Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ পরামর্শ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :জলবায়ু বাস্তুচ্যুতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভবিষ্যত মানব সঙ্কটের মুখোমুখী হওয়া থেকে তাদের রক্ষায় মানব গতিশীলতার পাঁচটি বিষয়ের ওপর নজর দেওয়া দরকার। বেশিরভাগ জলবায়ু স্থানচ্যুতি জাতীয় সীমানার মধ্যে এবং কিছু ভয়ানক পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে ঘটে। এই ধরনের পরিস্থিতি যাতে মানবিক সংকটে পরিণত না হয় সে জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সংহতি প্রয়োজন। এসময় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের চলাফেরায় যে প্রভাব পড়ছে তা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি পরামর্শও দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)-এর সদর দফতরে তিন দিনব্যাপী ১১৪তম অধিবেশনে ‘মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ুর প্রভাব: সমাধানের জন্য বৈশ্বিক আহ্বান’ শীর্ষক উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে সম্প্রচারিত একটি ভিডিও বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যারা বাস্তুচ্যুত বা আটকে পড়েছেন তাদের মৌলিক পরিষেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং জীবিকার বিকল্পগুলোতে প্রবেশাধিকার থাকা দরকার। তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের ওপর বিরূপ প্রভাবগুলোও একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতিতে মোকাবিলা করা দরকার।

তিনি বলেন, এটি অনুমান করা হয়েছে যে জলবায়ু পরিবর্তন ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২১৬ মিলিয়ন লোককে বাস্তুচ্যুত করতে পারে, এর মধ্যে ৪০ মিলিয়ন একক ভাবে দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশে আমাদের জনসংখ্যার ২০ শতাংশ উপকূলীয় অঞ্চলে বাস করে। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, ঘন ঘন বন্যা এবং প্রবল ঘূর্ণিঝড় তাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। এই ধরনের স্থানচ্যুতি আমরা যা ভাবি তার চেয়ে দ্রুত গতিতে ঘটছে বলে সতর্ক করেন তিনি ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এখন মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আগত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদান করছে। এই লোকেদের মধ্যে কিছু লোক পাচার নেটওয়ার্কের শিকার হয়, যার সাথে সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। এই ধরনের মিশ্র অভিবাসন প্রবাহ জলবায়ু গতিশীলতার সমস্যাটিকে আরও বেশি সমস্যাযুক্ত করে তোলে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আন্তর্জাতিক আলোচ্যসূচিতে উচ্চ স্থান দেওয়া উচিত। বাংলাদেশ বিষয়টির কার্যকর সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে আইওএম এবং অন্যান্য অংশীদারদের সাথে একত্রে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত বোধ করছি যে অনেক ছোট দ্বীপের উন্নয়নশীল দেশগুলোও এতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা সন্তুষ্ট যে কপ-২৮, জিএফএমডি, এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরাম এটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকার সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ শুরু করেছে। আমার অগ্রাধিকার ভিত্তিক আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাস্তুচ্যুত ৪,৪০০ পরিবারকে নিরাপদ আবাসন প্রদানের জন্য আমরা কক্সবাজারে ১৩৯টি বহুতল ভবন নির্মাণ করছি।

তিনি আরও বলেন, এই বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্পটি স্থানীয় মাছ ধরা, পর্যটন এবং বায়ু শক্তি কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের চলাফেরায় যে প্রভাব পড়ছে তা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছেন। এগুলো হচ্ছে-

প্রথমত, আমাদের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসনের জন্য গ্লোবাল কমপ্যাক্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অধিকার-ভিত্তিক পদ্ধতিতে মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, জলবায়ু অভিবাসীদের অভিঘাত এবং ক্ষতির প্রসঙ্গে-নির্দিষ্ট সমাধান খুঁজে বের করার জন্য জলবায়ু ন্যায্যতার আলোকে আমাদের পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে।

তৃতীয়ত, অভিবাসনকে জলবায়ু অভিযোজন কৌশল হিসাবে দেখার জন্য আমাদের স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে প্রস্তুত হতে হবে যেখানে এটি সর্বোত্তম সম্ভাব্য সমাধান হিসাবে প্রমাণিত হবে।

চতুর্থত, জলবায়ু অভিবাসী, বিশেষ করে নারী, শিশু এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক সুরক্ষা মান পর্যালোচনা করতে হবে।

এবং পঞ্চমত, সংকীর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনার উর্ধ্বে এটির জন্য একটি গঠনমূলক অবস্থান তৈরিতে মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিষয়ে আমাদের উন্নত গবেষণা ডেটা এবং প্রমাণের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা উচিত।


আরও খবর



সেনাদের নিতে জাহাজ পাঠাচ্ছে মিয়ানমার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলি সাবরিন জানান, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাত থেকে প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দেশটির সেনা, সীমান্তরক্ষী বাহিনীসহ (বিজিপি) বিভিন্ন সংস্থার সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে জাহাজ পাঠাচ্ছে জান্তা সরকার। বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মিয়ানমারের সেনাদের গভীর সমুদ্র পথে ফেরত পাঠানো হবে। তবে জাহাজের যে রুট প্ল্যান তা মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হবে। এখনও জাহাজ ছেড়ে আসেনি, শিগগিরই এ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এর আগে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে মিয়ানমারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে সেহেলি সাবরিন বলেন, জাহাজ কোন রুট দিয়ে বাংলাদেশে আসবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নৌযানটি আরোহীদের নিয়ে গভীর সমুদ্র দিয়ে ফিরে যাবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, নেপিদোতে আমাদের দূত মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিজিপি সদস্যদের সঙ্গে আরও যারা এসেছেন তাদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

দেশটির অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে নিহত বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে মিয়ানমারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হবে কি-না জানতে চাইলে সরকারের এই কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তবে প্রশাসনিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে বান্দরবানের তুমব্রু থেকে ১০০ জনকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



রূপগঞ্জে শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মত বিনিময় সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রুপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলীর সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রুপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসন রূপগঞ্জের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুপগঞ্জ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফেরদৌসী আলম নীলা, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ আলমাছসহ, অত্র মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম এবং স্কুলের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাসহ আরো অনেকে।পরে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রুপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান মাহমুদ রাসেল বলেন, স্কুল চলাকালীন বহিরাগত কোন লোক কাজ ছাড়া স্কুলের আশেপাশে এবং স্কুলের ভিতরে ঘুরাফেরা করতে পারবে না।

এবং কোন ছেলে যদি স্কুলের কোন মেয়েদের ইভটিজিং করে রাস্তায় বা স্কুলের ভিতরে তাহলে সে যেই হোক না কেনো অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, এই সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের গার্জিয়ান এবং শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন খেলাধুলা করলে মানুষের মন ভালো থাকে তাই পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগী হতে হবে। এবং শিক্ষকদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জয়পুরহাটে হত্যা ও মাদক মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল  ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন ও মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এ রায় দেন।

হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পাঁচবিবি উপজেলার রতনপুর এলাকার জাইবর আলীর ছেলে সোহাগ, মৃত তৈমুদ্দিনের ছেলে রায়হান, নিজাম উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম ও লোকমানের ছেলে হারুনুর রশীদ। এছাড়া মাদক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন সরদার একই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের সোলাইমান সরদারের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, জয়পুরহাটের খনজনপুর এলাকার বাদল প্রামাণিকের ছেলে সাহাদুল ইসলাম শহরের স্টেশনরোড এলাকায় কম্পিউটারের দোকান করতেন। সে দোকানে ব্যবসায়ীক লেনদেনের কারণে আসামীদের কাছে তার ৬০ হাজার টাকা পাওনা হয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়। এরই জেরে ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি সাহাদুল রতনপুর এলাকার এক বন্ধুর বাড়ি থেকে বেড়িয়ে জয়পুরহাটে আসার পথে বাগুয়ান এলাকায় আসামীরা লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে সাহাদুলের মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে একই দিন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
অন্যদিকে ২০২০ সালের ১৪ নভেম্বর পাঁচবিবির উত্তর গোপালপুর গ্রাম থেকে ১১৯ বোতল ফেনসিডিল সহ সুজন সরদারকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

আরও খবর

ভিকারুননিসার শিক্ষক ২ দিনের রিমান্ডে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে বেতার : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার:সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে দেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ বেতার প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতার সদর দপ্তর চত্বরে বিশ্ব বেতার দিবস ২০২৪ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এবং ইউনেস্কোর ঢাকা অফিস প্রধান ও বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুজান মারি ভাইজ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ বেতারের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) মো. ছালাহ্ উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,  সুশাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে দেশের উন্নয়নে বাংলাদেশ বেতার প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ বেতারের পাশাপাশি অন্যান্য বাণিজ্যিক এফ এম রেডিও ও কমিউনিটি রেডিওকে নিরলস কাজ করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের এ সময়ে বেতার বড় একটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে প্রতিযোগিতা করে বেতারকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চটকদার ও সস্তা বিনোদনের পাশাপাশি মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্ভট সংবাদ প্রচার এবং অসত্য ও গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিকূলতা ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও বেতার একটি নিজস্ব মানদণ্ড অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করছে।

তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের মানুষের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাংলাদেশ বেতার অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনের যোদ্ধাদের সহযোগী শক্তি  হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ভূমিকা সর্বজনবিদিত। তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের বাধা সত্ত্বেও সে সময় বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তাদের দুঃসাহসী ভূমিকায় বেতারে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার হয়। মুক্তিকামী বাঙালির পাশে থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য জাতি বাংলাদেশ বেতারকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে। 

 প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, বর্তমান সরকার দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় উন্নয়ন ত্বরাম্বিত করতে তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বাস করে। দেশের গণমাধ্যমসমূহ এখন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। 

এ বছরের বিশ্ব বেতার দিবসের প্রতিপাদ্য 'শতাব্দী জুড়ে তথ্য, বিনোদন ও শিক্ষা বিস্তারে বেতার'-এর গুরুত্ব অনুধাবন করে বেতারে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিল্পী-কলাকুশলীদের কাজ করে যাওয়ার জন্য এ সময় আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

২০১১ সালের ০৩ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও  সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো)-এর ৩৬তম সম্মেলনে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বেতার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মত বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব বেতার দিবস। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর ত্রয়োদশ বিশ্ব বেতার দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বেতার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, শ্রোতা সম্মেলন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।


আরও খবর



কর্মের সুযোগ গ্রহণে নারীর সমার্থ্য উন্নয়নে বাগেরহাটে কর্মশালা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাট উৎপাদনশীল ও সম্ভাবনামায় কর্মের সুযোগ গ্রহণে নারীর সমার্থ্য উন্নয়ন (স্বপ্ন-২য় পর্যায়) প্রকল্পের এক অবহিতকরণ কর্মশালা বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও জাতীয় প্রকল্প পরিচালক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃফকরুলহাসান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক হাফিজ আল আসাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান, ইউএনডিপি প্রতিনিধি প্রসনজৎিচাকমা, জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ মাহমুদ হোসেন, জেলা সমাজসেবা বিভাগের উপপরিচালক, চিতলমারী, মোড়েলগন্জও শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন, ২৭ টি ইউনিয়ান পরিষদের চেয়ারম্যানগন, ইউপি সচিব গন, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ

সংশিষ্ট বিভিন্ন পেশার নারী ও এনজিও প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। কর্মশালায় প্রকল্পটির কর্মকর্তা উপর নির্মিত তথ্যবহুল আলোকচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং অসহয় নারীদের কর্মসংস্থান ও সঞ্চয় মনোভাবের বিভিন্ন দিকনিয়ে বিস্থারিত আলোচনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগ এর আয়োজন করে।

আয়োজকরা জানান, হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত, অসহায়, বিধবা,স্বামী পরিত্যক্তা নারীদেরকে নিয়োজিত করে গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, কারিগরি বৃত্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নএবং আনুষ্ঠানিক খাতে (গার্মেন্টস ও চামড়াজাতশিল্প) কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা করা, সকল উপকারভোগীকে ৬ টি বিষয়ে (সাস্থ্য ও পুষ্টি, নারী-পুরুষ সম্পর্ক উন্নয়ন, নারী অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন ও দূর্যোগ মোকাবেলা, স্বশিক্ষণ সহজ হিসাব, নেতৃত্ব উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের করণীয়) জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান। ১২ মাসের চক্রসমাপ্তির পর বাধ্যতামূলক সঞ্চয় হিসেবে প্রাপ্ত এককালীন অর্থ বিনিয়েগের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে লাভজনক ক্ষুদ্র ব্যবসা চালু করণে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা হবে। এছাড়া জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল বিষয়ে ইউপি’র স্থায়ী কমিটির সক্ষমতা উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে বলে দাবী তাদের।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪