Logo
আজঃ Wednesday ২৫ May ২০২২
শিরোনাম

ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আল জাজিরার সাংবাদিক নিহত

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। বুধবার (১১ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।


পশ্চিম তীর থেকে আল জাজিরার আরেক সংবাদদাতা নিদা ইব্রাহিম জানিয়েছেন, জেনিন শহরে ইসরায়েলি অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় সাংবাদিক শিরীন আবু আকলেহকে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদাররা।




তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা যা জানি তা হলো, ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তার (শিরীন) মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছে। শিরীন জেনিনে সংঘটিত ঘটনাগুলোর খবর সংগ্রহ করছিলেন, বিশেষ করে দখলকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলীয় একটি শহরে ইসরায়েলি অভিযানের বিষয়ে। সেই সময় তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।




নিদা ইব্রাহিমের কথায়, এটি শিরীনের সঙ্গে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য একটি বড় ধাক্কা।


মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা যান শিরীন আবু আকলেহ। এসময় জেরুজালেমভিত্তিক আল-কুদস পত্রিকায় কর্মরত আরেকজন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক আহত হন। তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।




ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে হতাহতের এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েল।



আরও খবর



বাকেরগঞ্জে শাশুড়িকে খুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে সন্তানের দুধ কিনতে টাকা না দেওয়ায় শাশুড়িকে খুন

প্রকাশিত:Friday ১৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২১৪জন দেখেছেন
Image

বরিশাল প্রতিনিধিঃ


সন্তানের দুধ কেনার জন্য গচ্ছিত দুই হাজার টাকা রাখা ছিল আলমারিতে। চাবি না দেওয়ায় পুত্রবধূ শাশুড়ির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির শুরু করেন। এ সময় শাশুড়ি নাজনীন বেগম পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি বের করেন। পরে পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যান।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এসব কথা বলেন অভিযুক্ত পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল। তিনি জানান, অভিযুক্তর দুগ্ধপোষ্য ছয় মাস বয়সী এক ছেলে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকেও মায়ের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে।


হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে করেছেন বলে ধারণা করে পরিদর্শক বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আর কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলেও স্বামীর অব্যাহত অবহেলা ও শাশুড়ির অত্যাচারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন লাবণ্য।


 অভিযানিক দল যখন লাবণ্যকে গ্রেফতারে যায়, তখন তিনি জায়নামাজে বসা ছিলেন। তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।


আদালতের বরাত দিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত শাশুড়ি নাজনীন বেগমের স্বামী হানিফ হাওলাদার গত বছরের শেষ দিকে মারা যান। তার আগে থেকেই লাবণ্যর বাবা খলিল হাওলাদারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার শাশুড়ির। 



আবার লাবণ্যর স্বামী উজ্জল হাওলাদার ঢাকায় একটি চশমার দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তিনিও সেখানে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দুটি বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে উজ্জল বাড়িতে আসেন। তখন এসব বিষয় নিয়ে কথা উঠলে ৮ মে লাবণ্যকে বাড়ি থেকে বের করে দেন স্বামী ও শাশুড়ি। ১০ মে আবার ঢাকায় চলে যান উজ্জল।


এরপর প্রতিদিন উজ্জলকে ফোন করতেন লাবণ্য। শাশুড়ির কাছেও জানাতেন তার ছয় মাস বয়সী সন্তান মুজাহিদুল ইসলামের দুধ কেনার টাকা নেই। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ি এতে কোনো গুরুত্ব দেননি।



 বুধবার (১১ মে) সন্ধ্যায় শাশুড়ির কাছে আসেন লাবণ্য। আলমারির চাবি চান। শাশুড়িকে জানান, আলমারিতে দুই হাজার টাকা আছে তা নিয়ে ছেলের জন্য দুধ কিনবেন। কিন্তু শাশুড়ি চাবি দিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে শাশুড়ি পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি নেন। সেই ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে চলে যান লাবণ্য।


শাশুড়ির গলায় দুটি ও বুকে তিনটি ছুরির কোপ ছিল। ছুরির আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় বলে মনে করেন এই পুলিশ পরিদর্শক।


তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনা অনুসন্ধানে মনে হয়েছে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত। কারণ, অভিযুক্ত নারী যখন শাশুড়ির কাছে আসেন, তখন তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। এমনকি সঙ্গে মোবাইলও আনেননি। সঙ্গে ছুরি নিয়ে এসেছিলেন। বোরকা পরে এসে শাশুড়িকে কুপিয়ে বাসায় গিয়ে সন্তানকে দুধ খাইয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়তে বসেন। লাবণ্য ভারতীয় সিরিয়াল সিআইডি দেখে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং সে অনুসারে হত্যাকাণ্ড ঘটান।


প্রসঙ্গত, বুধবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামে রক্তাক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে উজ্জল বাদী হয়ে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|


আরও খবর



দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা অপরাজনীতির বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৬ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৮৯জন দেখেছেন
Image

পিরোজপুর, ৬ মে ২০২২ (শুক্রবার)

দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা অপরাজনীতির বিপক্ষে দল-মত নির্বিশেষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।


শুক্রবার (৬ মে) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের শুকনো খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।


পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।


এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে যারা বাধা সৃষ্টি করে, যারা অপরাজনীতি করে, যারা ধ্বংসের রাজনীতি করে তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে। বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের।


প্রত্যেকের মধ্যে নিজস্ব বিশ্বাস ও চেতনা থাকলেও স্বাধীনতাবিরোধীদের ভ্রান্ত, অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সকলকে প্রগতিশীল রাজনীতিতে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, যদি কেউ ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম করতে চায়, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করতে চায়, মানুষকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দিকে নিয়ে যেতে চায় তাহলে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার।


এ জাতীয় অপরাজনীতি যারা করবে আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের যেকোন মূল্যে প্রতিহত করবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, আমরা অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাচ্ছি। অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হচ্ছি। শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের জাদুকর। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।


পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, স্থানীয় অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


পরে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা কৃষি অফিস হলরুমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য।


তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারে সময়ে দেশে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা মহামারীতেও দেশের উন্নয়ন থেমে নেই।



আরও খবর



ফেরিতে জুয়ার আসর বসানোর দায়ে চার জুয়ারী আটক

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
Image

এ আর হনিফঃ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে চলাচলরত ফেরিগুলোতে জুয়ারীদের উপদ্রব বেড়েছে।



 এসব জুয়াড়িরা ফেরিতে জুয়া খেলার আয়োজন করে নিঃস্ব করছে যাত্রী ও চালকদের। 


শুক্রবার (২০ মে) দিবাগত রাতে দৌলতদিয়ার ৫নং ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো ফেরি কেরামত আলী মাঝ নদীতে পৌঁছালে যাত্রী বেশে থাকা নৌ-পুলিশ চার জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে।


তারা হলেন- গোয়ালন্দ উপজেলার উত্তর দৌলতদিয়া সিদ্দিক কাজীপাড়া এলাকার মৃত মোবারক মোল্লার ছেলে বরকত মোল্লা (৪২), উত্তর দৌলতদিয়া ঢল্লাপাড়া এলাকার মৃত নবু খাঁর ছেলে নুরু খাঁ (৫৩), বাহিরচর দৌলতদিয়া শাহাদৎ মেম্বারপাড়া এলাকার অকেল মোল্লার ছেলে উসমান মোল্লা (৫৪) ও একই গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে সাগর হোসেন (৩৭)।


গ্রেফতার জুয়াড়িদের দেওয়া ভাষ্যমতে একই গ্রামের মৃত মোহন সিকদারের ছেলে রেজাউল সিকদারও (৩০) ফেরিটিতে ছিলেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যান।


 এ সময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে তাস, কুপি বাতি, জুয়া খেলার একটি বোর্ড ও নগদ টাকা জব্দ করে। তাদেরকে আজ দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুল হক খান।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে নেশা ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে উসমান মোল্লা ফেরিতে জুয়া খেলার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। কারাগার থেকে গত বৃহস্পতিবার বের হয়ে আবার ফেরিতে জুয়া খেলা শুরু করেন।


ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় রাতে ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি মাঝ নদীতে পৌঁছলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা থেকে তারা ফেরিতে উঠে পড়ে। 


ফেরির এক কোনায় কুপি বাতি জ্বালিয়ে প্রথমে নিজেরা ৪-৫ জন বসে তাস নিয়ে খেলা শুরু করে। এ সময় যাত্রী বা গাড়ি চালক খেলায় আগ্রহ দেখালে সংঘবদ্ধ সদস্যরা টাকা পয়সা, মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নেয়। কেউ এগিয়ে গেলে ধারালো ছুরি বা চাকু দিয়ে আঘাত করে দ্রুত নৌকা নিয়ে সটকে পড়ে।


দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫নং ঘাট থেকে ছাড়া কেরামত আলী রো রো ফেরিতে জুয়াড়ি চক্রের সদস্যরা উঠছে সংবাদ পেয়ে যাত্রী বেশে কয়েকজন পুলিশ আগে থেকে অবস্থান নেয়। ফেরিটি কিছু দূর যেতেই কুপি বাতি জালিয়ে জুয়া খেলা শুরু করলে হাতেনাতে চার জনকে আটক করি।’


তিনি আরও বলেন, ‘এরা নেশার সঙ্গে জড়িত থাকায় টাকা জোগাড় করতে এ ধরনের কাজে জড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি ফেরিতে পুলিশ দেওয়া সম্ভব হয় না। যে ফেরিতে পুলিশ থাকে না নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ফেরিতেই জুয়ার আসর বসায়। এ ছাড়া যে ফেরিতে তারা জুয়ার আসর বসায়, সেই ফেরিতে থাকা ডিম বিক্রেতা, ঝাল মুড়ি বিক্রেতাসহ বিভিন্ন হকাররা জুয়াড়িদের গোপনে খবর আদান প্রদান করে। বিনিময়ে জুয়াড়িরা হকারদের কিছু টাকা দেয়।’



আরও খবর



গাইডলাইনটি বেশ সহায়ক

স্নাতক পর্যায়ে আইসিটি বিভাগের কারিকুলাম হালনাগাদ

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বিশ্ববদ্যিালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।


বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই/আইটি/আইসিই/আইসিটি বিষয়ে ক্যারিকুলাম হালনাগাদে এই গাইডলাইন বেশ সহায়ক হবে বলে মনে করে ইউজিসি।


বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সহযোগিতায় এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়।


ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে দেশের তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাত সদস্যের কমিটি এই গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে।


 


জাপানে ১০ হাজার আইটি ইঞ্জিনিয়ারের কর্মসংস্থান তৈরি, আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা বাড়াতে ইউজিসি, বিসিসি ও জাইকা যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানায় ইউজিসি।

 

ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগমের হাতে বুধবার স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইনের কপি হস্তান্তর করা হয়।


সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইনামুল কবির, জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিরোকি ওয়াটানাবে, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, ইউজিসির ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন এবং ট্রেনিং বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, দেশর তরুণ প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে গড়ে তুলতে হলে প্রযুক্তির শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।


আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য এই গাইডলাইন বেঞ্চমার্ক হিসেবে কাজ করবে। এই গাইডলাইন বাস্তবায়নে ইউজিসি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে।  


তিনি আরও বলেন, এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার পাঠ্যক্রম হালনাগাদ করা হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটরা এগিয়ে থাকবে।

 

অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার ক্যারিকুলাম প্রণয়ন করা হলে আইসিটি সেক্টরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ঘাটতি কমবে। এটি আইসিটি শিক্ষার গুণগত মান বাড়াবে। এর মাধ্যমে আইসিটি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি হবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটদের চাহিদা বাড়বে।  


জাপানে আইটি পেশাজীবীদের মাননিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা আইটিইইসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশি গ্রাজুয়েটরা ভালো করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


জাপানের ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে দেশের আইটি গ্রাজুয়েটরা যাতে ভালো ফলাফল করতে পারে সেজন্য দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করে ইউজিসি। এই কর্মশালার সুপারিশ মোতাবেক এই গাইডলাইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।  



আরও খবর



নাসিরনগরের ১৩ ইউনিয়নে অসহায় ও বৃদ্ধদের মাঝে নাজির মিয়ার ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৫ May ২০২২ | ১৪৩জন দেখেছেন
Image


নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,সংবাদদাতাঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার

নাসিরনগর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের বিভিন্ন অসহায় বয়স্ক ও গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া ও তার স্ত্রী রোমা আক্তার।


নাজির দম্পত্তি পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরেই পবিত্র ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন থেকে উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারে গিয়ে ঘুরে ঘুরে" ঈদের খুশীতে ঈদ উপহার বিতরণ করেন করেন এ সব মানুষের মাঝে।এ সময় শুধু নাজির মিয়া নয় তার স্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান,ও সাবেক উপজলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মরহুম লেঃ অবঃ গোলাম নূরের কন্যা রুমা আক্তার ও গোলামনুরের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আরমান নূর ও সাথে ছিলেন।


এ সময় তারা স্থানীয় সাংবাদিকদের জানায় আগামী নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রথম নারী সভাপতি পদপ্রার্থী রোমা আক্তার। তারা আরো জানন,এ পর্যন্ত নাসিরনগর সদর সহ চাতলপাড় ভলাকুট,গোয়ালনগর, কুন্ডা,গোকর্ণ,বুড়িশ্বর,ফান্দাউক,ধরমন্ডল,চাপরতলা,পূর্বভাগ,গুনিয়াউক হরিপুর ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন স্থানে ঈদ উপহার হিসেবে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরন করা হয়েছে।


এই সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোঃ কিরণ মিয়া,সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ মোঃ আব্দুল আহাদ, কৃষক লীগ নাসিরনগর উপজেলা শাখার সদস্য  সচিব এস এম নূরে আলম,গোকর্ন ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি এডঃ মিজানুল হক, দৈনিক সময়ের কাগজ প্রতিনিধি নিহারেন্দু চক্রবর্তী, কৃষকলীগ নেতা বাচ্চু তালুকদার,এনায়েত হোসেন, গোলাম মোহাম্মদ তারেক, পারভেজ মোশাররফ,মনির হোসেন,আনোয়ার হোসাইন,সাদ্দাম হোসেন,এস কে সুমন,শেখ সাদী সহ আরো অনেকে।  এ সময় আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া ও রোমা আক্তার নাসিরনগরের সর্বস্তরের জনগণের সাথে গণসংযোগ ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।



আরও খবর