনে নেন মিস্টার সাইলেন্ট কিলার। পরের বলে এক রান নিয়ে সাকিবকে স্ট্রাইক দেন। এক বল ডট দিয়ে পরের বলে এক রান নিয়ে মাহমুদউল্লাহকে স্টাইক দেন। পঞ্চম বল থেকে ডট আদায় করে নেন দাশুন শানাকা। ষষ্ঠ বলে মাহমুদউল্লাহকে আউটের জন্য রিভিউ নেয় শ্রীলঙ্কা। উল্টো রিভিউ থেকে সেই বলকে ওয়াইড ঘোষণা করেন থার্ড আম্পায়ার। যার ফলে ৭ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন পড়ে ২ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ২ রান নিয়ে এক ওভার হাতে থাকতেই বাংলাদেশের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম সাকিব।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




জয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল  ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে তৌফিকুর রহমান  তৌফিক(২১) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর  মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (২৭ মে) দুপুরে জয়পুরহাট পৌর শহরের পাঁচুরচক  এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত তৌফিকুর রহমান  তৌফিক পৌর শহরের চিত্রা পাড়া মহল্লার সাবেক ষ্টেশন মাষ্টার  নিজাম উদ্দিনে ছেলে। সে এবারের এইচএসসি পাশ করেছেন।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ুন কবির জানান, তৌফিকসহ তার কয়েকজন  বন্ধু দুপুরে  বৃষ্টির মধ্যে  পুকুরে পানিতে গোসল করতে  যায় । বন্ধুরা পুকুরের পানিতে গোসল করতে নামলেও তৌফিক পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনসময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে  পুকুরের পানিতে পড়ে যায় তৌফিক ।সাঁতার না জানার কারণে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে  নিয়ে যান  স্থানীয় লোকজন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক  তৌফিককে  মৃত ঘোষণা করেন।

আরও খবর



নিখোঁজ ছাব্বির কে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল জুরাইন ট্রাফিক বক্সের টিআই ইসমাইল

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১৮৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ‌কুমিল্লা থেকে পাঁচ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের কিশোর ছাব্বির কে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। শুক্রবার ৩১ মে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের জুরাইন বক্সের টিআই ইসমাইল হোসেন এবং সার্জেন্ট ইয়াসিন মিনা ছাব্বির কে তার ভাই কাউসার এর হাতে  বুঝিয়ে দেয়। নিখোঁজ ভাই কে ফিরে পেয়ে খুশি কাউসার শিকদার।

নিখোঁজ ছাব্বির এর পারিবারিক সূত্র জানায়, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার রানীছরা এলাকার বাসিন্দা হাইতুল্লা শিকদারের ছেলে ছাব্বির গত ২৫ মে এলাকা থেকে হারিয়ে যায়,শত খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি, এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার নিখোঁজ সংবাদ প্রচার করে সন্ধ্যান চলতে থাকে। পাঁচ দিন পর ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের দেওয়া ফোনকলের মাধ্যমে তারা নিখোঁজ ছাব্বির এর সন্ধান পায়। পরবর্তীতে বড় ভাই কাউসার শিকদার দ্রুত কুমিল্লা থেকে ঢাকায় জুড়াইন ট্রাফিক পুলিশ বক্সে এসে ছাব্বির কে বাড়িতে পরিবারের কাছে নিয়ে যায়।

জুরাইনে ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ছাব্বির এর বড় ভাই কাউসার শিকদার  বলেন, ভাইয়ের খোঁজ পাওয়ায় ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগকে ধন্যবাদ জানাই।টিআই ইসমাইল হোসেন স্যার ও সার্জেন্ট ইয়াসিন মিনা কে কৃতজ্ঞতা জানাই। ভাই কে পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি।


আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪