Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ইভিএম নিয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছি না: সিইসি

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩২৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নিয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ইভিএম সম্পর্কেও উনারা একটা প্রশ্ন করেছিলেন, যে ইভিএম নিয়ে অবিশ্বাস আছে কি না। বলেছি ইভিএম নিয়ে যে অবিশ্বাস ছিল তা অনেকটা কেটে গিয়েছিল। তবে এটাও জানিয়েছি যে ইভিএম নিয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছি না, কারণ আদৌ ইভিএম এভেইলেবল হবে কি না।

সিইসি বলেন, ‘আমরা কী পরিমাণ নির্বাচন ইভিএমে করতে পারব সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আমরা উপনীত হইনি। উনাদেরে সঙ্গে আমাদের এতটুকুই আলোচনা ছিল। আমার মনে হয় যেহেতু উনারা আসছেন, উনারাই ভালো করে বলতে পারবেন।

ইইউ প্রতিনিধিদল কেন এসেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আপনারা ইতোমধ্যেই জেনেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেশনের রাষ্ট্রদূতরা এসেছেন। উনারা এর আগেও গত বছর জুলাইয়ে আমাদের এখানে এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে তখন নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে। এখন যেহেতু আমাদের ১০ মাস অতিবাহিত হয়েছে। আমরা নির্বাচন বর্ষে উপনীত হয়েছি। তাই উনারা এটাও পিরিয়ডিক্যাল বলে থাকেন, উনারা পুনর্বার মতবিনিময় করতে আসছেন। মূলত আমাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি কেমন তা জানতে এসেছিলেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা উনারদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চেয়েছি নির্বাচনের কোনো কোনো বিষয় উনারা জানতে চান। উনারা বলেছেন, আমাদের ইলেকটোরাল রোল সম্পর্কে অবহিত করেছি। সংসদীয় আসনের সীমা পুননির্ধারণ, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে আমাদের কোনো উদ্যোগ আছে কি না, এই বিষয়গুলো তাদেরকে জানিয়েছি। আমাদের বর্তমান অবস্থানটা পরিষ্কার করেছি এবং আমরা প্রস্তুত আছি।

নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে সিইসি বলেন, ‘আমাদের যে রোডম্যাপ আছে, সে রোডম্যাপ অনুযায়ী আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে এবং আমরা যথাসময়ে নির্বাচন করব। আমরা এটাও উনাদেরকে পরিষ্কার করে বলেছি। কিছু কিছু বিষয় এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো মতপাথর্ক্য রয়েছে। এই মতপার্থক্য থাকার কারণে এখনো নির্বাচনী পরিবেশটা এখনও সহানুভূতি সম্পন্ন  নয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি যে অচিরেই মতপার্থক্যটা দূর হয়ে যাবে। শেষমেষ সব দলগুলো নির্বাচনে আসবে সে বিষয়ে আমরা আশাবাদী, তবে সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত করে..। আমরা বলেছি যদি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয় তাহলে চমৎকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। সেলক্ষ্যে আমাদের পুরো প্রস্তুতি রয়েছে।

রাজনৈতিক সংলাপের বিষয়ে কোনো কথা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে একাধিকবার বলেছি যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন এবং ব্যাপক অর্থে তাদের মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হয়। প্রথম থেকেই আমরা এই আবেদন করে আসছি, এখনও করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, ‘মতপার্থক্যগুলো রাজনৈতিক ইস্যু, আমাদের জন্য ইস্যু নয়। কাজেই রাজনৈতিক ইস্যুগুলো, যেগুলো নির্বাচনের জন্য অন্তরায় হতে পারে, সেগুলোর সুরাহা রাজনৈতিক নেতাদেরকে করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো সেটা অনুধাবন করতে হবে এবং বুঝতে হবে। তাদেরকেই সেটা অসুখ নিরাময় করতে হবে। তাহলেই নির্বাচনটা প্রত্যাশিত মাত্রায় অংশগ্রহণমূলক হবে। সুন্দর, সুষ্ঠু হবে এবং গণতান্ত্রিক চেতনায় যে নির্বাচন প্রত্যাশিত সে নির্বাচনটা ওভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।

ইইউ প্রতিনিধিদল নির্বাচনের ব্যাপারে কোনো সুপারিশ করেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘এটা ছিল, একটাই; আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণটা কী ধরনের সহযোগিতা দিতে পারবে। আমরা বলেছি যে গণমাধ্যম আমাদের নির্বাচন কভার করে থাকে, পর্যবেক্ষকরাও করে থাকেন। অতীতেও যেভাবে করেছে কিন্তু এবার আমরা যেটা করব আমাদের তরফ থেকে আমরা ফুললি ওপেন হবো।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে কোনো অন্তরায় থাকবে না। ফরেন ওবজারভার সম্পর্কে আমাদের একটা পলিসি আছে। তারা আমাদের কাছে আবেদন করবেন। আমরা সেটা পাঠিয়ে দেব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। কারণ বিষয়টি দ্বিপক্ষীয়ভাবে সুরাহা হতে হবে। কিন্তু এতটুকু আমরা বলেছি আমাদের তরফ থেকে কোনো অন্তরায় থাকবে না।

সিইসি বলেন, ‘জেনেছি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি বিদেশি পর্যবেক্ষক অ্যালাও করবেন। কারণ একটা ব্রিটিশ এমপি ডেলিগেশন উনার সঙ্গে মিট করেছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী সে আশ্বাস দিয়েছিলেন। উনারাও এতে আনন্দিত, আমরাও এতে আনন্দিত, যে হ্যাঁ বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও যদি এসে আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে, গ্লোবালিও সারাবিশ্ব দেখবে আমাদের দেশের নির্বাচনটা সুন্দর, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইইউ’র হেড অব ডেলিগেশন চার্লস হোয়াইটলির নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সিইসির সঙ্গে তিন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর জেলেনস্কির টুইট

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডিন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে জার্মানিতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সাইড লাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন জেলেনস্কি। পরে এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে বৈঠকের ভিডিও শেয়ার করেন তিনি।

পোস্টে জেলেনস্কি লিখেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা ইউক্রেনের শান্তির ফর্মুলা ছাড়াও বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি। সেই ফর্মুলা বাস্তবায়নে অংশগ্রহণ এবং বৈশ্বিক শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।


আরও খবর



ডেমরায় ২০ নং ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

সোহরাওয়ার্দীঃরাজধানীর ডেমরা থানাধীন ৭০ নং ওয়ার্ডের ২০ নং ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন ২০ নং ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ শামছুল হুদা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব আতিকুর রহমান আতিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবু, ধীৎপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যাবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ৭০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোস্তফা কামাল, সাংবাদিক আজম ইকবাল সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহীনুর আক্তার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা দলীয় নৃত্য,একক নৃত্য, সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীরা।


আরও খবর

তিন পদে লোক নিচ্ছে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চার লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেলো ডাকাতরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি;দিনাজপুরের হিলিতে ইউনাইটেড রাইস মিলের ম্যানেজারসহ তিন জনের হাত পাঁ বেঁধে রেখে লকার ভেঙ্গে চার লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেলো ডাকাতের একটি দল।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে হিলি চুরিপট্টি-বাজার সড়কের মধ্যবাসুদেবপুর এলাকায় এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দিনাজপুর জেলার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) একটি দল ও হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওই ইউনাইটেড রাইস মিলের সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায় ডাকাতের একটি দল দরজা ভেঙ্গে ঘুরে প্রবেশ করে। এরপর ম্যানেজারে হাত পা বেধে রেখে লকার ভেঙ্গে চার লাখ টাকা লুট করার দৃশ্য। ইতিমধ্যে সিসিটিভির ভিডি ফুটেজটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

রাইস মিলের ম্যানেজার শুকুমার কুমার জানান,আমি মিলের অফিস কক্ষে শুয়ে ছিলাম। ভোর আনুমানিক ৩ টার দিকে কিছু লোক এসে দরজা খুলতে বলে।আমি দরজা না খোলায় ডাকাতের দলটি দরজা ভেঙ্গে অফিসের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপর আমাকে লকারের চাবি দিতে বলে।আমি চাবি না দেওয়ায় তারা আমাকে মারধর করে।পরে আমার হাত-পা বেঁধে রেখে লকার ভেঙ্গে নগদ ৪ লাখ টাকা,সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে যায়।হাকিমপুর থানার ওসি দুলাল হোসেন জানান,ডাকাতির ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি।


আরও খবর



আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস আজ একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা মায়ের বীর সন্তানেরা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে বুকের রক্তে রঞ্জিত করেছিলেন ঢাকার রাজপথ। পৃথিবীর ইতিহাসে সৃষ্টি হয়েছিল মাতৃভাষার জন্য আত্মদানের অভূতপূর্ব নজির।

সারাদেশের আজ প্রভাতফেরি নামবে পথে পথে। ফুলে ফুলে ভরে উঠবে দেশের সব শহীদ মিনারের বেদী।

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুব সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসক গোষ্ঠীর চোখ-রাঙানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে।

মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শঙ্কিত করে তোলায়; সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা এ দেশের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়, যে কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দিবসটি পালিত হচ্ছে।

ঢাকাসহ সারাদেশের শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে একুশের মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাতি। রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানানো হবে।

এই দিবসটি বাঙালি জাতির জন্য হচ্ছে চরম শোক ও বেদনার। মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ দিন। যে কোনো জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার- মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন।

সরকারি ছুটি একুশে ফেব্রুয়ারি। এদিন দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সঠিক নিয়মে, সঠিক রং ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


আরও খবর



গ্রাহকদের ২০ কোটি টাকা সঞ্চয় নিয়ে লাপাত্তা হওয়া এনজিও মালিকসহ আটক ৬

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁ সদর উপজেলায় ডলফিন নামের একটি এনজিও খুলে গ্রাহকদের ২০ কোটি টাকা সঞ্চয় নিয়ে লাপাত্তা হয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক নামের এক প্রতারক। এঘমটনায় র‍্যাব-৫ ও র‍্যাব-১১ এর সদস্যরা রাজ্জাকসহ তার সহযোগী ৬ জনকে যৌথ অভিযানে আটক করেছে। রোববার রাজধানী ঢাকাসহ নওগাঁ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রোববার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব। 


আটককৃতরা হলেন, সদর উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের নছির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও তার স্ত্রী সুমি বেগম (৩২), একই গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মোঃ রিপন (১৮), রজাকপুর গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মোঃ পিয়ার আলী (৪০), ইকরতারা গ্রামের মৃত লায়েব উদ্দিনের ছেলে মোঃ আতোয়ার রহমান আতা (৬০), বজাকপুর গ্রামের পিয়ার আলীর স্ত্রী মোছাঃ শিল্পি বেগম (৩৫)।

র‍্যাব জানায়, নওগাঁ জেলার সদর থানার ফতেহপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ২০১৩ সালে ডলফিন সেভিংস এন্ড ক্রডিট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড (রেজিঃ নং-১২৪৩) নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন। গ্রামের সহজ সরল মানুষকে প্রতিমাসে তার এনজিও‘তে লাখে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মুনাফা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করে। এতে এলাকার অনেকেই সঞ্চয়পত্র খোলার নামে অল্প অল্প করে বড় অংকের টাকা আমানত হিসেবে জমা করে। এরপর গ্রাহকগণ জমানো টাকার মুনাফা প্রথম তিন মাস পেলেও পরবর্তীতে মুনাফা বন্ধ করে লাপাত্তা হয়ে যায় ডলফিন এনজিও।

র‍্যাব আরও জানায়, আব্দুর রাজ্জাকসহ তার বোন মোছাঃ শিল্পি বেগম, স্ত্রী মোছাঃ সুমি আক্তার, মোঃ রিপন এনজিও‘র সভাপতি পিয়ার আলী, ম্যানেজার মোঃ আতোয়ার রহমান আতা এবং ক্যাশিয়ার মোঃ রিপন হোসেন এলাকার মানুষের কাছ থেকে ১ লাখ টাকায় ২ হাজার টাকা লাভ দেয়ার কথা বলে ৩০০ জনের বেশি গ্রাহককে সঞ্চয় রাখার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন। পরবর্তীতে  গ্রাহকগণ সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলন করতে গেলে আজ আসো কাল আসো বলে গ্রাহকদের টাকা দিতে কালক্ষেপন করতে থাকে। শেষে এক পর্যায়ে তারা পালিয়ে যায়। 

পরবর্তীতে আটককৃতদের নওগাঁ সদর থানায় হস্তান্তর করা হলে থানা পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আরও খবর