Logo
আজঃ Monday ০৮ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড নিখোঁজ সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের আত্মীয় পরিচয়ে বদলীর নামে ঘুষ বানিজ্য

ইমরান খান গ্রেফতার হলে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১২৪জন দেখেছেন
Image

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গ্রেফতার হবেন, দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহর এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তার দল। শুধু তাই নয় তীব্র আন্দোলনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পিটিআই নেতারা।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ রোববার (৫ জুন) ইমরান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, একজন ব্যক্তি যিনি দেশে অরাজকতা উসকে দেন, নৈতিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা করেন, এমনকি প্রতিপক্ষকে বিশ্বাসঘাতক ও ইয়াজিদও বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে এমন ব্যক্তি কিভাবে রাজনৈতিক দলের প্রধান হন? ইমরান খানের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, জামিনের মেয়াদ শেষ হলে ইমরান খান গ্রেফতার হবেন।

রানা সানাউল্লাহর এ বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে পিটিআই ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশি সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, যদি দলের চেয়ারম্যান গ্রেফতার হন তবে তীব্র আন্দোলনে যাবে পিটিআই নেতা-কর্মীরা।

পার্টির কোর কমিটির বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে শাহ মাহমুদ কুরেশি আরও বলেন, ইমরান খান গ্রেফতার হলে পিটিআই কঠোর পদক্ষেপ নেবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পেশওয়ার থেকে ফেরার পর তার বানি গালার বাসভবনে এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন।

কুরেশি আরও বলেন, রানা সানাউল্লাহ যে ইমরান খানকে হুমকি দিয়েছেন তা সবাই শুনেছেন। তিনি বলেন, ইমরান খানকে গ্রেফতার করা হবে একটি রাজনৈতিক ভুল। যদি এটি ঘটে থাকে তাহলে দলের নেতাকর্মীদের এখনই প্রস্তুত নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

ইমরান খান গ্রেফতার হলে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

পিটিআইয়ের এই নেতা আরও বলেছেন যে, তার দলের কোর কমিটি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে।

ইসলামাবাদ অভিমুখে গত মে মাসে ইমরান খানের ডাকা লং মার্চ বা আজাদি মার্চে সহিংসতার দায়ে তার বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। চলতি সপ্তাহে পেশওয়ার হাইকোর্ট সেই মামলায় ইমরান খানকে তিন সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন।

পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল মূলত ২০২৩ সালের আগস্টে। কিন্তু তার আগেই অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। অতীতের ধারা অনুসরণ করে পিটিআই নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের পতনও হয়েছে মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই।

সূত্র: জিও নিউজ


আরও খবর



জাবিতে ভর্তিচ্ছু সেজে মধ্যরাতে ফোন চুরি, শিক্ষার্থীদের হাতে ধরা

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ভর্তিচ্ছু সেজে আবাসিক হলের কমনরুমে রাতে অবস্থান করে ভর্তিচ্ছুদের মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক তরুণকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে আবাসিক শিক্ষার্থী ও হল প্রশাসন।

বুধবার (৩ আগস্ট) দিনগত রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের কমনরুমে এ ঘটনা ঘটে।

আটক তরুণের নাম আরিফ হোসেন (২৩)। তার বাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভর্তিচ্ছু সেজে আরিফ হোসেন হলের এক আবাসিক ছাত্রের কক্ষে ওঠেন। রাতে তিনি সে কক্ষে না ঘুমিয়ে হলের কমনরুমে অন্যান্য ভর্তিচ্ছুদের সঙ্গে ঘুমান। সেখানে তিনি রাত ৩টা পর্যন্ত অবস্থান করে চারটি মোবাইল ফোন চুরি করে রুম ত্যাগ করেন। তার রুম ত্যাগ করার বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে এক ভর্তিচ্ছু অন্যান্যদের ঘুম থেকে ডেকে মোবাইল-ফোন, মানিব্যাগ ঠিকঠাক আছে কি না জানতে চান। এ সময় চারজনের মোবাইল ফোন চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

রাতেই এ ঘটনা জানাজানি হলে দ্রুত হলের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। পরে হল মনিটিরিং সেলের অভিযান ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরিফকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সকালে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা) সুদিপ্ত শাহিন জাগো নিউজকে বলেন, অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



নিষিদ্ধ হচ্ছে সাকার ফিশ

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৩ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

দেশের সব ধরনের জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যাকুয়ারিয়ামের শোভাবর্ধক ও আবর্জনাভুক ‘সাকার’ মাছ। দ্রুত বংশবিস্তারের মাধ্যমে দখল করছে অন্য মাছের আবাসস্থল। উন্মুক্ত জলাশয়ের মাছের ডিম ও নিচের শ্যাওলা-আবর্জনা খেয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে খাদ্যশৃঙ্খলে। খাবার হিসেবে অত্যন্ত নিম্নমানের এই মাছ দ্রুত দখল নিচ্ছে জলাশয়ের। সব মিলিয়ে এটি এখন দেশি মাছের জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে এবার মাছটি নিষিদ্ধে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আইনগতভাবে এই মাছটি আমদানি, উৎপাদন, বিপণনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর থেকে এই দুই প্রজাতির মাছ আমদানি, উৎপাদন, বিপণন বন্ধ রয়েছে। এরই ধারবাহিকতায় নিষিদ্ধ হচ্ছে আবর্জনাভুক সাকার ফিশ।

২০০৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পিরানহা ও ২০১৪ সালের ১০ জুন আফ্রিকান মাগুর আমদানি, উৎপাদন, বিপণন নিষিদ্ধ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রকাশিত হয়। কিন্তু এরপরও পিরানহা মাছ রূপচাঁদা নামে এবং ছোট আকারের আফ্রিকান মাগুর বিক্রি করা হচ্ছে দেশি মাগুর বলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নানান সময়ে বিপুল পরিমাণের আফ্রিকান মাগুর এবং পিরানহা মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিস রুলস, ১৯৮৫ এর কয়েকটি ধারা সংশোধন করে আফ্রিকান মাগুরের উপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিদেশ থেকে আফ্রিকান মাগুর ও পিরানহা মাছ, মাছের রেণু ও পোনা আমদানি করলে জেল জরিমানার বিধান রেখে মৎস্য সংগনিরোধ আইন-২০১৭ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ। এই আইন অমান্য করলে দুই বছরের জেল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

jagonews24

সংশ্লিষ্টরা জানান, দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অববাহিকার সিলারিফর্মস বর্গের লোরিকারিডাই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত সাকার মাছ। আমাদের দেশে ‘সাকার’, ‘প্লেকো’ এবং স্থানীয়ভাবে ‘চগবগে’ নামেও পরিচিত। মাছটি বর্তমানে উন্মুক্ত জলাশয় ও চাষের পুকুরে পাওয়া যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। স্বাদু পানির এ মাছটি শ্যাওলা পরিষ্কারক বাহারি মাছ হিসেবে সাধারণত অ্যাকুরিয়ামে ব্যবহার করা হয়।

মৎস্য সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০১ বা ২০০২ সালের দিকে ইউরোপের এক কূটনীতিক মেয়াদ শেষে চলে যাওয়ার আগে ঢাকার গুলশান লেকে কয়েকটি সাকার মাছ ছেড়ে দেন। এরপর সেখান থেকেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এটি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত সাকার ফিশ ১৬ থেকে ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। এটি পানি ছাড়াই প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাঁচতে পারে। মৎস্য আইন ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে দেশীয় প্রজাতির মাছের ক্ষতি করে এমন যে কোনো বিদেশি মাছ আমদানি ও চাষ দণ্ডনীয় অপরাধ।

জেলেরা জানান, বুড়িগঙ্গাসহ দেশের কিছু নদ-নদীতে জাল ফেললে দেশীয় মাছের চেয়ে সাকার মাছই বেশি উঠছে। এসব মাছ পেলে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। অন্যথায় এসব মাছ আবার অন্য মাছের ডিম খেয়ে ফেলে। দেশীয় মাছ ধ্বংস করে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধান না হলে সাকার মাছের সংখ্যা আরও বাড়বে।

ক্ষতিকর প্রভাব

দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে বিধায় উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি ও প্রজননে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। দেশীয় প্রজাতির মাছের সঙ্গে খাদ্য ও পরিবেশ নিয়ে প্রতিযোগিতা করে। এ মাছটি দ্রুত বংশবৃদ্ধিতে সক্ষম বলে জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়লে জলাশয়ের পাড়ে ১ দশমিক ৫ মিটার পর্যন্ত গর্ত তৈরি করে তা ধ্বংস করে।

jagonews24

দেশীয় প্রজাতির মাছের ডিম ও রেণু ভক্ষণ করে মাছের বংশ বিস্তারে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। জলাশয়ের তলার শ্যাওলা ও জৈব আবর্জনা খায় বিধায় জলজ পরিবেশের সহনশীল খাদ্যশৃঙ্খলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। সাকার মাছের সঙ্গে স্বল্পায়ু, তৃণভোজী, খরাকাতর দেশীয় মাছের অসম প্রতিযোগিতা হয় বলে দেশীয় মাছের উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংসসহ নানাবিধ ক্ষতি করে।

এসব বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক জাগো নিউজকে জানান, সাকার ফিস অফিসিয়ালি বাংলাদেশে আসেনি। কোনো না কোনোভাবে এটি বাংলাদেশে আসছে। এটা নিষিদ্ধের জন্যও গেজেট হচ্ছে। সেটার যে প্রক্রিয়া লাগে সেটি আমরা করছি। আমাদের আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং হবে। এরপর এটি জিও হিসেবে জারি হবে। শিগগির এটির গেজেট প্রকাশ হবে।

তিনি আরও বলেন, পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর নিষিদ্ধ করে গেজেট হয়েছে। এখন মেজর কোনো জায়গায় গেলেই যে পিরানহা বা আফ্রিকান মাগুর পাওয়া যাবে এমন কিন্তু না। পিরানহা কোথাও কোথাও গোপনে থাকতে পারে, কিন্তু সেটা তেমন প্রকাশ্যে আসে না। এটার বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। গণমাধ্যমে সে খবরও আসে জেল-জরিমানা করার বিষয়ে। সেজন্য এটি এখন শূন্যের কোঠায় এসে গেছে।


আরও খবর



ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১০৯ প্রতিষ্ঠানকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

ভোক্তাস্বার্থ বিরোধী বিভিন্ন অপরাধে ঢাকাসহ দেশের ১০৯টি প্রতিষ্ঠানকে ১১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) অধিদপ্তরের ঢাকার প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের ৫৩ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৪৬টি জেলায় বাজার তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়। এসব অভিযানে এসব জরিমানা করা হয়।

ঢাকার কাপ্তান বাজার, স্টেডিয়াম মার্কেট, শান্তিনগর, আনন্দ বাজারসহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এ অভিযান চলে।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোক্তা অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট, প্যাম্ফলেট বিতরণসহ হ্যান্ডমাইকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ (ক্যাব) সংশ্লিষ্ট শিল্প বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা এ অভিযানে সহযোগিতা করেন।


আরও খবর



করোনায় ৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৮৪

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ০৩ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ২৫৬ জনে। একই সময়ে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৮৮৪ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২০ লাখ ২৭৯ জনে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


আরও খবর



‘চাকরিতে বেতন কম, মাসে একটি ডাকাতি করলে বেশি টাকা’

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ৩১ July ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর লালবাগসহ ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় স্বর্ণের দোকান, বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকে ডাকাতি করে আসছিল একটি চক্র। বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ডাকাতির সময় হত্যার মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে চক্রের সদস্যরা।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা ডাকাত সরদাররা নতুন করে দল গোছায়। কারাগারে থাকা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের প্রলোভন দেখিয়ে নতুন সদস্যদের নিয়ে দল গড়ে আবারও ডাকাতির পরিকল্পনা করে। করোনার কারণে চাকরিতে বেতন কম, কিন্তু মাসে একটি ডাকাতি করলে তার চেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যাবে এমন প্রলোভন দেখাতো কারাগারে থাকা ডাকাতরা।

এরই ধারাবাহিকতায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রটিকে ধরতে নজরদারি বৃদ্ধি করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুরান ঢাকার মিডফোর্ড এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

jagonews24

গ্রেফতাররা হলেন- সুমন চৌকিদার ওরফে সুমন মিয়া (৩৪), মো. মোস্তফা (৩২), মো. আরিফ হোসেন (৩৪), মো. পলাশ (৩২), মো. করিম (২৫), মো. হাসান (১৮), রিপন ওরফে আকাশ (২৪), জয়নাল আবেদিন (৩১), মো. ওমর ফারুক ফয়সাল (২০), রাসেল (২৪) ও মো. হাফিজুল ইসলাম (৩৩)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, বড় ছোরা, রামদা, দুটি চাপাতি, পাটের রশি, গামছা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি সিএনজি ও একটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়। এসব গাড়িতে করে বিভিন্ন সময় ডাকাতি করে নিজেরাই ব্যবহার করছিলো।

বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

jagonews24

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি ডাকাত দল রাজধানীর লালবাগ, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার ও গাজীপুর এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে স্বর্ণের দোকান, বাস ও ট্রাকে ডাকাতি করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ আসে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে। পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ অভিযান চালিয়ে আজ বুধবার জুলাই ভোর রাতে পুরান ঢাকার মিডফোর্ড এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময়ে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার চক্রের মূলহোতা সুমিন চৌকিদার ওরফে সুমন মিয়া ডাকাতি করতে গিয়ে একটি স্বর্ণের দোকানের কর্মচারীকে হত্যা করে। ডাকাত দলের প্রধান সুমনের বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা ও পাঁচটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। পাশাপাশি গ্রেফতার দলের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতাররা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতি ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

ডাকাত দলগুলো কীভাবে বিদেশি অস্ত্র পাচ্ছে জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, তারা অস্ত্র কীভাবে পেলেন জানার জন্য রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাবাদ করা হবে।

jagonews24

ডাকাত প্রতিরোধে থানা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি সতর্ক রয়েছে জানিয়ে হারুন অর রশীদ বলেন, গোয়েন্দা পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যাওয়া ডাকাত সরদাররা নতুন করে দল গোছায়। তারা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নতুন নতুন সদস্যদের নিয়ে দল গড়ে আবারও ডাকাতি করে। করোনার কারণে চাকরিতে বেতন কম, কিন্তু মাসে একটা ডাকাতি করলে তার চেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যাবে এমন প্রলোভন দেখাতো ডাকাত দলের সদস্যরা।

ডাকাত দলের নেতা সুমনের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, দস্যুতাসহ ১৬টি মামলা ও ৫টি গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল বলেও জানান গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা।


আরও খবর