Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে এবং মধ্যমেয়াদে তা বেড়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে।

বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট উপস্থাপন বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এমনটি জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা বিশ্বের সব দেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে কিছুটা চাপের সম্মুখীন হলেও প্রাজ্ঞ ও সঠিক নীতিকৌশল বাস্তবায়নের ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতিধারা অব্যাহত রয়েছে।

মাহমুদ আলী বলেন, কোভিড-১৯ অতিমারির পূর্বের বছরে অর্থাৎ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট এবং অন্যান্য বৈশ্বিক অস্থিরতার ফলে সৃষ্ট সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ১০ শতাংশ, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ (সাময়িক) প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে; যা আমাদের অর্থনীতির অন্তর্নিহিত শক্তির পরিচায়ক।

তিনি বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধির এ গতি আগামীতে ধরে রাখার লক্ষ্যে কৃষি ও শিল্প খাতের উৎপাদন উৎসাহিত করতে যৌক্তিক সকল সহায়তা চলমান থাকবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং রপ্তানি ও প্রবাস আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ কাঙ্কিত মাত্রায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আশা করছি আমাদের এ সকল প্রাজ্ঞ নীতিকৌশলের সুফল হিসেবে আগামী অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অজিত হবে এবং মধ্য মেয়াদে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌছাবে।


আরও খবর



যবিপ্রবি'র ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৪ জুন) গভীর রাতে যবিপ্রবির শহীদ মসিয়ূর রহমান ছাত্রাবাসের ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার ৩০৬ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার শিকার শিক্ষার্থী শাহরীন রহমান প্রলয় (২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্র।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যবিপ্রবি প্রশাসনের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার নেতৃত্বে তার সমর্থকরা তার ওপর রাতভর নির্যাতন করেছে। এর পর তাকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৩ জুন) ক্যাম্পাসে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে শাহরীনকে মারধর করেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান ২০২৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ও ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার অনুসারী শাহীনুর রহমান। এ ঘটনায় শাহীনুরের বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দেন শাহরীন। এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ছাত্রাবাসের নিজ কক্ষ থেকে শাহরীনকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে ছাত্রলীগের সভাপতির কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তার কয়েকজন অনুসারী উপস্থিত ছিলেন। এসময় শাহরীনকে এলোপাতাড়ি মারধর ও রড দিয়ে পেটানো হয়। দফায় দফায় নির্যাতন চলে রাত ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত। ঘটনাটি যাতে ভুক্তভোগীরা কাউকে জানাতে না পারেন, সেজন্য শাহরীন ও তার রুমমেট (সহপাঠী) আমিনুল ইসলামের ফোন কেড়ে নেন অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে ঘটনা জানাজানির ভয়ে বুধবার সকালে মোটরসাইকেলযোগে কালিগঞ্জ বারোবাজার গ্রামের বাড়ি চলে যান শাহরীন। দুপুরে তার মায়ের ফোনে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন আসে। বিষয়টি যাতে কাউকে না জানানো হয়, সেজন্য হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি এ বিষয়ে কাউকে জানালে বাড়িতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয় দুবৃর্ত্তরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শাহরীন বলেন, সোমবার আমার মাথা ফাটিয়ে দেওয়ায় ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম। এ ঘটনায় ঘুম থেকে তুলে রাত ২টায় ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা ভাইয়ের নির্দেশে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ কর্মী আমিনুল ইসলাম ও সিয়াম। সভাপতির কক্ষে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা আশিকুজ্জামান লিমন, ইসাদ, রায়হান রহমান রাব্বি, বেলাল হোসেন, শেখ বিপুল, রাইসুল হক রানাসহ প্রায় ১০-১৫ জন আমাকে মারধর শুরু করে। এসময় রুমের মেঝেতে লুটিয়ে পড়ি। তখন তারা আমাকে লাথি মারতে থাকে। তারা আমাকে বলতে থাকে কেন প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিস? এসময় তারা আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। একপর্যায়ে মোটা রড দিয়ে আমার সারা শরীরে পেটাতে শুরু করে। ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে দফায় দফায় নির্যাতন। আমার মনে হচ্ছিল আমিও মনে হয় বুয়েটের আবরার ফাহাদের মতো মরে যাব। প্রাণে বাঁচতে আমি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা ভাইয়ের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানাই।এসময় সোহেল রানা বলেন, কালকের মধ্যে অভিযোগ তুলে নিবি, নাহলে তোকে গুলি করে মারব। এসময় সোহেল আমাকে বুকে লাথি মেরে মেঝেতে ফেল দেয়। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি চলে যাবি বলে নির্দেশ দেয়।

হাসপাতালে কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাহরীন বলেন, আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অভিযুক্তরা আমার পরিবারের ওপর বোমা মারার হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনার বিচার চাই। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা বলেন, ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপিং-দ্বন্দ্ব থাকে। এসব গ্রুপিংয়ে বারবার আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যা হয়েছে, সেটা মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ঘটনার দিন আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। যশোরের বাইরে ছিলাম। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেছি।রাজনীতিকভাবে আমি প্রতিহিংসার শিকার।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে দেখে এসেছি। সে আমার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। এ ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



কালিয়াকৈরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১১৪ কক্ষ ভস্মিভূত, ব্যাপক ক্ষতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image
সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শুক্রবার দুপুরে  ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের  ঘটনা ঘটেছে। এ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ছয়টি কলোনীর ১১৪টি কক্ষ ভস্মিভূত হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়েছেন এসব কলোনীর মালিক ও কক্ষে ভাড়া থাকা শ্রমিক পরিবারগুলো।এলাকাবাসী, ক্ষতিগ্ৰস্থ পরিবার, ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক তেলিরচালা এলাকায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার সরোয়ার দর্জির বাসার একটি কক্ষ থেকে আগুন জ্বলে উঠে। মুহুর্তের মধ্যে আগুন ওই কলোনীসহ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এক পযায়ে ছয়টি কলোনীতে আগুনের লেলিহান শিখা এবং কালো ধোয়া বের হতে দেখে নেভানোর চেষ্টা করে এলাকাবাসী। পরে খরব পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে  আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডে ছয়টি কলোনির প্রায় ১১৪ টি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে পুড়ে কক্ষগুলোর ভেতরে থাকা টেলিভিশন, ফ্রিজ, আসবাবপত্র সহ সব মিলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়েছেন এসব কলোনীর মালিক ও কক্ষে ভাড়া থাকা শ্রমিক পরিবার গুলো। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। 

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা  ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় কোনাবাড়ি মডার্ন ফায়ার সার্ভিস থেকে দুটি ইউনিট আসে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে? তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এদিকে ওই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেলিম আজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় ওই চেয়ারম্যান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এসব কক্ষে পোশাক কারখানার শ্রমিক ভাই-বোন তাদের পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। কলোনীর মালিকরা ও শ্রমিক ভাই-বোনরা অনেক ক্ষতিগ্ৰস্থ হয়েছেন। তবে আগুনে পুড়ার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিশ্লেষণ করে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। 

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ্ আল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস ও কোনাবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টা চালিয়ে  দুপুর ২টা ১৫মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে তাৎক্ষণিক আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

আরও খবর

মেট্রোরেল ঈদের দিন বন্ধ থাকবে

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




সৈয়দপুর প্রেসক্লাবে রতন সভাপতি জিকরুল হক সাধারণ সম্পাদক

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ৭২জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর( নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে (১ জুন) ওই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আবু-বিন আজাদ রতন সভাপতি  ও জিকরুল হক  সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন শেষে ভোট গণনার পর ফলাফল ঘোষণা করেন প্রিজাইডিং অফিসারের পক্ষে সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার মো. আব্দুল আজিজ।

নির্বাচনে অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি পদে দৈনিক ইনিকিলাবের নজির হোসেন নজু (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আনোয়ার হোসেন (খবরপত্র), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হীরা শর্মা (উত্তরবাংলা), কোষাধ্যক্ষ পদে গোপাল চন্দ্র রায় (বিনা প্রিাকদ্বন্দ্বিতায়), দফতর সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান মিলন ও কার্যকরী সদস্য পদে কাজী জাহিদ (সংবাদ), আলহাজ্ব মকসুদ আলম ( সম্পাদক নীলফামারী চিত্র), সাদিকুল ইসলাম (নাগরিক টিভি) ও নজরুল ইসলাম (সময়ের আলো)।

এই নির্বাচনে মোট ৩১ জন ভোটারের মধ্যে ২৯ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অনেক আলোচনা-সমালোচনার প্রেসক্লাবের এই নির্বাচনে ধারাবাহিকতা সৃষ্টি হলো মনে করেন সৈয়দপুরের কর্মরত সাংবাদিকরা।

সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম, সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান, সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান রিয়াদ আরফান সরকার রানা, ভাইস চেয়ারম্যান মহসিন আলী মন্ডল মিঠু, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক হাসান রাব্বী প্রধান প্রমুখ।


আরও খবর



স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গুলি, অবস্থা আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | ২৩১জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বন্দুকধারীর গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ মে) বিকেলে হ্যান্ডলোভা শহরের হাউস অব কালচারের বাইরে তাকে তাকে লক্ষ্য করে পরপর চারটি গুলি করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। খবর  সিএনএন-এর।

স্থানীয় বার্তা সংস্থা টিএএসআর’র বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাজধানী ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বের শহর হ্যান্ডলোভায় নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছিলেন ফিকো। এ সময় তার ওপর গুলি চালানো হয়। তার পেটে ৪টি গুলি লেগেছে। এরই মধ্যে এক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।

ফিকোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্লামেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান লুবস ব্লাহা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী গুলিবিদ্ধ হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হাউস অব কালচার সেন্টারের বাইরে বেশ কিছু মানুষ হামলাকারীকে ধরতে ছুটছে।

স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো’র ফেসবুক পেজ থেকে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়া হয়েছে এবং তার জীবন হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই মুহূর্তে তাকে হেলিকপ্টারে করে বাঙ্কসা বায়াসত্রিকাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারণ ব্রাতিসলাভাতে পৌঁছাতে বেশি সময় প্রয়োজন হবে।

তবে ঠিক কী কারণে গুলি চালানো হয়েছে, সেটার কারণ আপাতত স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে স্লোভাকিয়ার কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।


আরও খবর



পুর্ব শত্রুতার জেরে শার্শায় যুবককে হত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের শার্শায় পুর্ব শত্রুতার জেরে মুসা (৩০) নামে এক যুবককে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে একই এলাকার কুখ্যাত অস্ত্র ও মাদক ব্যবসািয়রা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের ভাইপো রাসেল (২০) নামে আরেক যুবক।

আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত মুসার অবস্থার অবনতি হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ মে) ৮ টার দিকে উপজেলার হরিণাপোতা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে রাতেই শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। নিহত মুসা হরিণাপোতা গ্রামের আতাউল হকের ছেলে ও তার ভাইপো আহত রাসেল ইসহাকের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গরু বেচাকেনা নিয়ে মুসার সাথে ৬/৭ মাসে আগে মান্দারতলা এলাকার অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটের রফিকুল, মিলন ও সুমনের সাথে দ্বন্দ ছিলো। ঘটনার দিন বিকেল ৫ টার দিকে মুসা ও তার ভাইপো রাসেল চা খাওয়ার জন্য হরিণাপোতা হাটখোলা মোড়ে যায়।

এ সময় রফিকুল, মিলন ও সুমনসহ একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুসাকে উপর্যুপরি কোপাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এ সময় বাধা দিতে এগিয়ে এলে ভাইপো রাসেল গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা দু’জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক ভাইপো রাসেলকে ভর্তি রাখে এবং মুসার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এখানেও তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন চিকিৎসাকরা। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বেলা ১১টায় তার মৃত্যু হয়।

নাভারন সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান বলেন, গরু বেচাকেনা নিয়ে পুর্ব শত্রুতার জেরে আহত চাচা ও ভাইপোর মধ্যে মুসা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ভাইপো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শার্শা থানায় মামলা হয়েছে এবং এ হত্যাকান্ডে জড়িত আসামিদের আটক করার জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে তিনি জানান।


আরও খবর