Logo
আজঃ বুধবার ২২ মে ২০২৪
শিরোনাম

ইনফিনিক্সের ২৬০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৪০৮জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: ২৬০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার বাজারে এনেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। মাত্র সাড়ে ৭ মিনিটেই ফোনের চার্জ পূর্ণ করবে এ চার্জার। গতকাল প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে তাদের ১১০ ওয়াটের ওয়্যারলেস ফাস্ট চার্জারও উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন চার্জিং প্রযুক্তিতে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল ইনফিনিক্স। 

গ্রাহককে অলরাউন্ড ফাস্ট চার্জ সমাধান দিতে আসন্ন নোট সিরিজে এ চার্জার অন্তর্ভুক্ত করবে ইনফিনিক্স। ২৬০ ওয়াটের এ অলরাউন্ড ফাস্ট চার্জার দিয়ে মাত্র ১ মিনিটেই ফোন চার্জ করা যাবে শূন্য থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। আর শূন্য থেকে সম্পূর্ণ চার্জ হতে সময় লাগবে মাত্র ৭ দশমিক ৫ মিনিট। এছাড়া ১১০ ওয়াটের ওয়্যারলেস ফাস্ট চার্জার দিয়ে মাত্র ১৬ মিনিটে পুরো চার্জ করা যাবে ইনফিনিক্সের ফোন। 

ইনফিনিক্সের অত্যাধুনিক এ অলরাউন্ড ফাস্ট চার্জ প্রযুক্তি যেকোনো পরিবেশে গ্রাহকের চার্জিংয়ের প্রয়োজনীয়তা মেটাতে পারবে। ফাইভজির এ যুগে ফোন চার্জ নিয়ে সব দুশ্চিন্তা থেকে গ্রাহককে মুক্তি দেবে এ প্রযুক্তি। 

ইনফিনিক্সের প্রথম প্রজন্মের অলরাউন্ড ফাস্ট চার্জ সলিউশন ব্যবহার করে গ্রাহক এখন স্থানভেদে বিভিন্ন উপায়ে নিজেদের ফোন চার্জ দিতে পারবেন। দ্রুত, সহজ, স্মার্ট ও নিরাপদ চার্জিং সমাধান পাওয়া যাবে কোনো পাওয়ার সোর্সে আটকে না থেকেও। 

উদ্ভাবনী এ সলিউশনে তার যুক্ত ও তারহীন ফাস্ট চার্জিং ছাড়াও আছে রিভার্স চার্জিং, বাইপাস চার্জিং এবং মাল্টি প্রটোকল চার্জিংয়ের মতো ব্যবস্থা। ফলে ফাস্ট চার্জিংয়ে অনন্য অভিজ্ঞতা দেবে ইনফিনিক্স। রিভার্স চার্জিং ব্যবস্থা থাকায়, এখন থেকে ফোনই হবে পোর্টেবল চার্জার। একই সঙ্গে নাইট চার্জিং ও বাইপাস চার্জিংয়ের মতো ইনটেলিজেন্ট চার্জিং ব্যবস্থা এবং মনিটরিং ফিচারও থাকছে নিরাপদ চার্জিংয়ের জন্য। পাশাপাশি এ ফিচারগুলো ফোনের ব্যাটারির তাপমাত্রা কমিয়ে রাখে এবং ব্যাটারি লাইফ বাড়াতে সাহায্য করে। 

ইনফিনিক্সের উদ্ভাবনী এ সমাধানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে চার্জিংয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ব্যবহার করা হয়েছে ১৪০টির বেশি প্রটেকশন মেকানিজম এবং ২০টির বেশি টেম্পারেচার সেন্সর। যার ফলে প্রতিকূল পরিবেশেও ব্যবহার করা যাবে ইনফিনিক্সের ফোন।


আরও খবর



তৃষ্ণার্ত মানুষের জন্য খাবার পানি সরবরাহ করছেন কাফরুল থানা পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:বর্তমান সময়ে গরমের খুব খারাপ পরিস্থিতি। আর এই গরমে রিক্সাওয়ালা থেকে শুরু করে দিনমজুর ও রাস্তার খেটে খাওয়া মানুষের খাবার পানি সরবরাহ করছেন কাফরুল থানা পুলিশ। 

কাফরুল  থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফারুকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ ঘর থেকে বের হওয়া খুব কষ্টকর ব্যাপার। আর যারা জীবিকার তাকিদে ঘর থেকে বের হচ্ছে তারা সারাদিন খুব কষ্ট করছে। তাই তাদের এই কষ্ট দূর করার জন্য আমাদের এই সামান্য উদ্যোগ। বিশেষ করে যারা রিক্সাওয়ালা শ্রমজীবী মানুষ রয়েছেন তাদের জন্য আমাদের এই উদ্যোগ। 

হঠাৎ করে কেনই ব্যতিক্রম  উদ্যোগ হাতে নিলেন সেই প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, আমরা যারা পুলিশ তারা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করি। সেই দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার জন্য এই পানির ব্যবস্থা করা।এছাড়া কাফরুল  থানার বিভিন্ন জায়গায় ১৫০০ পানির  বোতল বিতরণ করা হয়।

আরও খবর



মেহেরপুরে খরার কবলে বোরো আবাদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মে 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ১৯০জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃচলতি মৌসুমে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে মেহেরপুরের জনপদ। এমন অবস্থায় খরার কবলে পড়েছে বোরো ধানের আবাদ। সেচ দিতে দিতেই শুকিয়ে যাচ্ছে বোরো ধানের জমি।

একদিকে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে আবার মাটি শুকনা থাকায় দ্রুত শুষে নিচ্ছে পানি। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সম্পুরক সেচ দিয়ে বোরো ধান টিকিয়ে রাখার পরামর্শ কৃষি বিভাগের। তবে এতে চাষ খরচ বেড়ে যাচ্ছে দিগুন থেকে তিনগুণ। অনেকেই ধান ক্ষেত পরিপক্ক হবার আগেই কেটে ফেলছেন।

কৃষি বিভাগের হিসেবে মেহেরপুর জেলায় চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো ১৯ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে। তবে চাষ হয়েছে ১৯ হাজার ৯৭ হেক্টর। বর্তমানে ধানে থোড় থেকে শীষে রুপ নিয়েছে। আবার অনেক এলাকায় ধানক্ষেত অর্ধ পরিপক্ক। এমন এক সময় খরার কবলে পড়েছে বোরো আবাদ। তীব্র তাপদাহে ধানের জমির মাটি শুকিয়ে যাচ্ছে।

কৃষকরা জানান, জমিতে এখন প্রতিদিন সেচ দেওয়া লাগছে। এদিকে অতি তাপদাহের কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় শ্যালো ম্যাশিনে পানি উঠছে কম। ফলে সময় বেশি লাগায় এক লিটার ডিজেলের পরিবর্তে কোন কোন জমিতে প্রতিদিন দুই লিটার করে ডিজেল খরচ হচ্ছে। এতে বোরো ধান চাষের উৎপাদন খরচ বেড়ে হয়ে যাচ্ছে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ। ফলে এবার বোরো চাষে লোকসানের আশঙ্কা করছে চাষীরা। তাই ক্ষেতের ধান পরিপক্ক হবার আগেই অনেকেই কেটে ধানক্ষেত কেটে ফেরছেন।

সহড়াবাড়িয়া গ্রামের ধানচাষি গোলাম কিবরিয়া জানান, প্রচ- খরায় একদিকে যেমন ক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে দেখা দিয়েছে পোঁকার আক্রমন। বালাইনাশক ব্যবহারেও কোন কাজ হচ্ছে না। মাস খানেক আগে যে জমিতে সপ্তাহে দুদিন সেচ দিতে হতো, সেই জমিতে এখন প্রতিদিন সেচ দিতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ছে অনেক গুন। চাষীদের দাবী লোকসান থেকে বাঁচাতে ধানের দাম যেনো মণ প্রতি ১৫ থেকে ১৬শ টাকা থাকে। তা না হলে অনেক লোকসান হয়ে যাবে।

বালিয়াঘাট গ্রামের চাষি নাহারুল জানান, রোদে ক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে। সেচ দিয়ে টিকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। কাচা ধান কেটে ফেলা হচ্ছে। এতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না। কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখিন।

গাংনীর জুগির গোফা গ্রামের কৃষক আবুল হাসেম জানান, ধান আবাদ করে এবার লোকসান গুনতে হবে। সেচের পানিতে এবার উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। পুরোপুরি ধান পাকতে আরো ১৫/২০ দিন সময় লাগবে। প্রতিদিন পানি দেয়া সম্ভব না তাই অপরিপক্ক ধান কেটে নিচ্ছেন তিনি। একই কথা জানালেন বাথানপাড়ার আব্দুল মান্নান। তার আড়াই বিঘা জমির ধান বাধ্য হয়ে কেটে ফেলেছেন।

সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের চাষী আলামিন জানান, খরাতে শুকিয়ে যাচ্ছে ধানের শীষ পাশাপাশি বেড়েছে পোকার আক্রমন। বিষ দিয়ে কোনো কাজ হচ্ছেনা। যে জমিতে সপ্তাহে তিনদিন সেচ দিয়েই চলতো সেই জমিতে এখন প্রতিদিন সেচ দিতে হচ্ছে। ফলে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে এবার। চাষীদের দাবী লোকসান থেকে বাঁচাতে ধানের দাম যেনো মণ প্রতি ১৫ থেকে ১৬শ টাকা থাকে। তা না হলে অনেক লোকসান হয়ে যাবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান, এবার দীর্ঘদিন খরার চলছে। ফলে জমির মাঝে মাঝে কিছু শীষ মরে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় জমিতে সেচ দিয়ে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি পানি জমিয়ে রাখার এবং পোকামাকড় দমনে কীটানাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের ২৮৫ কৃষি উদ্যোক্তা পেলেন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৩৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:(১৯ মে) সুনামগঞ্জ সদরের প্রিয়াঙ্গন কমিউনিটি সেন্টারে জেলার ১২টি উপজেলার ২৮৫ জন নির্বাচিত কৃষি উদ্যোক্তাকে নিয়ে দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)-র ‘ভরসার নতুন জানালা’ শীর্ষক দেশব্যাপী কৃষি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক আমিনুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন ইউসিবি পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি এটিএম তাহমিদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিভির কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘মাটি ও মানুষ’-এর জনপ্রিয় উপস্থাপক ও কৃষি বিশ্লেষক রেজাউল করিম সিদ্দিক। ইউসিবির দিরাই শাখা ব্যবস্থাপক মো. জাফর সাদেক ও উপায়’এর সেলস অ্যান্ড সার্ভিসের চিফ বিজনেস অফিসার মো. মাহবুব সোবহানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কৃষি সবসময়ই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। এই খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ও কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতায় আরও বেশি মানুষকে সক্ষম করে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ‘ভরসার নতুন জানালা’ শীর্ষক এই কৃষি প্রকল্প গ্রহণ করে ইউনাইডেট কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি। ইতিমধ্যে দেশের ৪৯টি জেলায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ৫০তম জেলা হিসেবে সুনামগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো এই দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি।

অনুষ্ঠানে ইউসিবির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি এটিএম তাহমিদুজ্জামান বলেন, “দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে, সময়োপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতায় কৃষি উদ্যোক্তাদের অগ্রসর করে তোলাও জরুরি। জলবায়ু-সহিষ্ণু ও টেকসই কৃষি উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী কৃষকদের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ইউসিবি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এধরণের প্রশিক্ষণ টেকসই সমাধান প্রদান ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে উদ্ভাবনীর চর্চা উৎসাহিত করবে, যা কৃষিখাতের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধিও নিশ্চিত করবে”।

এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কৃষি উদ্যোক্তারা ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়ন, বাজার ও বিপণন সক্ষমতা তৈরি, এবং কৃষি-বিষয়ক ঋণ নীতি ও সুদহারের মতো কৃষিসংক্রান্ত কার্যক্রমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ধারণা লাভ করেন।

এই প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে সারাদেশ ৫৫ হাজার বৃক্ষরোপণ, ৩ হাজার কৃষি উদ্যোক্তাকে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ‘আরো মাছ (মোরফিশ)’ ডিভাইসের মতো কৃষি-সংক্রান্ত স্মার্ট ডিভাইস বিতরণ, এবং তামাকের বিকল্প শস্য হিসেবে গম ও ভুট্টা চাষে কৃষকদের উৎসাহী করে তোলার মতো বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 


আরও খবর



সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদে ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর। দুর্নীতির অভিযোগে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

সোমবার (২০ মে)  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তার (আজিজ আহমেদ) কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের অবমূল্যায়ন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা কমেছে। এছাড়া আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতা এড়াতে সহযোগিতা করেন।

এসময় তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন বলেও জানায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। এছাড়া অন্যায্যভাবে সামরিক খাতে কাজ পাওয়া নিশ্চিত করতে তিনি তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি নিজের স্বার্থের জন্য সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুস নিয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসন শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনরায় নিশ্চিত করা হলো। সরকারি সেবা আরও স্বচ্ছ ও নাগরিকদের সেবা লাভের সুযোগ তৈরি, ব্যবসা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মুদ্রা পাচার ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার নিশ্চিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টায় সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

সাবেক জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদকে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ফরেন অপারেশন অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্টের ৭০৩১ (সি) ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর।

এই পদক্ষেপের ফলে আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।


আরও খবর



ডোমার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮জন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যপক প্রচারণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মে 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে আগামী ৮ মে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮জন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দিন রাত দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে।

নির্বাচনে জয়ী হতে তারা তাদের কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে হাট, বাজার, পাড়া মহল্লায় পথসভা,উঠান বৈঠক, মিছিল মিটিং করে ব্যস্ত সময় পাড় করছে। পেষ্টারে ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। বিকাল হলেই শুরু হয় প্রার্থীদের নামে গান বাজনার তালে তালে গুনো কির্তন। দোয়া ও আর্শিবাদের পাশাপাশী নিজের মার্কায় ভোট চেয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ছে তারা।

এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জনসহ মোট ২১ জন বৈধ্য প্রার্থী মাঠে কাজ করছে।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন, মতিউর রহমান রুবেল (উড়ো জাহাজ),রাশেদুজ্জামান রাশেদ (টিয়াপাখি), রোকনুজ্জামান রানা (বৈদ্যুতিক বাল্ব), রনজিৎ কুমার রায় (বই),জামাল উদ্দিন (মাইক), মাসুম বিল্লা (তালা), দিলিপ কুমার মুখোপাধ্যায় (টিউবওয়েল) এটিএম মিরাজুল কবির (চশমা), মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছে। এখন জনমনে অপেক্ষার পালা ৮ তারিখের নির্বাচনে কে হতে পারে ভাইস চেয়ারম্যান। উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৭ হাজার ৫শত ৭১। মোট কেন্দ্র ৭৫ এবং বুথ সংখ্যা হবে ৫শত ৮৫টি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা নুরে আলম।


আরও খবর