Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

জাভেদ আখতারের প্রতিদিন এক বোতল মদ লাগতো

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:বলিউডের বর্ষীয়ান গীতিকার জাভেদ আখতার। ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গেও খোলামেলা আলোচনা করতেই পছন্দ করেন। জীবনের একটা সময় কী ভুল করেছেন ও প্রাক্তন স্ত্রী হানি ইরানির সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের নেপথ্য কি কারণ ছিল। তার সবকিছুই তুলে ধরেছেন এই গীতিকার।

১৯৭২ সালে চিত্রনাট্যকার হানি ইরানিকে বিয়ে করেন জাভেদ। কিন্তু ১১ বছর পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। হানির সঙ্গে তার বৈবাহিক সম্পর্কের অবনতির নেপথ্যে নিজের সুরাপানের আসক্তিকে দায়ী করেছেন জাভেদ।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ২০ বছর বয়সে আমি মদ্যপান শুরু করি। ৪২ বছর বয়সে সেই অভ্যাসে ইতি টানি। প্রতিদিন এক বোতল মদ শেষ করতাম। কারণ, উর্দু কবিদের মধ্যে এই অভ্যাসের প্রচলন ছিল আর আমিও সেটা অনুসরণ করতাম। এখন বুঝি ভুল করেছিলাম।

জাভেদ আরও জানান, মদ্যপানের পর নিজের ওপর তার আর নিয়ন্ত্রণ থাকত না। মদ্যপানের পর আমি তখন অন্য মানুষ। খারাপ ভাষায় কথা বলতাম। হানির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কেও সেটা প্রভাব ফেলেছিল। যদি মদ্যপানে আসক্ত না হতাম তা হলে হানির সঙ্গে আমার সম্পর্ক অন্য রকম হতো।


আরও খবর



গাংনীতে কসাই সিন্ডিকেট ভাংতে এবার সমিতি গঠন

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃএবার সোচ্ছার হয়েছে সাধারণ জনতা। কসাইদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মেহেরপুরের মহল্লায় মহল্লায় গড়ে উঠেছে সমিতি। দৈনিক সাপ্তাহিক অথবা মাসিক কিস্তিতে চাঁদা উত্তোলন করে তা দিয়ে গরু কিনছেন সমিতির লোকজন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গরু জবাই করে গোস্ত ভাগাভাগি করবেন তারা। এতে যেমন সাশ্রয়ী হবেন সাধারণ লোকজন তেমনি চাপ পড়বে কসাইদের উপর। সমিতির বিষয়টি ভালভাবে দেখছেন সচেতন মহল ও স্বয়ং হাটমালিক।

জানা গেছে, রমজান মাসের আগ থেকেই ছিল দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি। ক্রেতা সাধারণের সুবিধার্থে সরকার গোমাংসের দাম ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করলেও কসাই সিন্ডিকেট তা প্রত্যাক্ষাণ করে। বাজারে গো মাংসের দাম সাড়ে সাতশ’ টাকা কেজি। তবে ঈদের আগে ও পরে দাম আটশ টাকা থেকে ১০০০ টাকা নির্ধারণ করতে পারেন কসাইরা। কসাই সিন্ডিকেট ভাংতে মহল্লায় মহল্লায় সমিতি গঠন করে নিজেরাই গরু কিনে জবাই করার সিদ্ধান্ত নেন লোকজন। এতে সাশ্রয়ী দামে মাংস পাবেন তারা। তাছাড়া কসাইদের উপর বেশ চাপ পড়বে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

জেলার বৃহত্তম পশুহাট বামন্দীতে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন মহল্লা থেকে সমিতি গঠন করে লোকজন আসছেন গরু কিনতে। গাংনী ভিটাপাড়ার মকলেছুর রহমান জানান, কসাইরা নানা ভাবে জিম্মি করে ফেলেছে সাধারণ মানুষকে। চড়া দামে গোস্ত কিনতে হয়। তাছাড়া কসাইরা ইচ্ছেমত মাংস বিক্রি করে। সাশ্রয়ী দামে মাংস পেতে সমিতি গঠন করা হয়েছে। এতে যেমন পছন্দ মতো গোস্ত পাওয়া যাবে তেমনি অনেকটা সাশ্রয়ী হবে। তবে কসাইদের উপর অনেকটা চাপ পড়বে বলেও জানান তারা। একই কথা জানালেন গাংনীর মালসাদহ গ্রামের আফজাল হোসেন। তিনি আরো জানান, তারা ৩২ জন সাপ্তাহিক কিস্তিতে টাকা উত্তোলন করেছেন। এক লাখ ৮২ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন।

গরু কিনতে আসা কুষ্টিয়া সদরপুরের রাজ্জাক ও মাসুদ রানা জানান, কসাইদের কাছ থেকে তারা গোস্ত কেনেন না তিন বছর ধরে। প্রতিটি উৎসবে কসাইরা বেপরোয়াভাবে দাম হাঁকে গরুর গোস্তের। বাধ্য হয়ে ৩০ জনের একটি সমিতি গঠন করেছেন। সাপ্তাহিক চাঁদা তুলে গরু কিনতে আসেন। দেখে শুনে বুঝে পছন্দের পশুটি কিনেছেন। এতে অনেক সাশ্রয় বলে দাবী করেছেন তিনি। তবে সব ধরনের পশুর দাম একটু বেশি বলে জানালেন এই সমিতি প্রধান।

গরু বিক্রেতা গাড়াবাড়িয়ার আমিরুল ইসলাম জানান, তিনি তার নিজের বাড়ির গরু এনেছেন হাটে। কয়েকহাট আগে গরুর যা দাম ছিল এখন তার চেয়ে অনেক কম। আমদানী বেশি হওয়ায় দর পতন বলে জানালেন তিনি। তবে কসাই সিন্ডিকেট ভাংতে যে সমিতি গঠন করা হয়েছে এটাকে সাধুবাদ জানানে এই গরু বিক্রেতা। একই কথা জানালেন গরু ব্যবসায়ি কামারখালির আনোয়ার ও সহড়াবাড়িয়ার আশরাফুল।

জেলার ঐতিহ্যবাহী বামন্দী পশু হাটের ইজারদার সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদের আগেই জমে উঠেছে পশুহাট। বেচা বিক্রিও বেশ ভাল। এবার জনগন অনেকটা সচেতন। বিভিন্ন গ্রাম মহল্লা থেকে লোকজন আসছেন দলবদ্ধ ভাবে। এরা সমিতি করে গরু কিনছেন। পশু পালনকারীরাও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন। বেচা বিক্রিও বেড়েছে। কসাইদের হাতে জিম্মী না হয়ে নিজেরাই গরু কিনে গোস্তের ব্যবস্থা করার বিষয়টি সাধুবাদ জানিয়েছেন এই হাট মালিক।


আরও খবর



আত্রাই পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় উঠান বৈঠক

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের সঙ্গে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে রবিবার সকালে উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ফেরদৌস হোসেনের বাড়ির আঙ্গিনায় কৃষকদের নিয়ে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সরকার ও কৃষি অধিদপ্তরের বিভিন্ন দিক নির্দেশনার প্রতি গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মোহাইমেনুল ইসলাম, আত্রাই প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক নাহিদ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হাসান, মারজিয়া পারভীন, পুষ্টি বাগান মালিক জাকির হোসেন, ফরিদুল ইসলাম, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, রইচ উদ্দিন, শ্রী নেপাল প্রমুখ।

উঠান বৈঠক শেষে কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ফলের চারা, পুষ্টি কার্ড, পুষ্টি প্লেট প্রদান করা হয়। 


আরও খবর



যথাযোগ্য মর্যাদায় মাগুরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদযাপন

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে দিবসটির সুচনারকরা হয়। পরবর্তীতে সকাল ৭:০০ টায় নোমানী ময়দানে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার  মো: মশিউদ্দৌলা রেজা, পিপিএম (বার),সিভিল সার্জন  ডা. মো: শামীম কবির প্রমুখ।
 
সকাল ৮.০০ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক, মাগুরা এর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ  অমিত কুমার দে; পুলিশ সুপার,  মো: মশিউদ্দৌলা রেজা পিপিএম (বার), সিভিল সার্জন  ডা. শামীম কবির; সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ  আ.ফ.ম. আবুল ফাত্তাহ, চেয়ারম্যান,  মাগুরা সদর উপজেলা  মো: আবু নাসির বাবলু প্রমুখ। এ সময় অনুষ্ঠান শেষে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী সকল দলের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।

সকাল ১০.৩০ টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও দেশের উন্নয়ন' শীর্ষক আলোচনা সভা,  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিশু একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাগুরার জেলা জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ।

পরবর্তীতে দুপুর ২.০০ টায় একই স্থানে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মো: আব্দুর রহমান, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ড, মাগুরা জেলা; পুলিশ সুপার; সিভিল সার্জন; সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ; চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, মাগুরা সদর, মাগুরা,মেয়র প্রমুখ।

বিকাল ৫.০০ টায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়  মাগুরা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা এর আয়োজনে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) এ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।  কাবেরী মজুমদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ। 

উক্ত অনুষ্ঠানমালায় প্রদত্ত ভাষণে জেলা প্রশাসক, মাগুরা বলেন , স্বাধীনতা দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ করছি বাঙালির মুক্তির পথপ্রদর্শক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সেই সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের আত্মত্যাগ ও অবিচল দেশপ্রেম আমাদের এই দেশকে উপহার দিয়েছে।  তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করলে  মাগুরাকে একটি স্মার্ট জেলায় পরিণত সম্ভব হবে। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ পৃথক কর্মসুচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।

আরও খবর



বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাত হবে ৫টি

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রতি বছরের মতো এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৭ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বায়তুল মোকাররমে ঈদ জামাতের এ তথ্য জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এতে বলা হয়, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বুধবার বা বৃহস্পতিবার (১০ বা ১১ এপ্রিল) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহ ও বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা দুই রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন। ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের প্রথম জামাত হবে সকাল ৭টায়। এতে ইমাম থাকবেন বায়তুল মোকাররম মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। মুকাব্বির থাকবেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মো. ইসহাক।

দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৮টায়। মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. এহসানুল হক এ জামাতে ইমাম থাকবেন। মুকাব্বির থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত মুয়াজ্জিন হাফেজ মো. আতাউর রহমান।

বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহীউদ্দিন কাসেম তৃতীয় জামাতে ইমাম থাকবেন। সকাল ৯টায় এ জামাত হবে। এতে মুকাব্বিরের দায়িত্বে থাকবেন মসজিদের খাদেম মো. আব্দুল হাদী।

চতুর্থ জামাত হবে সকাল ১০টায়। এ জামাতের ইমাম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী এবং মুকাব্বির থাকবেন খাদেম মো. জসিম উদ্দিন।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে। আজিমপুর কবরস্থান মেয়র হানিফ জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ইমরান বিন নূরউদ্দীন এ জামাতে ইমামতি করবেন। তার সঙ্গে মুকাব্বির হবেন মসজিদের খাদের মো. রুহুল আমিন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ পাঁচটি জামাতে কোনো ইমাম অনুপস্থিত থাকলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভাষা শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


আরও খবর



নির্বাচনের পর দিল্লি যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের আসন্ন নির্বাচনের পরে দেশটিতে সফর করবেন। বুধবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

জুনের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কথা রয়েছে, এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফরে যাবেন। তবে ভারতের নির্বাচনের পরে। সেটা কখন হবে সেটি নিয়ে কোনো আলোচনা অফিসিয়াল লেভেলে হয়নি।

জুনে ভারতে এ সফর হবে চতুর্থমেয়াদে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দেন সরকারপ্রধান। তবে সেটি ছিল বহুপাক্ষিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ। দিল্লি সফরের আগে এমন আরও বহুপাক্ষিক ফোরামে যোগ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর