Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জাতীয় বা স্থানীয় কোনো নির্বাচনেই অংশ নেবে না বিএনপি

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১২জন দেখেছেন
Image

বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় বা স্থানীয় কোনো নির্বাচনেই অংশ নেবে না বিএনপি- এ সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া ছিল। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় ছিল- দলের কেউ চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা করতে পারবে। কিন্তু এবার সেই পথও বন্ধ করে দিয়েছে বিএনপি। দল থেকে জানানো হয়েছে, সিদ্ধান্ত অমান্য করে গুরুত্বপূর্ণ পদধারী কোনো নেতা স্বতন্ত্র হিসেবে ভোট করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দলের এ সিদ্ধান্তের কথা গতকাল বৃহস্পতিবার আমাদের সময়কে জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ পদধারী কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেবেন তারাও ছাড় পাবেন না। এ সিদ্ধান্ত অমান্য করলে তা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড বলে গণ্য হবে।

বিএনপির দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় গতকাল পর্যন্ত পাঁচ নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ায় দুই নেতাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবু নাছের এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম। গত বুধবার রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া যাবে বলে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ঘোষণা দেওয়ার কারণেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়েছে কিনা, তা জানি না। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলে আগেই আমাদের জানানো উচিত ছিল। এখন এমন সময় অব্যাহতির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, এ সময় পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই। আর আবু নাছের বলেন, বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথমে অংশ নিয়েছিল। এর পর অনিয়মের কারণে সিদ্ধান্ত নেয়, এ সরকারের অধীনে আর কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে না। এর পর ঘোষণা দেওয়া হয় স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নেতা চাইলে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী হতে পারবেন। দলের এ সিদ্ধান্তে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। কিন্তু কোনো ধরনের কারণ দর্শানো ছাড়াই সরাসরি দলের পদ থেকে অব্যাহতির চিঠিতে হতবাক হয়েছি।

এ ছাড়া নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচন করায় পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম জামাল এবং স্থানীয় একটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ায় বাগাতিপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুল ইসলামকে তাদের পদ থেকে গতকাল অব্যাহতি দেওয়া হয়। যদিও দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই দুই প্রার্থী আগেই দলের কাছে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা করা তৈমূর আলম খন্দকারকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতেই দলটি এ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিএনপি নেতারা মনে করেন, দেশে-বিদেশে চাপে থাকা সরকার এখন সুষ্ঠু নির্বাচন করে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করবে। আবার দলের নেতাকর্মীরা নির্বাচনের দিকে মনোযোগ দিলে চলমান আন্দোলনের গতি মন্থর হয়ে পড়বে। সে ক্ষেত্রে একটা বার্তা নিয়ে সক্রিয় থাকতে চায় বিএনপি। সেটা হলো নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা।


আরও খবর



এশিয়ান টেলিভিশনের নবম বর্ষপূর্তি উদযাপন করলেন সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব

এশিয়ান টেলিভিশনের নবম বর্ষপূর্তি উদযাপন করলেন সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব

প্রকাশিত:Wednesday ১৯ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image


রুবেল মিয়া (সরাইল)

নয় পেরিয়ে দশে পদার্পণ সবার সাথে এশিয়ান টেলিভিশন এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার  সরাইলে এশিয়ান টেলিভিশনের নবম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় এশিয়ান টেলিভিশন এর  সরাইল প্রতিনিধি আল মামুন খানের আয়োজনে সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব এ  কেক কাটার মধ্য দিয়ে এশিয়ান টেলিভিশনের নবম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়।


সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব এর  সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, এশিয়ান টিভির সরাইল প্রতিনিধি আল মামুন খান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সরাইল খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শাহজালাল আলম। 


 সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব এর  সহ সভাপতি শরীফ উদ্দিনের  সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,আমাদের সময় সরাইল উপজেলা  প্রতিনিধি আলমগীর মিয়া, দৈনিক বাংলাদেশ মিডিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি মোঃ রিমন খান, দৈনিক নওরোজ সরাইল প্রতিনিধি আব্দুল মমিন, দৈনিক সন্ধ্যা বানী সরাইল প্রতিনিধি মোঃ কামাল পাঠান, ভোরের দর্পন সরাইল প্রতিনিধি  মাহবুবুর খন্দকার প্রমুখ। 


এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলাম বাদল, রুশন আলী, সরাইল উপজেলার শাহ্জাদাপুর ইউনিয়ন শাখার ছাত্রলীগ নেতা তানভীর ও যুবলীগ নেতা শেখ হেলাল ইউনিয়ন সভাপতি।


আরও খবর



বালু নদে নাব্যতা সংকটে আটকে আছে অসংখ্য বালুবাহী বালুভর্তি বাল্কহেড, কোটি কোটি টাকার লোকসান।

প্রকাশিত:Saturday ১৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৯৪জন দেখেছেন
Image


মো. বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর কোলঘেষা বালু নদে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে চরম আকারে। এ কারণে প্রতিনিয়ত ওই নদে আটকে যাচ্ছে বালুবাহী মাঝারি ও বড় বালুভর্তি বাল্কহেড। গত ৫ দিন ধরে ঢাকার ভাটারা থানাধীন বালু নদের বেরাইদ এলাকায় মক্কা মদিনা ৫, টিউলিপ ও অঞ্জুমান-২ নামে ২৬ হাজার ফুটের ৩ টি বড় বড় বাল্কহেড নাব্যতা সংকটে আটকে যাওয়ায় দীর্ঘ প্রায় ২ কিলোমিটার  বাল্কহেড যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।


আর শুস্ক মৌসুমে প্রায়ই এ ধরণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে শীতকালে শত শত কোটি টাকার বাল্কহেড বিনিয়োগকারীদের কোটি কোটি টাকার লোকসান গুণতে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাল্কহেড শ্রমিকের মজুরিতেও চরম ভাটা পড়ে বলে পারিবারিকভাবে তারা অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটায়। এদিকে আটকে পড়া বাল্কহেডের লাখো শ্রমিকরা বিগত করোনাকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় এখনো ঋণের বোঝা বইছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


সরজমিন দেখা গেছে,শুক্রবার বিকেলেও বেরাইদ বাজার এলকায় নাব্যতা সংকটে বালু নদের পানি কম থাকায় ৪ দিন ধরে আটকে আছে বালুভর্তি ৩ টি বড় বাল্কহেড। এতে করে অন্যান্য শতাধিক বাল্কহেড ওই নদে আটকে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে শ্রমিকরা নদের পঁচা পানির মধ্যেই বন্ধ বাল্কহেডে দিনাতিপাত করছেন। খাওয়া দাওয়া ও নামাজ পড়ছেন বাল্কহেডেই। জটে আটকা পড়ে শ্রমিকরা অলস সময় পাড় করছেন।


এ বিষয়ে রমজান আলী নামে সাদিয়া ২ নামের এক বাল্কহেড শ্রমিক বলেন, গত ৫ দিন ধরে বালু নদের পঁচা পানিতে আটকে মশার কামড় খাচ্ছি। খোরাকির টাকাও নাই হাতে।মালিক বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছে আর খাচ্ছি কিন্তু টাকার অভাবে বাড়ির লোকেরা খাওয়ায় কষ্ট করছে। নদিটা গভীর থাকলে সমস্যায় পড়তামনা।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খনন বা ড্রেজিংয়ের অভাবে গত কয়েক বছর ধরে বালু নদে ফকিরখালি, বেরাইদ, নাওড়া ও নগরপাড়া এলাকায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। এ সব এলাকায় অন্তত ১২ হাত পানির প্রয়োজন হয় বাল্কহেড চলাচল করতে। এক্ষেত্রে এসব এলাকায় এখন ৭ হাত পানি পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ নদের ৩১ টি মৌজায় বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃক ২০১৩-১৪ সালে রক্ষণাবেক্ষণ (মেইনট্যানেন্স) ড্রেজিং করা হয়েছে। তারপর আর কোন খনন বা ড্রেজিং করা হয়নি বলে নদের তলদেশ অনেক ভরাট হয়ে গেছে। আর এ নদ দিয়ে বাল্কহেডের মাধ্যমে বালু বহন করে শহরের নি¤œাঞ্চলগুলো ভরাট করে আধুনিক নগরে রূপান্তর করা হচ্ছে। অথচ নাব্যতা সংকটে তা ব্যহত হচ্ছে চরমভাবে। তবে শুস্ক মৌসুমে নাব্যতা সংকটে এ নদ দিয়ে ১২শ’ থেকে ১৬শ’ ফুটের বেশি বড় বাল্কহেড চলাচল করতে পারেনা।  

 

সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকার ক্ষিলগাঁও থানাধীন বালু নদের ইটাখোলা থেকে ইদারকান্দি, ফকিরখালি ও ভাটারা থানাধীন বেরাইদ বাজার এলাকা পর্যন্ত বালুভর্তি বাল্কহেডের দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আর নাব্যতা সংকটেই গত ৪ দিন ধরে এ যানজট সৃষ্টি হয়েছে বলে তা অপসারণ করা যাচ্ছেনা। এক্ষেত্রে জোয়ারের পানির অপেক্ষায় রয়েছে দীর্ঘ প্রায় দুই মাইলের বাল্কহেড যানজট। তাছাড়া প্রতিবছরই ঢাকার বালুরপাড়, ফকিরখালি, ইদারকান্দি, বেরাইদসহ বালু নদের অধিকাংশ এলাকায় নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। নদের তলদেশ ইতিমধ্যে ভরাট হয়ে গেছে।


এ বিষয়ে বেরাইদ বাজার এলাকার বাল্কহেড ব্যবসায়ী আকবর হোসেন বলেন, বড় ৩ টি বাল্কহেড বালু নদে প্রবেশ করায় এ দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তারা জানা সত্বেও কেন এত বড় লোড জাহাজ এ নদ দিয়ে আনল বুঝলামনা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।


এ বিষয়ে বেসরকারি সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ ও নদী রক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (ইআরপিডিএফ) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান  এইচ এম সুমন বলেন, বালু নদে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বৃহৎপরিকল্পনা প্রয়োজন যা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। একই সঙ্গে নদী বাঁচাতে জলাবায়ু ঝুঁকি রাশের লক্ষ্যেও কাজ করছি। সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের নিয়ে দ্রুত জরুরী এসব কাজ সমাধানে সবার এগিয়ে আসতে হবে।


এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে টঙ্গী নদী বন্দরের সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা সমর কৃষ্ণ সরকার বলেন, নাব্যতা সংকট বালু নদে চরম। জরুরী ভিত্তিতে খনন প্রয়োজন, প্রয়োজন বৃহৎ পরিকল্পনারও। এত বড় বাল্কহেড যানজট লাগার একমাত্র কারণই হচ্ছে নাব্যতা সংকট।

আর জোয়ারের পানি না আসা পর্যন্ত এ যানজট নিরসন সম্ভব নয়। রোইদ এলাকায় অনেকভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে যানজট নিরসনে। এখানে ১২ হাত গভীর পানির প্রয়োজন,অথচ পাওয়া যাচ্ছে ৭ হাত।


আরও খবর



খালেদার বিদেশে চিকিৎসার আবেদনে মতামত, যা বললেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ২৭ December ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৬০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের আবেদনের বিষয়ে মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এই আইনি মতামত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। তবে কী মতামত দিয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি আইনমন্ত্রী।

এ বিষয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘সেই মতামত জানানো সমীচীন হবে না। কারণ সেটা গোপন বিষয়। এটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত যাবে। তারপর বলা সম্ভব হবে।’

এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানতে ‘অপেক্ষা’ করতে হবে। তার আগে গত ৫ ডিসেম্বর সংবাদমাধ্যমকে খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে ‘আইনি উপায়’ খোঁজার কথা বলেছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। ১৭ নভেম্বর তার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। উন্নত চিকিৎসার জন্য জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।


আরও খবর



মাওয়া শিমুলিয়া ফেরী ঘাটে পদে পদে দুর্নীতি

মাওয়া শিমুলিয়া ফেরী ঘাটে পদে পদে দুর্নীতি

প্রকাশিত:Monday ১৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
Image


জুবায়ের আলম:

ফেরীর তেল চুরি ,দুর্নীতি, সংস্থার বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাত সহ মাওয়ায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার  ঘাটে বিআইডব্লিউটিসির কর্মচারীদের বিরুদ্ধেব্যাপক হারে  অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধান করে জানাগেছে ফেরি চলাচলের জন্য বছরে কোটি কোটি টাকার তেল ব্যয় হয়।


এই তেল ব্যয়ের ব্যাপারে রয়েছে নানা রকমের কারসাজি। বহু দিন ধরেই শিমুলিয়ায় তেল চুরি সিন্ডিকেট সক্রিয়। চক্রটির হাত লম্বা। তেল চুরির ভাগ চলে যায় অনেক উপরের কর্মকর্তাদেরও হাতে। তাই যুগ যুগ ধরে এই তেল চুরি চলছেই। আধুনিক ভিটিএস যন্ত্র ব্যবহার না করাও এর একটি কারণ। এক শ্রেণীর কর্মকর্তার অবৈধ আয়ের অন্যতম উৎস এই তেল চুরি।সাশ্রয় করা তেলই বাইরে বিক্রি করা হয়।


প্রতিটি ফেরিরই তিন সদস্যের একটি একটি টাইম নির্ধারণ করে তেল বরাদ্দ দেয়। রো রো ফেরি শাহ পরাণের বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়া আসার জন্য সময় নির্ধারণ করা ৫৫ মিনিটি এবং তেল বরাদ্দ ১০৮ লিটার। শিমুলিয়া থেকে বাংলা বাজার যাওয়া জন্য ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটে ২২১ লিটার বরাদ্দ রয়েছে।ফেরি কোন কোন সময় একটু বেশি লাগে আবার কখনও সময় একটু কম লাগে। কম লাগলে তেল কম খরচ হয়।


তবে হিসাবের মধ্যেই থাকে। এগুলো রেজিস্টার মেনটেন করা হয়।দূরত্ব, গতিবেগ ও স্রোত বিবেচনায় বিপুল পরিমাণ তেল বরাদ্দ দেয়া হলেও সেই অনুযায়ী ফেরি ও জাহাজ চালানো হয় না। এভাবে বরাদ্দের তেল বাঁচিয়ে তা গোপনে বিক্রি করে দেন সংশ্লিষ্টরা। তেল চুরির টাকা সংস্থাটির ফেরীচালক,মাষ্টার সুকানী,লস্কর সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক কর্মকর্তার পকেটে যায়।


প্রতি মাসে এই ফেরি রুটে সংস্থাটির কোটি কোটি টাকা আয় ব্যয় রয়েছে। বিআইডব্লিউটিসির সহ-মহাব্যবস্থাপক(বাণিজ্য) মোঃ শফিকুল ইসলাম  জানান, গত ২০২১ সালের মে মাসে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরিগুলো ৪ হাজার ৫৭০টি ট্রিপ দিয়ে আয় করেছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। আর তেল খরচ হয়েছে ২ কেটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার। গত জুন মাসে ৬ হাজার ৪৫২টি ট্রাক, ২৫ হাজার ৩৬৯টি বাস এবং ৭৪ হাজার ৯৫টি ছোট যান পারাপার করেছে। ফেরিগুলো ট্রিপ দিয়েছে ৪ হাজার ৬১৬টি। এতে আয় হয়েছে ১১ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ২৮৯ টাকা। তবে এই মাসের তেল খরচ তাৎক্ষণিক তিনি জানাতে পারেননি।


তেলে হিসাব অডিট হয়ে তার কাছে কিছুটা বিলম্ব হয় বলে তিনি জানান।তবে তেলের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিসির নির্বাহী প্রকৌশলী তথ্য না দিয়ে নানা কৌশলে এড়িয়ে যান। তেল চুরি সিন্ডিকেটের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার আঙ্গুল তুলছেন অনেকে। তবে  নির্বাহী প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ফেরির ফগ লাইট কেনায় অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক ও জিএমসহ ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বুধবার (৫ জানুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়।


ঘন কুয়াশায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ১০ কিলোমিটার দেখা যায় এমন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফগ অ্যান্ড সার্চ লাইট ক্রয়ে ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে  মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান। দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার আসামিরা হলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালক (কারিগরি ) ড . জ্ঞান রঞ্জন শীল, মহাব্যবস্থাপক বা জিএম ক্যাপ্টেন শওকত সরদারমো. নুরুল হুদা, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি পঙ্কজ কুমার পাল, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) সাবেক মহাব্যবস্থাপক ( মেকানিক্যাল ) ইঞ্জিনিয়ার মো. রহমত উল্লা, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) মেকানিক্যাল বিভাগের ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং মেসার্স জনী করপোরেশনের মালিক ওমর আলী।



আরও খবর



ওমিক্রনের তিনটি উপধরন মিলেছে ঢাকায়

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই সংক্রমণ বাড়ছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেই ওমিক্রন সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এল। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঢাকা শহরে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের অন্তত তিনটি উপধরন (সাব টাইপ) পাওয়া গেছে।

সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স গবেষণায় এটি জানা গেছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা শহরে যে তিনটি উপধরন আছে সেগুলো আফ্রিকান, ইউরো-আমেরিকান এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ওমিক্রন ধরনের সঙ্গে মিলে যায়।

আইসিডিডিআর,বি বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে তাদের ল্যাবরেটরিতে ১ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ শতাংশই ছিল করোনায় আক্রান্ত। আর আক্রান্তদের মধ্যে ওমিক্রন ছিল ৬৯ শতাংশের নমুনায়।

বাংলাদেশে ৬ ডিসেম্বর ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয়। ওই মাসেই আইসিডিডিআর,বির ল্যাবে পরীক্ষা করা ঢাকা শহরের ৭৭ জন করোনা রোগীর মধ্যে পাঁচটিতে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছিল। অন্যগুলো ছিল ডেল্টা ধরন।

গবেষণায় আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ওমিক্রনে আক্রান্ত ২৯ জনের মধ্যে ২৭ জনের মৃদু উপসর্গ কিংবা কোনও উপসর্গও ছিল না। ২৪ জন টিকার দুই ডোজ নিয়েছিলেন, বুস্টার ডোজ নিয়েছেন একজন। একজন শুধু একদিনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।


আরও খবর