Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেলেন যারা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২০৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় পার্টি (জাপা) আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে । সোমবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কার্যালয়ে নিজেদের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা পড়ে শোনান দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

এদিন ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৯টির প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি। বাকি ১১টি আসনে প্রার্থীর নাম পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানান জাপা মহাসচিব।

চুন্নু বলেন, আমরা নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় আছি। আমরা একটা পরিবেশ আশা করেছিলাম যে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে সেই আস্থা এখনও পুরোপুরি আসেনি।

তিনি বলেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন একটা শিডিউল ঘোষণা করেছে। জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল। আমরা আশা করেছি, একটা আনন্দমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। দেশের মানুষ সে নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিতে পারবে। সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

চুন্নু বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আরম্ভ করেছি, কিন্তু এটাই আমাদের নির্বাচনে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নির্বাচনে যাওয়ার জন্য যা করতে হয় তা আমরা করছি। খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব। মহাজোটে নয়, এবার এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জাতীয় পার্টি।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সংলাপে বসারও আহ্বান জানান জাপা মহাসচিব। তিনি বলেন, সরকারি দল ও বিএনপি কেউ আগ্রহী নয় সংলাপে, তবে এখনও সময় আছে আলোচনায় বসার।

জাতীয় পার্টির পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেখতে ক্লিক করুন


আরও খবর



তানোরে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না আদিবাসী সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার অসহায় দুস্থ দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন। সোমবার বিকেলের দিকে পৌর সদর গোল্লাপাড়া বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে ৫০ জন শীতার্ত বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা পুরুষের মাঝে এমপি ফারুক চৌধুরী পক্ষে কম্বলগুলো বিতরণ করেন। এসময় পৌর আওয়ামী লীগ নেতা প্রতাপ সরকার, তারেক সরকার, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল লতিফ, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, মৎসজীবি লীগ নেতা ইদ্রিস, শাবানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।  সেখান থেকে তিনি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড বেলপুকুরিয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের মাঝে ৫০ টি কম্বল বিতরণ করেন। সন্ধ্যার পরে চান্দুড়িয়া ইউনিয়ন ইউপির রাতৈল গ্রামেও ৫০ টির মত কম্বল বিতরণ করেন। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান সহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

এদিকে সোমবার সকালের দিকে তানোর পৌর ভবনে ৩০০ জন শীতার্ত দের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইমরুল হক। এসময় প্যানেল মেয়র আরব আলী, সংরক্ষিত কাউন্সিলর মমেনা আহম্মেদ, জুলেখা বেগম, কাউন্সিলর রোকনুজ্জামান জনি, হাবিব সরকার, লিয়াকত, অফিস সহকারী ওমর আলী, কার্যসহকারী অহেদুজ্জামান বাবু, মাহাবুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



অমর একুশে বইমেলায় আসছে জোনায়েত হোসেন জিদানের 'প্রিন্ট অন ডিমান্ডে হাতেখড়ি'

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image
সাব্বির খান, ইবি প্রতিনিধি:অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে আসছে ফ্রিল্যান্সার ও তরুণ উদ্যোক্তা জোনায়েত হোসেন জিদান এর প্রথম বই 'প্রিন্ট অন ডিমান্ডে হাতেখড়ি'। 

বইটি প্রকাশ করেছে দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান শব্দশৈলী প্রকাশনী। ১৫২ পৃষ্ঠার বইটির মলাট মূল্য ৩৮০ টাকা। ইতোমধ্যে বইটির প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে রকমারিতে। মেলায় শব্দশৈলীর ৯ নম্বর প্যাভিলিয়ন থেকে পাঠক বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন।

বইটি সম্পর্কে প্রকাশক জানান, “প্রিন্ট অন ডিমান্ডে হাতেখড়ি” বইটি মূলত ফ্রিল্যান্সিং ও ই-কমার্স ভিত্তিক। প্রিন্ট অন ডিমান্ড বর্তমানে বিশ্বব্যাপী খুবই জনপ্রিয় একটি ব্যবসা মডেল। এই ব্যবসার মডেলটি এমন, যেখানে প্রোডাক্ট এর যখন ডিমান্ড হবে (গ্রাহকের চাহিদা হবে) তখনই সেটি প্রিন্ট হয়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাবে। যার ফলে গ্রাহকের পছন্দ মত প্রোডাক্ট ডিজাইন করে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া যায়। বইটিতে লেখক প্রিন্ট অন ডিমান্ড এর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং এর বেসিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেছেন। 

বইটি সম্পর্কে লেখক জানান, 'বইটিতে কীভাবে প্রিন্ট অন ডিমান্ড এর ব্যবসা শুরু করা যাবে এবং কী কী বিষয় জানা লাগবে, সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেই সাথে একজন নতুন মানুষ কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর নিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু করবে সেটারও আলোচনা করা হয়েছে। তাই তিনি মনে করেন, যদি কেউ ইন্টারনেট এর মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু করতে চায় তাহলে এই বইটির দেওয়া  বিষয় গুলো ধরে ধরে প্র‍্যাক্টিস করলে অবশ্যই এই বইয়ের মাধ্যমে অনলাইন সেক্টরের ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।'

প্রসঙ্গত, জোনায়েত হোসেন জিদান একজন শিক্ষার্থী। তিনি বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ এ অনার্স ৩য় বর্ষে রসায়ন বিভাগ নিয়ে অধ্যয়নরত আছেন। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যেক্তা। তিনি বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করছে সেই সাথে ই-কমার্স ভিত্তিক প্রিন্ট অন ডিমান্ড এর সেলার হিসাবে কাজ করছেন।

আরও খবর



আক্কেলপুরে রাতের আঁধারে গভীর নলকূপের ৩টি ট্রান্সফরমার চুরি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
আক্কেলপুর(জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে একাধিক মালিকানার গভীর নলকূপের ৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের তামার অংশ চুরির অভিযোগ ওঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের তালঘড়িয়া মাঠে ঘটেছে।

স্থানীয় ও নলকূপ মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই গভীর নলকূপের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি থেকে ক্রয়কৃত ৩টি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের তামার অংশ চুরি হয়। শনিবার সকালে স্থানীয় এক কৃষক ট্রান্সফরমারের ভাঙ্গা অংশ বৈদ্যুতিক খুটির নিচে ও পাশের একটি জমিতে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় দেখে নলকূপের মালিকদের খবর দেয়। এ ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। ওই নলকূপের পানি দিয়ে আশেপাশের প্রায় ১৯৫ বিঘা ফসলী জমিতে সেচ দেওয়া হয়। 

স্থানীয় বাবু নামের এক কৃষক বলেন, আজ সকালে আমার জমিতে সেচ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ার কারণে সেচ দিতে পারছিনা। ফসলের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
ওই নলকূপের একাংশের মালিক ছানোয়ার হোসেন বলেন, এই ঘটনায় আমাদের প্রায় ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেচের অভাবে মাঠের ফসলগুলোরও অনেক ক্ষতি হবে। 
ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় অভিযোগ হওয়ার বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আসিফ মাহতাবকে চাকরিচ্যুতির কারণ জানাল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ‘শরীফ থেকে শরীফা’ হওয়ার পাতা ছিঁড়ে চাকরিচ্যুত হন। গত ২০ জানুয়ারি তাকে কি কারণে চাকরিচ্যুত করা হয় এতদিন পর্যন্ত এর কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাহতাবের চাকরিচ্যুতর বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।

জনসংযোগ কর্মকর্তা ফাতিয়াস ফাহমিদ সাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সব মত ও আদর্শের জন্য সহনশীলতা ও সম্মানের ভিত্তিতে গঠনমূলক আলোচনা, বিতর্ক এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ে বিশ্বাস করে। ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য আচরণ, যা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমর্থন করে না। সাম্প্রতিক সময়ে ব্র্যাকের শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎসের সপ্তম শ্রেণির জাতীয় পাঠ্যবইয়ের পৃষ্ঠা ছেড়া এবং পাবলিক ফোরামে অন্যদেরকে একই কাজ করতে বলার ঘটনাটিকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি একটি ধ্বংসাত্মক কাজ বলে মনে করে। এ ধরনের অশিক্ষকসুলভ আচরণকে তারা কোনোভাবেই সমর্থন করে না। একারণে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ২০২৪ সালের স্প্রিং সেমিস্টারের জন্য আসিফ মাহতাবকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নতুন চুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, ইউনিভার্সিটি মাহতাবকে এই সেমিস্টারের প্রস্তুতিমূলক কাজে তার সময় ও প্রচেষ্টার জন্য পারিশ্রমিক প্রদান করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সব ক্ষেত্রে দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশের প্রচলিত বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমকামিতার প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে যুক্ত, সামাজিক মাধ্যমে কিছু মহলের এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রত্যেকটি মানুষের সমান অধিকার এবং সম্ভাবনা বিকাশের পথে সমান সুযোগ সৃষ্টিতে বিশ্বাস করে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক গল্প’ পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদ জানান শিক্ষক আসিফ মাহতাব। তার দাবি, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘ট্রান্সজেন্ডারের গল্প’ ঢুকিয়ে শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করা হচ্ছে। এ সময় তিনি সবার সামনে ওই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ থেকে শরীফা’ গল্পের পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর ব্রাক ইউনিভার্সিটি তাকে সব শিক্ষাকার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় এবং তার ব্যবহৃত ই-মেইল ডিজেবল করে দেয়। এ নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা সমালোচনার মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই গল্পটি বিশ্লেষণ করার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়। কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


আরও খবর



মিরপুর বিআরটিএ অপকর্মের মুল হোতা আনসার কমান্ডার হাসেম

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর মিরপুর বিআরটিএ আনসার কমান্ডার হাশেমের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে দালাল চক্রের ভয়ংকর সিন্ডিকেট। হাসেম শুধু বহিরাগত দালাল প্রতারক চক্রের প্রধান হুতাই না নিজস্ব আনসার সদস্যদের দ্বারা বিআরটিএ কাজে আসা সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে টাকা আদায় করে থাকে অভিযোগ পাওয়া যায়। গত সপ্তাহে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে হাশেমের নিয়ন্ত্রণে থাকা দুইজন আনসার সদস্যকে গ্রাহকের কাজ করার সময় আটক করা এবং গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এছাড়াও আনসার সদস্যেদের কমান্ডার হাসেম আদেশ করে যেন তাহারা পোশাকে থাকা নামের ব্যাচ খুলে ভিতরে ডিউটি করে। বিআরটিএ মোবাইল কোড অভিযান চালানো অবস্থায় তারই নিয়ন্ত্রণে থাকা দালাল সদস্যদের ইশারায় বের করে দেয় জানা যায়। অনেক দালালের কাছে জানা যায় কমান্ডার হাশেমের দুর্নীতি টাকা কিভাবে দিতে হয়। সপ্তাহের শেষের দুইদিন বুধ অথবা বৃহস্পতি দালালের চাঁদা আদায়ের দিন হাশেম ও তার সহকারি কমান্ডার শহিদুল ইসলাম এই দুই দিনে প্রতি দালালদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে সাপ্তাহিক টাকা আদায় করে এছাড়াও সাবেক আনসার সদস্যদের ফ্রিজ হওয়ায় চাকরিযুক্ত হয় এমন একটি গ্রুপ চাকরিতে ফিরে না যে মিরপুর ১৩ নম্বর ও সেনপাড়া বিভিন্ন স্থানে ভাড়া থেকে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে। এই সকল সাবেক আনসার সদস্যদের প্রতি সপ্তাহে কমান্ডার হাসেমকে এক হাজার টাকা করে জনপ্রতি দিতে হয় প্রায় ৪০ জনকে। এছাড়াও অফিসারের রুমে থাকা গেটিসদের প্রতি সপ্তাহে এক হাজার টাকা করে কমান্ডার হাসেমকে চাঁদা দিতে হয় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জনকে।

বি আর টি এ 'র  সামনেও পাশে থাকা হকারদের প্রতিদিন কাউকে ৩০০ টাকা আবার কাউকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। এছাড়াও অফিস চলাকালীন সময় তারই ক্যাম্পে দালাল ও বিভিন্ন ধরনের লোকদের আনাগোনা থাকে। তথ্য ও চিত্রে দেখা যায় এই সকল আড্ডার কারণে উক্ত ক্যাম্পে খুব খারাপ ধরনের এক ঝগড়ার সৃষ্টি হয় দুই পক্ষের মধ্যে। যাহার একপক্ষকে সাপোর্ট দেয়ায় কমান্ডার হাসেমের বিরুদ্ধে  অভিযোগ আসে আমাদের কাছে। কমান্ডার হাসেম তার এই সকল অপকর্ম করার জন্য সহকারি কমান্ডার শহিদুল ইসলাম ও আনসার সদস্য মনিরুলকে বিশেষভাবে ক্ষমতা দিয়ে থাকে।

আনসার বাহিনীকে সরকারি অফিসে নিয়োগ দেয়া হয় জনগণের সেবার স্বার্থে কিন্তু এই জায়গায় দেখা যায় জনগণকে জরিমানা দিতে হয় হাশেম বাহিনীকে এই সকল দুর্নীতিবাজ আনসার সদস্যদের। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ পাওয়া গেছে, দালালদের আটকে রেখে আবার  টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় । তাকে সহযোগিতা করে স্হানীয় নেতারা।তাই জনস্বার্থে আনসার কমান্ডার হাশেমের নিয়ন্ত্রণে থাকা দুর্নীতিবাজ আনসারদের শাস্তি ব্যবস্থার জন্য গণমাধ্যম সংবাদটি প্রকাশ করে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর

ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪