Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

জীবনের প্রথম আয় দিয়ে যা কিনেছিলেন আলিয়া

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

জীবনে যত টাকাই উপার্জন করা হোক না কেন প্রথম উপার্জনের স্বাদ কখনো ভোলা সম্ভব না। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। কারণ প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ এটি। আর এই স্মৃতি সবার কাছেই মহামূল্যবান। হোক সে সাধারণ কেউ অথবা কোনো বিশেষ ব্যক্তিত্ব।

তবে প্রথম উপার্জনের টাকা দিয়ে কোনো সাধারণ মানুষ কী করেছেন সেটা জানার আগ্রহ কারো থাকে না। কিন্তু সেটা যদি হয় কোনো সেলিব্রেটি অথবা কোনো বিশেষ ব্যক্তিত্ব তবে আগ্রহের কোন সীমা থাকে না। সে কী করেছে, কী কিনেছে সেটা জানার জন্য থাকে আলাদা আগ্রহ।

আর সেই আগ্রহের কথা মাথায় রেখেই আজ আপনাদের জানাব এমন একজনের কথা। যাকে বলা হয় বলিউডের ডিম্পল গার্ল। বলছি আলিয়া ভাটের কথা। নিজের প্রথম উপার্জনের টাকা হাতে পেয়ে কী করেছিলেন আলিয়া?

২০১২ সালে করণ জোহরের হাত ধরে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় আলিয়া ভাটের। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তার। ঝুলি ভরেছে একের পর এক হিট সিনেমায়। এখন তিনি শুধু বলিউডে নয় আরব সাগর পেরিয়ে পা রেখেছেন হলিউডে। এমনকি এই মুহূর্তে বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া তারকাদের তালিকায় প্রথম সারিতেই আসে তার নাম।

তবে এত প্রাপ্তির পরও তিনি জানালেন তার জীবনের প্রথম উপার্জনের সেই অনুভূতির কথা। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া জানান তার সেই অনুভূতির কথা।

তিনি বলেন, একটি দামি ব্যাগ নিজেকে উপহার দিই আমি। আসলে সুন্দর সুন্দর ব্যাগের উপর আমার বড্ড লোভ! আর ভালোবাসি জিমে যাওয়ার বাহারি প্যান্ট।

তবে শুধুই কি ব্যাগ আর জিমে পরার জামা তার পছন্দের তালিকায়? মোটেই নয়, ভ্রমণপ্রেমী আলিয়া বছরে একবার বেড়াতে যান। সেখানেও জমিয়ে খরচ করেন। তার কথায়, ‘হোটেলে থাকাতেই আমি খরচ করি বেশি। তবে বেড়াতে গিয়ে কেনাকাটা করতে মোটেই পছন্দ করি না।

তিনি আরও জানান তার বিশেষ দুটি শখের কথা। ব্যক্তিগত বিমান আর পাহাড়ের কোলে একটা ছবির মতো বাড়ি। সেই সঙ্গে আশাও রাখেন কোনো না কোনো দিন নিশ্চয়ই এ দুটো জিনিসও তার হবে!


আরও খবর



করোনায় ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০৭২

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯ হাজার ২৪১ জনে। একই সময়ে নতুন করে এক হাজার ৭২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯৭ হাজার ৪১২ জনে।

সোমবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


আরও খবর



দেশকে এগিয়ে নিতে দক্ষতানির্ভর শিক্ষা দরকার: দীপু মনি

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০২ August 2০২2 | ৪৯জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে দক্ষতানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) ষষ্ঠ সমাবর্তনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা দর্শনের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যার পর যুক্তি, গবেষণা ও মুক্ত বুদ্ধির চর্চা এগুলোর প্রতি জোর দিয়েছেন তিনি। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য ৭১ এর পরাজিত শক্তি ও দেশি-বিদেশি দোসরদের ষড়যন্ত্রে জাতির পিতাকে হারানোর পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ক্ষেত্রেও আমরা বিচ্যুত হয়ে গিয়েছিলাম।

দীপু মনি বলেন, শিক্ষা অর্জনের জন্য কোনো শটকার্ট পদ্ধতি নেই। কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই শিক্ষা অর্জন করতে হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আইইউবিএটি তার ‘জ্ঞানভিত্তিক এলাকা উন্নয়ন: কমিউনিটি পর্যায়ে স্বনির্ভরতা’র পদক্ষেপের আওতায় প্রতিটি গ্রাম থেকে একজন পেশামুখী গ্রাজুয়েট তৈরি করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থের কারণে ভর্তি নিরুৎসাহিত করা হয় না এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের ৫৩০টি উপজেলা থেকে শিক্ষার্থী বা গ্রাজুয়েট আছেন। এটি বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতিতে নিঃসন্দেহে একটি ভালো পদক্ষেপ।

শিক্ষায় বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাজেটের অন্তত ৪ শতাংশ শিক্ষা খাতের জন্য। আন্তর্জাতিকভাবে সেটি ৬ শতাংশ হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আমরা ৩ শতাংশ অতিক্রম করতে পারিনি। আমাদের দক্ষতাসম্পন্ন জাতি গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

নতুন গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চাকরি প্রত্যাশী ও চাকরি দাতাদের চাহিদার মধ্যে বিস্তর ফারাক। অনেক শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করার পরও সফট স্কিল না থাকায় ভালো করতে পারছে না। তাই কর্মযজ্ঞে কী প্রয়োজন তা এখন থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মাথায় রেখে গ্রাজুয়েট তৈরি করতে হবে।

সমাবর্তনে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জর্জিয়ার ককেশাস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টসের বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কখা শেঞ্জেলিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইএসি যুক্তরাজ্যের রেজিডেন্ট জাজ ও ফিনল্যান্ডের অনারারি কনসুল জুলিয়ান ফিলিপস।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন আইইউবিএটি’র বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জুবের আলিম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হামিদা আখতার বেগম।


আরও খবর



কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্টো পথে হাঁটছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

শিক্ষার্থীদের আগ্রহের বিষয় নির্বাচনকে গুরুত্ব না দিয়ে দেশের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্টো পথে হাঁটছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেছেন, বিশ্বব্যাপী অবাধ শিক্ষার কথা বলা হলেও আমাদের দেশের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্টো পথে হাঁটছে। শিক্ষার্থী একটি বিষয় নির্বাচন করলে সেটি পরিবর্তন করে ভিন্ন বিষয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। ভর্তি পরীক্ষায়ও একবার ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় দফায় সুযোগ না দেওয়াটা ‘অযৌক্তিক’।

বুধবার (২০ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত ছিল। তাদের শিক্ষার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। সংখ্যাগত দিক থেকে শতভাগ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনা সম্ভব হলেও মানের দিক থেকে আমরা পিছিয়ে।

তিনি বলেন, এখন আমাদের গুণগত মান অর্জন করতে হবে। নিজেদের মান শুধু নিজেরাই নয়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেতে হবে। সে কারণে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাবলিক ও প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মানের দিক থেকে সমান হতে হবে। এখন শিক্ষার মান নিশ্চিত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট সনদ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও কর্ম ও ব্যক্তিজীবনে সেটি তেমন কাজে আসছে না। কর্মদক্ষতা না থাকায় তারা পিছিয়ে পড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়া নিয়ে অনেক কিছু করার আছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী যেখানে অবাধ শিক্ষার কথা বলছে সেখানে আমাদের কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্টো নিয়ম তৈরি করছে। ভর্তির সময় শিক্ষার্থী একটি বিষয় নির্বাচন করে কিছুদিন পর অন্য বিষয়ে পড়তে চাইলে তাকে সে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী মেডিকেলে ভর্তি হয়ে কিছুদিন পর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিলে তাকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। কোনো কোনো শীর্ষ পর্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় একবারের বেশি অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। ভর্তি পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ দিয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হলেও সেখানে এক ধরনের বাধা তৈরি করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আমাদের উচ্চশিক্ষায় নিজস্ব কোনো মানদণ্ড ছিল না। সেটি করতে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিশ্ব র্যাংকিংয়ে স্থান পেতে প্রাতিষ্ঠানিক ফ্রেমওয়ার্ক না থাকায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের কথা চিন্তা করা যায় না।

বিশেষ অতিথি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, আমাদের অনেক ব্যয় বেড়ে গেছে, আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। শিক্ষাখাতে ৩৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক দিল আফরোজা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কী পরিমাণে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া দরকার সে বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করা হচ্ছে। এর সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা।


আরও খবর



‘আরও ৩০-৩৫টি সেঞ্চুরি করবে কোহলি!’

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

প্রায় তিন বছর হতে চললো- ক্রিকেটের কোনো ফরম্যাটেই সেঞ্চুরি নেই বিরাট কোহলির। এক সময় মনে করা হতো, শচিন টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি ভেঙ্গে দেবেন বিরাট কোহলি। কিন্তু টেস্ট এবং ওয়ানডে মিলিয়ে ৭০টি সেঞ্চুরি করেই (টি-টোয়েন্টিতে নেই) থেমে আছেন ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক।

শুধু সেঞ্চুরি করতে না পারাই নয়, দীর্ঘদিন ধরেই চূড়ান্ত অফ ফর্মে রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজেও হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তিনি। যে কারণে তার দলে থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, কোহলি যত বড় খেলোয়াড়রই হোন না কেন, এমন অফ ফর্ম বেশি দিন চললে, তাকেও দলের বাইরে ছিটকে যেতে হতে পারে। এরই মধ্যে চলতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে তাকে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে।

তবে টানা চলমান সমালোচনার মাঝেও বিরাট কোহলির সতীর্থরা তাকে সমর্থন করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি ভারতীয় দলের সাবেক অনেক সদস্যের সমর্থনও পাচ্ছেন তিনি। এই যেমন ভারতীয় জাতীয় দলের সাবেক এবং আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের তারকা ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পা মঙ্গলবার কোহলির সমালোচকদের এক হাত নিয়েছেন। সঙ্গে কঠোর ভাবে সতর্কও করে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, কোহলির যে সামর্থ্য আছে, তাতে তিনি আরও ৩০ থেকে ৩৫টি সেঞ্চুরি করার ক্ষমতা রাখেন।

আইপিএল শেষ হওয়ার পর বিরতিতে গিয়েছিলেন কোহলিসহ সিনিয়র ক্রিকেটাররা। সে সময় কোহলি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হোম সিরিজ খেলেননি। ইংল্যান্ডে থাকার কারণে আয়ারল্যান্ড সিরিজও মিস করেন। যদিও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টে যেমন তিনি হতাশ করেছেন, তেমনই ওয়ানডে ক্রিকেটেও পারফরম্যান্সও একবারে তলানিতে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুই ম্যাচ খেলে মাত্র ১২ রান করেছিলেন। ওয়ানডে সিরিজে দুই ম্যাচে তার মোট সংগ্রহ ছিল ৩৩ রান।

কোহলির ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠেছে এবং তীব্র সমালোচনা চলছে, তখনই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে কোহলিকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, বিসিসিআই। যদিও তাকে বিশ্রামে পাঠানো নিয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন। প্রসঙ্গতঃ ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডে এবং পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলছে।

শেয়ারচ্যাটের অডিও চ্যাটরুম সেশনে কথা বলতে গিয়ে উথাপ্পা দাবি করেন, যখন কেউ কোহলিকে কিভাবে ব্যাট করতে হবে, সে পরামর্শ দেননি, তখন তিনি ইচ্ছেমতো সেঞ্চুরি করছিলেন। সে কারণে এখন তাকে প্রশ্ন করার অধিকার কারও নেই। তিনি মনে করেন, কোহলি ঘুরে দাঁড়াবেনই এবং আরও ৩০-৩৫টি সেঞ্চুরি করবেন।

উথাপ্পা বলেন, ‘যখন ও (বিরাট কোহলি) রান করছিল, যখন সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি হাঁকাচ্ছিল, তখন কেউ ওকে কিভাবে খেলতে হবে, বলে দেননি। আমি মনে করি না, ওকে কিভাবে খেলতে হবে, সে কথা বলার অধিকার এখনও আমাদের আছে। ও অনেক রান করেছে। ৭০টি সেঞ্চুরিও সে তার নিজের ক্ষমতায় করেছে এবং সে নিজের ক্ষমতায় আরও ৩০-৩৫টি সেঞ্চুরি করবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের শুধু ওকে একা ছেড়ে দিতে হবে এবং ওকে ক্রিকেট খেলতে দিতে হবে। ও জানে ওর জন্য কোনটা সবচেয়ে ভালো হবে এবং আমি বিশ্বাস করি, একবার সে তার সমস্যাটা বুঝে উঠতে পারলে, সে সমাধান নিজেই করতে পারবে।’

কোহলিকে বিশ্রাম দেয়া প্রসঙ্গে উথাপ্পা বলেন, ‘যদি সে মনে করে, বিরতি নেওয়া দরকার, তাহলে সে বিরতি নিতেই পারে। যদি সে মনে করে, একটি নির্দিষ্ট সিরিজ বা টুর্নামেন্ট খেলতে হবে, তাহলে ওকে খেলার অনুমতি দেওয়া উচিত। তার জায়গা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা উচিত নয়। সে একজন ম্যাচ বিজয়ী এবং একজন প্রমাণিত ম্যাচ বিজয়ী। পাশাপাশি সে বিশ্বের সেরা ক্রিকেটার। আমাদের কোনও অধিকার নেই যে, তার ম্যাচ জেতার ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার বা জাতীয় দলে ওর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনও মানে নেই।’


আরও খবর



‘বুয়েটের কেউই ভাইয়াকে এতো সহজে ভুলবে না’

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে খুন হওয়া আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বুয়েটে ভর্তি হয়েছেন। ভর্তি হতে গিয়ে বুয়েটের দেয়ালে বড় ভাই আবরার ফাহাদের গ্রাফিতি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

রোববার (৩১ জুলাই) দিনগত রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমনটাই জানিয়েছেন ফাইয়াজ।

জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য আবরার ফাইয়াজের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘ভাইয়ার জিনিসপত্র বুয়েটের হল থেকে নিয়ে আসার পরে আমি আর বুয়েট ক্যাম্পাসে গিয়েছিলাম তিনবার। তিন দিনই পরীক্ষা ছিল। সেদিনগুলোতে একরকম কোনো দিকে না তাকিয়েই পরীক্ষার রুমে চলে যেতাম।’

ফাইয়াজ লেখেন, ‘ভাইয়ার মারা যাওয়ার অনেক দিন হয়ে গেছে। ভাইয়ার বেডেও এখন অন্য কেউ থাকে। আগে যেই ব্যানার-ফেস্টুন গুলো ছিল, সেগুলোও এতদিন আর থাকার কথা না। তাই যেদিন ভর্তি হতে যাবো, ভাইয়ার কোনো চিহ্ন দেখতে পাবো এমন আশা খুব একটা ছিল না। যদিও বুয়েটের কেউই ভাইয়াকে এতো সহজে ভুলবে না এটা জানি। কিন্তু সময়ের সঙ্গেও তো অনেক কিছু মুছে যায়!’

তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু যেইমাত্র সিএনজি থেকে নামলাম, ঠিক সামনেই এই গ্রাফিতিগুলো। এরকম আরও আছে হয়তো অনেক জায়গাতেই। অবাক হয়েছিলাম, তবে অনেক ভালোও লাগছিল অবশ্য।’


আরও খবর